ঢাকা অফিস||
নির্বাচন কমিশন চায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সক্রিয় অংশগ্রহণমূলক হোক। এমনটি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে ভোট সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে। কাউকে আমরা ধরে-বেঁধে ভোটে আনবো না। সেই দায়িত্বও আমাদের না। সবার প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান থাকবে-আপনারা সক্রিয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখেন ও সহায়তা করেন। গতকাল নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ দপ্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। তারা ভোটে এলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। বিএনপি’র রাজনৈতিক কৌশল থাকতে পারে। তাতে আমরা হস্তক্ষেপ করবো না, করতে পারি না।
আমাদের সেই এখতিয়ারও নেই। বিএনপি যা চাচ্ছে সে ব্যাপারে আমাদের কোনো বাধা নেই। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা পালন করে যাবো। কালকে আমাকে যদি কেউ উচ্ছেদ করে দেয়, হবে; অসুবিধার কিছু নেই। সেজন্য আমি মর্মাহত হবো না।
তিনি বলেন, আজকে দুটো দলের সঙ্গে সংলাপ হলো। সিদ্ধান্ত গ্রহণে যাতে সহায়ক হয় সেজন্যই সংলাপ করেছি। সংলাপ করে আমরা লিখিত আকারে সিদ্ধান্ত জানিয়েছি তাদের। ইভিএম নিয়েও বৈঠক করেছি। ইভিএম নিয়েও একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। আমরা আমাদের নিজস্ব বিবেচনায় দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে ৩০০, ১০০, ১০ বা ২০টা নয়, আমরা একটা যৌক্তিকভাবে ব্যালট পেপারে ১৫০ আসন ও ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের লিখিত বক্তব্য আছে। সেগুলোও পর্যালোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই মেশিনের প্রতি অনেকে বিশ্বাস করেন, অনেকে করেন না। তবে আমাদের সিদ্ধান্ত আদৌ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কিনা সেটা নির্ভর করবে এটা পাওয়া যাবে কিনা তার ওপর। কারণ, এটার বেশির ভাগ পার্টস আসবে বিদেশ থেকে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা শুধু দলকে নয়, সরকারকেও সংলাপ থেকে আসা মতামত জানিয়েছি। কেননা, দলগুলো কী বলছে তা সরকারেরও জানা উচিত। সরকার কিন্তু কোনো দলের নয়। সেই বিভাজনটাকে মাথায় রেখে আমরা সরকারকে জানিয়েছি। তিনি আরও বলেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় বিরোধী দলগুলো। সেটা আমরা দলগুলোকে জানিয়েছি। ভোটার তালিকা আগামী বছর মার্চ মাসে চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করবো। রোডম্যাপ দুই সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্তভাবে অবহিত করতে পারবো। ইভিএম নিয়ে আমরা খুব খুঁটিনাটি কাজ করছি। ইভিএমের মধ্যে ওই ধরনের কারচুপি, এইটা, সেইটা এবং কার্ডের মাধ্যমে কী সম্ভব, আমরা তা খতিয়ে দেখেছি। কারচুপির বিষয় কিন্তু পাইনি। ব্যক্তি শনাক্তকরণের পর আঙ্গুলের ছাপ দিলেই ছবি ভেসে আসবে। এরপর ব্যালট ওপেন হবে। ৪০ সেকেন্ড থাকবে। এর মধ্যেই ভোট দিতে হবে।










































