স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (২৭ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে মহানগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী হাসানুর রশিদ,
খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে জাতীয় পার্টির খুলনা মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি গাউসুল আজম,
খুলনা-৩ (দৌলতপুর-খালিশপুর-খানজাহান আলী) আসনে মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মো. ফরহাদ আহমেদ, খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলা জাপার সভাপতি মো. শহীদ আলম এবং খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মধু।
এর আগে ২৬ নভেম্বর খুলনার ছয় আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ননি গোপাল মন্ডল, খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, খুলনা-৩ (দৌলতপুর-খালিশপুর-খানজাহান আলী) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ ও খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পাইকগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. রশীদুজ্জামান।
নির্বাচন কমিশন থেকে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে খুলনার ৬টি আসনে মোট ভোটার ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৮৮১ জন। এ বছর জেলার ৬টি আসনে ৭৯৩টি ভোটকেন্দ্র এবং ৪ হাজার ৭২০টি ভোট কক্ষ থাকবে। এর মধ্যে খুলনা-১ আসনে এবার ভোটার ২ লাখ ৯০ হাজার ২৬৫ জন। বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার ১১০টি ভোটকেন্দ্র এবং ৬৭০টি বুথে তারা ভোট দেবেন। খুলনা-২ আসনে এবার ভোটার ৩ লাখ ২০ হাজার ২১৯ জন। খুলনা নগরীর সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা নিয়ে গঠিত এই আসনে ১৫৭টি ভোটকেন্দ্র এবং ৮৪৫টি বুথ রয়েছে। খুলনা-৩ আসনে এবার ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭০৯ জন। খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী থানা এলাকা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১১৬টি। এবার ভোটকক্ষ থাকবে ৬৩৩টি। খুলনা-৪ আসনে ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৩ জন। রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩৩টি এবং ভোটকক্ষ রয়েছে ৮০৫টি। ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা এবং গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে খুলনা-৫ আসন গঠন করা হয়েছে। এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ৮৩ হাজার ২১৯ জন। ভোটকেন্দ্র ১৩৫টি এবং বুথ থাকবে ৮৪৫টি। কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনার সবচেয়ে বড় সংসদীয় আসন খুলনা-৬। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫ হাজার ৩১৬ জন। ভোটকেন্দ্র ১৪২টি ও ভোটকক্ষ রয়েছে ৯২২টি।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ৫৯২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।











































