Home আঞ্চলিক চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যশোর সেনানিবাসের দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যরা

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যশোর সেনানিবাসের দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যরা

17

খুলনাঞ্চল ডেস্ক:

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে রমজান মাসে নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটারিং এবং ব্যবসায়ীদেরকে সচেতনতামূলক প্রেষণা প্রদান অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন ঠেঁকাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় কাঁচা বাজারগুলোতে নিয়মিত মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন রোধে নিয়মিত বাজার মনিটারিং এবং ব্যবসায়ীদেরকে সচেতনতামূলক প্রেষণা প্রদান অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন রোধে নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রেখে আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রান বিতরণে সহায়তা করছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা সংক্রমন রোধে বাজার মনিটারিং এ তৎপর রয়েছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় বাজারগুলোতে নিয়মিত প্রেষণা প্রদান অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক সময়ের মধ্যে দোকান বন্ধ করতে এবং সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এক ব্যবসায়ীকে নির্দেশনা প্রদান করছেন যশোর সেনানিবাসের এক সেনা কর্মকর্তা।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে রমজান মাসে নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটারিং করছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে প্রয়োজনীয় কাজে বাহিরে বের হলে মাস্ক পরিধান করতে এক পথচারীকে প্রেষণা প্রদান করছেন যশোর সেনানিবাসের এক সেনাকর্মকর্তা।

চলমান করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিন্নমূল এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষের বাড়ী বাড়ী খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় অসহায় এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষদের খুঁজে খুঁজে তাদের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিনিয়ত এভাবেই নিজেদের কাঁধে করে ছিন্নমূল, অসহায়, হত দরিদ্র, পঙ্গু এবং মধ্যবিত্তদের খুঁজে খুঁজে তাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে চলেছেন যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলোতেও সত্যিকারের দুস্থ মানুষের বাড়ীতে সেনাবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা।

করোনা দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে অসহায় এবং দুস্থ মানুষের মাঝে বিভিন্ন শস্য/সব্জীর বীজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। গৃহের পতিত কোন জমিই যেন অনাবাদী থেকে না যায়, সে উদ্দেশ্যে এই কার্যক্রম।

করোনা দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে অসহায় এবং দুস্থ মানুষের মাঝে বিভিন্ন শস্য/সব্জীর বীজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। গৃহের পতিত কোন জমিই যেন অনাবাদী থেকে না যায়, সে উদ্দেশ্যে এই কার্যক্রম।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক যশোর অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি:

করোনাভাইরাস প্রতিরোধকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, যশোর অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটু জমিও যেন অনাবাদী না  থাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য যশোর অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শস্য/সবজি/ফলে’র বীজ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে অদূর ভবিষ্যতেই বৈশ্বিক মন্দার আশংকা করা হচ্ছে। এর ফলে তৈরি হতে পারে ভয়াবহ খাদ্যসঙ্কটের। তাই ভবিষ্যতে যেকোনো প্রকার খাদ্যসঙ্কট মোকাবিলার জন্যই মূলতঃ এই উদ্যোগ। উল্লেখ্য চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারের নির্দেশনায় প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল ফলাতে হবে। এটি বাস্তবায়নের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত ৩০ এপ্রিল ২০২০ তারিখ হতে কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে বীজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং এটি করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে। আশা করা যায়, করোনা দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই উদ্যোগের বিস্তৃতি ঘটিয়ে ছোট ছোট সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে খাদ্য সংকট এড়ানো সম্ভব হবে ।

এছাড়াও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত, দুস্থ/অসহায় ব্যক্তিদেরকে মেডিকেল সহায়তা প্রদান, সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা পর্যালোচনায় জেলা শহরগুলোতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে চলেছে। বিশেষ করে বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা নিশ্চিতকরণসহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আগত নাগরিকদেরকে নিয়মিত স্ক্রিনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।