পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি||
পাইকগাছায় শিবসা নদী চর ভরাটি জায়গা দখল করে মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির ঘর নির্মানের অভিযোগ। মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির নেতৃবৃন্দ বলছে তাদের ক্রয় করা জমিতে ঘর নির্মান করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মতার নির্দেশে বৃহষ্পতিবার সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠছে। অভিযোগে জানাযায়, পৌর সদরেরর পাশে শিবসা নদী প্রবাহিত। শিবসা নদীর পাড়ে মৎস্য আড়ৎদারী সমিতি জমি ক্রায় করে মৎস্য কাটা তৌরী করে। কাটার জায়গা বাড়ানোর জন্য শিবসা নদীর ভরাট জায়গায় পাকা স্থাপনা তৌরী করছে বলে এমন অভিযোগ আনে।
পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন ও সম্পাদক মিঠু নায়েব জানান, আমরা জমি কিনে মৎস্য আড়ৎ তৌরী করেছি। শিবসা নদী দখল বিষয় তারা বলেন, আমরা চরের জায়গা দখল করেনি।ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এটি জরিপ করে দেখেছে।
পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু আহম্মেদ হাওলাদার জানান, আমাদের ওয়াপদা বাদে সব জমি ভূমি অফিসের। তারপরেও আমরা দেখেছি শিবসা নদীর চর ভরাটি জায়গায় কাটা সমিতি ঘর নির্মান করছে।বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। গদাইপুর ইউনিয় ভূমি কর্মকর্তা লতিফা আক্তার জানান, আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম। মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতি পাকা স্থাপনা করছে দেখেছি।তারা বলছে তাদের নিজেস্ব জায়গায় ঘর তৌরী করছে। নদীর মধ্য চরভরাটি জায়গা কেমন করে ব্যক্তি মালিকনা হয় এ বিষয় তিনি স্বদত্তর দিতে পারেনি। পাইকগাছা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছুটিতে থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে রিপোট দিলে যদি নদীর জায়গা হয় তাহলে স্থপনা ভেঙ্গে দেয়া হবে। কেহ নদী দখল করে স্থাপনা তৌরী করতে পারবে না।










































