Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

34

তিলোত্তমা শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছে : খালেক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনে মেয়র ও আহছানউল্লাহ কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক সোমবার বেলা ১১ টায় কলেজ প্রাঙ্গণে পিঠা উৎসব ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এম.পি।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সংসদ সদস্য বলেন, খুলনাকে একটি দৃষ্টিনন্দন তিলোত্তমা শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছে। খুলনার মানুষের কল্যাণে ইতোমধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যান্সার হাসপাতাল, আধুনিক শিশু হাসপাতাল, ডেন্টাল কলেজ নির্মাণ কাজসহ একাধিক মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। একই সাথে চার লেন বিশিষ্ট ময়লাপোতা-জিরোপয়েন্ট সড়ক ও শিপইয়ার্ড সড়কের নির্মাণ কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

সংসদ সদস্য আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু করেছেন। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল নির্মাণসহ বহু প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করছেন। সম্প্রতি তিনি পাতাল রেল প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন। দেশের সার্বিক উন্নয়নে ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচনে পুনরায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তিনি খুলনাবাসীর প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য কলেজটি সরকারিকরণের বিষয়ে সম্ভব সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

কলেজের অধ্যক্ষ মো: শহিদুল হক মিন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো: সাইফুল ইসলাম, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো: হামিদুল হক, দৈনিক দেশসংযোগ পত্রিকার সম্পাদক মো: মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা জিলা স্কুল মাঠে স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, নিজেদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা ও সামগ্রিক জ্ঞানচর্চায় নিবেদিত থাকতে হবে। তবেই জীবনে পূর্ণতা আসবে।

সিটি মেয়র সোমবার বিকেলে খুলনা জিলা স্কুল মাঠে স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

সিটি মেয়র প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য তিনি শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক একাডেমিক ভবন নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মানও উন্নত করেছেন।

জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফারহানা নাজ-এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা-খুলনাঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ। অন্যান্যের মধ্যে খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র বিশিষ্ট সাংবাদিক মকবুল হোসেন মিন্টু, প্রাক্তন ছাত্র ডা. আমিরুল খসরু, কেসিসি’র সাবেক সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর হালিমা ইসলামসহ স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।পরে সিটি মেয়র ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

 

পূর্ব রূপসা বাজারে ব্যবসায়ীকে লাঞ্চিত ও হুমকির অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
পূর্ব রূপসা কাচা বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে লাঞ্চিত করা ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও বাজারের কমিটির অভিযোগের স্বাক্ষরিত প্যাডে বলা হয়, শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বাদ এশা পূর্ব রূপসা কাচা বাজারের নাফিজ স্টোর এর স্বত্বাধিকারী ও বাজার বনিক সমিতির সহ-সভাপতি মো. ইজ্জত আলী মীরকে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (স্থানীয় মের্সাস লামিয়া এন্টারপ্রাইজের) পরিবেশক (ডিলার) সহ কয়েকজন তুচ্ছ ঘটনায় তাকে অপমানজনক কথা বলে এবং দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি প্রদান করে। পরে ওই বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী এবং পূর্ব রূপসা বাজার বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা যৌথ ভাবে (১৩ ফেব্রুয়ারী) সোমবার বেলা ১২ টায় বিষয়টি নিয়ে সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে পূর্ব রূপসা বাজার বণিক সমিতির জরুরী সভার আয়োজন করা হয়।
এ জরুরী সভায় সকলের সম্মতি ক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, উক্ত ঘটনার জন্য বাজারের ব্যবসায়ীরা ওই ঘটনার পর থেকে লামিয়া এন্টারপ্রাইজের কোন মালামাল ক্রয় না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বাজার বনিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম এ করিমের সঞ্চালনায় এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সহ-সভাপতি মো. সেলিম মোল্লা, দিলিপ দাস, মো. নুর ইসলাম ছোট, ইসমাইল বাবু, মিঠু, মো. সুলতান মোল্লা, সাধারণ ব্যবসায়ী মো. সাঈদ খান, পল্লব সাহা, মঞ্জু মোল্লা, আবুল শেখ, মোহন, হাসেম, শাহাবুদ্দিন, শাহাজাহান, জাহিদ, চৈতন্য, সিপা, নূর মোহাম্মদ, হাফিজ, রিপন মীর, হাসান, ইমরান, জাহিদ প্রমুখ।
এদিকে এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ইজ্জত আলী মীরকে অপমানজনক কথা এবং দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি প্রদান করায় বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

খুলনায় একশ ৭১ শ্রমিককে প্রায় ৮৯ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক দিলেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী
তথ্য বিবরণী
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা, রূপসা, বাটিয়াঘাটা, পাইকগাছা ও তেরখাদা উপজেলাসহ খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলায় মোট একশ ৭১ শ্রমিককে ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর প্রাঙ্গণে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলার প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরের শ্রমিক ও কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা ও সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্য পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমবান্ধব সরকার। কোন শ্রমিক অসহায় থাকবে না। তারই ধারবাহিকতায় শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এই তহবিলে সাতশত কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অসহায় শ্রমিকদের মাঝে ৯২ কোটি টাকার অধিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। শ্রম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী ও কৃষকের বন্ধু ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আজীবন শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুই প্রথমে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করেছিলেন। খুলনার বন্ধকৃত পাটকলগুলো চালু করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ। শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীন শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে শ্রমিকদের আরো বেশি বেশি সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি শ্রমিকদের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) আতিকুল ইসলাম, বিজেএ’র চেয়ারম্যান শেখ সৈয়দ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ১০ কোটি টাকা এবং জেলায় প্রায় আট কোটি টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

চেক প্রদান অনুষ্ঠানে খুলনা সদরে ৬০ জন, সোনাডাঙ্গা থানার ৫০ জন, রূপসা উপজেলার ২৯ জন, বটিয়াঘাটায় সাতজন, পাইকগাছায় দুইজন, তেরখাদা উপজেলার একজন এবং খুলনার অন্যান্য জেলায় ২১ জনসহ মোট একশত ৭১ জন শ্রমিকের মাঝে সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।

 

খুলনা বিভাগীয় পিঠা উৎসবের সমাপনী আজ
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ছয় দিনব্যাপী বিভাগীয় জাতীয় পিঠা উৎসবের সমাপনী আজ (মঙ্গলবার) ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে চারটায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ।

মহান শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা ১৬ ফেব্রুয়ারি
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি খুলনা জেলা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি খুলনা জেলা কার্যালয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার ক-বিভাগ: প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি, বিষয়: শহিদ মিনার, মাধ্যম উন্মুক্ত। খ-বিভাগ: চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি, বিষয়: রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই (ভাষা আন্দোলন), মাধ্যম: জল রং/প্যাস্টেল রং। গ-বিভাগ: ৭ম থেকে ১০ম শ্রেণি, বিষয়: ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, মাধ্যম: জল রং/প্যাস্টেল রং। ঘ-বিভাগ: প্রথম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য বিষয় ও মাধ্যম: উন্মুক্ত।

একই দিন ছড়াপাঠ প্রতিযোগিতা ১১টায় ক-বিভাগ: প্লে থেকে দ্বিতীয় এবং খ-বিভাগ: তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যে কোন ছড়া পাঠ করা যাবে।

উল্লেখ্য, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার কাগজ বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সরবরাহ করবে এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি প্রতিযোগীদের সাথে আনতে হবে।

২১ ফেব্রুয়ারি সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রভাতফেরী ও শহিদ হাদিস পার্কে শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। বেলা দুইটায় খুলনার মুজগুন্নী শিশু বিকাশ কেন্দ্রে সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খুলনা শহিদ হাদিস পার্কে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যানের চলাচলে অনুপোযোগী রাস্তা পরিদর্শন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পাগলা-দেয়াপাড়া চলাচলে অনুপোযোগী একটি জনবহুল ইটের রাস্তা পরিদর্শণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ। পরে তিনি লাল ফিতা কেটে রাস্তার সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় রাস্তার পাশে গাছের চারা রোপন করেন। তিনি রাস্তাটি আরো বড় ও পাকা করার জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অত্র ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অসিম কুমার দেবনাথ, সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সেখ শামসুর রহমান, সেখ খলিলুর রহমান, সৈয়দ আলী ফকির, শামিম সেখ, লিটন সেখ, কেয়ামুদ্দিন সেখ, ছালাম সেখ, ফারুক সেখ, সালাম শরিফ প্রমূখ। স্থানীয়রা জানান, ফকিরহাট ইউনিয়নের পালেরহাট মোড় থেকে পাগলা-দেয়াপাড়া প্রায় এককিলোমিটারের অধিক ইটের রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ চলাচলে অনুপোযোগি হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে এলাকাবাসী। এমতবস্থায় একটি মোবাইল ফোন কোম্পানীর কর্মকর্তা ও সমাজসেবক পাগলা-দেয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদাউস আলম রাস্তাটি সংস্থারের উদ্যোগ গ্রহন করেন। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চুলকাটির সিএন্ডবি এলাকা থেকে গাজাসহ তিন ব্যবসায়ী আটক
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাটি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২০৫গ্রাম গাজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে সিএন্ডবি বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। চুলকাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মোহম্মদ হানিফ জানান, গোপন সংবাদের উপর ভিত্তি করে পুলিশের একটি দল সিএন্ডবি বাজারের পার্শ্বে ইলিয়াস ঢালী পানের বরজের পাশ্বে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালাতে গেলে উৎকুল গ্রামের আব্দুল গণি ঢালীর পুত্র ইলিয়াস ঢালী (৪৫), মুতঃ ফরিদ শেখের পুত্র মজনু (৪৮) শেখ ও কররী গ্রামের হাবিব আলীর পুত্র ইউসুফ আলী (৩৬) এর দেহ তাল্লাশী করে ২০৫গ্রাম গাজাসহ উপরোক্ত তিনজনকে আটক করে। এ ব্যাপারে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামালা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বাগেরহাটে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে ২০২২ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রবিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রথম আলো এই সংবর্ধনার আয়োাজন করে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি ইনজামামুল হক। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাফিজ আল আসাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার বকশি, খানজাহান আলী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আসিফ উদ্দিন।
বক্তারা আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলার পাশাপাশি সব সময় ভালো কাজের পাশে থাকার আহ্বান জানান। মাদক, মুখস্থ ও মিথ্যাকে না বলতে, মা-মাটি এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন শিক্ষার্থীরা।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, সনদ প্রদান করা হয়।

চিতলমারীতে অবৈধভাবে সার বিক্রি করায় অর্থদন্ড
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ভাবে রাসয়নিক সার বিক্রি করায় এক প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালত অর্থদন্ড দিয়েছেন। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা দুপুর সাড়ে ৩ টায় অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা এ অর্থদন্ডাদেশ দেন। এ সময় একটি মামলার মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়। সেই সাথে দোষী ব্যাক্তিকে সরকারি আদেশ মানার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় চিতলমারী উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শংকর মজুমদার ও সরোজ কুমার বাগচী উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিনা লাইসেন্সে রাসয়নিক সার বিক্রি করায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কৃষি বিপনন আইন-২০১৮ সালের ১৯ ধারা মোতাবেক চিতলমারী সদর ইউনিয়নের সাবোখালী গ্রামের মেসার্স মহুয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

শিশু শ্রম নিরসনে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরী
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এই শিশুরাই আগামী দিনে জাতির নেতৃত্ব দিবে। জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু অভিভাবকরা সচেতনতার অভাবে সামান্য টাকার জন্য সন্তানদের কঠিন কাজের সাথে যুক্ত করে দেয়। এর ফলে শিশুদের জীবন নষ্ট হয়ে যায়। লেখা পড়ার গুরুত্ব এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে শিশু শ্রম অনেকাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদয়ন বাংলাদেশ এবং ইনসিডিন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে কৃষি ক্ষেত্রে শিশু শ্রম নিরসন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা আরও বলেন, একটা শিশু যখন কোন কাজে অংশ নেয়, তখন তাকে অন্যান্য শ্রমিকের থেকে কম বেতন দেওয়া হয়। একটা শিশু দৈনিক কাজ করলে, ৫০ থেকে ৩০০ টাকা পায়। এই টাকায় তার বা তার পরিবারের তেমন কোন উপকার হয় না। এর পরেও শিশুরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। অতিদ্রুত এই শিশুশ্রম নিরসন করা প্রয়োজন।
বাগেরহাট শহরের উদয়ন বাংলাদেশ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা শিশু কর্মকর্তা শেখ আছাদুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুমিতাই ইয়াসমিন, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা এসএম নাজমুস সাকিব, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএম আজগর আলী, বাগেরহাট জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান এ্যাড. শরিফা খানম, উদয়ন বাংলাদেশের পরিচালক ইসরাত জাহান, ইনসিডিন বাংলাদেশের ক্যাম্পেইন কো-অর্ডিনেটর রাফিউল আলী রানা প্রমুখ। মতবিনিময় সভায়, আইনজীবী, গনমাধ্যমকর্মী, এনজিও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

বাগেরহাটে যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ, এসএসসি ও এইচএসসি কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে এটি অনুষ্ঠিত হয়। যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডলের সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট সদর উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার এস এম হিশামুল হক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র পাল, শিক্ষক সাহানা আক্তার, সঞ্জয় কুমার মিস্ত্রী, জেনারোল বাসার, রত্না রায়, যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র তুষার কান্তি দাস প্রমুখ। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ, ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীগন উপস্থিত ছিলেন।
অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাট সদর উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার এস এম হিশামুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার মানোন্নয়নের ব্যাপারে শুধু শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল থাকলে হবে না। অভিভাবকদেরও ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দের সূচিন্তিত মতামত, পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনায় শিক্ষার মানোন্নয়নে আগামীতে ভুমিকা রাখবে।
অভিভাবক সমাবেশ শেষে যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের ২০২২ সালের এসএসসির ১০ জন ও এইচএসসি এর ৭ জন জিপিএ -৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়।

বগেরহাটে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন বিষয়ে ৫দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বগেরহাটে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন ও বিপনন বিষয়ে উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৫দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) এর আয়োজনে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্টের আওতায় সোমবার (১৩ফেরুয়ারি)সকালে এই সদর উপজেলার কোডেক প্রশিক্ষন সেন্টারে এই কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্টের প্রকল্প ব্যবস্থাপক লোকমান হোসেন, টেকনিক্যাল অফিসার মোঃ আল আমিন অনলাইন, ডকুমেন্টেশন অফিসার এস.এম. তানভীর হোসেন পরিবেশ কর্মকর্তা সৈয়দ হাসিব আলী, আল আমিন সোহাগসহ প্রশিক্ষনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, এই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রীর পরিচিতি, তৈরী প্রক্রিয়া, ব্যবহারের নিয়মাবলী, সুবিধা-অসুবিধা, মূল্য নির্ধারণ, বাজার ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা, নির্মাণ উপকরণ বা কাঁচামাল (সিমেন্ট, বালি, রং, কেমিক্যাল ইত্যাদি) গুণগত মানসম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া সম্পর্কিত বিভিন্ন সংস্থার কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে সম্পর্ক তৈরী করা, প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে প্রদানকৃত সেবা, প্রশিক্ষণ প্রদান ও উদ্যোক্তা তৈরি, বুয়েট টেস্টিং ও সার্টিফিকেট প্রদান, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরজ্ঞাম বিতরণ, লার্নিং ভিজিট ও উদ্যোক্তাদের পন্য বিক্রয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তারা।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ জন উদ্যোক্তাগণ অংশ নেয়। প্রকল্পের রিসোর্স সেন্টারে নিজেরা পণ্য উৎপাদন করে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৬ ফেব্রুয়ারি সমাপনি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষনের শেষ হবে।

বৈশ্বিক বৈরী পরিস্থিতিতেও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন কৃষিক্ষেত্রের অন্যতম সাফল্য : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘বঙ্গবন্ধুর অবদান, কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান’ শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিবিদ দিবস-২০২৩ উদযাপিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ১৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে এক শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সামনে দিয়ে হাদী চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা শেষে সেখানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেছিলেন। তাঁর এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে দেশের কৃষিবিদরা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন। দেশ ছাপিয়ে বহির্বিশে তাদের অবদানের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য উৎপাদনে পিছিয়ে পড়লেও এই সময়টাতে বাংলাদেশে কোনো খাদ্যের সংকট হয়নি। বরং কৃষির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। যা আমাদের দেশের কৃষক এবং কৃষিবিদদের অবদানেই সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এক সময় যখন বাংলাদেশের ৭ কোটি জনগণ ছিলো, তখন দেশে খাদ্যের সংকটও ছিলো। অথচ আজ ১৮ কোটি জনগণের এই দেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। বরং বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও পরিকল্পনায় কৃষক এবং কৃষিবিদদের অবদানে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। দেশের চাহিদা পূরণ করে কৃষিজ পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা হচ্ছে।
উপাচার্য বলেন, কৃষির উপর গবেষণার কারণে বাংলাদেশ আজ কৃষিতে সফলতা পেয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনও গবেষণায় অনেক এগিয়ে। কৃষির উপর গবেষণায় যে ঝোঁক রয়েছে তা বিগত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন দেখলেই বোঝা যায়। তিনি এই ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদেরকে তাঁদের অগ্রজদের পথ অনুসরণ করে নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত রাখেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবেশ দাস। এসময় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আধুনিক সুবিধাসম্বলিত খুবির আইকিউএসির প্রশিক্ষণ কক্ষের উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আধুনিক সুবিধাসম্বলিত প্রশিক্ষণ কক্ষের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভবনে দ্বিতীয় তলায় নামফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে এ প্রশিক্ষণ কক্ষের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। পরে তিনি কক্ষটি ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণের জন্য উপযোগী করে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনসহ সৃষ্ট সুবিধাদি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এখন থেকে এই প্রশিক্ষণ কক্ষে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া এর মাধ্যমে আইকিউএসির প্রশিক্ষণ আয়োজনের সক্ষমতা বাড়বে বলেও উল্লেখ করেন। এই প্রশিক্ষণ কক্ষটি তৈরিতে ব্যয় হবে প্রায় ২০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। আরও কিছু কাজ শেষ হলে প্রশিক্ষণ কক্ষটির পূর্ণাঙ্গতা পাবে। এই কক্ষে ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থীর সুবিধা উপযোগী রয়েছে।
পরে দুপুর ২টায় আইকিউএসির নতুন উদ্বোধনকৃত প্রশিক্ষণ কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম টার্মের কোর্স শিক্ষকবৃন্দের অংশগ্রহণে ‘কোর্স আউটলাইন’ এবং ‘কোর্স ফাইল’ আন্ডার ওবিই ফ্রেমওয়ার্ক শীর্ষক প্রশিক্ষণ সিরিজ শুরু হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার। প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ, অর্থনীতি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের কোর্স শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (কিউএসি) এর ১১তম সভা শহিদ তাজউদ্দীন আহমেদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি কিউএসি কমিটির বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন এবং বেশ কিছু দিকনির্দেশনা দেন। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া তিনি চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত আইকিউএসি আয়োজিত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সেলের পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালকসহ সকলকে ধন্যবাদ জানান। সভায় ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আগামী অর্থবছরের গৃহীত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং বাজেটসহ অন্যান্য বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার জানান, ২০২২ সালের ২৩ জুন থেকে ২০২৩ এর ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইকিউএসি ১৭টি প্রশিক্ষণ আয়োজন করে, যা ২৯ কর্মদিবসে সম্পন্ন হয়। এতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিলো ২০৩৮ জন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুণগত মান অর্জনে কিছু পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, কমিটির সদস্য ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এবং অন্যান্য ক্যাটাগরির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও অনলাইনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও কমিটির বহিস্থ সদস্য ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী সংযুক্ত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন কিউএসির সদস্য-সচিব সহযোগী অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

আজ খুবিতে বসন্তবরণ উৎসবের কর্মসূচি
খবর ডিবজ্ঞপ্তি
আজ ০১ ফাল্গুন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ বসন্তবরণ উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ডিসিপ্লিনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকাল ৮টায় কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা, সকাল ৮.৩০ মিনিটে অদম্য বাংলার সামনে বসন্তবরণ অনুষ্ঠান, বিকাল ৩টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চায়ন।

খুবির এনভায়রনমেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্লাবের প্রাপ্ত পুরস্কার ডিসিপ্লিন প্রধানের নিকট হস্তান্তর
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের সংগঠন এনভায়রনমেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্লাবের সদস্যরা সরকারি ব্রজলাল কলেজের বিজ্ঞান ক্লাব আয়োজিত বিজ্ঞান বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কুইজ এবং বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করে কয়েকটি বিষয়ে পুরস্কার লাভ করে। প্রাপ্ত পুরস্কার গতকাল ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরীর নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ সময় ডিসিপ্লিন প্রধান প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি এই ধরনের সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে ডিসিপ্লিনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মুজিবর রহমান, প্রফেসর ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক প্রসূন কুমার ঘোষ এবং সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া ইসলাম মৌ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্লাবের সদস্যরা সরকারি ব্রজলাল কলেজে গত ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত বিজ্ঞান বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কুইজ এবং বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে সানি মাহমুদ বর্ষন ও তার টিমের সদস্য যথাক্রমে মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম শুভ, কুমার উৎস সাহা দীপ, জয়েস চাকমা এবং ফারজানা আফরোজ আদিবা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। একই আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জান্নাতি আক্তার, অভিজিৎ কুমার পাল, মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম শুভ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণসহ সার্বিক সহযোগিতা করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী এবং সামগ্রিক বিষয়ে তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া ইসলাম মৌ।

কেএমপি, ও বিআরটিএ, খুলনার যৌথ আয়োজনে রোড শো অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
‘আইন মেনে সড়কে চলি, নিরাপদে ঘরে ফিরি’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সড়কে চলাচলরত গাড়ির মালিক, চালক, যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তামূলক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে গতকাল সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত কেএমপি, খুলনা ও বিআরটিএ, খুলনার যৌথ আয়োজনে খুলনাস্থ শিববাড়ি মোড় বাস কাউন্টার ও স্টান্ড এলাকায় ঘরেফেরা, ঘরমুখো মানুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এ রোড শো’র আয়োজন করা হয়। বিআরটিএ খুলনার পরিচালক প্রকৌশলী মাসুদ আলম ও কেএমপি ডিসি ট্রাফিক, মুনিরা সুলতানা রোড শো’র উদ্বোধন করেন। এরপর যাত্রী, পথচারী ও চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সকলের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বানী মাইকিং সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ খুলনা এর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ। রোড শো তে জনগণের ব্যপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। স্থানীয় মানুষ যাত্রি , চালক ও সাধারণ জনগণ এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

মহেশপুরের কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের উদ্ধোধন

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি ঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউপির কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের উদ্ধোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে একাডেমিক ভবনের উদ্ধোধন করেন ঝিনাইদহ ৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল।কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি শাহাবুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামীদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র পাল,মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান হাসিনা খাতুন হেনা,নেপা ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর আলম মৃধা,নেপা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বপনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার আশরাফুজ্জামান চঞ্চলের তত্ববধানে একাডেমিক ভবনের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ওমর ফারুক।

খুলনা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ২৫ মার্চ
তথ্য বিবরণী
খুলনা প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল আগামী ২৫ মার্চ ক্লাবের শহীদ শেখ আবু নাসের ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৭তম সভায় এ বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় খুলনার কৃতি সন্তান, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, খুলনার বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাড. মঞ্জুরুল ইমামকে (মরোণোত্তর) একুশে পদক প্রদান করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া সভায় চলতি বছরে ক্লাবের অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন, বিদেশ শিক্ষা সফর ও উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা।
সভায় ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম সাহিদ হোসেন, সহ-সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ এস এম কামাল হোসেন, সহকারী সম্পাদক শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও সুনীল কুমার দাস, নির্বাহী সদস্য বীর মক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, মোহাম্মদ আলী সনি, মল্লিক সুধাংশু, হাসান আহমেদ মোল্লা, মো: তরিকুল ইসলাম, মোঃ শাহ আলম, মোঃ আব্দুল হালিম ও সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সুন্দরবন দিবস আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার। বিশ্ব ভালবাসা দিবসে সুন্দরবনকে ভালবাসার আহ্বান জানিয়ে এবারেও সুন্দরবন সন্নিহিত এলাকায় পালিত হচ্ছে সুন্দরবন দিবস। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরাসহ সুন্দরবন সন্নিহিত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসটি পালন করা হবে।
খুলনায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবসে বেলা ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা প্রেস ক্লাব ও সুন্দরবন একাডেমীর যৌথ উদ্যোগে এবারে খুলনায় কেন্দ্রীয়ভাবে সুন্দরবন দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরায় সুন্দরবন একাডেমী এবং বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান স্বদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের ম্যানগ্রোভ সভা কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম।
মোংলা উপজেলায় সুন্দরবন একাডেমী ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা’ন যৌথ আয়োজনে সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে থাকছে শিশুদের সুন্দরবনভিত্তিক চিত্রাংকন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, সকালে উপজেলা পরিষদ থেকে শোভাযাত্রা এবং বিকেলে শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা।
শরণখোলায় সুন্দরবন একাডেমী এবং শরণখোলা প্রেস ক্লাবের যৌথ আয়োজনে সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন শরণখোলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী।
এদিকে দাকোপে সুন্দরবন একাডেমীর আয়োজনে সুন্দরবন দিবসের আলোচনা সভা চালনা পৌরসভা ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ^াস।
এ ছাড়াও বাগেরহাট, পিরোজপুরসহ সুন্দরবন সন্নিহিত অন্যান্য জেলা ও উপজেলায় স্থানীয়ভাবে সুন্দরবন দিবস পালনে কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয় ১ম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন। নানান প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্য পাওয়া সে সম্মেলনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন সেই সময়ের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ। ২০০১ সালের সেই সুন্দরবন সম্মেলনের পরের বছর থেকেই খুলনাসহ সুন্দরবন সন্নিহিত জেলাগুলোতে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সুন্দরবন দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে এই দিবস পালনের কর্মকাণ্ডে সংযুক্ত থাকে সুন্দরবন একাডেমী, বন বিভাগ, বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংগঠন, ব্যবসায়ী সংগঠন, সুন্দরবন সংলগ্ন সাংবাদিক সমাজ এবং প্রকৃতিপ্রেমী আপামর মানুষ।

বনভোজনের টাকা না দেয়ায় গলায় গামছা পেচিয়ে আত্নহত্যা করেছে দশম শ্রেনী ছাত্র
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় বনভোজনের টাকা না দেয়ায় পিতামাতার উপর অভিমান করে গলায় গামছা পেচিয়ে আত্নহত্যা করেছে দশম শ্রেনী এক ছাত্র। পুলিশ লাশের সুরত শেষে থানায় অপমৃত মামলা করেছে। ঘটনাটি উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামে সোমবার সকালে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক সুকান্ত কর্মকার জানান, উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের আনন্দ কুমার মন্ডলের ছেলে লক্ষীখোলা কলেজিয়েটের দশম শ্রেনীর ছাত্র প্রশান্ত কুমার মন্ডল(১৪) তার নিজ ঘরে গলায় রশিদিয়ে আত্নহত্যা করে। সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বনভোজনে যাওয়ার জন্য পিতা মাতার কাছে টাকা চায়। টাকানা দেয়ায় তার পড়ার ঘরে ঢুকে গলায গামছা পেচিয়ে ঝুলে পড়ে ওই স্কুল ছাত্র । কিছুক্ষন পরে মা ডাকাডাকি করে। এ সময় সে সাড়া না দেয়ায় দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে দেখে সে আড়ার সাধে গলায় গামচা পেচিয়ে ঝুলে আছে। পরিবারের লোকজন তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে। পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজাউল ইসলাম মৃত্যু ঘোষনা করে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যজিস্ট্রেটের অনুমতিতে লাশ সুরতহাল শেষে পরিবারের নিকট দেয়া হয়েছে।

বটিয়াঘাটায় ইসলামী আন্দোলনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকাল তিনটায় উপজেলা অস্থায়ী কার্যলয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বটিয়াঘাটা পশ্চিম উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে
বটিয়াঘাটা পশ্চিম শাখার দ্বি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলনে প্রধানঅতিথির বক্তব্য পেশ করেন জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহ ইমরান, সহ-সভাপতি শাইখুল ইসলাম বিন হাসান, জেলা শাখা সেক্রেটারি হাফেজ মোঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব, জেলা প্রচার সম্পাদক মুফতি আশরাফুল ইসলাম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদী, আঃ জলিল হাওলাদার মোঃ ইসমাইল হোসেন অহিদুজ্জামান, মোঃ মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

সম্মেলনে আগামী ২০২৩- ২৪ সেশনের জন্য মোঃ রেজাউল করিমকে সভাপতি এবং ক্বারী শামছুর রহমানকে সহ সভাপতি এবং হাফেজ কারিমুল ইসলামকে সেক্রেটারি, হাফেজ আবুল হাসানকে সংগঠনিক সম্পাদক এবং মোঃ আরিফ শেখকে প্রচার সম্পাদক কর করে বটিয়াঘাটা পশ্চিম শাখার কমিটি ঘোষনা করা হয়।

ঝিনাইদহে শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদরাসা জেলা পর্যায়ের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
খাইরুল ইসলাম নিরব, ঝিনাইদহ –
ঝিনাইদহে জেলা পর্যায়ের শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদরাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দিনভর শহরে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে এ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়।
সকালে বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই। অনুষ্ঠানে সেসময় জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রথীন্দ্রনাথ রায়, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ইয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজিবুল ইসলাম খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিন, এসিল্যান্ড শারমীন আক্তার সুমীসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়। পরে শুরু হয় বিভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগিতা।
আয়োজকরা জানান, দিনভর এই প্রতিযোগিতায় ৩৩ টি ইভেন্টে জেলার ৬ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ধুমপানমুক্ত হোটেল-রেস্তোরাঁ চান খুলনা বিভাগের মালিকরা
স্টাফ রিপোর্টার।।
হোটেল-রেস্তোরাঁয় শিশু-নারী ও বৃদ্ধদের জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাশের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন খুলনা বিভাগের হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকরা। একই সঙ্গে ধুমপানমুক্ত হোটেল-রেস্তোরাঁ চান তারা।

সোমবার সকালে খুলনার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহযোগিতায় ও অ্যাডভ্যান্সমেন্ট অব হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট (আহার) বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে তারা এই মত প্রকাশ করেন। মালিকরা বলেন, হোটেল ও রেস্তোরাঁয় স্মোকিং জোন রাখার বিধান বাতিল করতে হলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত পাশ করতে হবে।

বক্তারা বলেন, রেস্তোরাঁয় একটি জায়গা ধুমপানের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলেও সেখান থেকে ধোঁয়া আশপাশে ছড়িয়ে পড়ায় পরোক্ষ ধুমপানের কবলে পড়ছেন অধুমপায়ীরা। কোনোভাবে ধুমপানের প্রভাব থেকে তাদের মুক্ত করা যাচ্ছে না। পরোক্ষ ধুমপানের ফলে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম মুনিম লিংকন জানান, রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোনের সুযোগ নিয়ে তরুণরা ধুমপানমুখী হচ্ছে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্মোকিং জোন বাতিলের আইন করা জরুরি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি খুলনা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ বলেন, ধুমপানের কারণে ক্যান্সারের ব্যাপকতা বাড়ছে। পরোক্ষ ধুমপানেও একই স্বাস্থ্যঝুঁকি। এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে রেস্তোরাঁতে স্মোকিং জোন বাতিল করা প্রয়োজন।

মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে স্মোকিং জোন বাতিলের পক্ষে মত দেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুকুল হোসেন, বাগেরহাট জেলা কমিটির সভাপতি শেখ মোস্তাফিজার রহমান, মাগুরা জেলা কমিটির সভাপতি নিয়ামত আলী, ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিতাই চন্দ্র, নড়াইল কমিটির সভাপতি আব্দুর রব মোল্লা, সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি শাহ আলম, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সহসভাপতি ও আহার বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এস এস হাবিব, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ বলেন, পরোক্ষ ধুমপানের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অধুমপায়ীদের নাগরিক অধিকার। বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে রেস্তোরাঁকে পাবলিক প্লেস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি ‘ধুমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ এর বিধান রাখা হয়েছে, যা পাবলিক প্লেসকে শতভাগ ধুমপানমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে অন্তরায়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম। প্রবন্ধে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পরোক্ষভাবে ধুমপানের শিকার হন তিন কোটি ৮৪ লাখ মানুষ, যার মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র রেস্তোরাঁয় পরোক্ষ ধুমপানের শিকার হন।