আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
উত্তর কোরিয়ার কাছে অন্তত ৫৭টি পারমাণবিক ওয়ারহেড (যা পরমাণু বিক্রিয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম) আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজ বলছে, দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে চলতি বছরের শেষের দিকে সম্ভাব্য এক বৈঠকের বিষয়ে আলোচনার সময় এ কথা জানান তিনি। এ সময় কিম জং উনের সঙ্গে তার সম্পর্কের সুবিধা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক বজায় থাকা একটি ‘ইতিবাচক দিক’।
এদিকে ট্রাম্পই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ওয়ারহেডের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানিয়েছেন। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার এই মন্তব্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
কিমকে ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি।
যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দেশে একজন বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট থাকবে, ততক্ষণ সবকিছু ঠিকঠাক চলবে। আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দিতে পারেন না।’
এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের পরই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ বাক দেশটির সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে থাকা পারমাণবিক ওয়ারহেডের প্রকৃত সংখ্যা ৮০ থেকে ১২০-এর মধ্যে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের দুটি বৃহৎ পারমাণবিক শক্তিধর দেশের তুলনায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগার এখনো অনেক ছোট।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জানুয়ারির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪ হাজার ৪০০টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩ হাজার ৭০০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। এ ছাড়া চীনের কাছে রয়েছে ৬২০টি, ফ্রান্সের ২৯০টি, যুক্তরাজ্যের ২২৫টি, ভারতের ১৯০টি, পাকিস্তানের ১৭০টি এবং ইসরায়েলের কাছে ৯০টি ওয়ারহেড রয়েছে। আর উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রায় ৬০টি ওয়ারহেড রয়েছে বলে ধারণা সংস্থাটির।









































