বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ছোটবেলায় বাবা মা হারায় আজিজুল। এরপর তার ঠাই হয় হতদরিদ্র খালার কাছে। পরের বাড়ি কাজ করে অভাবী খালা খুব কষ্টে লালন-পালন করতে থাকে তাকে। কিন্ত কিছুদিন পরে তিনিও আজিজুলকে ছেড়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। বেঁচে থাকতে বাধ্য হয়ে কৈশরেই আজিজুলকে পরের বাড়িতে কামলার কাজে নামতে হয়। এরপর যৌবনে এসে পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাল চলছিল আজিজুল। কিন্ত কিছুদিন আগে তার নাকের মধ্যে টিউমার হয়ে এখন তা মাথা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এখনই তার অপারেশন দরকার। এতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৭ লাখ টাকা। কিন্ত এ পরিমান টাকা জোগাড়ের স্বামর্থ নেই তার। এমন অবস্থায় দানশীলদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন তিনি। আজিজুল হক ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ঈশ^রবা গ্রামের মৃত সুলতান হোসেনের ছেলে।
আজিজুলের প্রতিবেশীরা জানান,একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে স্বল্প বেতনে চাকরির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন আজিজুল। মাত্র আড়াই বছরে ১ টি ছেলে সন্তান রয়েছে তার। পরিশ্রমী আজিজুলের ৩ জনের সংসার। তারা বেশ ভালই ছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে তার নাকের মধ্যে একটি টিউমার ধরা পড়ে। নিজের সাধ্যমত ধারদেনার মাধ্যমে বেশ টাকা ব্যয় করেছেন। এখন সেই টিউমার বড় আকার ধারণ করেছে। যা ছড়িয়ে পড়েছে মাথার মধ্যেও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে হলে দ্রুত অপারেশন প্রয়োজন। ব্যয় হবে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা। গ্রামবাসীও বেশ সাহায্য করেছেন। এখন দানশীলদের সুদৃষ্টি দরকার।
আজিজুল হকের স্ত্রী নাসরিন আক্তার জানান, আমরা খুব গরিব মানুষ। স্বামী ছোট বেলায় মা বাবা হারিয়েছেন। পরের বাড়িতে আপনজন বলতে তেমন কেউ নেই। অসুস্থ আজিজুল এখন শয্যাশায়ী। তাড়াতাড়ি অপারেশন করাতে না পারলে কি হবে জানিনা বলতে বলতে তিনি কান্নয় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, হৃদয়বান ব্যক্তিরা একটু সদয় হলেই বেঁচে যেতে পারেন তার স্বামী তথা একটি অসহায় পরিবার।
সাহয্য পাঠাতে- ০১৩১২-৩২৩৩৬৩ (আজিজুলের স্ত্রী- নাসরিন আক্তার- বিকাশ ও নগদ)।











































