Home জাতীয় চেয়ারম্যানকে বাঁচাতে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি সাঈকা সাহাদাতের

চেয়ারম্যানকে বাঁচাতে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি সাঈকা সাহাদাতের

10

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট:

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈকা সাহাদাতকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপনে তাকেকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা সিদ্দিকা বেগমকে।

সম্প্রতি সাঈকা সাহাদাতের বিরুদ্ধে ১৫ টন চাল কেলেংকারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে। চাল কেলেংকারিসহ ইউএনও সাঈকা সাহাদাতের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে পেকুয়া থেকে প্রত্যাহার করে নতুন ইউএনও নিয়োগ দিল।

তবে সাঈকা সাহাদাতের দাবি করেছেন সরকারি বরাদ্দের চাল কালোবাজারির অভিযোগ থেকে চেয়ারম্যানকে বাঁচাতে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সত্য নয়। আমি কারো সাথে কোন অবৈধ লেনদেনে জড়িত নই। টইটং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫ টন চাল আত্মসাতের একটি মামলা নিয়েই এখন সবাই আমার বিরুদ্ধে ক্ষীপ্ত হয়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, সাঈকা সাহাদাতের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ১৫ টন চাল কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে। আলোচিত এ ঘটনায় টৈটং ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।