স্টাফ রিপোর্টার ।।
নগরীর গল্লামারীস্থ রাইসা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক এর পরিচালক ডা. আব্দুর রাকিব খান হত্যা মামলার দু’আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। ডা. রকিব বাগেরহাট মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) অধ্যক্ষ ছিলেন।
সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মৃত. রোগী শিউলী বেগমের ভাই মো. জমির আলী শেখ ও আব্দুল কুদ্দুস। এছাড়া মামলায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। তারা হলেন মৃত. রোগী শিউলী বেগমের চাচা গোলাম মোস্তফা, ভাবী খাদিজা বেগম ও নুর নাহার বেগম।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আশরাফুল হক নথীর বরাত দিয়ে জানান, নগরীর মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ২০২০ সালের ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে ১৫ জুন সকালে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগী রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করে। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫ জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান। এ ঘটনায় নিহত রোগীর স্বজনরা ১৫ জুন রাত ৯টার দিকে ডা. রকিবকে কৌশলে ডেকে ক্লিনিকের সামনে এনে হামলা চালায় এবং লাথি ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথার পেছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে ১৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ১৭ জুন দুপুরে নিহতের ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০জনকে আসামি করে খুলনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। রাস্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি এডভোকেট মো. আহাদুজ্জামান।










































