Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

33
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধান কেটে নারী শ্রমিকেরা মজুরি পাবেন ৩০০ টাকা। শিরগাতী, রূপসা, খুলনা

ভেড়ামারায় তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় চলতি বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছে ভালো। কৃষকরা বলছের, সব খরচ উঠে কয়েকগুণ বেশি লাভ হবে। সাম্প্রতিক সময়ে এই ফসলে ভালো লাভ হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।
ভেড়ামারা কটন ইউনিট কর্মকর্তা মনজুয়ার বেগম বলেন, রুপালী-১, হোয়াইট গোল্ড-১, হোয়াইট গোল্ড-২, ইস্পাহানী শুভ্র-৩, লালতীর ডিএম-৪, সিবি-১, উফশী জাতের তুলা চাষ করা হয়েছে। এই জাতগুলো বিঘাপ্রতি ১৬-২০ মন হারে ফলন হয়।

তিনি বলেন, উপজেলায় চলতি বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে, সরকারি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রদর্শনী ও কৃষকের নিজ অর্থায়নে চাষ করা হয়েছে। ভালো ফলন ও ন্যায্য দাম পাওয়ায় আগামীতে চাষির সংখ্যা আরও বাড়বে।

মনজুয়ার বেগম বলেন, তুলা গ্রীষ্মকালীন ফসল। মে মাসের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে জুনের প্রথমার্ধ পর্যন্ত জমিতে তুলা বীজ বপন করতে হয়। বীজ বপনের ৬ মাস পর তুলা সংগ্রহ করা যায়। তুলা চাষ ছড়িয়ে দিতে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ও বিভিন্ন প্রকল্প কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ সার্বিক সহযোগিতা করছে সরকার।

চাষি আমজাদ হোসেন জানান, তুলা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন তিনি। ৫ বিঘা জমি বন্ধক নিয়ে তুলা চাষ করেছেন। তুলা চাষে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ালে অনেক অনুর্বর, নিষ্ফলা বা অনাবাদী জমিতে তুলা চাষ করে অনেকের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব।

চাষি আনোয়ার হোসেন বলেন, নিষ্ফলা জমিতে তুলা চাষ করায় একদিকে যেমন জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষকরা বেশি টাকা পাচ্ছে। তাদের পরিবারে সচ্ছলতা আসছে। অনেকে ধান ও গমসহ বিভিন্ন আবাদ ছেড়ে তুলা চাষে আগ্রহী হয়েছে।

তুলা চাষিরা জানান, রুপালী-১, হোয়াইট গোল্ড-১, হোয়াইট গোল্ড-২, ইস্পাহানী শুভ্র-৩, লালতীর ডিএম-৪, সিবি-১, উফশী জাতের তুলা প্রতি বিঘাতে বীজসহ উৎপাদন হয় ১৫ থেকে ২০ মণ করে। যার বর্তমান বাজার মূল্য কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এমন অনুর্বর জমিতে অন্য কোনো ফসলে এই লাভ পাওয়া সম্ভব না। আবার একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষ করেও বাড়তি আয় করা যায়।

হরতাল-অবরোধে ফুলের ব্যবসায় ধস
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ক’দিন আগে গাঁদা ফুলের প্রতি ঝোপা বেচেছেন ১৫০ টাকায়। এখন বিক্রি করছেন ২৫ থেকে ৩০ টাকা। বললেন, হরতাল আর অবরোধে একদম দাম পাচ্ছি না। ফুল চাষ ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। বলছিলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুলচাষি শাহাদাত হোসেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যশোরের গদখালীর পর বেশি ফুলের চাষ হয় ঝিনাইদহে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার ও বালিয়াডাঙ্গা বাজারে প্রতিদিন বসে ফুলের হাট। দেশের বিভিন্ন স্থানে ফুলের চাহিদা মেটাচ্ছে এই অঞ্চলের ফুলচাষিরা।

ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কিছুদিন আগেও ফুলের দাম ভালো ছিলো। কিন্তু হরতাল আর অবরোধে ফুলের বাজারে ধস নেমেছে। কয়েকদিন আগে গাঁদা ফুল প্রতি ঝোপা ১৫০ টাকা বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। গোলাপ প্রতি পিস বিক্রি হয়েছে ৭ থেকে ৮ টাকা। আর এখন বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৩ টাকা। জারবেরা বিক্রি হয়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা আর এখন বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৩ টাকা।

 

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় এ বছর ২৫৪ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ফুলের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে গাঁদা ফুলের।

শরিফুল ইসলাম নামে আর এক ফুল চাষি জানান, তিনি এ বছর ৫ বিঘা জমিতে গাঁদা গোলাপসহ বিভিন্ন জাতের ফুল চাষ করেছেন। মহামারী করোনার সময় ফুলের ব্যবসায় ধস নেমেছিলো। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু হরতাল অবরোধের কারণে আবার ফুলের ব্যবসায় ধস নেমেছে।

হাফিজুর রহমান নামে এক ফুল ব্যবসায়ী জানান, হরতাল-অবরোধের আগে ফুলের ভালো দাম পেয়েছে চাষিরা। কিন্তু এখন একদমই দাম পাচ্ছে না। পরিবহন সমস্যায় ফুল কেনা যাচ্ছে না। ফুল সঠিক সময়ে না পৌঁছাতে পারলে লোকসান হয়।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজগর আলী জানান, দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলে ফুল চাষে যশোরের গদখালীর পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে ঝিনাইদহ। খুলনার ১০ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গাঁদা ফুল চাষ হয় ঝিনাইদহে। হরতাল-অবরোধে ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীদের বেশ লোকসান পোহাতে হচ্ছে।

খুলনায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে বক্তারা
স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে দেশের জনগণ অঙ্গিকারবদ্ধ
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা বিএনপির নেতারা বলেছেন, সরকার দেউলিয়া হয়ে গিয়ে সঙ্গী খুঁজে বেড়াচ্ছে। কিন্তু কোথাও সাড়া না পেয়ে বিভিন্ন সংস্থা দিয়ে দলছুট কিছু নেতাকে বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর শের এ বাংলা রোডে ফরমায়েসী নির্বাচনী তফসিল বাতিল, অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত সপ্তম দফা অবরোধের প্রথম দিন বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা আরো বলেন, বিরোধী নেতাদের আটক করে এবং সাজা দিয়ে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শাসকরা জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে- তা স্বপ্নই থেকে যাবে। স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে দেশের জনগণ সর্বান্তকরণে অঙ্গিকারবদ্ধ। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল খুলনা মহানগর ও জেলা শাখা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে শের আলম সান্টু, বদরুল আনাম খান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শফিকুল ইসলাম হোসেন, তৈয়েবুর রহমান, একরামুল হক হেলাল, আশরাফুল আলম নান্নু, মো. মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, এনামুল হক সজল, থানা ও উপজেলা বিএনপির মুর্শিদ কামাল, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মোল্লা সাইফুর রহমান, ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, এস এম এনামুল হক, খন্দকার ফারুক হোসেন, বিএনপি মহানগর ও জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রানা, আব্দুস সালাম, তারিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, শেখ আলী আক্কাস, ফারুক হোসেন, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাঈদ হাসান লাভলু, আসাদুজ্জামান আসাদ, জাহিদুর রহমান রিপন, বুলবুল মোল্লা, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, আবদুর রব আকুঞ্জি, মোস্তফা কামাল, শফিকুল আমিন লাভলু, এইচ এম আসলাম, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, মশিউর রহমান খোকন, নজরুল ইসলাম, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ সেন্টু, কাজী মিজানুর রহমান, নুরুল ইসলাম নুরু, আরিফুর রহমান বিপ্লব, আজিজুর রহমান, আহসান হাবিব বাবু, কামরুজ্জামান রুনু, মনজুরুল আলম, সওগাতুল ইসলাম ছগির, মেহেদী হাসান লিটন, আমিন আহমেদ, খাইরুল ইসলাম, মইদুল হক টুকু, নাদিম আশফাক, এস এম মারুফ আহমেদ, মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, মাহাবুবুল ইসলাম টুটুল, হালিম মোড়ল, মোল্লা রাজু, হাবিবুর রহমান বিপুল, সরোয়ার হোসেন, ইসলাম বিশ্বাস, রুবেল বিশ্বাস, শেখ নাজিম, মো. টিটো, মহানগর ও জেলা যুবদলের আব্দুল আজিজ সুমন, জাবীর আলী, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজান, মনিরুজ্জামান মনি, মো. হোসেন, এম এম জসিম, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, হাবিবুর রহমান বেলাল, বাহাদুর মুন্সি, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাইদুল ইসলাম, মুজাহিদুল ইসলাম টনি, বাকের আল শ্রাবণ শোভন, মিজানুর রহমান মিজান, মো. শহিদুল ইসলাম সোহেল, জি এম মনসুর, আবু সায়েম, মোহাম্মদ আজিজুল, সৈয়দ নাদিম আশফাক, তোহিদুর রহমান তৌহিদ, সৈয়দ তানভীর আহম্মেদ, আজমাইন ইসলাম রাসেল, আবু সায়েম, মো. ফারুক, নোমান, হায়দার আলী লাবু, মোঃ সুজন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আতাউর রহমান রুনু, আহসান হাবিব বাবু, মুনতাসির আল মামুন, ইউসুফ মোল্লা, হেলাল ফরাজি, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, মুহিদুল ইসলাম, খায়রুজ্জামান সজীব, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, আলাউদ্দিন তালুকদার, এমদাদ মোড়ল, মোতালেব শেখ, মনিরুজ্জামান মিন্টু, রিপন শিকদার, মো: মামুন, আলামিন শেখ, মঞ্জুর শাহীণ রুবেল, নাইম হাসান হাসিব, মেহেদী হাসান মামুন ,রিপন শিকদার, মিজান সরদার, আসাদ্দুজামান হুর, আলামিন শেখ, আসাদুজ্জামান রিপন, মাসুম বিল্লাহ, সাইদুল ইসলাম তুহিন, এম এম জয়, হেলাল হোসেন, নুর ইসলাম, ফরিদ হোসেন, হৃদয় হোসেন, মহিলা দলের শাহনেওয়াজ সরোয়ার, কাকন, নিলুফা, চুমকি, লায়লা, চাদনী, শ্রমিক দলের শফিকুল ইসলাম শফি, ইসমাইল হোসেন, আবু জাফর, রাহুল চিশতি, কুট্রি, মিজানুর রহমান, জামাল হাওলাদার, গাউস সরদার, সেলিম খন্দকার, রিপন আকন, আনিচুর রহমান, রিপন, মিরাজ হাওলাদার, বেল্লাল, এনামুল, হুমায়ুন, কবির সরদার, মাসুদ, বাবুল, বাদলআলী খাঁ, জেলা তাঁতি দলের মেহেদী আহসান মিন্টু, মাহমুদ হাসান লোটাস, জাসাস নেতৃবৃন্দের মধ্যে ইঞ্জি: নুরুল ইসলাম বাচ্চু, এ কে আজাদ, জাহিদ হাসান, মহানগর কৃষক দলের সজীব তালুকদার ছাত্রদলের মাসুম বিল্লাহ, মো. তাজিম বিশ্বাস, গাজী শহীদুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির রুবেল, খান সাইফুল ইসলাম, ইবাদুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ ইমরান, সাজ্জাদ হোসেন জিতু, মশিউর রহমান শফিক, আনিসুর রহমান, শেখ ফারুখ, ফিরোজ মাহমুদ, জাহিদুল ইসলাম, কাজী জাকারিয়া, শাহিন, আবু জাফর, এস এম ইউসুফ, শাকিল আহম্মেদ, নাজিম উদ্দিন শামীম, আরিফুর রহমান টুকু, মো. ইসমাইল হোসেন, ইসরাইল হোসেন জিসান, ইমরান মল্লিক, আবুল হায়াত শুভ, সুজন, মনিরুল ইসলাম সোহাগ, আল আমিন হাওলাদার, রাকিব হাসান, নাবীদ হাসান, মেরাজুল ইসলাম, হাফেজ মো. রুম্মান, অনিক, নাজমুল হাসান, সৈকত ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।

পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান এনামুলের বাসায় পুলিশী তান্ডব
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হকের বাসায় বেপরোয়া তান্ডব চালিয়েছে আওয়ামী রক্ষীবাহিনী পুলিশ। গত শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর নিরালাস্থ বাসায় গ্রেফতার অভিযানের নামে রীতিমতো সন্ত্রাসীযজ্ঞ চালানো হয়েছে। গতকাল রবিবার (২৬ নভেম্বর) একবিবৃতিতে এঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সারাদেশের ন্যায় খুলনাতেও আওয়ামী আজ্ঞাবহ পুলিশী গণগ্রেফতার এড়িয়ে একদফার আন্দোলন সফল করে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতন তরান্বিত করতে নেতাকর্মীরা কৌশলের অংশ হিসেবে বাড়ী ছাড়া। এ সুযোগে পরিবার-পরিজনের উপর পুলিশী হয়রানির পাশাপাশি আতঙ্ক সৃষ্টি করতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নতুন অপকৌশল অবলম্বন করছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশবাসী যখন বিএনপি’র নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনমুখর; ঠিক তখনই বিরোধী দল-মতের নেতাকর্মীদের পরিবার-পরিজনকে টার্গেট করে অতর্কিত হামলার মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি এসএম এনামুল হকের বাসায় প্রজাতন্তের কর্মচারী সরকারি পোশাক পরে সন্ত্রাসী তান্ডব আওয়ামী রক্ষীবাহিনীর ভূমিকা পালন করছে। হামলা-মামলা-গণগ্রেফতার করে শেখ হাসিনার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আরেকটি সাজানো-পাতানো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না, ইনশাআল্লাহ্। তাই অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে বিদেশে সুচিকিৎসা, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ, যুবদল নেতা ইবাদুল হক রুবায়েদ ও ছাত্রদল নেতা আব্দুল মান্নান মিস্ত্রীসহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করে গ্রহনযোগ্য-অংশগ্রহনমুলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছেন তারা। বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শেখ আবু হোসেন বাবু ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী প্রমুখ।।

পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন: বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি পঙ্কজ, সম্পাদক তৈয়ব
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
উৎসব মুখর পরিবেশে পাইকগাছা আইনজীবী সমিতি’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সকাল ৯ টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতীহীন ভাবে সমিতির ৭১ ভোটারের মধ্যে ৬৯ জন সদস্য তাদের ভোট প্রদান করেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে ১১ পদের বিপরীতে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী অ্যাড. পঙ্কজ কুমার ধর সভাপতি ও অ্যাড. শেখ তৈয়ব হোসেন সাধারণ সম্পাদক সহ ৮ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে অ্যাড.পঙ্কজ কুমার ধর সর্বোচ্চ ৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন। প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের অ্যাড. আব্দুর রাজ্জাক ২৫ ভোট পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাড. শেখ তৈয়ব হোসেন ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এসএম মুজিবর রহমান ৩১ ভোট। সহকারী নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. শেখ বারিকুল ইসলাম ও উত্তম কুমার সানা জানান, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ প্যানেলে অন্য ৬ জয়ী ও ঐক্য প্যানেলে ৩ জন প্রার্থীরা হলেন, সহ সভাপতি পদে বঙ্গবন্ধু প্যানেলে অ্যাড. প্রশান্ত কুমার ঘোষ ৪৪ ভোট ও মো. কামরুল ইসলাম (৪৩) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন এবং প্রতিদ্বন্দ্বি ঐক্য পরিষদ প্রার্থীর অ্যাড. মো. আ. মজিদ গাজী (৩৩) ভোট। যুগ্ম সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের অ্যাড. মো. বেলাল উদ্দিন (৪৮) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বঙ্গবন্ধু প্যানেলের সঞ্জয় কুমার মন্ডল (১৮) ভোট। ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু প্যানেলে অ্যাড. শংকর কুমার ঢালী (৪৫) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঐক্য পরিষদে কাজী সাইফুল ইসলাম (২০) ভোট। সদস্য পদে প্রথম ঐক্য পরিষদের অ্যাড. মো. মোহ্তাছিম বিল্লাহ (৫০), দ্বিতীয় ও তৃতীয় বঙ্গবন্ধু প্যানেলে অ্যাড. জিএম ইব্রাহীম হোসেন (৪৭) ও মো. নজির আহম্মদ (৪২) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হোন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শরিফা খাতুন (২৯) ভোট। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লাইব্রেরী বঙ্গবন্ধু প্যানেলে বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল এবং ঐক্য পরিষদের মো. একরামুল হক বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন।

ননী গোপাল মন্ডলকে নৌকার মাঝি করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা – ১ আসন দাকোপ (বটিয়াঘাটা) থেকে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের খুলনা জেলার সদস্য ও দাকোপের কৃতি সন্তান ননী গোপাল মন্ডল। দাকোপের কৃতি সন্তান ননী গোপাল মন্ডলকে খুলনা – ১ আসনে নৌকার মাঝি করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এলাকাবাসী। রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে খুলনা -১ আসনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে ননী গোপাল মন্ডল এর নাম ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। খুলনা -১ আসনে দাকোপের কৃতি সন্তান ননী গোপাল মন্ডলের নাম ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠে সমগ্রহ দাকোপ – বটিয়াঘাটা বাসী। মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিলে মিছিলে মেতে উঠে দাকোপ- বটিয়াঘাটার জনগণ। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে লোনা জ্বলের সোনার ছেলে দাকোপের সকলের প্রিয় নেতা ননী গোপাল মন্ডল কে নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনীত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কে দাকোপ বাসির পক্ষ থেকে শুভেচছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা মিছিল বের করে এলাকার আপামর জনতা।

কেশবপুরে এক এইচএসসি ফলপ্রত্যাশীর ঝুলান্ত মরদেহ উদ্ধার

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে ফলাফল ঘোষণার আগ মুহূর্তে তামান্না আক্তার তমা (১৮) নামে এক এইচএসসি ফলপ্রত্যাশীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিবার বলছে, ফেল করার আশঙ্কায় আত্মহত্যা করেছে। অথচ ফলাফলে তমা ৪ দশমিক ৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের মাদারডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তমা ওই গ্রামের জাহিদ হোসেন বাবুর মেয়ে। পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, চলতি বছর কেশবপুরের পাঁজিয়া মহাবিদ্যালয় হতে বিএম শাখা থেকে তমা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার পর থেকে তার ভেতর ফল বিপর্যয়ের ভীতি কাজ করছিল। এ ছাড়া পরীক্ষায় অকৃতকার্য হতে পারে এমনটি মনে করে তমা হতাশায় থাকত। ফলাফল প্রকাশের দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে তমা নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়ে। পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বেলা ১১টার দিকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আহসানুল মিজান রুমি বলেন, মৃত অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রীকে হাসপাতালে আনা হয়। পাঁজিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রুহুল আমিন বলেন, তামান্না আক্তার তমা এ বছর বিএম শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ফলাফলে তমা ৪ দশমিক ৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হতে পারে এমন হতাশায় তামান্না আক্তার তমা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন বহুমাত্রিকগুনের অধিকারী : অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী

তরিকুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি।।
হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এই যুগের জন্য একজন পলিম্যাথ অর্থাৎ বহু জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তিনি গভীরভাবে ধর্মপ্রাণ ছিলেন। যে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন তা মানুষের কল্যাণে ব্যায় করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করতেন। শিক্ষা এবং কর্ম জীবন শেষে ‘স্রষ্টার ইবাদত ও সৃষ্টির সেবা’র উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আহ্ছানিয়া মিশন।

তাঁর ১৫০তম জন্মবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে রবিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের আয়োজনে ‘মানবতার সেবায় খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.)’ শীর্ষক মাসব্যাপী কার্যক্রমের উদ্বোধনী ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. মো: গোলাম রহমান তার বক্তব্যে বলেন, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) রচিত গ্রন্থ ও কর্মজীবন থেকে আমাদের সুন্দর জীবন গঠনে শিক্ষা নেয়ার আছে। আমাদের কাজে কর্মে, ধ্যান ধারণায় খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লাকে স্বরণ করা উচিৎ।

এসময় প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) ছিলেন বাঙালী জাতীয়তাবাদ ভিত্তির প্রতিষ্ঠাতা। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অপরিসীম। আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) মানবজাতীর স্বাস্থ্য সচেতনতায় যে সকল সচেতনতামূলক বানী দিয়েছিলেন তা আজও চিকিৎসা শিক্ষায় প্রচলিত আছে।

হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এঁর শিক্ষাজীবন, রূহানী জীবন এবং তৎকালীন সমাজব্যবস্থা সংস্কারে তাঁর অবদানের কথা বর্ণনা করে অনুষ্ঠানে সাবেক সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ জানান, তৎকালীন সমাজ অর্থাৎ ব্রিটিশ গভার্মেন্টের একটি প্রান্তিক সময়ে বাঙালী মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন। তাই, ১৯০৫ সালে তিনি পদার্থবিদ্যার উপর তাঁর ১ম বই প্রকাশ করেন। এবং ১৯১১ সালে তাকে খানবাহাদুর উপাধীতে ভুষিত করা হয়।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি কাজী রফিকুল আলমের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়িার এ.এফ.এম গোলাম শরফুদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন মিশনের সহকারী পরিচালক ডা: নায়লা পারভিন।

উল্লখ্যে যে, মাসব্যাপি কর্মসূচির মধ্যে আছে বিভিন্ন জেলায় ফ্রি চিকিৎসা সেবা, সারভাইক্যাল ক্যান্সার নির্ণয়, তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে সভা-সেমিনার, রক্তদান কর্মসুচি, ইসলামি ফাউন্ডেশনে সেমিনার, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, স্কুল কর্মসূচি, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভিডিও বার্তা প্রচার, বিশেষ প্রকাশনা ইত্যাদি।

আড়ংঘাটায় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ
স্টাফ রিপোটারঃ
সেনা কল্যান সংস্থায় অফিসে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৬০হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আড়ংঘাটা দক্ষিণ পাড়া বাসিন্দা তালেব শেখ ছেলে ইয়াসিন শেখ (৪৫) বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর পরিবার ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আড়ংঘাটা রংপুর (শলুয়া) ভুক্তভোগী সন্দীপ রায় তার ছোট ভাইকে সেনা কল্যান সংস্থায় অফিসে চাকরি নিয়োগের জন্য ইয়াসিন শেখ শরণাপন্ন হন। এর ধারাবাহিকতায় ইয়াসিন সাথে পরিচয় হয়। পোশাক ও ব্যবহৃত স্টিকার দেখিয়ে ভুক্তভোগীর বিশ্বাস অর্জন করেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে ৬০ হাজার টাকা নেন ইয়াসিন শেখ । ভুক্তভোগীর ভাইয়ের চুক্তি অনুযায়ী চাকরি না হওয়ায়, টাকা ফেরত চায়। ভাইয়ের চাকুরির জন্য দেওয়া উক্ত ৬০হাজার টাকা ফেরৎ দেওয়ার কথা বললে বিবাদী উক্ত টাকা ফেরৎ দেওয়া নিয়ে আজ না কাল করে ঘুরাতে থাকে। পরবর্তীতে গত ০৩/১১/২০২৩ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় আড়ংঘাটা বাজারে সেলুন দোকানের সামনে পুনরায় উক্ত টাকা ফেরৎ দেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে বিবাদী আমাকে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ আমাকে মারধর করতে উদ্যাত হয়।টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে। সামনে চাকরির নিশ্চয়তা দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে আরও টাকা দাবি করেন ইয়াসিন শেখ।
এ বিষয় আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, অভিযোগ বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কেশবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়ছে
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরের প্রতাপপুর গ্রামে শনিবার দুপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে ইসরাত জাহান (১৮ মাস) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ওই গ্রামের ইসরাফিল সরদারের মেয়ে।
এলাকাবাসী জানায়, বাড়ি সংলগ্ন পুকুরের পাশে বসে শিশু ইসরাত জাহানের মা মালিহা খাতুন ও তার ফুফু শিশুটিকে নিয়ে গোবরের বড়ে দিয়ে জালানি তৈরি করছিলেন। তাদের অগোচরে শিশুটি ওই পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শিশুটির মরদেহ পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে।
ওই এলাকার মেম্বার ফজলুর রহমান বিশ্বাস বলেন, মা ও ফুফুর অগোচরে শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে মারা গেছে। পরিবারের লোকজন ওই পুকুরের পানি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। #

যশোর ৪ আসনে নৌকার মাঝি এনামুল হক বাবুল
স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৮ যশোর ৪ নং আসন (অভয়নগর,বাঘারপাড়া ও সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) থেকে আওয়ামীলীগ এর দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এনামুল হক বাবুল। রোববার বিকালে দলের কেন্দ্র থেকে এ ঘোষণা পাওয়ার সাথে সাথে অভয়নগরবাসী আনন্দে মেতে উঠে। নওয়াপাড়ায় উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীরা একজন আরেকজনকে মিষ্টি মুখ করাতে দেখা যায়। খন্ড খন্ড মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে নওয়াপাড়া নগর। বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এনামুল হক বাবুল একজন দুর্নীতি মুক্ত নেতা। তার পিতা অভয়নগর ও বাঘারপাড়ায় আওয়ামীলীগের সংগঠন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছেন। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি এলাকার দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে গভীর শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তিনি ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবেন।’ ৫২ এর ভাষা সৈনিক বাঘারপাড়ার বাসিন্দা আলতাপ হোসেনের পুত্র উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর আহবায়ক মাসুম রেজা খান বলেন, ‘এনামুল হক বাবুল ভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা হলেও এখানে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এলাকার সাধারণ জনতা বর্তমান এমপি রণজিত কুমার রায়ের বিকল্প নেতা হিসাবে তাকে মনে প্রাণে বেছে নিয়েছেন।’ অভয়নগর উপজেলার প্রত্যান্ত সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন,‘ বাবুল ভাই একজন ভাল লোক তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে।’

রামপালে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হারে হতাশা; মাদরাসা গুলো এগিয়ে
মেহেদী হাসান,রামপাল (বাগেরহাট)
রামপালে দুইটি মাদরাসায় শতভাগ পশসহ সাতটি মাদরাসার রেজাল্ট ভালো হলেও তিনটি কলেজে পাশের হার হতাশব্যঞ্জক। মাদরাসা সাতটির পাশের হার প্রায় ৯৩ ভাগ হলেও কলেজ তিনটিতে পাশের হার প্রায় ৫৬ ভাগ। কারিগরি দুইটি শাখার পাশের হার সাড়ে ৮৮ ভাগ। দেশব্যাপী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৭৮.৬৪ ভাগ। সেই তুলনায় রামপালে রেজাল্ট খারাপ হয়েছে।
রামপাল উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে এবার রামপাল সরকারি ডিগ্রী কলেজ থেকে জেনারেল শাখা থেকে ১৮৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৮৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ১০২ জন। পাশের হার ৪৬ ভাগ। বিএম শাখায় পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১১০ জন। পাশ করেছে ৯৮ জন। অকৃতকার্য ১২ জন।

গিলাতলা আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১০৯ জন। এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৪৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৬০ জন। পাশের হার ৪৪ ভাগ।

সুন্দরবন মহিলা ডিগ্রী কলেজের ১২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৯৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩১ জন। পাশের হার ৭৫.৭৮ ভাগ। দেশব্যাপী ফল বিপর্যয় হলেও সুন্দরবন মহিলা কলেজর মেয়েরা অনেক ভালো রেজাল্ট করেছে।
উপজেলার ৭ টি মাদরাসার মধ্যে গোবিন্দপুর এজেএস ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫ জন। পাশের হার ৮১.৪৮ ভাগ। ফয়লাহাট আছিয়া কারামতিয়া মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২৮ জন। কৃতকার্য শতভাগ। এর মধ্যে ৪ জন জিপিএ ৫ পেয়ে উপজেলার সেরা হয়েছে। শরাফপুর কারামতিয়া ডিগ্রী মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৭ জন। কৃতকার্য হয়েছে ৩১ জন। অকৃতকার্য ৬ জন। পাশের হার ৮৩.৭৮ ভাগ। ইসলামাদ সিদ্দিকীয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২৮ জন। কৃতকার্য হয়েছে শতভাগ। জিপিএ ৫ পেয়েছে একজন। সোনাতুনিয়া আজিজীয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৮ জন। কৃতকার্য হয়েছে ১৭ জন। অকৃতকার্য ১ জন। পাশের হার ৯৪.৮৮ ভাগ। খেজুর মহল আলীম মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২৭ জন। কৃতকার্য হয়েছে ২৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩ জন। পাশের হার ৮৮.৭৯ ভাগ। মল্লিকেরবেড় আলীম মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২৪ জন। কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ২ জন। পাশের হার ৯১.৬৭ ভাগ।
রামপালে সার্বিকভাবে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের কৃতকার্যের হার অনেক বেশী। লেখাপড়ায় মেয়েরা বরাবরের মতো এগিয়ে থাকলেও ছেলেরা পিছিয়ে পড়েছে। এর জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে মরণঘাতী মোবাইল ফোন ব্যবহার কে দুষছেন সচেতন মহল। মোবাইল ফোনের অনিরাপদ ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মেধা শেষ করছে বলে দাবী করেছেন তারা।#

 

এইচএসসিতে খারাপ ফলাফল যশোরের
শহিদুল ইসলাম দইচ যশোর।।
এইচএসসি পরীক্ষায় চলতি বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৯.৮৮ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় যশোর শিক্ষাবোর্ডে এবার যেমন পাসের হার কমেছে, তেমনি কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও।
রবিবার বেলা তিনটায় প্রেসক্লাব যশোরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য দেন যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিশ্বাস শাহিন আহমেদ।
এবার যশোর বোর্ডের অধীনে ১০টি জেলা থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৬৩৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে ছেলের সংখ্যা ৫৪ হাজার ৮৭৬ এবং মেয়ে ছিল ৫৪ হাজার ৭৫৮। এরমধ্যে ছেলেরা পাস করেছে ৩৫ হাজার ৮৮৫ এবং মেয়েদের পাসের সংখ্যা ৪০ হাজার ৭৩১, মোট পাশ করেছে ৭৬ হাজার ৬১৬। পাশের হার বিশ্লেষণে দেখা যায় মেয়েরা পাশ করেছে ৭৪.৩৮ শতাংশ এবং ছেলেরা ৬৫.৩৯ শত্ংাশ।
চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৮ হাজার ১২২ জন। এক্ষেত্রে মেয়েরা পেয়েছে ৪ হাজার ৫৫৬ এবং ছেলেরা ৩ হাজার ৫৫৬ জন। অথচ, গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল মোট ১৮ হাজার ৭০৩জন। সেখানে মেয়েরা পায় ১০ হাজার ৬৮৯ এবং ছেলেদের জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ১৪জন।
যশোর বোর্ডের অধীনে দশটি জেলার ৫৭৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৯ হাজার ৬৩৪ জন শিক্ষার্থী মোট ২২৭ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার মধ্যে পাশ করেছে ৭৬ হাজার ৬১৬জন।
এবারের পরীক্ষার ফলাফল গতবারের তুলনায় খারাপ হওয়ার বিষয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিশ্বাস শাহিন আহমেদ বলেন, এবারে শিক্ষার্থীরা ইংরেজি এবং উচ্চতর গণিতে বেশ খারাপ করেছে। ইংরেজিতে ৭৭ শতাংশ এবং উচ্চতর গণিতে পাসের হার ৮৩ শতাংশ। অন্য বিষয়গুলোতে ৯০ শতাংশের উপরে। এই দুটি বিষয়ের ফলাফল গোটা ফলাফলের উপর প্রভাব পড়েছে।
প্রেসব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক সমীর কুমার কুণ্ডু, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিয়ামত এলাহী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

খুবিতে আইসিটি বিভাগের আয়োজনে স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলা আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলা-২০২৩ উদযাপন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ২৭ নভেম্বর (সোমবার) সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে ‘স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলা ২০২৩’। স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলা ছাড়াও এ আয়োজনে রয়েছে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেমিনার এবং আলোচনা।
প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করবেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। বিশেষ অতিথি থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উপ-পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন। সভাপতিত্ব করবেন লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) মো. হুমায়ুন কবীর।
স্মার্ট কর্মসংস্থান মেলায় দেশের প্রথম সারির ২০টির অধিক আইসিটি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। এ মেলায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অত্র অঞ্চলের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী তথা আগ্রহী চাকুরিপ্রার্থীগণ পছন্দমত চাকুরি নিতে আবেদন করতে পারবে এবং কোম্পানিগুলো তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকার নেওয়ার মাধ্যমে কর্মী বাছাই ও নিয়োগ দিতে পারবে।

রামপালে ইয়াবাসহ কারবারি গ্রেফতার
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. নূরুল ইসলাম বাবু (৪৪) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক বাবু কে রবিবার (২৬ নভেম্বর) বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। সে উপজেলার রণসেন গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, শনিবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১০ টায় চিহ্নিত মাদক কারবারি বাবু ভাগা বাজার এলাকার সোহেল শেখের বরফ কলের সামনে মহাসড়কের পাশে বসে ইয়াবা বিক্রি করছিল। এমন সময় এসআই কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে ১৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন।

রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ এস, এম আশরাফুল আলম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর
দিগরাজ ব্যাংক-শান্তিনগর আবাসিক এলাকার রাস্তার কাজ শুরু

মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
মোংলার দিগরাজ ব্যাংক রোড,শান্তি নগর আবাসিক এলাকার রাস্তা-ঘাটের বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নেই জনভোগান্তিতে এলাকাবাসী। এই শিরোনামে নিউজ প্রকাশের পর রাস্তার কাজ শুরু করায় এলাকাবাসী দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকাসহ যে সকল মিডিয়া ও সংবাদ পত্র, অনলাইন পত্রিকায় খবর প্রকাশ করা হয়েছে তাদের সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। সাথে সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী বুড়িরডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উদয় শংকর বিশ্বাসকে। তিনি শান্তি নগর এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে রাস্তা নির্মাণের বাজেট দেওয়ায় এবং কাজ শুরু করায় এলাকার সকল জনগণ তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাস্তার সাথে সাথে পাশের ড্রেন সংস্কার করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসী বলেন রাস্তার সাথে সাথে ড্রেনের কাজ করলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে ফলে রাস্তা বৃষ্টির পানি, জলোচ্ছ্বাস ও অতিরিক্ত জোয়ারের পানির চাপে আর তলিয়ে যাবে না। তারা আরো বলেন প্রতি বছর পানির চাপে রাস্তা তলিয়ে যেয়ে রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়। কেননা পানি উঠার পর রাস্তার বালি সরে যেয়ে বড় বড় গর্ত ও ইটের তলা থেকে পানির চাপে বালি সরে যেয়ে রাস্তা ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ফলে রাস্তায় যানবাহন ও লোক চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তাই রাস্তার সাথে সাথে ড্রেন সংস্কার করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকারের সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শামসুজ্জোহা সাধারণ সম্পাদক তালিম হোসেন

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী আইনজীবিরা ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১২টিতে ও গ্রন্থাগার সম্পাদকসহ ৩টি পদে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী জয়ী হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে একটানা ৪ ঘন্টা ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন শেষে নির্বাচন পরিচালনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক শাহ আলম জানান, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী ও সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্রার্থী সভাপতি পদে মোঃ শামসুজ্জোহা ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ তালিম হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ আকসিজুল ইসলাম রতন, সহ-সভাপতি মোঃ কাইজার হোসেন জোয়ার্দ্দার, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন (২), যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ ছরোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ রবিউল হক রবি, ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান রানা ও মোঃ নজরুল ইসলাম বকুল, সদস্য মফিজুর রহমান মফিজ, আব্দুল জব্বার ও শফিকুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন।জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মোঃ মশিউর রহমান পারভেজ, সদস্য মোঃ মাসুদুর রহমান ও সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন।উল্লেখ্য ১৫টি পদের বিপরীতে ৩১ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে ছিল। নির্বাচনে ২০৭ জন ভোটারের মধ্যে ১৯৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

 

 

শ্রম প্রতিমন্ত্রীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সড়ক অবরোধ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সড়ক অবরোধ করেছেন তার কর্মী-সমর্থকরা। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় খুলনা-যশোর মহাসড়কের রেলিগেটে প্রতিমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন তারা।

এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেও নেতাকর্মীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়। সড়কে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেওয়ায় দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটক পড়ে।

প্রায় এক ঘণ্টা সড়কে অবস্থান নেওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা নেতাকর্মীদের সরিয়ে নেন।

এদিকে রবিবার সন্ধ্যার পর রেলিগেট এলাকায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং খুলনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত মনোনয়ন যারা মানে না, তারা আওয়ামী লীগের কেউ না। গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বাগেরহাটে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেলেন যারা
স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন।

বাগেরহাটের ৪টি আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ শেখ তন্ময়, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন নাহার ও বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ।

বাগেরহাট জেলা থেকে শুধু বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আমিরুল হক মিলনের স্থানে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। বাকি সব আসনেই সাবেক মনোনীত প্রার্থীদের পুনরায় মনোনীত করা হয়েছে।

খুলনায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রকাশ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে খুলনা জেলার ছয়টি আসনেও নৌকার প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ ঘোষণা দেন। খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনের তিনটি চমক রেখে নৌকার প্রার্থী পরিবর্তন হয়েছে। এরমধ্যে দুটিতে বর্তমান সংসদ সদস্যের পরিবর্তে নতুন মুখ ও একটিতে সাবেক সংসদ সদস্যকে প্রার্থী করা হয়েছে। এছাড়া বাকি তিনটি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্যরাই পুনরায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

খুলনার ছয় আসনে নৌকার প্রার্থীরা হলেন- খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাসের পরিবর্তে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল। খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

খুলনা-৩ (দৌলতপুর-খালিশপুর-খানজাহান আলী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ানের পরিবর্তে প্রথমবার মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন।

এছাড়া পুনরায় দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। আর খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পাইকগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব মো. রশীদুজ্জামান।

খুলনায় হিজবুত তাহরীরের ৪ সদস্য আটক
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগরী থেকে হিজবুত তাহরীর চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে কেএমপির হেডকোয়ার্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক। আটককৃতরা হলেন- হিজবুত তাহরীর খুলনা অঞ্চলের প্রধান আনিসুর রহমান রুহুল আমিন রকি (৩৬), সদস্য মো. শাকিল আহম্মেদ (২৬), রিজভী আজিম খান (২৭) এবং মেহেদী হোসেন সালিত (২৪)।

পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল শনিবার রাতে নগরীর হরিণটানা থানাধীন খানজাহান নগর এলাকা থেকে হিজবুত তাহরীর খুলনা অঞ্চলের প্রধানসহ চারজন সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি ল্যাপটপ, ছয়টি মোবাইল, দুইটি পেনড্রাইভ, একটি এটিএম কার্ড এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীর সংশ্লিষ্ট বইয়ের ১০টি প্রিন্ট কপি পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে খুলনা অঞ্চলে হিজবুত তাহরীরের নীতি আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে মো. আনিসুর রহমান রুহুল আমিন রকি খুলনা অঞ্চলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তাহরীরের কার্যক্রম প্রচার প্রসারের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিজ বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন।

এরপর তিনি জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িয়ে যান। এর আগে, ২০১১ ও ২০১৩ সালে ডিএমপির গুলশান থানা এবং ২০১৫ সালে ডিএমপির ভাটারা থানায় গ্রেফতার হয়ে ৩, ৭ ও ১৩ মাস কারাভোগ করেছেন। তিনি ঐ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে নির্দেশনা নিয়ে জুম মিটিং ও গোপন বৈঠকের মাধ্যমে কর্মী সংগ্রহ এবং রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বর্তমানে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা ১ম ফেজে রোজভেল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থেকে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সংগঠনের সদস্য মো. শাকিল আহম্মেদের বাড়ি নড়াইল জেলায়। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। গত ৬/৭ মাস যাবৎ তিনি হিযবুত তাহরীর সঙ্গে জড়িত আছেন বলে জানা যায়। তিনি নড়াইল সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ হতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছিলেন।

মো. রিজভী আজিম খানের বাড়ি পটুয়াখালী। গত ৬/৭ মাস ধরে তিনি হিযবুত তাহরীর সঙ্গে জড়িত আছেন বলে জানা যায়। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ হতে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি সরকারি শিক্ষক হিসেবে সোনাডাঙ্গা প্যারেন্টস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে কর্মরত আছেন।

এছাড়া মেহেদী হোসেন সালিতের বাড়ি ঝিনাইদহে। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। বিগত ৬/৭ মাস যাবৎ তিনি হিজবুত তাহরীর সঙ্গে জড়িত আছেন বলে জানা যায়। তিনি ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ হতে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে অধ্যয়নরত আছেন।

কেএমপি কমিশনার বলেন, সংগঠনের খুলনা অঞ্চলের প্রধান মো. আনিসুর রহমান রুহুল আমিন রকির সঙ্গে ৬/৭ মাস আগে মো. শাকিল আহম্মেদ, মো. রিজভী আজিম খান ও মেহেদী হোসেন সালিতের পরিচয় হয়। এরপর থেকেই তার নির্দেশনায় তারা জুমসহ বিভিন্ন অ্যাপস ও প্রটেকটিভ টেক্সটের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তাহরীর জন্য সদস্য সংগ্রহ ও জঙ্গিবাদের দীক্ষা প্রদান চালিয়ে যাচ্ছিল। পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়ায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পর জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিশ্লেষণ ও আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীর সঙ্গে জড়িত আরো অনেকের নাম পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত তাদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে হরিণটানা থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী, নাশকতাকারী, জঙ্গি, জুয়া, মাদক ব্যবসায়ী ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার রয়েছে। অপরাধ মুক্ত সমাজ গঠনে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ বদ্ধপরিকর।

খুলনা ১ এর নৌকার মাঝি হলেন ননী গোপাল মন্ডল
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ
অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে খুলনা-১ আসনে নৌকার মাঝিকে বৈঠা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা। গতকাল রবিবার বিকাল ৫ টায় স্থানীয় গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সাধারণ সম্পাদক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণার মাধ্যমে নৌকার এ বৈঠা তুলে দেন। সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সংসদীয় এ এলাকার গনমানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে আনন্দ উল্লাস পরিলক্ষিত হয়। এ সময় সাধারণ মানুষ ও তৃণমুল নেতা-কর্মী একে অপরের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়। তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে যুবলীগ, আওয়ামীলীগ, ৩০ বছর ধরে কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান, দাকোপ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের নবম তম সদস্য হিসেবে সফলভাবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদীয় আসন-৯৯ তে দাকোপ-বটিয়াঘাটা দুই উপজেলায় জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকায় কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড তাকে এ মনোনয়ন পত্র দেন। এদিকে তার এ মনোনয়ন পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার সহ উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় মনোনয়ন পেলেন আ ফ ম রুহুল হক, ৩ আসনে নতুন মুখ
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে নতুন প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া একটিতে ২০১৪ ও ১৮ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন।
সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু।

সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা-আশাশুনি ও কালিগঞ্জের আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক।
এছাড়া সাতক্ষীরা-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আতাউল হক দোলন।
এদিকে মনোনয়ন প্রাপ্তির খবরে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল করেছে নেতাদের কর্মী সমর্থকরা।

 

ফকিরহাটের বেতাগা ইউনিয়নে কৃষক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নে কৃষক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা ও কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় অর্গানিক বেতাগা রির্সোস সেন্টার চত্তরে এ বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীনবন্ধু বিশ^াস এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ শেখ সিদ্দিক আলী ও সাধারণ সম্পাদক মল্লিক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব)। উপজেলা কৃষক লীগের সদস্য শেখ আব্দুর রউফ এর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শেখর রঞ্জন দেবনাথ, সংগঠনিক সম্পাদক শেখ আসলাম আলী, কৃষক লীগের জেলা সহ-সভাপতি পুলিন বিহারী ঘোষ, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মোঃ ইউনুস আলী শেখ, সাধারন সম্পাদক আনন্দ কুমার দাশ, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক ফকির দাউদ হায়দার বাবু ও সদস্য সচিব সৈয়দ মিজানুর রহমান। সভায় দীনবন্ধু বিশ^াসকে সভাপতি ও মোঃ জামাল উদ্দিন ফকিরকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ৬১সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এসময় ৯টি ওর্য়াডের সভাপতি/সম্পাদকসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। ##

ফকিরহাটে কৃষি অফিসারের পদোন্নতি জনিত বিদায় সংবর্ধনা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নাছরুল মিল্লাতের পদোন্নতিজনিত বিদায় সংবর্ধনা রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুর ১টায় কৃষক প্রশিক্ষন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শংকর কুমার মজুমদার। সম্মানিত অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ আ. সামাদ, সদ্য পদোন্নতিজনিত বিদায়ী অতিথি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নাছরুল মিল্লাত, জেলা প্রশিক্ষক অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তন্ময় কুমার দত্ত, সাবেক কৃষি সম্প্রসারণ কৃষি অফিসার শারমিন শামীম। মানপত্র পাঠ করেন উপসহকারী উদ্ভীদ সংরক্ষণ অফিসার নয়ন কুমার সেন। উপসহকারী কৃষি অফিসার প্রদীপ কুমার মন্ডলের সঞ্চানায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন উপসহাকারী উদ্ভীদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা (অব:) মো. হাবিবুর রহমান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপুল কুমার পাল, উচ্চমান সহকারী খন্দকার মোকারম হোসেন, ডিলার তুষার কান্তি কুন্ডু ও লিড ফার্মার শেখ আ. মুনসুর প্রমূখ। এসময় বিদায়ী অতিথিকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। ##

 

 

 

 

 

 

ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারের মাঝে অনুদানের নগদ অর্থ প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক রবিবার সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের পরিবারের মাঝে অনুদানের নগদ অর্থ প্রদান করেন। খুলনা বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বিভাগীয় ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ সেলিম হোসেন-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বক্স দুদু এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিৎ কুমার রায়। অন্যান্যের মধ্যে ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ বাবলু খলিফা, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ বজলু হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ কাজী হুমায়ুন কবীরসহ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সিটি মেয়র ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত ১২ জন সদস্যের প্রত্যেকের পরিবারের হাতে অনুদানের নগদ ১ লক্ষ টাকা করে তুলে দেন।

 

কারার ওই লৌহ কপাট গানের সুর বিকৃতির প্রতিবাদ বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর
খবর বিজ্ঞপ্তি
কারার ওই লৌহ কপাট গানের সুর বিকৃতির প্রতিবাদে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভাপতি ডা. মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক এস এম মাহাবুবুর রহমান খোকন এর পরিচালনায় প্রতিবাদ সভা সভায় বক্তারা বলেন, বাঙ্গালির মুক্তি সংগ্রামের অহংকার, তিনি রনবীর, তিনি জাতীয় কবি, তিনি জাতীয় বীর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, যুগে যুগে শ্রেষ্ট সন্তানদের একজন, তিনি নির্যাতিত মানুষের পাশে দাড়িয়ে ছিলেন, মানুষের আশা আকাংকা স্বপ্ন মর্মে মর্মে উপলদ্বি করতে পেরেছিলেন বলেই, তিনি রাজনীতির মাঠকে গরম করেছিলেন। আর এসব অর্জনের লক্ষে তিনি কলম যুদ্ধে অবতীর্ন হয়ে ছিলেন, তিনি ব্রিটিশকে হটিয়ে উপমহাদেশের মানুষের স্বাধীনতার ঝান্ডা উড্ডয়ন করার কাজ করেছেন, তাই তিনি ব্রিটিশের বিরুদ্ধে কালজয়ী এই গানটি রচনা করে স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালীদের আন্দোলনে উজ্জীবিত করেছিলেন। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কবি কাজী নজরুল ইসলাম কুমিল্লা হতে কলকাতায় ফেরার পর বিখ্যাত ভাঙ্গার গানটি রচনা করেন কারার ঐ লৌহ কপাট, ভেঙ্গে ফেল করবে লোপাট রক্ত জমাট। ১০২ বছর পর এই গানটির সুর বিকৃত করায় সাধারন মানুষ মেনে নিতে পারেনা। ভারতের বিখ্যাত অস্কার জয়ী সংগিত শিল্পী এ আর রহমান কলকাতার হিন্দি ছবি পিপ্পায় যেখানে কাজী নজরুল ইসলাম এই গানের সুর বিকৃতি করে উপস্থাপন করেছেন।
এ ঘটনার ধিক্কার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, শুধু বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর গানের সুরকেই বিকৃতি করে নাই, দেশের ইতিহাস বিকৃতি করার ধৃষ্ঠতা দেখিয়েছেন। এ জন্য বিকৃতি গানটি বাজানো নিষিদ্ধ করা, যে চলচিত্রে বিকৃত গানটি ব্যবহার করা হয়েছে সেই চলচিত্রটি নিষিদ্ধ করা, ভারতের অস্কার জয়ী সংগীত শিল্পীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক ভাবে তদন্ত পুর্বক জরিমানা ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তৃতা করেন এবং উপস্থিত ছিলেন, মাজেদা খাতুন, ডা. সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডা. আ. সালাম, জি এম মহিউদ্দিন, এড. কাজি আমিনুল ইসলাম মিঠু, মো. কামরুল ইসলাম কামু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মুন্সি আহমেদ হোসেন, শেখ মোহাম্মাদ আলি, কাওসারি জাহান মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রো, নাজমুল তারেক তুষার, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. শাকিল আহমেদ রাজা, মো. আ. রাজ্জাক, কারি শরীফ মিজানুর রহমান, কবিতা আহমেদ, মো. আরিফ আহমেদ, মো. জিসান রহমান, মো. তাহেরুল আলম, মো. শফিকুল ইসলাম অভি, শেখ রফিকুল ইসলাম রফিক, শিক্ষক আ. মান্নান, রোকনুজ্জামানবাবলু, আ. মান্নান মুন্নাফ, মো, জয়নাল আবেদিন, মো. সাইফুল্লাহ বাবু, মো. জাভেদ আক্তার, মো. আ. হালিম, মো. আলাউদ্দিন, মো. মিকাইল হোসেন, তৈয়বুর রহমান, মো. আবু বক্কার, মো. আজমল হোসেন প্রমুখ।