Home জাতীয় সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: অনুসন্ধানে শেষবার সময় দিলেন হাইকোর্ট

সালাম মুর্শেদীর বাড়ি: অনুসন্ধানে শেষবার সময় দিলেন হাইকোর্ট

37

ঢাকা অফিস।।
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানীর গুলশানের পরিত্যক্ত বাড়ি সংক্রান্ত অনুসন্ধান আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শেষবাবের মতো সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৪ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাজউকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাকির হোসেন মাসুদ। দুদকের আইনজীবী ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।
গত ৩০ জানুয়ারি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর নিয়ন্ত্রণে থাকা গুলশানের পরিত্যক্ত বাড়ি সংক্রান্ত দুটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সরাতে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

গুলশানের ওই বাড়ি নিয়ে রিট হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ওই ভিডিও দেওয়ার প্রেক্ষাপটে সালাম মুর্শেদীর আইনজীবীরা ভিডিও দুটি অপসারণ চাইলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একই বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে পরিত্যক্ত (‘খ’ তালিকাভুক্ত) বাড়িটি দখলের অভিযোগ তুলে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে গত ৩০ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন রিট করেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে গত ১ নভেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।

আদেশে বাড়ি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র হলফনামা আকারে দাখিল করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্তসচিব এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানের প্রতি এ নির্দেশ দেন আদালত। পাশাপাশি ওই বাড়ি নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনকে দিতে গণপূর্তসচিবকে নির্দেশ দেন আদালত। পরে রাজউক ও দুদক হলফনামা আকারে নথির কপি সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে দিলে তিনি নথির তথ্যানুযায়ী বক্তব্য দিয়ে নিজের ফেসবুকে দুটি ভিডিও প্রকাশ করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িটি পরিত্যক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত। ওই বাড়ি সালাম মুর্শেদী দখল করে বাস করছেন। বিষয়টি নিয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজউকের কাছে জানতে চাইলেও উত্তরে মেলেনি। দুদক জানিয়েছে, মামলায় ১৯৬০ সাল থেকে নথি পর্যালোচনা করতে আরেকটু সময় প্রয়োজন।