স্টাফ রিপোর্টার।।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) খুলনার ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ দাবি করেছেন, তিনি ওই কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেননি। খুলনা সদর থানার এএসআই মো. মিরান শেখ ওই ছাত্রীকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেছেন, মিরানের কাছে তিনি ১৬ লাখ টাকা পাবেন। সেই টাকা না দেয়ার জন্য মিরান এই ষড়যন্ত্র করেছে।
সোমবার (৩০ মে) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন পিবিআই ইন্সপেক্টর মাসুদ।
তিনি জানান, গত ২৬ মে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সংবাদ সম্মেলনে ইন্সপেক্টর মাসুদ দাবি করেন, এক কলেজছাত্রী গত ১০ মে তাকে মোবাইল করে জানায়, কয়েকটি ছেলে তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে কিছু অপ্রীতিকর ছবি আপলোড করেছে। সেই ছেলেদের শনাক্ত করার জন্য গত ১৫ মে তিনি ওই মেয়ের সঙ্গে নগরীর ছোট মির্জাপুর এলাকায় যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে কাউকে পাননি। পরে জানতে পারেন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে।
মাসুদ আরও দাবি করেন, খুলনা থানার এএসআই মিরান তার কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা ধার নিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা করছিল। অভিযোগকারী মেয়েটি মিরানের পরিচিত এবং তাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করানো হয়েছে। যাতে টাকা ফেরত দিতে না হয়।
এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, এএসআই মিরানকে খালিশপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। তার কাছে ইন্সপেক্টর মাসুদ টাকা পাবে বলে তিনি শুনেছেন। কিন্তু টাকা পাওয়ার সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনার কী সম্পৃক্ততা আছে?
তবে এএসআই মিরানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।










































