Home আঞ্চলিক চিতলমারীতে তাপদাহে কপাল পুড়ছে সবজিচাষিদের

চিতলমারীতে তাপদাহে কপাল পুড়ছে সবজিচাষিদের

11

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।

ভরাবর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির দেখা নেই। প্রচণ্ড রোদে চৌচির হচ্ছে ফসলের ক্ষেত। আষাঢ়-শ্রাবণে এমন বৈরী আবহাওয়া আগে কখনো দেখেনি কেউ। অনাবৃষ্টির ফলে কৃষি প্রধান বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বর্ষাকালীন সবজি চাষ করে হাজার-হাজার চাষিরা এখন চরম হতাশায় ভুগছেন। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ চিংড়ি ঘেরের পাড়ে ও অনাবাদি জমিতে ব্যাপকভাবে শশা, করলা, লাউ, কুমড়াসহ নানা ধরনের বর্ষাকালীন সবজি আবাদ করা হয়েছে। এসব ফসল বর্ষা নির্ভরশীল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। এখন ভরা বর্ষা মৌসুম চললেও কোনো বৃষ্টির দেখা নেই। প্রচণ্ড রোদে সবজি ক্ষেতের গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে চরম হতাশায় ভুগছেন চাষিরা। রাত-দিন ক্ষেতে পানি ঢেলেও কোনো কাজে আসছে না বলে জানান চাষিরা।

উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের সবজিচাষি নির্মল মণ্ডল, অসীম মণ্ডল জানান, রোদে সবজি ক্ষেতের গাছ পুড়ে যাচ্ছে। এমন আবহাওয়া আগে কখনো দেখেননি তারা। ক্ষেতে পানি দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে অনেকে ঋণ-কর্য করে টাকা এনে চাষাবাদে ব্যয় করেছেন। এখন আসল চালান ঘরে তুলতে পারবেন কিনা সে বিষয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার অসীম কুমার দাস জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের একটা বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ফলে ভরা বর্ষামৌসুমে বৃষ্টি হচ্ছে না তেমন। এ বছর উপজেলায় ৬শ’ হেক্টর জমিতে শশা ও ২শ’ হেক্টর জমিতে করোলাসহ বিভিন্ন জমিতে বর্ষাকালীন সবজি আবাদ করা হয়েছে। এখানকার সবজি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক চাহিদা মিটিয়ে আসছে। কিন্তু এমন আবহাওয়া চলতে থাকলে চাষিদের ফলনে ঘাটতি দেখা দেবে।