খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
দেশে এলএনজি সরবরাহে এখনও কাটেনি সংকট। সামিটের টার্মিনালে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে একটি এলএনজি কার্গো নোঙর করলেও এতে তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাস সরবরাহ বাড়েনি। টার্মিনালটি এরই মধ্যে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করছে। ফলে নতুন কার্গো থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার পরও মোট সরবরাহে বড় পরিবর্তন আসছে না।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, আজ বিকেল ৪টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ২ হাজার ১৯৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে এসেছে ৫৭১ মিলিয়ন ঘনফুট। পুরো এলএনজিই সরবরাহ করেছে সামিটের টার্মিনাল। গ্যাসের মজুত না থাকায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে এখন কোনো সরবরাহ হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সামিটের টার্মিনাল বর্তমানে প্রতিদিন যতটুকু গ্যাস দিতে পারে, ততটুকুই জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হচ্ছে। তাই গতকাল আসা কার্গোটি গ্যাস সরবরাহে তাৎক্ষণিক বাড়তি সুবিধা তৈরি করেনি। এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু করতে নতুন কার্গোর প্রয়োজন।
পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা বলেন, আগামী ২৩ আগস্ট আরও একটি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। সেটি এলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে। এর আগে এলএনজি থেকে সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ নেই।
দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি দুই হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি। এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে জ্বালানি খাত।









































