সিরিজ বোমা হামলা দিবসের আলোচনায়
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রীত্ব এবং জঙ্গীবাদের মদদ দিয়ে পুন:বাসন করায় জিয়া, খালেদা, তারেক, বাবর ও পিন্টু’র বিচার করতে হবে। তারা পাকিস্তানের আইএসের মদদপুষ্ট হয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের মেধাবী মানুষদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে।
তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১৯বার হামলা চালানো হয়েছে। আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। বিএনপি-জামায়াতের রাষ্ট্রীয় মদদে এদেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। চালানো হয়েছে অকথ্য নির্যাতন। যা ’৭১-কেও হার মানিয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু’র সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পরে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করে বিডিআর বিদ্রোহের সৃষ্টি করেছিলো। যাতে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে না পারে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে জিয়া মোস্তাক তাহের গংয়েরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিলো। আর এদেশকে জঙ্গীবাদে পরিণত করেছিলো কুখ্যাত জিয়াপুত্র তারেক বাবর পিন্টু গংয়েরা। তিনি আরো বলেন, আজ সময় এসেছে যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রীত্ব দিয়ে পুন:বাসন করায় জিয়াকে মরণোত্তর, দেশে অত্যাচার নির্যাতন হত্যা, গ্রেনেড হামলা, অগ্নি সংযোগ এবং জঙ্গীবাদের সৃষ্টি করার দায়ে খালেদা, তারেক, বাবর ও পিন্টু বিচারের দাবি জানানো হয়।
গতকাল সোমবার বিকাল ৫টায় দলীয় কার্যালয়ে সিরিজ বোমা হামলা দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. আবু হানিফ, পারভেজ হাওলাদার, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। সভা পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বিএমএ সালাম, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, মকবুল হোসেন মিন্টু, শ্যামল সিংহ রায়,
এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জয়ন্তী রানী সরদার, আবুল কাশেম ডাবলু, মনিরুজ্জামান খান খোকন, মো. মোতালেব মিয়া, মো. ইমরান হোসেন, শেখ জাহিদ হোসেন, আব্দুল হাই পলাশ, মঈনুল ইসলাম নাসির, মো. জাকির হোসেন, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মীর মো. লিটন, অহিদুজ্জামান পলাশ, কাজী কামাল হোসেন, মুশফিকুর রহমান সাগর, মো. ইকবাল হোসেন, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, এস এম আকিল হোসেন, গোপাল চন্দ্র সাহা, হাবিবুর রহমান দুলাল, রকিবুল হাসান লাবু, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, মৃনাল কান্তি, মফিজুর রহমান সোহাগ, বিধান চন্দ্র রায়, মাহামুদুর রহমান রাজেস, মো. শিপন, শংকর সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।










































