খুলনা প্রেসক্লাব নির্বাচনে নজরুল সভাপতি ও মামুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক তথ্য পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ও দৈনিক আজকের তথ্যের সম্পাদক এস এম নজরুল ইসলাম সভাপতি এবং দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার এবং চ্যানেল টুয়েন্টিফোর ও দৈনিক সমকালের খুলনা ব্যুরো প্রধান মামুন রেজা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন ঃ সহ-সভাপতি-এস এম সাহিদ হোসেন (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিন), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (দৈনিক সমকাল) ও মোজাম্মেল হক হাওলাদার (দৈনিক দেশ সংযোগ), যুগ্ম-সম্পাদক-মাহবুবুর রহমান মুন্না (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিন), কোষাধ্যক্ষ-এস এম কামাল হোসেন (দৈনিক পূর্বাঞ্চল), সহকারী সম্পাদক-আনোয়ারুল ইসলাম কাজল (দৈনিক পূর্বাঞ্চল), শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (দৈনিক তথ্য), এ এইচ এম শামিমুজ্জামান (ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন) এবং শেখ মোঃ সেলিম (দৈনিক বাংলাদেশের আলো)।
কার্যনির্বাহী সদস্য-মোহাম্মদ আলী (দৈনিক পূর্বাঞ্চল), আসিফ কবির (দৈনিক জন্মভূমি), মোঃ তরিকুল ইসলাম (সময়ের খবর), বিমল সাহা (উষার আলো), হাসান আহমেদ মোল্লা ( সাপ্তাহিক আমাদের খুলনা), সোহরাব হোসেন (দৈনিক সময়ের খবর), শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল (দৈনিক পূর্বাঞ্চল), মোঃ মিজানুর রহমান মিলটন (দৈনিক খুলনাঞ্চল), শেখ আবু হাসান (আজকের পত্রিকা), মল্লিক সুধাংশু (দৈনিক কালবেলা), মোঃ শাহ আলম (প্রতিদিনের সংবাদ) এবং রকিব উদ্দিন পান্নু (৭১ টেলিভিশন)।
প্রতিটি পদে ১ জন করে প্রার্থী থাকায় প্রত্যেককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু এবং সদস্য হিসেবে খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবীর ও আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ দায়িত্ব পালন করেন।
সাতক্ষীরা কলারোয়ার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় ১৫ লক্ষ টাকায় নিয়োগ প্রদান অভিযোগ!
খান নাজমুল হুসাইন
সাতক্ষীরা কলারোয়ার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। গত ২ই ডিসেম্বর ডিজি প্রতিনিধি ও কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে ম্যানেজ করে মনোনীত প্রার্থীদের মাঝে প্রশ্ন পত্র ফাঁসের মাধ্যমে সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় একটি সাজানো পাতানো নিয়োগ বোর্ড বসানো হয়। জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান ও গবেষনাগার ল্যাব সহকারী ২ পদে পত্রিকায় ১৯-০৯-২৩ তারিখ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাবু বিধিবহির্ভূত ভাবে ২ জন প্রার্থীকে মনোনীত করে ১৫ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। নিয়োগ বোর্ডের পূর্বে টাকার বিনিময়ে মনোনীত প্রার্থীরা হলেনঃ কলারোয়া উপজেলার ক্ষেত্রপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বার এর ছেলে জাহিদ হোসেন কে গবেষনাগার ল্যাব সহকারী পদে মনোনীত করে তার নিকট থেকে ১০ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। কলারোয়া উপজেলার নজরুল ইসলাম কে ইবতেদায়ী প্রধান পদে মনোনীত করে তার নিকট থেকে ৫ লক্ষ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাবু। সম্প্রতি সময় কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় ২ পদে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দুইজন প্রার্থীকে মনোনীত করে অর্থ বানিজ্যের দূর্নীতির খবরটি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে একটি পাতানো নিয়োগ বোর্ড পরীক্ষার মাধ্যমে গবেষণাগার ল্যাব সহকারী পদে প্রার্থী জাহিদ হোসেন কে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করা হবে মর্মে সংবাদ প্রকাশ হয়। এদিকে গত ২ই ডিসেম্বর সকালে ডিজি প্রতিনিধি আসার পূর্বে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার বরনডালি ৭ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলাম এর নিজ বাড়িতে গোপনে একটি সাজানো পাতানো নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে ২জন প্রার্থী মনোনীত করা হয়। স্থানীয়দের দাবি ডিজি প্রতিনিধি আসার পূর্বে পাতানো নিয়োগ বোর্ডে মনোনীত করা ২ প্রার্থীকে ডিজি প্রতিনিধির সাক্ষর নিয়ে নিয়োগ প্রদান করার পায়তারা চালানো হয়। কিন্তু স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও তোপের মুখে পড়ে পাতানো নিয়োগ বোর্ড ভেস্তে যায়। অবশেষে উপায়ন্ত না পেয়ে ডিজি প্রতিনিধি ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং সংশ্লিষ্ট কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর মস্তাফিজুর রহমান কলারোয়া উপজেলার সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ বোর্ড বসানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্ত সেখানেও নিয়োগ পরীক্ষার আগেভাগেই প্রশ্ন পত্র ফাঁস করা একই প্রশ্ন পত্র নিয়োগ পরীক্ষায় ফাঁস করা হয়। এর আগে নিয়োগ বোর্ডে পরীক্ষায় প্রশ্ন পত্র করা নিয়ে ডিজি প্রতিনিধি ও কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নানা তালবাহানা শুরু করেন। তারা প্রশ্ন পত্র তৈরি করা নিয়ে প্রথমে জনসম্মুখে বলেন, প্রশ্ন পত্র হ্যান্ড রাইটিং করার জন্য কার্বন কপির প্রয়োজন কিন্ত কার্বন কপি নেই বিদ্যুৎ নেই। সে কারণে ব্লাকবোর্ডে আমরা প্রশ্ন করবো। স্থানীয়রা প্রশ্ন পত্র করার জন্য প্রস্তাব রাখলে ৩ মিনিটের মধ্যে অত্র মাদ্রাসার অফিস সহকারী বাসুদেব আগে থেকে ফাঁস করা একই প্রশ্ন পত্র নিয়ে আসা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। এদিকে লোক দেখানো সাজানো পাতানো নিয়োগ বোর্ড শেষে গবেষণাগার ল্যাব সহকারী পদে আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহিদ হোসেন কে নিয়োগ প্রদান করা হয় এবং ইবতেদায়ী প্রধান পদে নজরুল ইসলাম কে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এ বিষয় সরাসরি ডিজি প্রতিনিধি, কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং অত্র মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে সরাসরি বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা কালে তারা বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসায় পাতানো নিয়োগ কেন্দ্রিক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাবুর সীমাহীন অনিয়ম, দূর্নীতি এবং সেচ্ছাচারিতার অভিযোগের ভিত্তিতে গণমাধ্যম কর্মীরা সরেজমিনে মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে প্রথমে সভাপতি ভাড়াটিয়া ইউপি সদস্য রেজাউল ও ইউপি সদস্য উত্তম সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। কিন্ত গণমাধ্যম কর্মীরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনড় থাকায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এমনকি লাঠিপেটা করতে উদ্যত হয়। একপর্যায় গণমাধ্যম কর্মীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। একপর্যায় কলারোয়া থানা পুলিশের উপস্তিতি টের পেয়ে গণমাধ্যম কর্মী রাসেল এর কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া মোবাইল ফোনটি ইউপি সদস্য রেজাউল ফেরত দেয়।
কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংখ্যলঘু রবিন্দ্রনাথের সংবাদ সম্মেলন
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংখ্যালঘু রবিন্দ্রনাথ সরকারের মৎস্যঘেরে লুটপাট ও নার্সিং পয়েন্ট ভাংচুর করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০২ ডিসেম্বর) বিকালে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেণ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা গ্রামের চিত্তরঞ্জন সরকারের ছেলে রবিন্দ্রনাথ সরকার। তিনি বলেন কালিগঞ্জের, বিল কাজলা মৌজার এস, এ ২ নং খতিয়ানের সাবেক নালিশী ১৮৬ দাগে ১৯ একর ৬৫ শতক জমির মধ্যে কানাই লাল এর একজমা থাকে। তিনি ১৯৬৫ সালে ভারতে চলে যাওয়ায় সরকার বাহাদুর অর্পিত সম্পত্তি তালিকা ভুক্ত করেন। বর্ণিত সম্পত্তি খাল শ্রেণী ভুক্ত আছে। এখনও চারটিএলাকার পানি চলাচল করে পাচটি সংযোগ রাস্তা চলমান আছে, ক্রম বিবর্তনে খালের কিছু অংশে ভরাট করে রাস্তা হয়। আমি জনৈক আহবান ও নছিমের দখলী থাকা অবস্থায় ১০ শতক জমি মাত্র তাহাদের নিকট থেকে লিখিত পজেশন খরিদ সম্পত্তির উপরে অনেক টাকা বিনিয়োগে আমি ব্যাবসায়ী ভিত্তিতে বাগদার রেনু পোনা উৎপাদন ও বিক্রয় করিয়া আসিতেছি। উক্ত সম্পত্তিতে আমি। ১২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করিয়াছি। এক্ষনে ভূমিদসু মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম, উভয় পিং মৃত বদিউল্যা গাজী,সাং বিলকাজলা, নয়ন, পিতা, নজরুল ইসলাম, সম্রাট, পিং শহিদুল ইসলাম, উভয় সাং- বিলকাজলা, সুমন, পিতা- শহিদুল ইসলাম, সহ তাদের ভাড়াটিয়া ২৫/৩০ জন লাঠিয়াল আমার উক্ত সম্পত্তি উপরন্ত নার্সিংপয়েন্ট ভাংচুর করিয়া যবর দখল করিয়াছে। আমি ও আমার পরিবার বাঁধা দিতে গেলে ভূমিদসু ও সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে আক্রমন করিতে উদ্ধত হয় এবং মামলা ও হামলা করে আমাদেরকে জীবননাশ ও দেশ ছাড়া করতে হুমকি প্রদান করে। কোন প্রকার জীবন বাঁচিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিত্যাগ করি। বর্ণিত নজরুল ইসলাম সরকারি মামলার পরাজয় বরণ করে সব শেষ মহামান্য হাইকোটে রিড পিটিশন করেন যাহা বর্তমানে পেন্ডিং আছে। তাং- ০১/১২/২০২৩ তারিখে রাত্রে ও অদ্য ০২/১২/২০২৩ তারিখে বর্ণিত একতা হ্যাসারীতে থাকা পাকা ঘর, ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত আসবাবপত্রসহ সবকিছু তাহারা নিয়ে নিয়াছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার বর্গ বিভিন্ন জায়গায় দোড় ঝাপ করে কোন সুরাহ না পেয়ে আমরা সংখ্যালঘ্ ুপরিবার মানবতার জীবন যাপন করছি। ন্যায় বিচার পাইবার জন্য এই সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ দাবী করছি। সংবাদ সম্মেলনে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভয়নগরে আফছার আলী ট্রাস্ট মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
নিজস্ব প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় আলহাজ¦ আফছার আলী ট্রাস্ট মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শানিবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার প্রেমবাগ আফছার মেহেরুন মর্ডান কলেজিয়েট বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও উপজেলার ১’শ ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ৪’শ ৩৩জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। ৪’শ ৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহনকরার কথা থাকলেও ৩৫ অনুপস্থিত ছিলো। প্রথমে সকাল ১০টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ও পরে ২টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহযোগিতায় ৭ সদস্যের কমিটি পরীক্ষা দেখভাল করেন।
পরক্ষিার কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক অচিন্ত সাহা, বিএল করেজের সহকারী অধ্যাপক জোবায়ের হোসেন, প্রেমবাগ ইউপি চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, প্রেমবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ মনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক জাকির হোসেন হৃদয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক তপন মন্ডল, শিক্ষক শাহিনুল ইসলাম, গুরুচাঁদ মন্ডল, আব্দুল আজিজ, জাকারিয়া, রবিউল ইসলাম, ফেরদৌস রহমান, জিল্লুর রহমান, আসাদুজ্জামান, নাসির উদ্দীন শেখ, সোহাগ আমিন, আব্দুর শুকুর, আসমা খাতুন, ইভা রহমান, রিমা খাতুনসহ উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকগন।
উপজেলার সকল ইউনিয়নে ৪৮ জন ও নওযাপাড়া পৌরসভার ২৭ জন সাধারণ গ্রেডে এবং ট্যালেন্টপুল মেধা তালিকায় ১০ জন মোট ৮৫ জন এ বৃত্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত হবে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
যশোর-৬ কেশবপুর আসনে আঃলীগের প্রার্থীসহ ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন
আলমগীর হোসেন, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) যশোর- ৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ ৫জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এরমধ্যে ৪জন প্রার্থী কেশবপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসারের কর্যালয়ে তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হোসাইন মোহাম্মাদ ইসলাম মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কেশবপুরের সংসদ শাহীন চাকলাদের পক্ষে মনোনয়ন পত্র জমা দেন, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম রুহল আমিন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, এ্যাড. রফিকুল ইসলাম পিটু, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, ৪নং বিদ্যানন্দকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, ৮ নং সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান মন্ঞ্জুরুল ইসলাম মন্ঞ্জু, , ৯নং গৌরিঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমন হাবিব ও ১১ নং ইউপি চেয়ারম্যান তহিদুজ্জামান তৌহিদ। এছাড়া বিকাল ৩টায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচ এম আমির হোসেন,উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি শাহিনুজ্জামান। এবং যশোর জেলা রিটানিং অফিসার প্রশাসকের নিকট স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মাদ ইসলাম ও জাতীয় পার্টি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জিএম হাসান মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে ২৮ নভেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুর রহমান আজিজ উপজেলা সহকারী রিটানিং অফিসারের নিকট তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন বলে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার সাংবাদিকদের জানান।কেশবপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার তুহিন হোসেন বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে প্রার্থী হিসেবে কেশবপুরে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীসহ ৪জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া যশোর জেলা প্রশাসকের নিকট ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী তার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। #
ডুমুরিয়ায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে বিধবাসহ একাধিক ব্যক্তির জমি জবর দখলের অভিযোগ
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় মাগুরখালী এলাকায় একাধিক ব্যক্তির জমি গায়ের জোরে ভোগদখল করে আসছে ইউনুস সরদার নামের এক প্রভাবশালী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাররা ¯’ানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের লিখিত রায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেও প্রতিকার পা”েছ না ভুক্তভোগীরা। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছেন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।
উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়নের বৈঠাহারা এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বিধবা লীলা রানী মন্ডল, সাবেক ইউপি সদস্য পরিতোষ সরকার ও বিধবা অনিমা মন্ডলের দায়েরকৃত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়,একই ইউনিয়নের খোরেরাবাদ গ্রাম¯’ প্রভাবশালী ইউনুস আলী সরদার পেশী শক্তির জোরে বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও তাদের জমি জবর দখল করে মৎস্য ঘের করে আসছে। তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, প্রভাবশালী ওই ইউনুসের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নেই তাদের। পরিতোষ সরকার জানান, ¯’ানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানার পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তিনি নিজেই উপ¯ি’ত থেকে সার্ভেয়ার নিয়োগ করে ২৬ শতাংশ জমি ইউনুস কে ছেড়ে দিতে হবে মর্মে ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই একটি লিখিত রায় প্রদান করেন। কিš‘ সেটিকে তোয়াক্কা না করে আজও গায়ের জোরে তার সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে ইউনুস। তিনি আরও বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য হয়েও সম্পত্তি উদ্ধারে তিনি ব্যর্থ। সেখানে বিধবা ওই নারীরা কিভাবে তাদের সম্পত্তি উদ্ধার করবে তা জানা নেই। বিধবা লীলা রানী জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলেও ধার্যিদনে হাজির হন না তিনি। জানিনা তার খুঁটির জোর কোথায় ? প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কিভাবে অন্যের জমি দখল করে আসছেন এমনটি জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউনুস কোন সদুত্তর না দিয়ে বলেন,এটা আমি তাদের সাথে বুঝবো। ইউনুসের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তির দায়েরকৃত অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান বলেন, দায়েরকৃত অভিযোগ গুলো গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।
দামুড়হুদায় বিয়ের ফুল কিনতে এসে সড়ক দুর্ঘটনার যুবকের মৃত্যু
মাহমুদ হাসান রনি,দামুড়হুদা(চুয়াডাঙ্গা)প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিয়ের ফুল কিনতে এসে দুর্ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৬ টায় উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আইনুর বিশ্বাস (২২) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। উল্লেখ্য শুক্রবার সকলে আইনুর তার চাচা শামিম হোসেনের বিয়ের গাড়ি সাজানোর জন্য মটরসাইকেল যোগে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে ফুল কিনতে যান। ফুল নিয়ে বেলা ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কার্পাসডাঙ্গার কোমরপুর ঈদগার নিকট পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাওয়ারটিলারের সাথে মটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে সে সড়কের অপর ছিটকে পড়ে মাথার প্রচণ্ড আঘাত পায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।রাতে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
দাকোপে অতিথি পাখি নিধনে মেতেছে অসাধু শিকারীরা
মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
অতিথি পাখির আগমনে খুলনার দাকোপে স্থানীয় অসাধু শিকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা মোবাইলে রেকর্ড করা পাখির নকল ডাকের ফাঁদে ফেলাসহ নানা কৌশলে অসংখ্য অতিথি পাখি শিকার করছে। এসব পাখি আবার অগ্রিম অডার নেয়া খরিদ্দারদের কাছে অবাধে বিক্রিও করছে শিকারীরা। ফলে অতিথি পাখি নিধনে আইন শুধু কাগজ কলমে সীমাবদ্ধ থাকছে বলে সচেতনমহলের অভিমত।
এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও নভেম্বর মাসে শীতের শুরুতে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের খাল বিলে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসছে। পাখির কলকাকলীতে এঅঞ্চলের ছোট ছোট বিল ঝিলগুলো হয়ে উঠছে মুখরিত। পাখির কিচির মিচির শব্দে আনন্দঘন পরিবেশকে করে তুলছে আরও প্রানবন্ধব। কিন্তু স্থানীয় পেশাদার অসাধু শিকারীরা মোবাইলে রেকর্ড করা পাখির নকল ডাকের ফাঁদে ফেলে অবাধে শিকার করে চলেছে আসল অতিথি পাখি। এছাড়া তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলের খাল, বিল, নদী ও মাঠ থেকে নাইলনের সুতার তৈরি ফাঁদে ও চোখে আলো ফেলে, কেঁচো দিয়ে বশি পেতে, কোচ মেরে ও কারেন্ট জাল পেতেও পাখি শিকার করছে। এসব পাখি আবার অগ্রিম অডার নেয়া খরিদ্দারদের কাছে অবাধে বিক্রিও করছে শিকারীরা। এসব শিকারীদের কাছ থেকে আবার এলাকার কতিপয় ব্যক্তি পুলিশের ভয়ে দেখিয়ে অর্থ বানিজ্যও করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায, প্রচন্ড শীতের প্রকোপ থেকে আত্মরক্ষার্থে সুদূর হিমালয়, সাইবেরিয়াসহ শীত প্রধান অঞ্চল থেকে অতিথি পাখি এঅঞ্চলে আসে। এসব পাখির মধ্যে রয়েছে বালি হাঁস, জলপিপি, কোম্বডাক, সরালী কাস্তে চাড়া, পাতাড়ি হাঁস, কাদা খোচা, ডংকুর, হুরহুর, খয়রা, সোনা রিজিয়া অন্যতম। জানা গেছে ৮০ দশকে এদেশে আসা অতিথি পাখির সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ৩০০ প্রজাতির। কিন্তু বর্তমানে এ সংখ্যা নেমে ৬০ থেকে ৭০ চলে এসেছে। প্রশাসন তৎপর হলে এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ হলে এসব পাখি শিকার বন্দো হবে বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিকারীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, প্রতি রাতে ধান ক্ষেতে বসে মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা পাখির নকল ডাক অথবা নকল সুর মিলানো বাঁশি বাজিয়ে আসল উড়ন্ত পাখিদের নিচে নামিয়ে ফাঁদে ফেলে অতি সহজে শিকার করছে। এসব পাখি আবার অগ্রিম অডার নেওয়া খরিদ্দারদের কাছে পাখি প্রতি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রিও করছে শিকারীরা। এবিষয়ে পশ্চিম বনবিভাগের খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, অতিথি পাখি শিকার বন্ধে কাজ করে আমাদের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ। তারপরও খোঁজ খবর পেলে শিকারীদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এব্যাপারে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল জানান, অতিথি পাখি শিকার বন্দে আমাদের অভিযান চলছে। ইতি মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছি। তাছাড়া খোঁজ খবর পেলে আমরা সেখানে গিয়ে অভিযান করে এবং শিকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ২ সন্তানের জননী
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
সালথায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা ১৫ ঘণ্টা অবস্থান নিয়েও দাবি পূরণ করতে পারেনি দুই সন্তানের জননী এক নারী। এ সময় প্রেমিক তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন তিনি। শুক্রবার সকালে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউপির কাগদী স্বজনকান্দা গ্রামে প্রেমিক হাফিজুর মোল্যার বাড়িতে অবস্থান নেন ওই নারী।
তবে দিনভর সেখানে অবস্থান নেওয়ার পর রাত ১০টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন পুলিশ। অভিযুক্ত প্রেমিক হাফিজুর কাগদী স্বজনকান্দা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে। আর ওই নারীর বাড়ি একই গ্রামে।
বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া নারী অভিযোগ করে বলেন, দুই সন্তানের জনক হাফিজুরের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক চলছে। এরমধ্যে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় আমার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক করেন হাফিজুর। গত বৃহস্পতিবার রাতে হাফিজুর আমার সঙ্গে দেখা করে তার বাড়িতে যেতে বলেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে আমি হাফিজুরের বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজন আমাকে মারধর করে।
তিনি আরও বলেন, হাফিজুরের জন্য আমার ঘর-সংসার সব শেষ হয়ে গেছে। এখন তিনি আমাকে বিয়ে না করলে আমার মরা ছাড়া গতি নাই। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করব।
শনিবার সকালে ওই নারীর ভাই বলেন, বিয়ের দাবিতে আমার বোন তার প্রেমিক হাফিজুরের বাড়িতে শুক্রবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ এসে আমার বোনকে উদ্ধার করে আমাদের বাড়িতে দিয়ে যায়।
এ বিষয়ে হাফিজুরের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি পলাতক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার মা বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে ওই নারীর কোনো সম্পর্ক নাই।
ওই নারীকে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।
হাফিজুরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী ওই নারীর সঙ্গে প্রেম করায় গত ৪ মাস আগে দুই সন্তান নিয়ে আমি বাবার বাড়িতে চলে যাই। এরপর গত বুধবার আমি স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসি। আমি আসার পর শুক্রবার ওই নারী আমাদের বাড়িতে এসে অবস্থান নেয়।
সালথা থানার ওসি মো. শেখ সাদিক বলেন, তারা দুইজনই প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষ। তাদের দুইজনের ইচ্ছাতেই সবকিছু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই নারীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে দিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিয়ের আসর থেকে বর চলে যাওয়ায় কনের আত্মহত্যা!
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার পাইকগাছায় বিয়েতে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে বিয়ে না করেই চলে যান বরপক্ষ। এর ৪ দিন পর কনের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত সোমবার উপজেলার লতা ইউনিয়নের মুনকিয়া গ্রামের ঠাকুরদাস মন্ডলের মেয়ে তুলি মন্ডলের (১৮) সঙ্গে সুদীপ্ত মন্ডলের (২৫) বিয়ের আয়োজন করা হয়। সুদীপ্ত বটিয়াঘাটাা উপজেলার কাইয়ুমখোলা গ্রামের বিষ্ণুপদ মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, গোধূলিলগ্নে বিয়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু বরপক্ষের লোকেরা রাত ৯টার দিকে আসায় গোধূলি লগ্ন পার হয়ে যাওয়ায় বিয়ে হয়নি। পরে রাত ১২টা বা ৩টার লগ্নে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিল মেয়েপক্ষ। ছেলেপক্ষ তাতে রাজী না হয় রাত ১০-১১টার মধ্যে বিয়ের কাজ শেষ করতে বলেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ সময় ছেলেপক্ষের লোকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে চলে যায়।
পরবর্তীতে ছেলে পক্ষ বিয়ের জন্য মেয়েপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাতে মেয়েপক্ষ রাজি না হওয়ায় কনে তুলি ক্ষুব্ধ হয়ে ৪ দিন পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ ঘরে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের লোকেরা তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করে।
পাইকগাছা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লঅশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খুলনায় যুবলীগ নেতার পায়ের রগ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার তেরখাদা উপজেলার যুবলীগ নেতা রাকিব মোল্লার পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম কাটেংগা গ্রামে এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রাকিবকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।
পূর্বশত্রুতার কারণে এ হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রাকিব উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি পশ্চিম কাটেংগা গ্রামের আলম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে রাস্তায় রাকিবের ওপর এ হামলা হয়। তাঁর হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে পায়ের রগ কেটে দেয়। এ সময় রাকিবের চাচি নাজমা বেগম বাঁচাতে গেলে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করে তারা। পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে তেরখাদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করায়।
এ বিষয়ে তেরখাদা থানার ওসি (তদন্ত) এস এম আলম কবির বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।
মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হননি খুলনার ৭ এমপি
স্টাফ রিপোর্টার
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হননি খুলনা বিভাগের সাত সংসদ সদস্য (এমপি)। দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্যের কারণে মনোনয়নপত্র জমা দেননি বলে তারা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করারও ঘোষণা দিয়েছেন। খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা-দাকোপ) আসনে চারবারের সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি। তিনি বলেন, ‘দল এবার মনোনয়ন না দেওয়ায় প্রার্থী হইনি। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাব না।’ খুলনা-৩ (দৌলতপুর-খালিশপুর-খানজাহান আলী) আসনে তিনবারের সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবার মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমি তা মেনে নিয়েছি।’
খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে এবার মনোনয়ন পাননি বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ আকতারুজ্জামান বাবুল। তিনি বলেন, দলের অবদানের কারণে আমি একবার জনপ্রতিনিধি হয়েছি। এটি আমার জন্য বড় পাওয়া। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হইনি।’
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে মনোনয়নবঞ্চিত সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলন মনোনয়নপত্র জমার দিন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বদিউজ্জামান সোহাগের সঙ্গে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। নৌকার প্রার্থী সোহাগকে বিজয়ী করতে এলাকায় কাজ করছি।’
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জের একাংশ) আসনে মনোনয়নবঞ্চিত এমপি এস এম জগলুল হায়দার বলেন, নেত্রী টানা দু’বার আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। এবার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার প্রতি আমার আস্থা আছে। আমি নৌকার প্রার্থী আতাউল হক দোলনের পক্ষেই কাজ করব।
মাগুরা-১ (সদর) আসনের বর্তমান এমপি সাইফুজ্জামান শিখর মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে মনোনয়ন পাননি মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে এ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার পরও শুধু দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি হওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শিমের বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি
নিজস্ব প্রতিনিধি
চলতি শীতে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে হাসি ফুটেছে তালা উপজেলার চাষিদের মুখে। ফলন ভালো হওয়ায় প্রতিবছর তালা উপজেলায় বাড়তে শুরু করেছে আগাম শিম চাষির সংখ্যা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি শীত মৌসুমে তালা উপজেলার ৮৫-১০০ হেক্টর জমিতে শিমের চাষ করেছেন সহস্রাধিক চাষিরা। প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ২৫ টন করে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন শিম উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে শিমের ভালো দামও রয়েছে। তবে এর বাইরেও বেসরকারিভাবে বেশকিছু শিম চাষ করা হচ্ছে। শিম বাজারে উঠার প্রথম দিকে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০-১২০ টাকায়, এখন তা নেমেছে ৫০-৭০বা প্রকার ভেদে ৩০-৪০ টাকায়।
তালা উপজেলায় শীতকালীন মৌসুমের শিম চাষ করা হয়েছে অধিকাংশ অকৃষি জমিতে। কৃষকরা তাদের জমির পাশাপাশি জমির আইলে, খালের পাড়ে, বেড়িবাঁধের দুইপাশ ও সড়কের দুপাশসহ পতিত খালি জায়গায় শিমের চাষ করেছেন। তারা হাইব্রিড জাতের আইটেক, কেরেলা এসব শিম আগাম চাষ করায় ভালো দাম পাচ্ছেন। এতে অধিকাংশ জমিতে রঙ-বেরঙয়ের মন মাতানো ফুলে শোভিত হয়ে আছে শিম গাছ। চোখে পড়ে শিমগাছের দীর্ঘ সারি। সবুজ পাতার মধ্যে লকলক করছে শিমের শিষ। আর শিষে ধরে আছে বেগুনি ও হালকা সাদা ফুল। আর কিছু শিষে উঁকি দিচ্ছে তরতাজা শিম।
তাছাড়া এই উপজেলার উৎপাদিত শিম এলাকার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি করছেন শিম ব্যবসায়ীরা। এতে তারাও আর্থিক লাভবান হচ্ছেন। কিছুদিন আগেও তালা উপজেলার বাড়ির আঙ্গিনায় সীমিত পরিসরে শিম চাষ করা হতো। এখন চাহিদা বেড়েছে, ফলনও বেড়েছে। ফলে কৃষি বিভাগের পরামর্শে অনাবাদি পতিত জমিকে আবাদী জমিতে রূপান্তরিত করে শিমের আবাদ করা হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শিমচাষি ফয়সাল হোসেন বলেন, আগাম শিম চাষ করে বেশ ভালো দাম পাচ্ছি। প্রতি কেজি শিম ৬৫-৭০ টাকা দরে বিক্রি করছি।
শিম ব্যবসায়ী নাজমুল সরদার বলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়ন, ইসলামকাঠি ইউনিয়নসহ আশেপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মণ শিম ক্রয় করে ঢাকার সাভার ও কাওরান বাজারে বিক্রয় করে থাকি। তাতে আমার ভালোই লাভ হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন জানান, আমরা মাঠপর্যায়ে আগাম বিভিন্ন সবজি চাষে কৃষকদের সহায়তা করে যাচ্ছি। ঘেরের আইল এবং রাস্তার ধারে এগুলোর ফলনও ভালো হয়। বিশেষ করে তালা উপজেলার এ বছর বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড শিমের আগাম চাষ হয়েছে, যা থেকে কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন।
খুলনা ৪ আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীনের মতবিনিময় সভা
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা ৪ আসনে ইসলামী ঐক্যজোট (আইওজে) এর প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীন গতকাল সন্ধায় আলেম ওলামাদের নিয়ে নির্বাচনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এক মতবিনিময় সভা গতকাল সন্ধায় তার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় রুপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়ার ইসলামি ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ওলামা মাশায়েখ বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । এ সময় ইসলামি ঐক্যজোটের মনোনিত প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীন অবাধ , সুষ্ঠ ও অংশগ্রহন মুলক নির্বাচন এর জন্য প্রশাসনের সকলের নিকট সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
নিসচা ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খানজাহান আলী থানা শাখার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরন
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
আইন মেনে সড়কে চলি , নিরাপদে ঘরে ফিরি , নিরাপদ সড়ক চাই এর ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সহায়তা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অংশ হিসাবে খানজাহান আলী থানা নিরাপদ সড়ক চাই এর উদ্যোগে গতকাল বিকাল ৫ টায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে হতদরিদ্র ২ সদস্যদের মধ্যে ছাগল বিতরন করা হয়। নিরাপদ সড়ক চাই থানা কমিটির সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান লিটনরে সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি ও সংগঠনের উপদেষ্টা শেখ বদরউদ্দীন। বক্তৃতা করেন আব্দুস সামাদ, মাসুম বিল্লাহ, শেখ ইমদাদ হোসেন , শেখ আসাদ, মোঃ বাচ্চু শেখ, মোঃ মোস্তাক শেখ, মেহেদী , হাফিজ সর্দার, মোঃ রাশেদ, আব্দুল আজিজ প্রমুখ।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু, ৭৪ মে: টনের আলুর প্রথম চালান বন্দর থেকে খালাশ
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল বন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার ৭৪ মে: টনের আলুর প্রথম চালান বন্দর থেকে খালাশ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) রাত নয়টার দিকে ৩টি ট্রাকে ১৪৮০ বস্তায় ৭৪ মেট্রিক টন আলু ভারত থেকে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। আলুর আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রিগ্রেটেড ফুড এন্ড বেভারেজ লি: বাংলাদেশ।রপ্তানিকারক পেপসিকো ইন্ডিয়া হোল্ডিংস,ভারত। গতকাল শুক্রবার সরকারি ছুটি থাকায় আলুর চালানটি বন্দও থেকে খালাশ করা সভ^ব হয়নি। তবে শনিবার (০২ ডিসেম্বর) আলুর চালানটি ছাড় করা হচ্ছে বন্দর থেকে।
সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ৭৭টি আবেদনের বিপরীতে সরকার ১২জন আমদানিকারককে ভারত থেকে প্রায় ৫০ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে। গত ৩০ অক্টোবর সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কোনোক্রমেই আলুর কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকার বেশি হতে পারে না। ৭০ থেকে ৮০ টাকা আলুর কেজি হবে কেন? আলু আমদানির এই সিদ্ধান্ত বাজারে প্রভাব পড়ার কারনেই আমরা আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছি।
চাল, ডা, গম, পেঁয়াজ, সজনেডাটা ও কাঁচামরিচসহ নানা ধরনের পণ্যের পর ভারত থেকে প্রথমবারের মতো এবার আলু আমদানি শুরু করা হয়েছে এই্ বন্দর দিয়ে। দেশের বেনাপোল স্থলবন্দর ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অনুমতিপ্রাপ্ত আলুগুলো আমদানি করা হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রেজাউল করিম জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৭৪ মে.টন আলু বন্দরে প্রবেশ করেছে। বন্দরের ৩১ নম্বও ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে আলুর চালান রাখা আছে। শুক্রবার ছুটি থাকার কারনে খালাশ দেওয়া সম্বব হয়নি। শনিবার আলুর চালানটি খালাশ দেয়া হচ্ছে।
কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার রবিন্দ্র কুমার সিংহ জানান, প্রতি মেট্রিক টন আলু ১৮০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। সে হিসাবে প্রতি মেট্রিক টন আলুর ডিউটি ৬৬৮৯.৫০ টাকা। সে মোতাবেক প্রতি কেজি আলুতে ডিউটি দিতে হচ্ছে ৬.৭০ টাকা। আলু কেনা, এল সি খরচ এবং ডিউটিসহ প্রতি কেজি আলুতে আমদানি কারকের খরচ পড়ছে প্রায় ২৯ টাকা। ফলে বাজারে ৩০-৩২ টাকায় সরবরাহ করা সম্ভব। ফলে দেশীয় বাজারে আলুর দাম অনেক কমে আসবে।
দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলের রাজস্ব ভবনটিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা
বেনাপোল প্রতিনিধি
দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলের রাজস্ব ভবনটিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। গত ৫ বছর ধরে বাঁশ, কাঠের গুঁড়ি দিয়ে ভবনের ছাদের ধস রক্ষার চেষ্টা করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির জীর্ণ দশা হলেও পরিত্যক্ত ঘোষণা বা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ভবনটিতে অফিস করছেন বন্দর, কাস্টমস, নিরাপত্তা সংস্থা পিমা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সদস্যরা। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় একটি ইউনিটে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষ’র প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দ্বিতীয় তলার ওই অংশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক প্যাজেনজার টারমিনালে স্থানান্তর করেছেন। বন্দরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির কর্মকর্তারা ওই ভবনটিকে এখনও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভারনের ছাদ যাতে ধ্বসে না পড়ে সেজন্য তিন তলা ভবনটির দ্বিতীয় তলায় ছাদেও নীচের অংশে বাঁশ,কাঠের গুঁড়ি ও লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। আর যে ইউনিটটি ব্যবহার হচ্ছে, সেটিও জরাজীর্ণ।
ফাটল ধরা ছাদ থেকে বালি ঝরে পড়ছে অনবরত। ঝুঁকি নিয়ে ভবনে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তরা কাজ করছেন। যে কোনো সময় ভবন ধসে প্রাণহানি ঘটার আশংকা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক আ: লতিফ জানান, বর্তমানে ভবনটিতে বন্দর, কাস্টমস, নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তরা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রতিদিন সেখানে কয়েকশ’ মানুষ বাণিজ্যিক কার্যক্রম করছেন। জরাজীর্ণ ভবনে বাঁশ, কাঠের গুঁড়ি দিয়ে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করে বাণিজ্যিক কার্য সম্পাদন করা দুঃখজনক। দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক মানুষের জীবনহানি হতে পারে।’
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকার বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় কওে থাকে। অথচ এর রাজস্ব আদায়ের প্রধান বাণিজ্যিক ভবনটি জরাজীর্ণ। আতঙ্কের মধ্যে ভবনে প্রবেশ করে কাজ করতে হয় বন্দও ব্যবহারকারীদের।
ইন্দো-বাংলা চেম্বার অফ কমাস’র ডাইরেক্টর মতিয়ার রহমান বলেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবনটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি ‘শুরু থেকে বন্দরের দুর্বল অবকাঠামো নিয়ে ব্যবসায়ীদের মাছে রয়েছে চাপা ক্ষোভ।
বেনাপোল বন্দরের ডাইরেক্টর (ট্রাফিক) রেজাউল ইসলাম বলেন, ভবনটির দ্বিতীয় তলার একটি ইউনিট ঝুঁকিপূর্ণ। র্দর্ঘটনা এড়াতে সেখানে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য তালা মেরে রাখা হয়েছে। ভবনটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও দাকোপে দিন দিন কমে আসছে খেজুর গাছ
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
ঐতিয্যবাহী খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও খুলনার দাকোপে দিন দিন কমে আসছে খেজুর গাছের সংখ্যা। যে গাছগুলো আছে তাতেও তেমন রস মিলছে না। চাহিদার তুলনায় রসের যোগান অনেক কম থাকায় ভেজাল গুড়ে বাজার সয়লাব। ফলে আসল খেজুর গুড়ের স্বাদ হতে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মসহ বিপুল জনগোষ্ঠি।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় সাড়ে ২২ হাজার রস আহরণ যোগ্য খেজুরগাছ রয়েছে। এখন থেকে ২০ বছর আগে উপজেলার মাঠ, ঘাট, প্রত্যেকের বসত বাড়িতে এবং রাস্তার দুই ধারে সারি সারি ১ লাখেরও অধিক খেজুর গাছ ছিলো। এখনো যে গাছগুলো রয়েছে তা থেকে কিছু গাছের শীতের রস সংগ্রহের কাজ চালছে। সারা বছর অবহেলায় পড়ে থাকা অগোছালো খেজুর গাছগুলোর শুকনো পাতা ফেলে দিয়ে নতুন করে সুসজ্জিত করে গাছিরা রস সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। গাছগুলোকে প্রস্তুত করে নলি ও ভাড় ঝুঁলিয়ে দিলেও চাহিদা মত রস মিলছে না। আবার গাছি সংকটে অনেক খেজুর গাছ পূর্বের অগোছালো অবস্থায় পড়েও থাকছে। খেজুরের রস দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু গুড় এবং পাটালি। গ্রাম অঞ্চলে শীতের পুরো মৌসুমে চলে রস, গুড়, পিঠা, পুলি ও পায়েস খাওয়ার পালা। কিন্তু চাহিদার তুলনায় রসের যোগান অনেক কম থাকায় ভেজাল গুড়ে বাজার সয়লাব। ফলে আসল খেজুর গুড়ের স্বাদ হতে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মসহ বিপুল জনগোষ্ঠি। এছাড়া খেজুর পাতা দিয়ে তৈরী করা হয় আর্কষণীয় ও মজবুত শীতল পাটি। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনসহ মাটি লবণাক্ততা ও নজরদারী না থাকায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশবান্ধব খেজুর গাছ এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।
উপজেলার পানখালী এলাকার গাছি শহর আলী সরদার জানান, তিনি ৩৫ থেকে ৪০ বছর ধরে খেজুর গাছ কাটেন। আগে প্রতিদিন এক থেকে দেড় পণ অন্যের খেজুর গাছ রসের অর্ধেক ভাগ চুক্তিতে কাটতেন। রসও পেতেন ভাল। দাম কম থাকলেও সিজিনে রস ও গুড় বিক্রি করে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করতেন। বর্তমান বাজারে খাঁটি খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে দামও অনেক বেশি। কিন্তু গাছের সংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী গুড় উৎপাদন ও রস বিক্রি করতে পারেন না। এ পেশায় কঠোর পরিশ্রম করতে হয় অথচ সে অনুযায়ী মজুরি পাওয়া যায় না। ফলে এখন আর এ পেশায় তেমন আয় হয় না তার। তা ছাড়া এখন অনেক বয়সও হয়েছে। তাই এ পেশা এখন প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন।
কৈলাশগঞ্জ এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য সিন্ধু রায় বলেন, আগে অধিকাংশ লোকের বাড়িতে খেজুর গাছ ছিলো। বিশেষ করে পৌষ মাসে রসের পিঠা, পুলি ও পায়েস খাওয়ার প্রযোগিতা চলতো। এখন খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় বেশির ভাগ লোক আর খেতে পারে না। তা ছাড়া গাছে রস সংগ্রহের জন্য যে মাটির পাত্র পাতা হয় তা এলাকায় ভাড় বলে পরিচিত। তখন গাছিরা সেই এক ভাড় কাঁচা রস বিক্রি করতো ৪০ থেকে ৫০ টাকা আর এখন তার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়া গুড়ের দামও ছিলো ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। আর এখন এক কেজি খাঁটি গুড়ের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এখন বেশির ভাগ ভেজাল অর্থাৎ চিনি মিসানো খেজুরের গুড়ে বাজার সয়লাব। ফলে আসল খেজুর গুড়ের স্বাদ হতে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মসহ বিপুল জনগোষ্ঠি।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, জলবায়ু পরিবর্তনসহ মাটি লবণাক্ততা ও ইট ভাটায় জ্বালানি হিসেবে অতিরিক্ত ব্যবহারে এ উপজেলায় খেজুরগাছ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া গাছির সংকট, রস সংগ্রহে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়, নতু নতুন বিভিন্ন স্থাপনা নির্মানের কারণেও গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশবান্ধব খেজুর গাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে খেজুরগাছের ভূমিকা অপরিসীম। তাই তালের বীজ রোপনের মত সামাজিক প্রকল্প এবং সমাজের সকলের নজরদারী বাড়ালে খেজুর গাছের সংখ্যা আবার বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মনে করেন।
ফকিরহাটের খাজুরা ওর্য়াডে আ’লীগের কার্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়নের বড়খাজুরা ওর্য়াডে ওর্য়াড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২রা ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাসস্ট্যান্ড কার্যালয়ে ফিতা কেটে এই কার্যালয়ের শুভ উদ্ভোধন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবীর কুমার মিত্র, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখর রঞ্জন দেবনাথ ও ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এম,ডি সেলিম রেজা। ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মোঃ গোলাম হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ সাহিন সরদার এর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক নির্মাল কুমার দাস, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আসপিয়ার হোসেন মোড়ল, ছাত্রলীগ নেতা জয়ন্ত কুমার দাস, যুবলীগ নেতা জাহিদ ইকবাল, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রেজা, মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি আলহাজ¦ শেখ আব্দুল মাজেদ ও মহিলা আ’লীগের সভাপতি মোসাঃ মাহম্মুদা বেগম। ##
ফকিরহাটে জরায়ু মুখ ও স্তনক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচীর অবহিতকরণ সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে জরায়ু মুখ ও স্তনক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচীর অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২রা ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা ইলেকট্রনিক ডাটা ট্রাকিং সহ জনসংখ্যা ভিত্তিক জরায়ু মুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসুচীর প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুন্নেসা। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টি বোর্ড এর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাখদুমা নর্গিস, ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, বিএসএমএমইউ এর মেডিকেল অফিসার ডাঃ নন্দিনী সরকার, ফকিরহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ, বাগেরহাট ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডঃ এএসএম মফিদুল ইসলাম। উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দেবরাজ মিত্রের সঞ্চালনায় এ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ফকির, শেখ হেলাল উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাশ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. মাহফুজুর রহমান, সাংবাদিক মান্না দে, সাংবাদিক আহসান টিটুসহ অন্যান্যরা।
ফকিরহাটের পিলজংগ ইউনিয়নে কৃষক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
বাগেরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়ন কৃষক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা ও কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২রা ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় পিলজংগ মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্তরে এ বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোঃ দেলায়ার হোসেন হাওলাদার এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমরেশ রায় চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মল্লিক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব)। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি প্রভাষক অঞ্জন কুমার দে’র সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক কাওসার আলী ফকির, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ ঘোষ, কৃষক লীগের জেলা সহ-সভাপতি পুলিন বিহারী ঘোষ, ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোড়ল জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক ফকির দাউদ হায়দার বাবু ও সদস্য সচিব সৈয়দ মিজানুর রহমান। সভায় মোঃ দেলোয়ার হোসেন হাওলাদারকে সভাপতি ও কাজি ইসারাত আলীকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ৬১সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এসময় ৯টি ওর্য়াডের সভাপতি/সম্পাদকসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
নতুনতারা সমাজকল্যাণ ও সাহিত্য সংস্থার ২০২৪ সালের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
খবর বিজ্ঞপ্তি
নতুনতারা সমাজকল্যাণ ও সাহিত্য সংস্থা এর বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল ১ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টা নতুনতারা ভবন, গোয়ালখালী বাসস্ট্যান্ড, খুলনায় সকল সদস্যের স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক সাইফুর মিনা ২০২৪ সালের ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেন। চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সালাম শিমুল, কো-চেয়ারম্যান শেখ মোঃ ইকবাল হোসেন, ঊর্ধ্বতন ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে আলহাজ্ব এফ এম মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক এ বি এম আদেল মুকুল, এম হরষিত। ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে অ্যাড. মেহেদী ইনছার, কাজী গোলাম মহিউদ্দিন, আল মামুন বাদল। প্রধান সমন্বয়ক মোঃ আশরাফুল আলম, মহাসচিব শেখ আবু আসলাম বাবু, যুগ্ম মহাসচিব দেশ আহমেদ রাজু, সাংগঠনিক সচিব গাজী আব্দুল আলীম, অর্থ সচিব মনিরুজ্জামান আকন, সমাজকল্যাণ ও সাহিত্য সচিব সেবাব্রত সিংহ, প্রচার ও দপ্তর সচিব মোঃ মিলন হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদা পারভীন ও সন্দ্বীপ কুমার ঘোষ।
তালায় প্রাকৃতিক খাদ্য নির্ভর মাছচাষে বদলে যাচ্ছে চাষীদের জীবন
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)।।
সাতক্ষীরার তালায় প্রাকৃতিক খাদ্য নির্ভর মাছ চাষে বদলে যাচ্ছে প্রান্তিক মৎস চাষীদের জীবন। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ বাদে লাভ হচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক টাকা। আর এ পদ্ধিতিতে মৎসচাষীদের উদ্বুদ্ধ করতে নানান রকম প্রশিক্ষণ ও সহায়তার ব্যবস্থা করছে তালার সনামধন্য বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন প্রচেষ্টা।
উপজেলার দেওয়ানীপাড়া গ্রামের শিরিনা বেগম বলেন, আমি প্রাথমতো তালার একটি এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টার মৎস্যখাতের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি এবং পরবর্তীতে তাদের মাধ্যমে কিছু আর্থিক অনুদান পাই, তারপর তাদের পরামর্শে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরি করে মাছ চাষ শুরু করি। সেখান থেকে আমি বছর ঘুরতে না ঘুরতে প্রায় লক্ষাধীক টাকা লাভবান হয়।
এব্যাপরে উন্নয়ন প্রচেষ্টার মৎস্য কর্মকর্তা এস,এম,নেওয়াজ শরীফ সুমন বলেন, পল্লীকর্ম সহায়ক-ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে আমরা এবছর দেওয়ানিপাড়া গ্রামের শিরিনা বেগমকে দিয়ে প্রাথমিকভাবে নতুন এই পদ্ধতিতে সম্পূরক বাইরের খাবারের যোগান ছাড়াই শুধুমাত্র পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার (প্লাঙ্কটন, ফাইটো প্লাঙ্কটন, বেনথস, পেরিফাইটন) তৈরি করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে মাছ চাষে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করন কার্যকরম পরিচালনা করছি। এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র পুকুর প্রস্তুতির সময় প্রাকৃতিক খাবার তৈরির পদ্ধতির জন্য একেবারই স্বল্প খরচ হয়, এর পরবর্ত্তীতে আর খুব বেশি খরচ থাকে না। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে সাধারন পদ্ধিতে থেকে অনেকাংশেই কৃষক লাভবান হবেন বলে ধারনা করা যাচ্ছে।
উপজেলা সিনিয়ার মৎস্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধা খাঁ বাবলী এ প্রতিবেক কে জানান, দিন দিন যেভাবে মাছের খাবারের দাম বাড়ছে তাতে করে কৃষকরা মাছ চাষে বেশি লাভবান হতে চাইলে উন্নয়ন প্রচেষ্টার এই পদ্ধতিতে মাছ চাষের কোন বিকল্প নাই। এবছর অমাদের উপজেলায় প্রায় ৩ একর জমীতে নতুন এই পদ্ধতিতে মাছ চাষীরা মাছ চাষ করেছে ।
উন্নয়ন প্রচেষ্টার পরিচালক সেখ ইয়াকুব আলী জানান, পিকেএসএফের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রচেষ্টা সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তি কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সবসময় বদ্ধ-পরিকর, উন্নয়ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও উদ্যোক্তা হয়ে সমাজে নানা রকম অবদান রাখছেন। এলাকার জনসাধারন উন্নয়ন প্রচেষ্টার নতুন এই প্রযুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আগামিতে নতুন এই প্রযুক্তিতে মাছ চাষ করে যেন লাভবান হতে পারেন সে ব্যাপারে উন্নয়ন প্রচেষ্টার সহযোগিতা চেয়েছেন।
নির্বাচন বর্জনের আহবান খুলনা নাগরিক ঐক্য’র
খবর বিজ্ঞপ্তি
অবৈধ সরকারের সাজানো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছে খুলনা নগর নাগরিক ঐক্য। দলের সভায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার ৩শ আসনেই বিরোধীদের প্রার্থী চুড়ান্ত করে দিচ্ছে। মূলতঃ এরা সরকারের গৃহপালিত বিরোধী শিবির। রাজনীতির নষ্ট মানুষদের নিয়ে রাজনৈতিক দলের সাইনবোর্ড দিয়ে নির্বাচনকে আরও প্রহসন করে তুলেছে। সরকারের পাতা ফাঁদে গণতন্ত্রমনা রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। জাতিকে সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতে সরকারের পদত্যাগসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দাবি করা হয়।
শনিবার বিকেল ৫টায় স্যার ইকবাল রোডস্থ স্থানীয় একটি হোটেলে নাগরিক ঐক্য’র নগর শাখা ও সদর থানা শাখার যৌথ সভায় নেতৃবৃন্দ এ আহবান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর শাখার সিনিয়র সদস্য আব্দুর রহমান মোল্লা। বক্তৃতা করেন, নগর সদস্য সচিব কাজী মোতাহার রহমান বাবু, সদর থানা শাখার সভাপতি আলী মুসা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর রবিউল ইসলাম, মোঃ আনিসুদ্দিন গাজী, কাজী আমিনুর রহমান প্রমূখ। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচনী ব্যবস্থা করা বাকশালের প্রতিচ্ছবি মাত্র। জনগণ সরকারের এ কূট কৌশল প্রতিহত করবে।
সভায় মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এবং মরহুম এ্যাড. এসআর ফারুক, কবি কেএম আমিনুর রহমান, নজরুল ইসলাম বাদশা, সরদার জালালউদ্দিন ও আইয়াজ উদ্দিন মোড়লের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
সভায় আসাদুজ্জামান মোড়ল নাগরিক যুব ঐক্য’র সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন। সদর থানা শাখার দপ্তর সম্পাদকের শুণ্যপদে কাজী আমিনুর রহমানকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
বিএনএমের প্রার্থী হওয়ায় কৃষক লীগের নেতা বহিষ্কার
বাগেরহাট প্রতিনিধি
কৃষক লীগের পদে থেকেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) প্রার্থী হওয়ায় বাগেরহাট জেলা শাখার সহসভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম রাজুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। শনিবার (২ ডিসেম্বর) বাগেরহাট জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ আবুল হাসেম শিপন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
সদ্য নিবন্ধন পাওয়া রাজনৈতিক দল বিএনএম থেকে বাগেরহাট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত হন কৃষক লীগের এই নেতা।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন জমে শেষে সাংবাদিকরা তার কাছে দলের জেলা কমিটির সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতাদের নাম জানতে চাইলেও তিনি বলতে পারেননি। বলতে পারেননি জেলা কার্যালয়ের ঠিকানাও।
সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য রেজাউল ইসলাম রাজুকে বহিস্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বাগেরহাট জেলা কৃষক লীগের সভাপতি শেখ আবুল হাসেম শিপন বলেন, সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রের সাথেও কথা হয়েছে। তাকে বহিস্কারের বিষয়টি অবহিত করে কেন্দ্রে লিখিতভাবে জানানো হবে।
ঝিনাইদহে এমপি সমি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের মনোনিত নৌকার প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। শনিবার বিকালে সদর উপজেলার হাটগোপালপুর বাজারে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, পদ্মাকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ বিশ^াস, দোগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া কাজল, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক রাজু আহমেদ, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম খলিল রাজা, এমপির পিএস রোকনুজ্জামান রিপন, আওয়ামীলীগ নেতা খলিলুর রহমান, বিশারত আলী, কৃষকলীগ নেতা হাফিজুর রহমান তোতাসহ নেতৃবৃন্দ। এসময় আওয়ামীলীগের মনোনিত নৌকার প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি বলেন, আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-খুলনা সিটি ইউনিটের বার্ষিক সাধারণ সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-খুলনা সিটি ইউনিটের বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার বেলা ১১টায় নগরীর উমেষচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি ইউনিটের চেয়ারম্যান সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। এর আগে সিটি মেয়র লাইব্রেরী চত্বরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে সভার উদ্বোধন করেন।
সভাপতির বক্তৃতায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে সম্পূর্ণ সেবামূলক সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, শান্তিতে নোবেল জয়ী স্যার হেনরী ডুন্যান্ট আর্তমানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়েই এ সংস্থাটি গঠন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর হাত ধরে ১৯৭৩ সালে দেশে এ সংস্থাটির কার্যক্রম শুরু হয় এবং আজ এ সংস্থার কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃতি লাভ করেছে। সিটি মেয়র এ সংস্থা সৃষ্টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থেকে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।
সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান হালিমা ইসলাম, সেক্রেটারী মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, সদস্য অধ্যাপক শহিদুল হক মিন্টু, মো: আলী আকবর টিপু, মো: শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, জাহাঙ্গীর হোসেন খান, শফিকুর রহমান পলাশ, মেমরী সুফিয়া রহমান শুনুসহ স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্যবৃন্দ এবং ভলেন্টিয়ারগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।











































