স্টাফ রিপোর্টার।।
সদ্যসমাপ্ত খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র ও ৭২ কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের জামানত হারাচ্ছেন।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থী ও ৭২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের জামানত ফিরে পাবেন না।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। যার মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৭৭। আর ১ হাজার ৬৫৯ ভোট বাতিল হয়েছে। ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে।
ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আ. আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।
অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাপা) শফিকুল ইসলাম মধু লাঙল প্রতীকে ১৮ হাজার ৭৮, জাকের পার্টির এসএম সাব্বির হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে ৬ হাজার ৯৬ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট।
প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় জামানত হারাচ্ছেন জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের শফিকুল ইসলাম মধু, জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকে এসএম সাব্বির হোসেন এবং স্বতন্ত্র টেবিল ঘড়ি প্রতীকে এসএম শফিকুর রহমান।
একই কারণে সাধারণ ৩১টি ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডের ৭২ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারাচ্ছেন।
সাধারণ ওয়ার্ডে যারা জামানত হারাচ্ছেন তারা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নাসির ও মফিজুর রহমান, ২ নম্বর ওয়ার্ডে বজলুর রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবজাল জমাদ্দার ও কাজি ইব্রাহিম মার্শাল, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামিরুল ইসলাম ও মহির মোল্যা, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শামসুল আলম মিল্টন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী সরয়ার উল আযম, দেলোয়ার হোসেন মাতব্বার ও মাহফুজ পারভেজ মুন্না, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে শহিদুল ইসলাম লিটন ও শেখ মনির হোসেন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওদুদ ও খলিলুর রহমান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তৌহিদুল ইসলাম ও রবিউল গাজী, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একেএম মোসফেকুস সালেহীন, খান মো. আলী সিদ্দিকী, আল ফাহাদ হোসেন, নাসির সরদার, শেখ গোলাম কিবরিয়া ও শেখ মাহফুজুর রহমান, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে মাহবুবুর রহমান শামীম, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে মল্লিক আসাদুজ্জামান, শামীম শেখ ও হায়দার বিশ্বাস, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রশিদ, মোবারক খান সুমন ও শামীম পারভেজ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াহিদ আল মাহফুজ, কে এম রাশেদ আহমেদ, টি এম আরিফ, ইমরান হোসেন ও জাকির হোসেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী নুরুল ইসলাম বেবি, রোজিনা শেখ আয়শা, শাহ মো. জিয়াউর রহমান, শেখ মো. আরিফুজ্জামান ও শেখ বদিউজ্জামান লিটু, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে মনিরুল ইসলাম, মোতালেব মিয়া ও মোফাজ্জল হোসেন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী হাসানুর রশীদ ও শেখ আনোয়ারুল কবির ফিরোজ, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ইমরান হোসেন মিয়া, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ হাফিজুর রহমান, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে এজাজ শেখ ও নজরুল ইসলাম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ফরিদা বেগম, মো. আসাদুজ্জামান, মেহেদী হাসান ও লোকমান হাকিম, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুস সালাম, নজরুল ইসলাম তালুকদার ও হাছান চাঁন।
সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। তারা হলেন ২ নম্বর ওয়ার্ডে পারভীন আক্তার ও লীনা আক্তার, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মর্জিনা বেগম, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাসলিমা আক্তার ও নাসিমা আক্তার কাজল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মৌসুমী আক্তার বর্ণা, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে খাদিজা আক্তার ও লাকী আক্তার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঝুমুর বেগম ও সুমা আক্তার, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রেখা খানম, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে আঞ্জুয়ারা বেগম, নিয়তি রায়, মাসুদা খানম ও হোসনেয়ারা।
নির্বাচনে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন এবং সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।











































