Home বিনোদন মাহিরা-ফাহাদকে জাতীয় পুরস্কার দিতে নারাজ পাকিস্তান সরকার

মাহিরা-ফাহাদকে জাতীয় পুরস্কার দিতে নারাজ পাকিস্তান সরকার

0

বিনোদন ডেস্ক।।

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী সৈয়দ জুলফিকার আলী শাহ দাবি করেছেন যে, পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দুই অভিনয়শিল্পী মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফাকে সম্মানজনক জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’-এর জন্য মনোনীত করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকার।

করাচিতে আয়োজিত আট দিনব্যাপী ‘ওয়েস-ধারী সিন্ধি থিয়েটার ফেস্টিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জুলফিকার শাহ জানান, সিন্ধু সংস্কৃতি বিভাগ থেকে দুই দফায় মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফার নাম সিতারা-ই-ইমতিয়াজের জন্য সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির সুপারিশক্রমেই এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট বা ব্যাখ্যাসহ কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়।

এ ঘটনায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিনোদন শিল্পে অসামান্য অবদান রাখা সত্ত্বেও কেন সিন্ধুর দুই গুণী তারকাকে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হলো না।

পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চলের শিল্পীদের সার্বিক অবদানের কথা তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রদেশের শিল্পীরা কেবল পাকিস্তানেই নয়, ভারত এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতেও নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম তৈরি করেছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রদেশের শিল্পীরা সীমানা পেরিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, অথচ তাদের একটি বড় অংশই কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাননি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি বিশেষভাবে মাহিরা খান ও ফাহাদ মুস্তফার অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক খাত ও শিল্পীদের মূল্যায়নে কেন্দ্রীয় সরকারকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সিন্ধুর সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী জুলফিকার আলী শাহ। তিনি বলেন, সিন্ধুর খ্যাতিমান শিল্পীরা পুরো পাকিস্তানের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, তাই জাতীয় পর্যায়ে তাদের যথাযথ স্বীকৃতি পাওয়া প্রাপ্য।

‘আমি কেন্দ্রকে আহ্বান জানাব যেন তারা শিল্পীদের এবং দেশের সাংস্কৃতিক খাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে,’ বলেন তিনি।

সিতারা-ই-ইমতিয়াজের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে শিল্পীদের প্রতি কেন্দ্রীয় সমর্থনের ঘাটতিকেই ফুটিয়ে তোলে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।