Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

41

রূপসায় ভোক্তা অধিকারের বাজার তদারকিতে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার

রূপসা উপজেলার রূপসা বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা জেলা কার্যালয়ের বাজার তদারকিতে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৭হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল রবিবার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জরিমানার আদেশ প্রদান করেছেন।
জেলা কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, এই অভিযানে রূপসা বাজারে তদারকি করে সৌদিয়া বেকারিকে খাদ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য মিশ্রন (স্যাকারিন), মেয়াদবিহীন ফেবার, রং ব্যবহার করায় ৫হাজার, মূল্য তালিকা না থাকায় জাকির মিট শপকে ৫শ’, নূর রেস্টুরেন্টকে ৫শ’, নূসরাত হোটেলকে ১৫০০শ’ টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।
এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানোসহ সচেতন করা হয়। এই পরিদর্শন মূলক বাজার অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেন ৩ এপিবিএন, শিরমনি খুলনা, ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রূপসা, খুলনা। জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২০০ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর লবণচরা থানাধিন সুড়িখালী বটতলা এলাকার মো. সেকেন্দার শেখ এর ছেলে মো. আল মামুন শেখ (৩৬), খালিশপুর এসও ক্রস রোডের লাবনীর বাড়ীর ভাড়াটিয়া হান্নান শেখ এর ছেলে মো. বাবু শেখ (২৮), ১৫০, হাউজিং এস্টেট এনাম ভিলার মৃত. এনামুল হক এর ছেলে মো. সাকিবুল হক তামিম (৩০), এনই/১৭, বঙ্গবাসী মনির হাজী মসজিদের পাশের রোডের বাসিন্দা আব্দুল মালেক হাওলাদার এর ছেলে মো. ওহিদুজ্জামান ওরফে ওয়াহিদ (৩২), দৌলতপুর দেয়ানা উত্তর পাড়া মুন্সি বাড়ীর সুলতান হাওলাদার এর ছেলে মো. মনির হোসেন (২৪) ও আড়ংঘাটা কাওড়া পাড়ার মৃত. জয়দেব দাস এর ছেলে সজল কুমার দাস (২৫)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ২০০ বোতল ফেন্সিডিল, ১৪০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৫টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

বটিয়াঘাটায় র‌্যাবের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন আমিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ৫ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার পলাতক আসামি হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার আমিরপুর গ্রামের মো. নওশের আলী খার ছেলে মো. আজিজুল খা (৩৪)।
র‌্যাব-৬ জানায়, ৫ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন আমিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বটিয়াঘাটা থানার মামলা নং-৪, তাং- ০৪/০৩/২০১৭ ধারা ৯৫/৩৯৭/৪১২ পেনাল কোড, জিআর-৩২/১৭(বটিঃ) এর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি আজিজুল খাকে গ্রেফতার করা হয়। বটিয়াঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে চুরির অপবাদে ১১ বছর বয়সী শিশু রাসেল হাওলাদারকে নির্যাতনের ঘটনায় ইউপি সদস্য মো. মোহসিন খানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে শিশুটির পরিবার।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিশুটির ফুফু রাহিলা বেগম বাদী হয়ে ইউপি সদস্য মো. মোহসিন খানকে আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। এদিকে ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন নির্যাতনকারী ইউপি সদস্য মো. মোহসিন খান।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, একটি শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় মোরেলগঞ্জ উপজেলার পুটিখালি ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মোহসিন খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আসামিকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব আটক করে ওই ইউপি সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ, শনিবার দুপুরে উত্তর পুটিখালি গ্রামের ওবায়দুল খানের ঘেরে গোসল করার সময় রসুলকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করেন ইউপি সদস্য মো. মোহসিন খান। পরবর্তীতে গুরুতর আহত অবস্থায় রসুলকে উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে তার পরিবার। রাসেলের বাম হাতে ফ্যাক্সার হয়েছে। সে এখন মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কপিলমুনিতে নকল বিড়িসহ আটক ১

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি

সরকারী শুল্ক ফাঁকি দিয়ে নকল ব্যান্ড রোল ব্যবহার করে মনির বিড়ির ১০ শলাকাসহ পুলিশ নাজমুল হোসেন (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। আটক নাজমুল সোলাদানা ইউনিয়নের রয়ারঝাপা গ্রামের নওশের আলী খাঁর ছেলে। শনিবার সকালে কপিলমুনি বাজারের ধান্য চত্বর থেকে থানা পুলিশের এসআই অনিষ মন্ডল তাকে আটক করেন। পরে তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর আদালতে নিলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটক নাজমুলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।

কপিলমুনির প্রধান সড়ক খোয়া উঠে গর্ত হয়ে গেছে

প্রায় সময় ঘটে দূর্ঘটনা

এইচ এম এ হাশেম, কপিলমুনি (খুলনা)

‘সেদিনও বেগুন নিয়ে আসার সময় ঠিক এই জায়গায় ভ্যান উল্টে গিয়েছিল। আজও সেই একই অবস্থা। সেদিন ভ্যান মেরামত করতে একগাদা টাকা খরচ করেছিলাম, আজও এক কাড়ি টাকা গচ্চা যাবে। আর পরা যায় না।’
খুলনা-পাইকগাছা প্রধান সড়কের কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজের গেটের সন্নিকটে পিচ খোয়া উঠে গর্ত হওয়া জায়গায় উল্টে যাওয়া মালবাহী ভ্যানের চালক করিম সরদার (৪৮) উপরোক্ত কথাগুলো বলছিলেন। কপিলমুনি বাজারে মালামাল নিয়ে আসা ভ্যান চালক করিমের ভ্যানটি বুধবার দুপুরে যখন উল্টে যায় তখন তিনি নিজে নিজেই খানিকটা রাখ-রাগ কন্ঠে কথা গুলো বলছিলেন, আর তখন তার সমস্ত শরীর ঘামছিল, চোখে মুখে পুরো শরীর জুড়ে কান্তি আর ক্ষোভের ছাপ দেখা যাচ্ছিল, ‘তিনি এ প্রতিবেদককে দেখে আরো বলেন বাবা একটু লেখেন, ছবি তুলে পেপারে দেন যদি কাজ হয়।’
চলতি বর্ষা মৌসুমে কপিলমুনি বাজারের প্রধান সড়কের কয়েকটি জায়গায় পিচ খোয়া উঠে গর্ত হয়ে যাওয়ায় যান বাহন ও পথচারী চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। তাছাড়া পুরো রাস্তা জুড়ে পঁচা কাঁদাপানি আবর্জনা আর দূগর্ন্ধ মানুষকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। প্রায় সময় গর্তে পড়ে ছোট খাটো যানবাহন ভেঙেচুরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। এ অবস্থা পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়ে হলেও যেন তার পরিবর্তন নেই, রাস্তা সংস্কারে নেই তেমন কোন উদ্যোগও। ফলে চরম দূর্ভোগের শিকার হতে চচ্ছে অসংখ্য মানুষকে।
পিকাপ চালক সাইফুল আলম বলেন, ‘প্রতিদিন দু’বার আমার গাড়ী নিয়ে এই রাস্তায় চলতে হয়, রাস্তার কয়েকটি জায়গা ভাঙাচোরা হওয়ায় আমার গাড়ীর টায়ার, পাতিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
প্রধান সড়কের সারের দোকানদার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে বিশেষ করে এ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী আনা নেওয়া করতে রোগীর জীবন বেরিয়ে যায়-যায় অবস্থা হয়। তাছাড়া রাস্তা দিয়ে চলতে গেলে গর্তে জমে থাকা পঁচা পানি গাড়ীর চাকায় ছিটকে লেগে গায়ের জামাকাপড় ভিজে যায়। রাস্তার গর্তের যা অবস্থা তাতে এক্ষুনি মেরামত করা দরকার, তা না হলে ওই গর্ত আরো বড় হয়ে সমস্যা সৃষ্টি হবে।’

পাইকগাছার সোলাদানা বাজার থেকে হরিখালী পর্যন্ত বৃক্ষরোপন উদ্বোধন

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সোলাদানা বাজার থেকে হরিখালী পর্যন্ত বৃক্ষরোপন উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে এর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। এলজিএসপি-এর অর্থায়নে সাড়ে ৬ শ নিমের চারাসহ ফলজ ও বনজ চারা রোপন করা হবে। এসয়য় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক, প্রশান্ত মন্ডল, অশেষ মন্ডল, রমেশ মন্ডল, রোকন উদ্দীন, প্রণব সরকার, মাসুম বিল্লাহ, পলাশ, ইব্রাহিম। পরে সোলাদানা বাজারস্থ ইউপি কার্যালয়ে চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হকের সভাপতিত্বে ইউপি সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি সদস্য কল্যাণী রানী মন্ডল, জেসমিন সুলতানা, আজিজুর রহমান লাভলু, আবুল কাসেম, ঠাকুর দাস সরদার, আবু সাঈদ মোল্যা, আঃ সবুর, রাজেশ কুমার মন্ডল, আবুবকর সিদ্দিক শিকারী, আনিছুর রহমান সহকারী হিসাব রক্ষক প্রকাশ বিশ্বাস ও রাজু।

যশোরের চৌগাছায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের স্মৃতিসৌধটি ভেঙে পড়ার

বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের চৌগাছার মুক্তারপুর গ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের স্মৃতিসৌধটি স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তারপুর বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ সংরক্ষণ কমিটি ও ভাষণের প্রত্যক্ষদর্শীরা। মাটি ধ্বসে স্মৃতিসৌধটি ভেঙে পড়ার আশংকার খবরে প্রাথমিকভাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরী মাটি ভরাট করে দেন। কিন্তু স্মৃতিসৌধটি স্থায়ী সংস্কার করার একান্ত দরকার বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এলাবাসী জানান, ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে আইনজীবী মসিয়ুর রহমানের সাথে বাইসাইকেলে বঙ্গবন্ধু এসেছিলেন সীমান্তবর্তী চৌগাছা অঞ্চলের মুক্তারপুর গ্রামে। কিন্তু পথে কয়ারপাড়ার আহমদ নগরে পৌঁছলে প্রচন্ড কাদায় আটকে যায় সেই বাইসাইকেল। হাঁটু সমান কাদা পার হয়ে স্থানে যাওয়া সম্ভবপর হচ্ছিল না।
এ অবস্থায় গ্রাম থেকে একটি গরুর গাড়িতে করে যান মুক্তারপুর গ্রামে। কয়ারপাড়া মাঠের মধ্যে এক পর্যায় আটকে যায় বঙ্গবন্ধু ও মসিয়ুর রহমানকে বহনকারী গরুর গাড়িটি। এ সময় ইছাপুরের সিরাজুল ইসলাম নিজের পরিহিত লুঙ্গি কাচা (হাঁটুর ওপরে লুঙ্গি পেচিয়ে মাজার সাথে বাঁধা) দিয়ে কাদায় নেমে পড়েন। গরুর গাড়ির চাকা সজোরে ধাক্কা দিয়ে উঠিয়ে দেন। এবং মুক্তারপুর গ্রাম পর্যন্ত তিনিসহ আরো কয়েকজন গরুর গাড়ি অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যান।
মুক্তারপুর গ্রামে পৌঁছালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মসিয়ুর রহমান দুপুরে ভাটাই বিশ্বাসের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া করেন। বিশ্রামের পর বিকেলে মুক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে জনসভায় বক্তব্য দেন। এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, তৎকালীন চৌসিংহঝুলী ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ও তৎকালীন ঝিকরগাছা থানার সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জোহা ভাটাই বিশ্বাস। এ সময় স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
জনসভার প্রত্যক্ষদর্শী ও অংশগ্রহণকারী মুক্তারপুর গ্রামের দাউদ হোসেন বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুকে দেখার জন্যে এবং তার কথা শোনার জন্যে জনসভায় অংশগ্রহণ করি। একই সাথে জনসভা শেষে বঙ্গবন্ধুর হাতে হাত রেখে আওয়ামী লীগে যোগদান করি।
তিনি আরো বলেন, ওই জনসভায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ১৯৫৪ সালের নির্বাচনটি তোমরা ভালোভাবে করবে। আমি জেলখানা থেকে বের হয়ে এসেছি। আবার আমাকে গ্রেফতার করা হবে। তাই তোমরা সজাগ থাকবে। হায়েনারা আমার পিছু ছাড়েনি।
এদিকে জনসভার দুইদিন পর জনসভার সভাপতিত্বকারী সামসুজ্জোহা ভাটাই বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং শারীরিক নির্যাতন চালায়।
বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সেই স্মৃতি আজো ভোলেননি এ অঞ্চলের মানুষ। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্যে গ্রামবাসীর অনুরোধে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে। কিন্তু স্মৃতিসৌধটি অযন্তঅবহেলায় পড়ে থাকে। এই খবরে যশোর-২ চৌগাছা-ঝিকরগাছা চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী জানান, আমরা নিজ উদ্যোগে স্থানটিতে মাটি ভরাট করে দিয়েছি। কিন্তু স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটি ভরাটের ফলে প্রাথমিকভাবে কিছুটা কাজ হয়েছে। তবে স্মৃতিসৌধটি ও আশেপাশের এলাকা পাকাকরণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে সংস্কার করা প্রয়োজন। তা না করা হলে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত স্মৃতিসৌটি ভেঙে কপোতাক্ষ নদে বিলীন হতে পারে।

যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডাক্তার নাসির উদ্দিন জানান, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সংস্কারের জন্যে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের ফলে জরুরি ভিত্তিতে স্মৃতিসৌধটি সংস্কার করা হয়।কিন্তু চলতি মৌসুমে স্মৃতিসৌধের পশ্চিমপাশে প্রবল বৃষ্টিতে মাটি সরে বড় খাদের সৃষ্টি হয়। ফলে স্মৃতিসৌধটি ভেঙে পড়ার আশংকা দেখা দেয়। পুনরায় এটি সংস্কার করা হবে।

শরণখোলার পাঁচরাস্তার মোড়ে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

বাগেরহাটের শরণখোলার পাঁচরাস্তার মোড় এলাকায় ফুটপাথ দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা পাঁচটি দোকান ঘর উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সরদার মোস্তফা শাহিন।
উচ্ছেদ হওয়া দোকানীরা হচ্ছেন, পশ্চিম কদমতলা গ্রামের মজিদ হাওলাদারের ছেলে চা দোকানী শহিদুল হাওলাদার, রুস্তুম আলী খানের ছেলে চা দোকানী শামীম খান, উত্তর কদমতলা গ্রামের খালেক মোল্লার ছেলে পান দোকানী শামীম মোল্লা, কালাম তালুকদারে ছেলে ও ফল ব্যবসায়ী রুবেল তালুকদার এবং মধ্য কদমতলা গ্রামের আবুল হোসেন গাজীর ছেলে ও কনফেকশনারীর দোকানী রবিউল গাজী। এসব দোকানীরা বাদল হাওলাদার ও সাথীর নিকট থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সরকারী ফুটপাথ দখল করে রায়েন্দা বাজারের একটি প্রভাবশালী পরিবার দোকান ঘর তৈরী করে অগ্রিম টাকা নেয়াসহ ও নিয়মিত ভাড়া আদায় করে আসছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসায় ওই দোকানগুলি উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অটিজম শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে অটিস্টিক ডিভাইস বিতরণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তত্তাবধানে অটিজম শিশু শিক্ষার্থীর মাঝে অটিস্টিক ডিভাইস বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাছাই করে ৪৪ জন শিশুদের মাঝে ৭টি চশমা, ৭টি শ্রবন যন্ত্র, ২৫টি হুইল চেয়ার ও ৪ জোড়া ক্রাচ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদুন্নবি কালু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফা ইয়াসমিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: ইসরাইল হোসেন, এটিইও মোস্তফা মাহমুদ, জিল্লুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ১৭২১ জন। ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন কার্যলয়ের মেডিক্যাল অফিসার ও করোনা সেলের মুখপাত্র ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ জানান, রোববার সকালে কুষ্টিয়া ল্যাব ও খুলনা ল্যাব থেকে ঝিনাইদহে ৫৩ টি নমুনার রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ২৪ টি পজেটিভ।
আক্রান্তরা হলেন, সদর উপজেলায় ১২ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৫ জন, শৈলকুপা উপজেলায় ১ জন, হরিনাকুন্ডু উপজেলায় ২ জন। আক্রান্ত ১৭২১ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ১১৫৯ জন। কোভিড-১৯ হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩ জন। জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৮ জন।

ডুমুরিয়ায় বিএনপি’র অক্সিজেন সার্পোট সেন্টার উদ্বোধন

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

আমেরিকা প্রবাসি সাবেক ছাত্রনেতা টিকু রহমানের বিশেষ সহযোগিতা ও মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের ব্যবস্থাপনায় ডুমুরিয়ায় গণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে ডুমুরিয়া প্রেসকাব ভবনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু, মোল্যা খাইরুল ইসলাম, শেখ আবু হোসেন বাবু, নাজমুস সাকিব পিন্টু, চৌধুরি হাসানুর রশিদ মিরাজ, ডুমুরিয়া প্রেসকাব সভাপতি কাজী আবদুল্লাহ, লিটন গোলদার, জুলকার নাইম, মুনিমুর রহমান নয়ন, সজীব তালুকদার। উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেনের পরিচালনায় সভায় আরও বক্তৃতা করেন ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার, শেখ শাহিনুর রহমান, অরুণ গোলদার, মোল্যা কবির হোসেন, মশিউর রহমান লিটন, শেখ ফরহাদ হোসেন, শেখ আতিয়ার রহমান, শহিদ মোড়ল, আব্দুস ছালাম, শেখ শাহাদাৎ হোসেন, শেখ আব্দুল মান্নান, শেখ মাহাবুর রহমান রাজীব, মাস্টার আইয়ুব হোসেন, খান আবুল কালাম আজাদ, জি এম সাইকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম খান, সরদার দৌলত হোসেন, মাহেদুজ্জামান বাবু, খোকন তালুকদার, পারভেজ গাজী, ডাঃ জিয়া, খান তাজানুর রহমান, সেলিম হালদার, রফিকুল ইসলাম, আইয়ুব মাহমুদ, গাজী মশিউর রহমান, শেখ আব্দুর রশিদ, আবরার হোসেন সৈকত ও নাছিম শেখ প্রমুখ।

ডুমুরিয়া নিউজ ২৪ ঘন্টা ডট কম’র উদ্বোধন

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্য, সাহিত্য সাংস্কৃতি, খেলাধুলা, জীবনযাত্রা ও চলমান ভাবধারা দেশবাসী তথা বিশ্বের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পথচলা শুরু হল ওন-লাইন সাংবাদ মাধ্যম ডুমুরিয়া নিইজ ২৪ ঘন্টা ডট কম। রোববার বেলা ১১টায় ডুমুরিয়া প্রেসকাব ভবনে কাবের সভাপতি কাজী আবদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতে পরিচিতি পর্ব শেষে প্রধান অতিথি খুলনার সিনিয়র সাংবাদিক কাজী মোতাহার রহমান বাবু’সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা ফিতা এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ডুমুরিয়া প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, ডুমুরিয়া ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রঞ্জন কুমার তরফদার, আওয়ামী লীগ নেতা আছফর হোসেন জোয়ার্দার, ছাত্রলীগ নেতা খান আবুল বাশার, ডুমুরিয়া নিউজ ২৪ ঘন্টা’র ব্যবস্থপনা সম্পাদক মহিদুল ইসলাম খান ও প্রকাশনা সম্পাদক গাজী মাসুম, ডুমুরিয়া প্রেসকাকের সাংবাদিক এস এম মাহাবুর রহমান, সুজিত মল্লিক ও আরিফুজ্জামান নয়ন প্রমুখ।

খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও ২৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম কুটুর ১৭তম মৃত্যুবার্ষীকি উপলক্ষে খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১.০০ টায় সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লা। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। সভার শুরুতে মরহুম কামরুল ইসলাম কুটুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন মল্লিক নওশের আলী, মোঃ আব্দুর রশীদ সিকদার, মোঃ জয়নাল আবেদিন, শেখ মোঃ রমজান, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ আকতার হোসেন, মোঃ শরিফুল, মোঃ নুর ইসলাম, মোঃ হাই ইসলাম কচি, মোঃ ভাষান মোল্লা, মোহাম্মদ আলী, গোপাল চন্দ্র শীল, খোকন শীল কুট্টি, প্রশান্ত ঘোষ, আব্দুর রব, সঞ্চয় সাহা, সুশান্ত রায়, আছাদুজ্জামান মুন্না, মেজবাউল হক, মোঃ মাহমুদ হাসান, তরিকুল ইসলাম, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভা শেষে মরহুম কামরুল ইসলাম কুটুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম কামরুল ইসলাম কুটু ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রান এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন নির্বীক সৈনিক। ২০০৩ সালের এই দিনে দলীয় কার্যালয়ের নিচে বিএনপি- জামাত জোট সরকারের মদদে সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়ে তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। এই ধরণের ঘটনার আর কখনও পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সকল শ্রমিক কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

রূপসায় গাঁজা গাছসহ যুবকের নামমাত্র কারাদন্ড

রূপসা প্রতিনিধি

রূপসায় গাঁজা গাছসহ রাজিব বিশ্বাস(২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। সে ঘাটভোগ ইউনিয়নের ধোপাখোলা গ্রামের গরুর ডাক্তার(পল্লী) অমিয় বিশ্বাসের ছেলে। আটককৃত যুবককে ৭দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ শত টাকা জরিমানা প্রদান করেন নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন আকতার।

হাস্যকর বিষয় হল পুলিশ ও দলীয় নেতারা গাঁজা গাছসহ আটক যুবককে সাজা মওকুপ করার জন্য অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে তাদের অনুরোধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গাঁজাসহ যুবককে ১ দিনের সাঁজা ও ১০০০ টাকা জরিমানা করেন। পুলিশ জানায়, রবিবার দুপুরে রূপসা থানা পুলিশের পুটিমারি ক্যাম্প পুলিশের এস আই নকীব ইকবাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধোপা খোলা গ্রামের অমিয় বিশ্বাসের বসতবাড়ি থেকে একটি গাঁজাগাছ উদ্বার করে রাজিব বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে।
থানা পুলিশ আনুমানিক দুপুর ২টা ৩০মিনিটের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নেওয়া হলে তাকে প্রথমে ৭দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করেন।
পরবর্তীতে থানা পুলিশের কর্মকর্তারা, রাজনীতি নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিরা গাঁজা গাছসহ আটক রাজিবকে সাজা মওকুপ করার অনুরোধ করেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে রাজিবকে ১ দিনের কারাদন্ড ও ১০০০ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এঅবস্থা চলতে থাকলে উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও বিক্রেতাদের কারবারী করতে সুবিধি হবে। বর্তমান সরকার মাদক নির্মূলের পক্ষে কঠোর ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু মাদকে সয়লাভ হয়েছে রূপসা উপজেলা। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা পালনে জনমনে নানা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

পাটকল রক্ষার দাবিতে ১৪ দলভুক্ত দলগুলোর জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারক লিপি পেশ

স্টাফ রিপোর্টার

রাষ্ট্রয়াত্ব পাট শিল্প বিরাষ্ট্রিয়করণ,পিপিপি না দিয়ে রাষ্ট্রিয় মালিকানায় একটি কার্যকার লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুনরুজ্জিবিত করনের সুপারিশ জানিয়ে গতকাল বিকেলে জেলা প্রশাসককে স্মারক লিপি পেশ করেছেন ১৪ দলভুক্ত বাম,গনতান্ত্রিক দল,খুলনার নেতৃবৃন্দ।
স্মারক লিপিতে উল্লেখ করা হয়, পাট চাষ,পাট শিল্পের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতি জড়িত। স্বাধীনতা পরবর্তি ৭৭টি পাটকল রাষ্ট্রয়াত্ব করা হয় । পরে তা ৮২ টি পাটকল হয়। ৭৫ পরবর্তি বিভিন্ন সরকারের সময়ে বিশ্বব্যাংকের চাপে ও শর্তে ংঃৎপঃঁঃঁৎধষ ধফলঁংঃসবহঃ ঢ়ৎড়মৎধস (ঝঅচ),ঔঁঃব ংবপঃড়ৎ ধফলঁংঃসবহঃ পৎবফরঃ (ঔঝঅঈ) এবং দেশীয় সুবিধাবাদীদের কারনে পাটকল বিরাষ্ট্রিয়করন,হস্তান্তর,বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয় যা এখন রাষ্ট্রের হাতে ২২টি পাটকল আছে। ছেড়ে দেওয়া পাটকর গুলির অধিকাংশের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয় যায় না। গত ১/১১ সরকারের সময়ে পিপিপি/লীজ নামে ৪টি পাট কল ছেড়ে দিয়েছিলো,যা নিয়ে লীজ গ্রহিতা শ্রমিক ছাটাই,১৯০ টাকায় দৈনিক মজুরি,মিলের গুরুত্বপুর্ন যন্ত্রপাতি বিক্রি করা এবং মিলের নামে ব্যাংক থেকে কোটি,কোটি টাকা লোন নিয়ে এক সময় দেওলিয়া ঘোষনা করে।
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করে সরকারের ভিতরের একটি গোষ্ঠীর রাষ্ট্রয়াত্ত পাটকল বন্ধের পায়তারা করছে যার তীব্র প্রতিবাদ করছি। গত ১১ বছরে পাটকলগুলিকে লাভজনকভাবে পরিচালনা বিষয়ে সরকার, বিজেএমসি, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দফায় দফায় আলোচনায় পাট ক্রয়ে লোকসান-দুর্নীতি বন্ধে মৌশুমে যথাসময়ে কাঁচাপাট ক্রয় করা, কারখানা পরিচলন ব্যয়ে দুর্নীতি বন্ধ, মোড়কে পাট পণ্য ব্যবহার আইন ২০১০ প্রণয়ন করা, পাটকলগুলিকে আধুনিকায়ন করা, পাটের ব্যবহার বহুমুখীকরণসহ বাস্তবসম্মত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু সরকারের ভিতরের এক গোষ্ঠী সেই সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করে পাটকলগুলিকে অচল করে দেয়ার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যায়। পাটগুলিকে অচল রেখে অলাভজনক করে ফেলার দায়িত্ব শ্রমিকদের না। পাটক্রয়, কারখানা পরিচালনা করা, উৎপাদিত পণ্য বিপননের কোনো ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের পরামর্শ গ্রহন করা হয়নি। আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহে পাটের জিন আবিস্কার হয়েছে ও প্রধানমন্ত্রী যখন পাটের পুনর্জাগরণের কথা বলছেন তখন পাটকল ও পাটশিল্প ধ্বংসের জন্য অন্তর্ঘাত চালানো হচ্ছে। তাদেও সুপারিশ হচ্ছে,পাটকল বন্ধ করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করা। পাটকলগুলিকে আধুনিকায়নে প্রস্তাবিত চাইনিজ ঞঁহমধ ঞউ ৭৮৮ গড়ফবষ এবং ঠরপঃড়ৎ ১১০১ লঁঃব ৎবঢ়রধবৎ ষড়ড়স স্বয়ংক্রিয় মেশিন স্থাপন করে চালু করলে দ্রুত পাটকল রাবজনক প্রতিষঠানে পরিনত হবে।পাট ক্রয়ে দুর্নীতি বন্ধ করা। পণ্য উৎপাদন বহুমুখীকরণ করা। পণ্যের মোড়কে পাট ব্যবহার আইন ২০১০ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা । আমরা একই সংগে পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতনভাতাসহ অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটির টাকা পরিশোধ করার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খালিদ হোসেন, জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য শরিফ শফিকুল হামিদ চন্দন, ন্যাপের জেলা সভাপতি এড. ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ জাসদ নগর সভাপতি রফিকুল হক খোকন,সাম্যবাদী দলের জেলা সম্পাদক এফ এম ইকবাল, ওর্য়াকার্স পার্টির মহানগর সভাপতি মফিদুল ইসলাম,জাসদ মহানগর সম্পাদক আরিফুজ্জামান মন্টু, শ্রমিক নেতা খলিলুর রহমান প্রমূখ।

কামরুল ইসলাম কুটু জীবন দিয়ে প্রমান করেছেন তিনি মুজিব আদর্শের ত্যাগী নেতা: সিটি মেয়র

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বিএনপি জামাত জোট সরকারের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় মদদে সন্ত্রাস পরিচালিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় খুলনাসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল মৃত্যু পুরীতে পরিণত হয়েছিলো। সারা দেশে বেছে বেছে আওয়ামী লীগ এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের মেধাবী নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমামের হত্যার আইনী বিচার হলে কামরুল ইসলাম কুটুকে জীবন দিতে হতো না। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পরে একে একে সকল হত্যার বিচার হচ্ছে। দেশে এখন আইনের শাসন চলছে। কোন হত্যাকারী, মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসীরা অন্যায় করে রক্ষা পাবে না। আর তাদেরকে সংগঠনে স্থান দেয়া হবে না। তিনি বলেন, কামরুল ইসলাম কুটু জীবন দিয়ে প্রমান করেছেন তিনি মুজিব আদর্শের যোগ্য ত্যাগী নেতা। কুটুদের জীবনের বিনিময়ের কারনেই আজ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। তিনি বলেন, কুটু একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন। ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ অত্যন্ত দুর্বল ছিলো। সংগঠনকে শক্তিশালী করতেই তাকে আওয়ামী লীগে যোগদান করানোর জন্য বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানাকে বলা হয়। তিনি দায়িত্ব¡ নিয়ে কুটুকে আওয়ামী লীগে যোগদানের ব্যবস্থা করেন। কুটু ওয়ার্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৯নং ওর্য়াডে ধীরে ধীরে সুসংগঠিত হতে থাকে। আজ ওই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত কাউন্সিলর। এজন্যেই কারো মধ্যে মেধা আর একাগ্রতা থাকলে তার বিস্তার সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে। সেজন্যেই আজ কুটুর মত সকলকে ত্যাগ স্বীকার করে দলকে সুসংগঠিত করে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
গতকাল রবিবার বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম কুটু’র স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, নুর ইসলাম বন্দ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, কামরুল ইসলাম বাবলু, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, শফিকুর রহমান পলাশ, পল্লব কুমার বিশ্বাস, এসএম আসাদুজ্জামান রাসেল। সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, কামরুজ্জামান জামাল, শ্যামল সিংহ রায়, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, ফেরদৌস আলম চাঁন ফরাজী, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, অধ্যক্ষ শহীদুল হক মিন্টু, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, তসলিম আহমেদ আশা, মাকসুদ আলম খাজা, মনিরুজ্জামান খান খোকন, মোল্যা মজিবর রহমান, মনিরুজ্জামান সাগর, মো. মোতালেব হোসেন, খান সাইফুল ইসলাম, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, আবদুল হাই পলাশ, চ ম মুজিবর রহমান, ফেরদৌস হোসেন লাবু, এ্যাড. শামীম মোশারফ, শেখ এশারুল হক, ওয়াজেদ আলী মজনু, এসএম আকিল হোসেন, আজম খান, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, জামিল খান, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কাজী নজরুল ইসলাম, জাফর আহমেদ রাজা, এম এ হাসিব, ইলিয়াস হোসেন লাবু, কেএম চঞ্চল, ফেরদৌসী আলম রিতা, শবনম মুশতারি বকুল, মাহমুদুর রহমান রাজেস, জহির আব্বাস, ওমর কামাল, শেখ ফেরদৌস অনি, বায়েজীদ সিনা।
স্মরণ সভা শেষে কামরুল ইসলাম কুটু’র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিনব্যাপী দলীয় কার্যালয় সহ ২৯ নং ওয়ার্ডে এবং পরিবারের পক্ষে কোরআন খানি অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে অকুস্থলে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময়ে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, সদর থানা আওয়ামী লীগ, ২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও কাউন্সিলর, মহানগর ছাত্রলীগ এবং পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে দুপুর ১২টায় ২৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মহানগর আ’লীগের বর্ধিত সভা আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি’র নির্দেশনায় নতুন আঙ্গিকে সকল ওয়ার্ড, থানা ও সহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে ৭ সেপ্টেম্বর বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা আহবান করেছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। বর্ধিত সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ, থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং মহানগর পর্যায়ের সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত দলীয় সকল কাউন্সিলরকে অংশগ্রহণের জন্য আহবান জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা।

মহানগর ছাত্রলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

খবর বিজ্ঞপ্তি

২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সবেক সভাপতি ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য শহীদ কামরুল ইসলাম কুটুর ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তার শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ। গতকাল রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় দলীয় কার্যালয়ের নীচে অস্থায়ী শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড সাইফুল ইসলাম, খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আসাদুজ্জামান রাসেল, সাবেক ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান রাসেল, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মাহামুদুল হাসান শাওন, জহির আব্বাস, মেহেদী হাসান সুজন, দিদারুল আলম, মোঃ মাহমুদুল ইসলাম সুজন, শেখ সাকিব, সোহান হোসেন শাওন, মাহমুদুর রহমান রাজেস, আব্দুল কাদির সৈকত, শংকর কুন্ড, ওমর কামাল, শরিফুল ইসলাম মুন্না, অভিজিৎ সরকার রাহুল, মোক্তাদুল ইসলাম সোহাগ, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুমান আহমেদ, পিয়াল হাসান, আলামিন প্রমুখ।

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে শোক বইয়ে কেসিসি মেয়রের স্বাক্ষর

স্টাফ রিপোর্টার

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মূখার্জী’র মৃত্যুতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন খুলনার কার্যালয়ে রাখা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। রবিবার দুপুরে (০৬ সেপ্টেম্বর) শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি। এসময়ে খুলনাস্থ ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার রাজেশ কুমার রায়নাসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গত ১০ অগস্ট দিল্লির সেনা হাসপাতালে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীকে ভর্তি করা হয়েছিল। ২২ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রামপালে জি এস ব্লাড ডোনার্স কাবের কমিটি গঠন

রামপাল,(বাগেরহাট) প্রতিনিধি

“তুচ্ছ নয় রক্ত দান, বাঁচাতে পারে একটি প্রান” এই স্লোগানে ২০১৯ সালে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠে ‘জি এস ব্লাড ডোনার্স কাব’। স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হয় সদস্যদের চাঁদা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আর্থিক অনুদানে। বর্তমানে এ কাবের সদস্য রয়েছে ৫শত ৭০ জনেরও বেশি। সদস্যদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে রক্ত সংগ্রহ করে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সহযোগিতা করেন। এছাড়া বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পিং সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। শেখ হেলাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ কক্ষে রবিবার বিকাল ৪ টায় সকলের মতামতের মাধ্যমে উপজেলার গৌরম্ভায় “জি এস ব্লাড ডোনার্স কাবের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি নাসির উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ আবেদিন নান্নু। কমিটির অনন্যরা হলেনঃ সহ সভাপতি মানজারুল ইসলাম, এস এম জাবের হুসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহামুদ আকুন্জি, অর্থ সম্পাদ মুরশিদ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ছাএলীগ সভাপতি সোহেল মাহমুদ রিপন, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম গাজী প্রমূখ।

০৯ সেপ্টেম্বর মিছিল সফলের লক্ষৌ সিপিবি’র সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

০৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), খুলনা জেলা কমিটির সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশের সভাপতিত্বে সিপিবি’র নিজস্ব কার্যালয়ে ০৯ সেপ্টেম্বর খালিশপুর প্লাটিনাম জুট মিল থেকে নতুন রাস্তার মোড় মিছিল সফলের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেনÑসিপিবি কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি জেলা নেতা মোঃ মিজানুর রহমান বাবু, যুব ইউনিয়নের খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জয়ন্ত মুখার্জী, মহানগর আহবায়ক আফজাল হোসেন রাজু, সদস্য সচিব রিয়াসাত আলী রিয়াজ, যুবনেতা গাজী আফজাল হোসেন, ধীমান বিশ্বাস, এড. আজরাফ হোসেন মামুন, প্লাবন পাল বাধন, ডাঃ গৌরাঙ্গ সমাদ্দার প্রমুখ। বক্তারা শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহের সম্পদ লুটপাট করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করে অবিলম্বে বন্ধ সকল পাটকল চালু এবং পিপি লীজ বা ব্যক্তিমালিকানায় নয়, রাষ্ট্রের মালিকানাতেই পাটকলগুলো পরিচালনা করার দাবী করেন।
গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিলি: পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ-এর পক্ষ থেকে রবিবার বিকেলে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে ০৯ সেপ্টেম্বরের মিছিল সফলের লক্ষ্যে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑপরিষদের সদস্য সচিব এস এ রশীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, সদস্য আব্দুল করিম, শ্রমিকনেতা আবুল হাসেম, নূরুল ইসলাম, লক্ষ্মীকান্ত, বাবুল হোসেন প্রমুখ। গণসংযোগকালে তারা বলেন, ০৯ সেপ্টেম্বর মিছিল সফল করার জন্য পাটকলের সকল শ্রমিকদের মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে শ্রমিকরা মিল বন্ধ মেনে নেবে না।

বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে খালিশপুরে বৃক্ষরোপন

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে থানা পর্যায়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার বিকেল ৫টায় খালিশপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে ১০নং ওয়ার্ডের ভাষানী বিদ্যাপিঠ স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় তিনি বলেন, বৃক্ষ মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পরিবেশ রক্ষায় সকলে এগিয়ে আসুন। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপন করি। বৃক্ষ রোপন করে অনাবাদী জমিকে আবাদী করে তুলি। বেশী বেশী গাছ লাগাই, পরিবেশ রক্ষা করি। দেশকে সুন্দর করে গড়ে তুলি।
বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, নিজাম উর রহমান লালু, শেখ সাদী, আবুল কালাম জিয়া, শামসুর রহমান, এইচ এম সালেক, আহসানউল্লাহ বুলবুল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলি বাবু, আব্দুল লতিফ, ইমতিয়াজ আলম বাবু, ম শ আলম, মঞ্জুর ইসলাম টিটু, জাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সান্টু, মনিরুজ্জামান মনির, কাজী ফজলুল কবির টিটু, তসলিম মাস্টার, রফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা ভুট্রো, বাবুল হোসেন, আলাউদ্দিন, আব্দুস সালাম হাওলাদার, সাইফুজ্জামান ডিয়ার, শাহিনুর রহমান, ইয়াসিন, তুহিন, বাবু, মাসুদ আসাদ মোল্যা, নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

আজকের নগরী


আজ ৭সেপ্টেম্বর সদর থানা বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সকাল ১১টায় সার্কিট হাউজ ময়দানে।

ডুমুরিয়ায় গণ-মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যে সেবা ও অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের উদ্বোধন
মানবতার ফেরিওয়ালা ‘টিকু রহমান’র গল্প

স্টাফ রিপোর্টার
মানুষ মানুষের জন্য, মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করাই মানুষের ধর্ম। সমাজের প্রতিষ্ঠিতরা সাধারন মানুষের বিপদে-আপদে, সমস্যা-সংকটে ছুটে এসে সাহায্য করবে, এমন প্রত্যাশা মানুষ মাত্রই করে থাকে। শুধু তাই নয় মানব জীবনের সম্পূর্ণতা আর তৃপ্তির জন্য সমাজের অসহায়-পীড়িতদের জন্য কিছু করা দরকার। আমাদের সবারই সুযোগ রয়েছে মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার। আমি, আপনি, এভাবেই এগিয়ে আসতে পারি সকলেই। দাঁড়াতে পারি বিপদে মানুষের পাশে। সমাজে কিছু মানুষ আছেন যারা স্বপ্ন দেখেন মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করার। মানুষের জন্য মানবতা, মানবতার জন্যই মানুষ, অসহায় এবং বঞ্চিত মানুষের উপকারে নিজেকে আত্মনিবেদন করার এবং অন্যকে এতে উৎসাহিত করার নেশায়। শত শত বছর ধরে মানুষের জীবন পাল্টে দেওয়া থেকে শুরু করে জীবনের নতুন অর্থ নির্মাণের ক্ষেত্রে এগুলোর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। অনেক বছর বাঁচলেই কেবল বড় মানুষ হওয়া যায় না। একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে যদি একটি প্রাণ বাঁচে; একজন মানুষ বাঁচার স্বপ্ন দেখে, তাতেই হয়তো জীবনের সার্থকতা খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
সাধারণ সময়েই যাদের জোটে না দু’বেলা দু’মুঠো খাবার। তার ওপর করোনার ছোবলে তারা (সাধারণ মানুষ) পুরোটাই দিশেহারা। খুঁজে খুঁেজ এধরনের মানুষের জন্য কাজ যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃৃতে। শুধু তাই নয় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের প্রচারণা গোপন রেখে নানা ধরণের জনকল্যানকর কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যেখানে গুটিকয়েক মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলে গনমাধ্যমে প্রচারের জন্য মরিয়া থাকেন কেউ কেউ। সেখানে শুধুমাত্র মানবতার জন্য যে কিছু করা যায় তার উজ্জল দৃষ্টান্ত ব্যক্তিটির নাম টিকু রহমান।
পৈতৃক নিবাস ডুমুরিয়ার শোভনা গ্রামে পৃথিবীর আলো দেখেন এই মানবতাবাদী মানুষটি। প্রমত্তা ভদ্রা নদীর তীরে জন্ম নেয়া সেই ছোট্ট শিশুটি আজ সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। নদীর মত বিশাল হৃদয়ের অধিকারী মানুষটি প্রায় আড়াই দশকের প্রবাসী জীবনে এক মুহুর্তের জন্য ভুলে যায়নি জন্মস্থানের কথা। ভুলে যায়নি ছাত্র রাজনৈতিক জীবনের সহযোদ্ধাদের কথাও। যে যেখানেই থাক বিপদের কথা শুনলেই হাজার হাজার মাইল দুরে থেকে পাশে থাকেন অনেকের। সরকারি সুন্দরবন আর্দশ মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের জিএস এবং মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টিকু রহমান খুলনার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের কাছে একটি প্রিয় নাম। নিজস্ব ব্যক্তিত্বের কারনে দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে। যেকোন সংকটময় মূহুর্তে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে কাজ করেন মানুষের জন্য। মহামারী করোনার থাবায় যখন গোটা বিশ্ব কাঁপছে। রক্ষা পাচ্ছেনা বাংলাদেশও। লকডাউনের কারনে খেটে খাওয়া মানুষগুলো অভুক্ত রাত্রি যাপন করেছেন তখন বসে থাকতে পারেনি তিনি। বিশ্বস্ত লোকদের দিয়ে খুলনা মহানগরী ও জেলার অনেক পরিবারকে তিনি খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন। তার সহায়তায় জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় চালু হয়েছে গণ-মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যে সেবা ও অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের। সু-দুর আমেরিকা প্রবাসি সাবেক ছাত্রনেতা টিকু রহমানের বিশেষ সহযোগিতা ও মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের ব্যবস্থাপনায় ডুমুরিয়ায় গণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও অক্সিজেন সার্পোট সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে ডুমুরিয়া প্রেসকাব ভবনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সভাপতি এস এম শফিকুল আলম মনা। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু, মোল্যা খাইরুল ইসলাম, শেখ আবু হোসেন বাবু, নাজমুস সাকিব পিন্টু, চৌধুরি হাসানুর রশিদ মিরাজ, ডুমুরিয়া প্রেসকাব সভাপতি কাজী আবদুল্লাহসহ অনেকে।
মোবাইল ফোনে আমাদের প্রতিবেদকের কথা হয় মানবতাবাদী টিকু রহমানের। তিনি বলেন একজন মানুষ আমি। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সমাজে আমাদের প্রতিটি মানুষের কিছু দায়িত্ব থাকে সেই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই আমি কাজ করছি। তিনি বলেন সমাজে অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে তারা যদি সরকারের পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান তা হলে কোন মানুষ ক্ষুধার্ত থাকবে না। তিনি আরও বলেন কারো সমালোচনা না করে দায়িত্ব পালন করলেই সমাজের পরিবর্তন আসবে। প্রতিবেশিকে ক্ষুধার্ত রেখে নিজের পেট পুড়ে খাওয়া আমাদের ধর্ম সমর্থন করেনি। তাই দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সমাজ সেবক টিকু আরো বলেন, করোনাই নয় যেকোন সঙ্কট কালিন সময়ে প্রতিষ্ঠিতদের এগিয়ে আসার দরকার।

মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ইকরাম আলী মৃত্যু শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন

খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ খুলনা মহানগরের কোষাধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিডি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ইকরাম আলী (৭০) রবিবার সকাল ৭টায় নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহে …রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, ২ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ মাগরিব আজাদ লন্ড্রীর মোড়ে মরহুমের নামাজে জানাজে শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করে নিরালাস্থ মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে দাফন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ইকরাম আলীর মৃত্যুতে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ খুলনা’র নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেনÑমহানগর সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসমত আলী, বিভাগীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হেলাল মোল্লা, জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. এ কে এম মফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ মাহমুদ হাসান চিশতি, মহানগর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নাসির উদ্দিন সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুজ্জামান ডাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক মল্লিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল কান্তি দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলে আলী কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলী মৃধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, রাহমাত ইলা রুমি, আজিজুর রহমান আজাদ, মোল্লা তমজিদ হোসেন প্রমুখ।

কয়রায় বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের উদ্যোগে এমপি আকতারুজ্জামান বাবুর রোগ মুক্তি কামানায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কয়রা প্রতিনিধি
খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু কোভিড -১৯ আক্তান্ত হওয়ায় করোনার হাত থেকে রোগ মুক্তির জন্য স্থানীয় হাফেজদের অংশ গ্রহনে কোরআন খতম, দোয়া প্রার্থনা এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন মহারাজপুর যুব পরিষদ ও মহারাজপুর ইয়ংস্টার কাব। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ ও মহারাজপুর ইয়ংস্টার কাবে এ রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুব পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা প্রভাষক শাহাবাজ আলীর সভাপতিত্বে ও যুব পরিষদের সভাপতি শাহজাহান সিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক মহররম হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, যুব পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা প্রভাষক শাহাবাজ আলী, কয়রা প্রেস কাবের সভাপতি এসএম হারুন অর রশীদ, কয়রা উপজেলা প্রেস কাবের সভাপতি সদর উদ্দীন আহম্মেদ, বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসান, মাওলানা জাকারিয়া হোসাইন, মাওলানা ইলিয়াজ হোসেন, মোশাররফ হোসেন, আজহারুল ইসলাম, ইব্রাহীম খলিল, গোলাম মোস্তফা, উপদেষ্টা আম্মারুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম কোম্পানি, আঃ রহিম, সদস্য আবুল হাসান,বাসারুল, আলআমিন, আশরাফ, রফিকুল, জিয়া, শিপন, রিজভী, গফুর,আশিক, আমিরুল, তৈয়েবুর,সহ কাবের সকল সদস্য ও এলাকাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সামান্য অসুস্থ বোধ করায় এমপি বাবু করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন কিনা তা পরিক্ষার জন্য ৩ সেপ্টেম্বর পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি নমুনা দেন পরদিন শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর খুলনা মেডিকেল কলেজের ল্যাবে তার নমুনা প্রতিবেদনে পজিটিভ বলে ইল্লেখ করা হয়। এখন তিনি বর্তমানে খুলনায় নিজ বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বক্তারা বলেন, দেশের চলমান করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে ও করোনার মধ্যে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় রাত দিন অবস্থান করে জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সাংসদ আকতারুজআজামান বাবু সরকারি ও ব্যক্তিগতভাবে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নিজে উপস্থিত থেকে বেঁড়িবাঁধ সংস্কারসহ দলীয় ও সামাজিক কাজ খাদ্য সমস্যাসায় থাকা মানুষের খাদ্য সরবরাহ এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন সেবায় জীবনের ঝুকি নিয়ে সর্বদায় মানুষের পাশে ছিলেন। দোয়া ও মোনাজাতে সকলের মুখে একটি কথা ছিল হে আল্লাহ কয়রা-পাইকগাছার প্রাণপ্রিয় জননেতা, সৎ সুন্দর ও সাদা মনের মানুষ সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু কে দ্রুত সুস্থতা দান করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দাও। হে আল্লাহ তুমি তাকে হায়াতে তার তৈয়েবা দান কর, আমিন আমিন কায়মোনা বাক্যে দোয়া করতে থাকে।

মণিরামপুরে এডিপির রাস্তায় অনিয়মের অভিযোগ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) ও উপজেলা উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে সোলিং রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একেক রাস্তায় একই নামে দুইবার করে প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও কাজ হয়েছে একবার;তাও আবার নির্ধারিত অংশের চেয়েও অনেকক্ষেত্রে কম। এমন রাস্তা রয়েছে যেখানে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে কিন্তু কাজ হয়নি। আবার কোনকোন রাস্তায় নাম মাত্র বালি ও নিন্মমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকদিন সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র ধরা পড়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস থেকে পাওয় সূত্রমতে খেদাপাড়া ইউনিয়নে এডিপি ও পিআইসির মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাতটি রাস্তা সলিং করার কাজ হাতে নেওয়া হয়। যারমধ্যে পাঁচটিতে একই দুরত্বে দুইবার করে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। যেগুলোর তিনটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই-দুই চার লাখ টাকা করে এবং দুইটিতে দেড়-দেড় তিন লাখ টাকা করে। এছাড়া ৯০ হাজার টাকা করে দুইটি রাস্তায় ব্যয় ধরা হয়েছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস বলছে, প্রতি লাখে ২৫০ ফুট করে কাজ হওয়ার কথা।
খেদাপাড়া ইউপির রাস্তাগুলোর মধ্যে খেদাপাড়া বাজারের দক্ষিণমাথায় নুরোর দোকান হতে মোসলেমের বাড়িমুখি রাস্তায় ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে ২২৫ ফুটের মধ্যে কাজ হয়েছে মাত্র ১৪৭ ফুট। আর বাজারের মান্নানের বাড়ির মোড় হতে পালপাড়া হয়ে লাবলুর বাড়িমুখি রাস্তাটিতে ৯০ হাজার টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও কোন কাজ হয়নি। ওই ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল হকও রাস্তাটিতে কাজ না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলামের দাবি তিনি এখনো রাস্তাটি ভিজিটের সময় পাননি। এছাড়া খেদাপাড়ার খাঁ পাড়া মসজিদের রাস্তায় দেড়লাখ করে দুইবার তিনলাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সেখানে কাজ হয়েছে মাত্র ২৩৪ ফুট।
এদিকে রোহিতা ইউনিয়নে দেড়লাখ টাকা করে ছয়টি রাস্তায় একই নামে দুই বার করে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। বাকি তিনটি রাস্তার মধ্যে একটি এক লাখ টাকা ও দুইটিতে দেড় লাখ টাকা করে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে ইউনিয়ের আমজেদের মোড় হতে বাগডোব পশ্চিমপাড়া মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় সোলিং কাজে দেড় লাখ করে দুইবারে তিনলাখ টাকার প্রকল্প রয়েছে। সেখানে রাস্তার পাশে পাঁচটি পুকুরের প্যালাসাইডিং করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। আর রাস্তায় কাজ হয়েছে মাত্র ২৫৪ ফুট। যদিও তিনলাখ টাকায় সাড়ে সাতশ ফুট কাজ হওয়ার কথা। এছাড়া ইউনিয়ের গাঙ্গুলিয়া, রাজবাড়িয়া, বাসুদেবপুর এলাকায় রাস্তাগুলো ঘুরে একই চিত্র চোখে পড়েছে।
কাশিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিএম আহাদ আলীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ইউপির আটটি একলাখ ও দেড়লাখ বা তার কম বরাদ্দের রাস্তার বেশিরভাগ ৫০-৭০ভাগ কাজ হয়েছে।
উপজেলায় নতুন করে সংস্কার হওয়া অনিয়মের রাস্তাগুলো সরেজমিন ঘুরে বিল দেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। সলিংয়ের কাজগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকা মণিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, অনেক রাস্তা ঘুরে দেখেছি অনিয়ম পাইনি। আমার অফিসের পক্ষে সব রাস্তা ঘুরে দেখা সম্ভব না। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, অনেক রাস্তার কাজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম পেলে বিলে স্বাক্ষর করা হবে না।

রামপালে জাতীয় কৃষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

রামপাল ( বাগেরহাট ) সংবাদদাতা
রামপালে জাতীয় কৃষক সমিতি ও খেতমজুর ইউনিয়ন রামপাল উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে রবিবার বেলা ১১ টায় এক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধন কুমার বিশ্বাস এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা শাখার সভাপতি জগবন্ধু ঘরামী। আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ, অশেষ রায় পল্টু, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিলন মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ সবুর রানা, সনজিত মন্ডল সোনা, সুবর্ণ হালদার, ডালিম শেখ, নিমাই শীল, মহসিন শেখ, মোন্তাজ মোল্লা,আমজাদ হোসেন প্রমুখ। স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় ১৫ দফাসহ স্থানীয় ২ দফা দাবী বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

মহেশপুরে দূর্গাপুর-তারানীবাস বিলে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে দিনে রাতে মাছ ধরা হচ্ছে

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
আদালত পর পর তিনটি ১৪৪ ধারা জারি করেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দূর্গাপুর তারানীবাস বিলের উপর। কিন্তু আদালতের জারিকরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বেদমপুর গ্রামের প্রবীর হালদারের নেতৃত্বে দিনে ও রাতে মাছ ধরা হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান,সরকারের কাছ থেকে কোটচাঁদপুরের মৎস্যজীবি সমিতি ৫৪ বিঘা জমির উপর দূর্গাপুর-তারানীবাস বিলটি ১৭ লাখ টাকা দিয়ে সর্বচ্ছ দরদাতা হিসেবে ডেকে নেন। কিন্তু বিলের ভিতর ব্যক্তি মালিকানা জমি রয়েছে প্রায় ১০০বিঘার উপরে। এর মধ্যে বৌচিতলা গ্রামের প্রেম হালদার ২২বিঘা,বেগমপুর গ্রামের ফয়জুর রহমানের ১১বিঘা,মহিউদ্দীনের ১২ বিঘা,বদরুর মিয়ার ৫০ শতক জমি। মালিকানা জমি গুলো লিজ নিয়ে বৌচিতলা গ্রামের প্রেম কুমার হালদার র্দীঘ দিন মাছ চাষ করে আসছিলো।
বৌচিতলা গ্রামের প্রেম কুমার হালদার জানান, সরকারের কাছ থেকে এবার আমি বিলটি না পেয়ে আমি এলাকার কয়েক জনের কাছ থেকে মালিকানা জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। কিন্তু এখন বেগমপুর গ্রামের প্রবীর হালদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের জলাসয় থেকে দিনে-রাতে জোর পুর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। যার কারনে আমি আদালতে গত ১৪/৭/২০২০ তারিখে আমার জমির উপর ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তার পরও তারা আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গকরে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
বেগমপুর গ্রামের ফয়জুর রহমান জানান, বৌচিতলা গ্রামের প্রেম কুমার হালদার এবার ৫৪ বিঘা জমির উপর দূর্গাপুর-তারানীবাস বিলটির ডাকে হেরে যান। সে কারনে তিনি বিলের ভিতর ব্যক্তি মালিকানা প্রায় ৪৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। কিন্তু অতি বৃষ্টির করনে পানি বেড়ে যাওয়ায় বিল আর মালিকানা জমি একাকার হয়ে গেছে। এখন বিলের ডাক দাতা কোটচাঁদপুরের মৎস্যজীবি সমিতির ব্যনারা বেগমপুর গ্রামের প্রবীর হালদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের জলাসয়ে জোর পুর্বক মাছ ধরে নিচ্ছে। যার কারনে আমি গত ২০/৭/২০২০ তারিখে আদালতের মাধ্যমে আমার জলাসয়ের উপর ১৪৪ ধারা জারি করেছি। কিন্তু তার পরও বেগমপুর গ্রামের প্রবীর হালদার তার লোকজন নিয়ে আদালতের জারিকরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আমাদের জলাসয় থেকে জোর পুর্বক দিনে ও রাতে মাছ ধরে নিচ্ছেন।
বেগমপুর গ্রামের মহিউদ্দীন জানান, আমার জমির জলাসয় থেকে মাছ ধরার করনে আমি গত ৬/৮/২০২০ তারিয়ে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি করেছি। কিন্তু তার পরও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গকরে বেগমপুর গ্রামের প্রবীর হালদার প্রকাশ্যে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা কিছুই বলতে পাচ্ছিনা।
মহেশপুরের মাছ ব্যবসায়ী আড়ৎদার শ্যামাপদ হালদার জানান,আমরা র্দীঘ ১৫টি বছর সরকারের কাছ থেকে বিলটি ইজারা ও ব্যক্তি মালিকানা জমি গুলো লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেছি। এখন যারা বিলটি ডাক নিয়েছে তারা নিজের জলাসয় বাদ দিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জলাসয় থেকে মাছ ধরা শুরু করেছে। এটা আসলেই লজ¦ার বিষয়। তার পরও আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মাছ ধরছে।
বেগমপুর গ্রামের প্রবীর হালদার জানান, কোটচাঁদপুরের মৎস্যজীবি সমিতি ৫৪ বিঘা জমির উপর দূর্গাপুর-তারানীবাস বিলটি ১৭ লাখ টাকা দিয়ে সর্বচ্ছ দরদাতা হিসেবে ডেকে নেন। সেই সাথে বিলের মধ্যে থাকা প্রায় ১২জনের নিকট থেকে ৮৫ বিঘা জমি আমি লিজ নিয়েছি। আমি আমার বিল ও নিজের নামে লিজ নেওয়া জলাসয় থেকে মাছ ধরেছি। আমি কারও জলাসয় থেকে মাছ ধরেনি। প্রবীর হালদার আরো জানান আমার বিরোধি পাটিরা আমাদের নামে আদালতে একের পর এক মামলা দিয়ে যাচ্ছে আমাদের নামে।

অভয়নগরে মানব পাচার মামলার আসামি উজ্জ্বলের শাস্তির দাবিতে ইউনিয়নবাসীর মানববন্ধন

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে স্ত্রীকে পতিতালয়ে বিক্রি করায় মানব পাচার মামলার আসামি স্বামী উজ্জ্বল শিকদারের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ইউনিয়নবাসী মানববন্ধন করেছে। গতকাল রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের ইছামতী বাজারের গলাচিপা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে দুই শতাধীক গ্রামবাসী অংশগ্রহণ করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, শুভরাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মাহামুদুর রহমান বেলা, রফিকুল ইসলাম, সুফিয়া খানম, সাবেক ইউপি সদস্য জগদিশ শিকদার, শিক্ষক দীপংকর ম-ল, সমাজসেবক আব্দুল গফ্ফার শিকদার, আব্বাস শিকদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- ভ্যান চালিয়ে জীবন-জীবিকা করতে থাকা উজ্জ্বল শিকদার গত চার বছর ভারতে নারী পাচার করে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। কিনেছেন জমি, নির্মাণ করেছেন পাঁকা বাড়ি। শুরু করেছেন ব্যবসা। নারী পাচারের এক পর্যায়ে নিজ স্ত্রী ছালমা খাতুনকে ভারতের ব্যাঙ্গালোর অসকোট পতিতালয়ে মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করেন। এই নারী পাচারকারী প্রতারক উজ্জ্বল শিকদারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন বক্তারা।
উল্লেখ্য, অধিক আয়ের আশায় ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি উজ্জ্বল শিকদার তাঁর স্ত্রী ছালমা খাতুনকে ফুসলিয়ে ভারতের ব্যাঙ্গালোর শহরে নিয়ে যায়। কিছুদিন পর তাঁর স্ত্রী ছালমা খাতুনকে ব্যাঙ্গালোর অসকোট পতিতালয়ে বিক্রি করে সে পালিয়ে দেশে ফিরে আসে। ২৩ দিন পতিতালয়ে মানবেতর জীবন-যাপন শেষে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ছালমা খাতুন পতিতালয়ের এক দারোয়ানের সহযোগিতায় চোরাই পথে বেনাপোল হয়ে দেশে ফিরে আসেন।
এরপর স্থানীয় পর্যায়ে কোন বিচার না পেয়ে ছালমা খাতুন চলতি বছরের মার্চ মাসে স্বামী উজ্জ্বল শিকদারের বিরুদ্ধে যশোরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে মামলা করেন। যার মামলা নং- ০৩/২০২০।

দাকোপে জীফ ও বেডস্ এর পরিবেশবান্ধব কৃষি চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

খবর বিজ্ঞপ্তি
সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন; যা ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য ও রামসার কনভেনশান কর্তৃক স্বীকৃত জলাভূমি। সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারী অধিকাংশ জনগণই দরিদ্র এবং সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু অধিক ফলনের আশায় হাইব্রিড ও উফশী বীজে চাষাবাদ করে কৃষক নিজের, পরিবেশের ও গোটা দেশের ক্ষতি করছেন। হাইব্রিড বীজে অধিক ফলন হয় সত্যি কিন্তু যে পরিমান সার ও কীটনাশক দিতে হয়, তাতে একদিকে খরচ বৃদ্ধি পায়, মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়, আবার ফসলের গুণগত মান ঠিক থাকে না। কাজেই এই পরিস্থিতির থেকে উত্তোরণের জন্য উচ্চফলনশীল বীজে চাষাবাদের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কৃষি কাজ অত্যন্ত জরুরী হয়ে উঠেছে। সত্যিকার অর্থে প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় মানুষের অভাব অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব। এই বিষয়টি উপলব্ধি করে জাপান এনভায়রনমেন্টাল এডুকেশান ফোরাম (জীফ) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বেডস্) জাপান সরকারের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক তৃণমূল প্রকল্পের আর্থিক সহযোগিতায় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস হতে সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনোগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। এই প্রকল্পেরই অংশ হিসাবে গতকাল ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ বেডস্ ও জীফের আয়োজনে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাণিশান্তা ইউনিয়নের রেনেসাঁ সার্বিক গ্রামোন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর কার্যালয়ে পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালার বিষয়বস্তু ছিল কিভাবে পরিবেশবান্ধব উপায়ে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করে উৎপাদিত ফসল হতে পণ্য প্রস্তুত ও বিক্রি করে অধিক লাভবান হওয়া যায়। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জনাব ইফতেখার হোসেন, বাণিশান্তা, দাকোপ খুলনা। প্রশিক্ষনার্থী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২৩ জন স্থানীয় কৃষক। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি, প্লট অনুযায়ী সবজি চাষ, সবজি চাষে বীজতলা তৈরি, নারকেলের কোকো ডাস্ট, লাউ গাছের ফলন বৃদ্ধি, জিব্রেলিং স্প্রে করে ফসল বৃদ্ধি, সমন্বিত বালাইদমন ব্যবস্থাপনাসহ নানা বিষয়ে অংশগ্রহনকারী কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
এমফ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বেডস্ এর ফিল্ড এ্যাডভাইজার জনাব রজত শুভ্র গাইন, পাবলিক রিলেশান অফিসার কপিল বিশ্বাস, রিসার্স অফিসার জনাব নাহিদ হাসান এবং মাঠকর্মী প্রশান্ত দেব, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, নির্বাচিত কৃষক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা। প্রশিক্ষণ শেষে জনাব রজত শুভ্র গাইন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনকারী কৃষকদের প্রতি পরিবেশবান্ধব কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করে নিজের, পরিবেশের ও দেশের উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে অনুরোধ জানান।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজি : নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারন মানুষ

বেনাপোল প্রতিনিধি
সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিককালে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যাপক চাদাবাজি হচ্ছে। নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারন মানুষ। ২/৩ হাজার টাকায় সাংবাদিকের ভূয়া পরিচয় পত্র তৈরী করে গোটা সীমান্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছে শতাধিক ধুরন্ধর।
অসাধু চক্রের কাছ থেকে অখ্যাত পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা ও ফেসবুক পত্রিকার পরিচয় পত্র নিয়ে যথেচ্ছা চাদাবাজি করে বেড়াচ্ছে চক্রটি।
তারা সাংবাদিক সেজে মোটরসাইকেলে প্রেস ও সাংবাদিক স্টিকার লিখে নিরাপদে মাদক ও সোনা পাচার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে গোটা সীমান্ত এলাকা। সাংবাদিক লেখা মোটারসাইকেলে অনেকে রীতিমত মাদক বহনের কাজও করছেন। নানা কারণে ভয়ভীতি দেখিয়ে পুলিশ সহ সাধারন মানুষের কাছ থেকে আদায় করছে মোটা অংকের টাকা।
আঞ্চলিক ভাষায় এসব সাংবাদিকদের বলা হয় সাংঘাতিক। গলা ও কোমরে বাহারি রঙের পরিচয়পত্রও ঝুলছে তাদের। তাদের বেশিরভাগই নতুন মোটরসাইকেল চালান। বেশ-ভুষা দেখে দাপুটে সাংবাদিক মনে হলেও পরিচয়পত্র চেক করলে চোখ ছানাবড়া হওয়ার অবস্থা। বেশিরভাগই ফেসবুক কেন্দ্রিক সাংবাদিক।

ট্রাফিক পুলিশ কিংবা চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসারদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এরা পুরো সীমান্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ এদের গাড়ির কাগজপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, গাড়ি চোরাই কিংবা টানা কিনা চেক করতে পারছেন না সাংবাদিক ভেবে।

শার্শার সৈয়দ আলী নামে এক ভুক্তভোগী জানান, নানা অপরাধে জড়িত, একাধিক মামলার আসামি এমন অনেকে অখ্যাত অনলাইন ও অখ্যাত দৈনিক বা অনলাইন টিভির নাম ভাঙিয়ে চাদাবাজি করছে। সাংঘাদিকদের মধ্যে বেশীর ভাগই অশিক্ষিত, কেউ সাইকেল মিস্ত্রী, কেউ ফেনসিডিল বিক্রেতা, কেউ সোনা চোরাকারবারী,কেউ ইজিবাইক চালক, কেউ কাঠ মিস্ত্রী, কেউ হুন্ডি পাচারকারী । চাদার টাকা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা আজে বাজে কমেন্টস করে হয়রানি করা হচ্ছে।

সাংবাদিক সেজে শহর দাপিয়ে বেড়ানো চক্রের মধ্যে অনেক সন্ত্রাসীও রয়েছে। এমনকী তাদের অখ্যাত অনলাইন ও পত্রিকায় সংবাদ ছেপে দেয়ার হুমকি দিয়েও ব্লাকমেইল করছেন। সাংবাদিকতার কার্ড বিক্রি করা চক্র ও ওই কার্ড কেনা চক্রকে খুঁজছে একটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

কোতোয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, মাঝেমধ্যে তথ্য মিলছে অনেক প্রতারক ও লেবাসধারী সাংবাদিক সেজে মানুষের সাথে প্রতারনা করছে।সাংবাদিক না হয়েও মনগড়া অনলাইনের কার্ড বানিয়ে শহরে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরছে। আর সংবাদের নামে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করছে ফেসবুক পুঁজি করে। গত ২ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সীমান্তে চাদাবাজির অভিযোগে ৩ জন ভুয়া সাংবাদিককে আটক করে পুলিশ।

বেনাপোলে গাঁজা সহ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আ টক করেছে পুলিশ

বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোলের ভবেরবেড় গ্রাম থেকে রোববার সকালে ৩ কেজি গাজা সহ ২ নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আ টক করেছে পুলিশ। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মামুন খান জানান, আটককৃতরা হচ্ছে যশোর জেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আজিজের মেয়ে মোছাঃ মনি (৩৭) ও বাগেরহাট জেলার বাগেরহাট থানার আইয়ুব আলী শেখ এর মেয়ে মোছাঃ ফাতেমা খাতুন(২৪)। এরা দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল থেকে মাদক নিয়ে যশোর বিক্রি করে আসছিল। এসআই মাসুম বিল্লাহ,এএসআই সিকদার মাসুম পারভেজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি গাঁজা সহ প্যাকেট ভর্তি গাজা সহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। আটক গাঁজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বেনাপোল পোর্ট থানায় ।

ঝিনাইদহে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিনের ক্ষমতার দাপটে জিম্মি হয়ে পড়েছে কতিপয় শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। মহিউদ্দিনের অনিয়ম দুর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ফুঁসে উঠেছে অনেক শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে তিনি শিক্ষক সমিতির নাম ভাঙিয়ে জেলার বিভিন্ন স্কুল ও শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করার নামে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
একটি নির্ভর যোগ্য সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার মধুপুর হাইস্কুলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের নাম ভাঙ্গিয়ে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিন অতিরিক্ত শাখা খোলার নামে ৭ জন শিক্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদের জাল সনদ তৈরী করে দিয়েছে। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বদিরুজ্জামান সাময়িক বরখাস্ত হন। কিন্তু মহিউদ্দিন ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে যান। এমন অভিযোগও শুধু নয় তার বিরুদ্ধে আরোও অভিযোগ রয়েছে তিনি নিজেই সহকারি সুপার থেকে কোন নিয়ম নীতি না মেনে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন। খোজ নিয়ে জানা যায়, মহিউদ্দিন মধুপুর দাখিল মাদ্রাসায় ১৯৯৪ সালে সহকারি সুপার পদে ছিলেন। পরে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ি কমপক্ষে একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ থেকে ১২ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কিন্তু তিনি তা করেননি। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সদর উপজেলার তেতুলতলা এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নিয়ে স্কুলটিতে যোগদান করেন। তিনি যোগদানের পর থেকেই নিয়মিত স্কুলে না গিয়ে জেলা স্কাউট ভবনে বসে শিক্ষক সমিতির মিটিংয়ের কথা বলে একের পর এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে আসছেন।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে শিক্ষা অফিসের কোন কর্মকর্তা তার অনৈতিক সুবিধা না দিলে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে তাকে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বদলি করার হুমকি দেন। এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাকে শারীরিক ও মানষিকভাবে লাঞ্চিত করেন। তিনি জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে জেলার শিক্ষাঙ্গণে বারোটা বাজিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি, বাংলাদেশ স্কাউট এর জেলা সম্পাদক ও এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও ঝিনাইদহ সদরের শিশুকুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে একটি মহল হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ফলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতের স্বরনাপন্ন হন এবং যশোর মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন।
শিক্ষা বোর্ড স্বপদে পূনর্বহালের জন্য শিশুকুঞ্জু স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের বরাবর পত্র প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ‘আপিল এন্ড আরবিট্রেশন’ কমিটির সদস্য এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিনের সহযোগিতায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষা বোর্ড প্রেরিত যোগদানের পত্রটি বাতিল করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দন তার বাড়িতে গিয়ে চাকুরি ফিরিয়ে দেবার কথা বলে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। তিনি ওই টাকা দিতে অপরাগতা জানালে চাকরি থাকবে না বলে হুশিয়ারি দেন। এ ঘটনায় তিনি আইনগত অধিকার প্রাপ্তি ও সহায়তার জন্য শিক্ষক নেতা মহিউদ্দনের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। আরও অভিযোগ উঠেছে অতি সম্প্রতি এমকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ শতক জমি বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের পায়তারা করছেন। কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এভাবে তিনি একের পর এক অনিয়ম দূর্ণীতি করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসকল ঘটনার সাথে আমি জড়িত নয়। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। মাদ্রাসা থেকে যখন এমকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন হই তখন এই সুযোগটি ছিল। তাছাড়া মধুপুর স্কুলের অতিরিক্ত শাখা খোলার বিষয়ে তিনি বলেন আমি ওখানকার কেই নই। অহেতুক আমাকে জড়ানো হচ্ছে। এ ব্যপারে মধুপুর হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম বলেন, আমি শুনেছি ৭ জন শিক্ষকের অতিরিক্ত শাখা খোলার বিষয়ে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিন তদবির করেছে। তখন আমি সাধারণ শিক্ষক ছিলাম। প্রধান শিক্ষক বদিরুজ্জামান কোন ঘটনায় বরখাস্ত হয়েছেন তা আমি জানি না।
এ ঘটনায় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম এ আরিফ সরকার বলেন, মধুপুর হাইস্কুলে অতিরিক্ত শাখা খোলার ব্যপারে শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিনের নাম শোনা গেছে । বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আমাকে জানিয়েছেন। এমন একটি ঘটনা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সঠিক তদন্ত করলে মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে। এ ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শুসান্ত কুমার দেব বলেন, আমি যোগদানের পর থেকে আমার দপ্তরে এসে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেনি। তবে ইতিপূর্বে সে শিক্ষা বিভাগে একছত্র আধিপত্য কায়েম করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আমার কাছে অভিযোগ আসছে। অনেক অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
এব্যাপারে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন, মোকছেদুল ইসলাম বলেন আমি দায়িত্বে থাকা কালীন সময় শিক্ষক নেতা মহিউদ্দিন বিভিন্নভাবে অনৈতিক তদবির নিয়ে এসেছেন। আমি সেগুলো করতে না চাইলে আমাকে ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে হেনেস্তা করেছে। এক পর্যায়ে আমি চাকুরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে উপ-পরিচালক হিসেবে বরিশাল বিভাগে বদলি হয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করি। পরের ঘটনা গুলো আমার জানা নেই।

মহসেন জুট মিলের আন্দোলনরত শ্রমিক নেতৃবৃন্দ জরুরী বৈঠক

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খুলনার শিরোমনি শিল্প এলাকার ব্যক্তিমালিকানাধিন মহসেন জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে পুর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ি মঙ্গলবার খুলনা যশোর মহাসড়কের শিরামনিতে রাজপথ অবরোধ সফল করার লক্ষে ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধায় শ্রমিক কলোনিতে এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গত ২৬ জুলাই খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রি পক্ষিয় সিদ্ধান্ত মিল মালিক বাস্তবায়ন না করায় ধাপে ধাপে শান্তিপুর্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলাম, দুখঃজনক হলেও সত্য মিল মালিক আমাদের চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের ব্যাপরে কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করাতে আগামি ৮ সেপ্টেম্বর রাজপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষনা করা হয়। কিন্তু গত শনিবার কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিভাগিয় শ্রম পরিচালক সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ মহসেন জুট মিল পরিদর্শন করেন । এসময় শ্রমিকের চুড়ান্তপাওনাদি পরিশোধের বিষয়ে আন্দোলন রত মিলের শ্রমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা দের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রাকিবুল ইসলাম বলেন ছাটাইকৃত শ্রমিকদের গ্রাচুইটি , পিএফ সহ যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধের ব্যাপারে মিল কতৃপক্ষের সাথে দফায় দফায় আলোচনা করা হয়েছে । তিনি পুর্বঘোষিত কর্মসূচি ৮সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা রাজপথ, রেলপথ অবরোধ কর্মসূচী প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। যার পেক্ষিতে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অনুরোধে ও প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে মঙ্গলবারের অবরোধ কর্মসূচি ১ ঘন্টার স্থলে আধা ধন্টা করার সিদ্ধান্ত হয় । শ্রমিকেরা আরোও বলেন এ কর্মসূচি অত্যন্ত শান্তিপুর্নভাবে পালন করা হবে। শ্রমিকদের এ কর্মসূচি পালনে প্রশাসন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। ৭ সেপ্টেম্বর সোমবারের মধ্যে চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের বিষয়ে জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে লিখিত ভাবে যদি কোন সুষ্ঠ সমাধান হয় তাহলে কর্মসূচি স্থগিত করা হবে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মিলের শ্রমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী মোঃ আছহাব উদ্দিন, ইঞ্জিল কাজী, মাহাতাব উদ্দিন, সাবেক সিবিএ সভাপতি শহিদুল্লাহ খা, সাধারণ সম্পাদক খান গোলাম রসুল , ক্ষতিগ্রস্থশ্রমিক পরিবারের সন্তান

শিরোমণিতে দিনে দুপুরে ব্যবসায়ীর ৩ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
শিরোমণিতে দিনে দুপুরে ব্যবসায়ীর ঘরের জানালার গ্রীল কেটে নগদ টাকা সহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন পশ্চিম শিরোমণি বাইপাস সড়কের পাশ্বে ৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় কয়লা ব্যবসায়ী মামুন বিল্লাহ’র বাড়ীর জানালার গ্রীল কেটে ঘরে ঢুকে অয়্যারড্রপে থাকা নগদ ২৫ হাজার টাকা, ৩ ভরি ৬ আনা ওজনের স্বর্ণালঙ্কার সহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ জানান সকাল সাড়ে ১০টায় একই এলাকায় আমার শশুর শেখ আফজাল হোসেনের বাড়ীতে স্ত্রী সুরাইয়া জাহানকে রেখে নওয়াপাড়া অফিসে চলে যাই। স্ত্রী সুরাইয়া জাহান বেলা সাড়ে ১১টায় বাড়িতে এসে দেখে অয়্যারড্রফ ভাঙ্গা, জানালার গ্রীল কাটা এবং ঘরের অন্যান্য আসবাব পত্র এলোমেলো ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা এবং ড্রয়ারে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নাই। এঘটনায় খানজাহান আলী থানায় খবর দিলে থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রবীর কুমার বিশ্বাস ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন এবং থানায় একটি অভিযোগ করার পরামর্শ দেন। এলাকাবাসী জানায় শিরোমণি পশ্চিম পাড়া, দক্ষিণ পাড়া, বাইপাস সড়ক এলাকায় পুলিশি টহল না থাকায় প্রতিনিয়তই চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

কলেজ ছাত্রী আঁখি হত্যার প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন

ইলিয়াস হোসেন,তালাঃ
মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলায় কলেজ ছাত্রী আকলিমা খাতুন আঁখিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোপালপুর পল্লী সমাজ নারী উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে তালা-পাটকেলঘাটা সড়কের গোপালপুর গ্রামের প্রধান সড়কের উপর উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পল্লী সমাজের সভা প্রধান অনিমা রানী দেবনাথের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সঞ্জয় কুমার দে, পল্লী সমাজের সাধারণ সম্পাদক কুলছুম বেগম, কোষাধ্যক্ষ শ্যামলী রানী রায় প্রমুখ। উক্ত মানববন্ধনে কলেজ ছাত্রী আকলিমা খাতুন আঁখি হত্যাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতারপুর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।

আশাশুনিতে বিষয় ভিত্তিক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে বিষয় ভিত্তিক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের আয়োজনে দুপুর ১২.১৫ থেকে ১.২০ টা পর্যন্ত ভার্চূয়াল মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয় ভিত্তিন আলোচনা পরিচালনা করেন, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর ইমান উদ্দিন। আলোচনায় প্রধান শিক্ষক কবিরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক কামরুল ইসলাম, সহকারী এলেনা খাতুন, সহকারী শিক্ষক আঃ কাদেরসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী অংশ নেন। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।

প্রতাপনগরে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার উন্নয়ন কাজ চলছে

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পুরোদমে কাজ এগিয়ে চলেছে। ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনের তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিকে উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। গত ২০ মে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আম্পানে তান্ডবে প্রতাপনগর ইউনিয়নের কয়েকটি বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এরপর বাঁধ রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এরই মধ্যে ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে কিছু এলাকাকে রক্ষার জন্য রিং বাঁধের ব্যবস্থা করা হলেও ২০ আগস্ট অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে রিং বাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে গোটা ইউনিয়নকে নিমজ্জিত করে দেয়। ইউনিয়নের প্রধান কার্পেটিং সড়কসহ সকল সড়ককে নাস্সানাবুদ করে দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে ইউনিয়নবাসী চরম বিপদাপন্ন হয়ে পড়ে। ঘরছাড়া ও সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে খাদ্য সংকট, সুপেয় পানি সংকট, স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী। ফলে বসবাসের সুযোগ বঞ্চিত ও সড়ক বিচ্ছিন্ন এলাকাবাসী নৌকা নির্ভর হয়ে পড়ে। কিন্তু সব এলাকায় নৌকা যাতয়াত সম্ভব না হওয়ায় অনেক এলাকা সাময়িক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আবার প্রবল স্রোতের কারনেও সকল এলাকায় নৌকা যাতয়াত হুমকীপূর্ণ ও অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকি নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। এছাড়া জোয়ারভাটার কারনে এলাকা যেমন সমস্যা সংকুল, তেমনি নোংরা, পঁচা পানির প্রভাবে পানি বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। এসকল প্রতিকুলতা থেকে এলাকাবাসীর পাশে থাকতে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন এলাকার সমস্যাবলী দূরীকরণে মাঠে রয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাকির হোসেন উপজেলা পরিষদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতার মাধ্যমে সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ চালিয়ে আসছেন। এলাকার মানুষের সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করার জন্য বিভিন্œ এলাকায় উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন বলেন, আমার প্রতাপনগরের জনগণ অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছে। পানিবন্ধীতা থেকে তাদেরকে মুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় সহ উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতাপনগরের উপর সুনজর দিয়ে অতিদ্রুত টেকসই ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ করবেন আমরা সকলে সে প্রত্যাশা করছি।

বড়দলে আঁখির উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আশাশুনি প্রতিনিধি

মাগুরা জেলার মোহাম্মাদপুর উপজেলার কলেজ ছাত্রী আকলিমা খাতুন আঁখিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে আশাশুনি উপজেলার বগৎড়দলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বুড়িয়া পল্লী সমাজ মহিলা সমবায় সমিতি লিঃ এর আয়োজনে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র মন্ডল, হরিশ চন্দ্র, বুড়িয়া পল্লী সমাজ মহিলা সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি বিভা রানী, সেক্রেটারী জয়ন্তী রানী, কোষাধ্যক্ষ সুজতা রানী প্রমুখ। মানববন্ধন চলাকালে আঁখির উপর সকল হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে বক্তাগণ আলোচনা রাখেন।

আশাশুনি সদরে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনির সদর ইউনিয়নে অসহায় প্লাবিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকালে সদর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ওয়ার্ডের ১০৬ পরিবারের মাঝে জিআর এর ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স ম সেলিম রেজা মিলন। এসময় ইউপি সদস্য শাহিনুর ইসলাম, ইন্দ্রানী মন্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খাজরার ফজিলা বেগম ৬ দিন নিখোঁজ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুর গ্রামে এক গৃজবধু ৬ দিন যাবৎ নিখোঁজ রয়েছেন। তার কোন খোজ না পেয়ে তার পুত্র থানায় জিডি করেছেন। গদাইপুর গ্রামের নূর উদ্দীন খোকনের স্ত্রী ফজিলা বেগম (৬৫) এর উপর দীর্ঘদিন জ¦ীনের আসরে ভর করেছিল। ফলে বিভিন্ন সময় বাড়ী থেকে এদিক ওদিক চলে যেত। আবার নিজের ইচ্ছায় ফিরে আসত। গত ০১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ীর কাউকে কিছু না বলে তিনি বাড়ি থেকে চলে যান। বহু খোঁজা-খুজির পরেও তাকে পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে তার পুত্র বিল্লাল হোসেন আশাশুনি থানায় রবিবার ২৫৮নং সাধারণ ডায়েরী করেছেন। কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে ০১৩১৬-০০৯০০২নং মোবাইলে যোগাযোগ করার জন্য অসহায় পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শরণখোলায় সংখ্যালঘু হামলার ঘটনায় গ্রেফতার-১

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

শরণখোলায় সংখ্যালঘু হামলার ঘটনা মামলায় একজনকে গ্রেফতার করেছে শরণখোলা থানা পুলিশ। গত শনিবার রাতে উপজেলার আমড়াগাছিয়া বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট সকালে উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামের সমাজ সেবক সংখ্যালঘু শশধর ওঝার উপর সন্ত্রাসী হামলা ঘটনায় গত ২ সেপ্টেম্বর শরণখোলা থানায় ৩জনকে আসামী করে শশধর ওঝা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এতে প্রধান আসামী সফেজ মাতুব্বরের ছেলে শাহ আলম মাতুব্বর (৪০) কে গত শনিবার রাতে আমড়াগাছিয়া বাজার থেকে শরণখোলা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। শশধর ওঝা জানান, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করায় তাকে খুন জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।