স্টাফ রিপোর্টার।।
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পার্শ্বেমারী মৌজার সরকারি খাস জমি নামপত্তন জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৮ কর্মচারিসহ ১১ জনের প্রত্যেককে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত।
রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এ রায় প্রদান করেছেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে হাজির থাকা সকল আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি শাখার উচ্চমান সহকারী রেকর্ড কিপার পুতুল রানী বৈরাগি, অফিস সহকারি (রেকর্ড রুম) শ্যামল কুমার আচার্য, মুদ্রাক্ষরিক বেগম জেসমিন নাহার, সার্টিফিকেট অফিসার (রেকর্ড রুম) মো. সামছুজ্জামান, অফিস সহকারী আফসার উদ্দিন ও আব্দুল মজিদ সরদার (পলাতক), ওয়াজেদ সরদার ও মোহাম্মাদ আলী সরদার। মামলা নং-৭৩ ও ৭৪ তারিখ- ৩০/১১/২০০৬।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াসিন আলি নথীর বরাত দিয়ে জানান, সাতক্ষীরা শ্যামনগরে এসএ খতিয়ানের দু’টি সরকারি খাস জমি গ্রাস করার উদ্দেশ্যে জাল- জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজ-পত্র তৈরীর অভিযোগে ২০১৭ সালে তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ১০৯, ৪০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করেন সিআইডি’র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তফা আব্দুল হালিম। পরে তদন্ত কর্মকর্তা দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
এদিকে একই দিন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের আলাদা মামলায় (১১/১৭) আসামী শামীমা আক্তার, শ্যামল কুমার আচার্য, জেসমিন নাহার, সেলিমা সুলতানা, আফসার উদ্দিন ও মো. হোসেন আলীকে ৭ বছর কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদেরও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। রাস্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)’র আইনজীবী লুৎফুল কবির নওরোজ।










































