Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

26

অভয়নগর উপজেলা আ.লীগের আয়োজনে ইফতার মাহফিল
স্টাফ রিপোর্টার
অভয়নগর উপজেলা আ.লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এনামুল হক বাবুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ.লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আরশাদ পারভেজ, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার অলিয়ার রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ ফরিদ জাহাঙ্গীর, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেয়র সুশান্ত কুমার দাশ শান্ত, সাবেক উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী নজরুল ইসলাম, অভয়নগর রাজঘাট শিল্প অঞ্চলের শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারাজী নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিন অধিকারী ব্যাচা, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রউফ মোল্যা, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাপ্পী প্রমুখ।
অভয়নগরে ২৮জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পেল প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়
স্টাফ রিপোর্টার
সারা দেশের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের গৃহ হস্তান্তর প্রদান অনুষ্ঠানের অংশ বিশেষ অভয়নগরে ২৮ জনকে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যেমে প্রধানমন্ত্রী গৃহ দান করলেন। প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২৮ জন উপকারভোগী গৃহহীনদের হাতে তাদের বাড়ির দলিল হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ ফরিদ জাহাঙ্গীর, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিনারা পারভীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্য (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল প্রমুখ।

দিঘলিয়ায় ভূমিহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমিসহ ঘর হস্তান্তর
দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ
হতদরিদ্র ভূমিহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি সহ ঘর তৃতীয় ধাপে গতকাল সারাদেশে একযোগে হস্তান্তর করা হয়। তন্মধ্যে দিঘলিয়া উপজেলার ভূমিহীন ৩৫ টি পরিবার কে জমি সহ ঘর উপহার পায়। গতকাল সকাল ১০ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল হস্তান্তর করেন দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন। এসময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সাংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী। উক্ত অনুষ্ঠানে দিঘলিয়া প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহানাজ পারভীন, দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আলিমুজ্জামান মিলন, উপজেলা প্রকল্প প্রধান কর্মকর্তা সহ সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ালীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আকরাম হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আলী রেজা বাচা, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হায়দার আলী মোড়ল,বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন, সেনহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান,গাজীরহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্লা মফিজুল ইসলাম ঠান্ডু, শেখ আনছার আলী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ালীগ,দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম প্রমুখ।

আঁঠারমাইলের বেতাগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবিভাবক সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন
আঠারমাইল প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ার আঠারমাইলের বেতাগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম হেলালের পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৫টি অভিভাবক সদস্যের জন্যে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রার্থীরা হলেন, অনিল কুমার, চিত্ত গোলদার, মোশাররফ হোসেন, মোঃ ফিরোজ দফাদার, মোঃ মাজেদুল ইসলাম, মোঃ মশিয়ার রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম ও শাহীনুর রহমান। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য পদের প্রার্থী হলেন, মর্জিনা বেগম ও হালিমা বেগম। নির্বাচনে ৩২৩জন ভোটারের মধ্যে ২৯৭জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে মোশাররফ হোসেন, মোঃ ফিরোজ দফাদার, চিত্ত গোলদার এবং মোঃ মাজেদুল ইসলাম অভিভাবক সদস্য এবং হালিমা বেগম সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ডুমুরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ। তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার টিকেন্দ্র নাথ সানা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাত আলী মোড়ল।
চুকনগরে কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
আঠারমাইল প্রতিনিধি
চুকনগরে ১দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ২টার সময় ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলার আটলিয়া (চুকনগর) কৃষক সেবা কেন্দ্রের পশিক্ষণ কেন্দ্রে ভাসমান বেডে সবজি ও মশলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করন (ডিএই অংগ) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোসাদ্দেক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক (খুলনাঞ্চল) কৃষিবিদ মোঃ ফজলুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেনকৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, মনিটরিং অফিসার বিবেকানন্দ হিরা, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সিফাত আল মারুফ ও কৃষি সম্প্রসারন অফিসার ওয়ালিদ হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ দাস, প্রকাশ চন্দ্র রায়, ইসরাত আলম পৃথ্বি প্রমুখ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শতাধিক কৃষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

শরণখোলায় উপজেলা প্রশাসনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের শরণখোলায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ এপ্রিল বুধবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর ই আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এম. সাইফুল ইসলাম খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আজমল হোসেন মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান মিলন, খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন, ইসলামী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. ওহিদুজ্জামান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র প্রভাষক আ. মালেক রেজা, রায়েন্দা বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বাবুল তালুকদার। দোয়া পরিচালনা করেন, উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাও. মো. গোলাম মোস্তফা।

ইফতারপূর্ব আলোচনায় খালিশপুর থানা বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ
খবর বিজ্ঞপ্তি
আসুন আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজপথে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করি, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এদেরকে বিদায় করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আসুন রাষ্ট্রটাকে মেরামত করি। নিরপেক্ষ ব্যক্তির নেতৃত্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি। তাহলেই গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন এবং বাংলাদেশের জনগণ মুক্ত হবে।
খালিশপুর থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠণের সাবেক নেতৃবৃন্দের আয়োজনে ২৪ রমজান মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) নগরীর খালিশপুর আপ্যায়ন কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে শিগগিরই দুর্বার আন্দোলন শুরু হবে বলে জানিয়ে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। কিন্তু সেদিকে সরকারের কোনো নজর নেই, তারা দুর্নীতি ও লুটপাটে ব্যস্ত। সঙ্কট উত্তোরণে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। এই সরকার জনগণের সরকার নয়। সেজন্য অবিলম্বে তাদেরকে পদত্যাগ করতে হবে। সরকারের দুর্নীতি দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, এই সরকারের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কথা এতদিন আমরা বলতাম, এখন দেশ ও বিদেশে সবাই বলে। এই সরকারের লুটপাট, মুদ্রাপাচার, নারীপাচার, মরা মানুষের নামে মামলা, বিদেশে যারা থাকে, তাদের নামে মামলা, আরও কত কী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে বলেন, আর জনগণের ওপর জুলুম করবেন না। রাজনৈতিক দলের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করবেন না। জনগণের টাকায় কেনা গুলি জনগণের বুকে মারবেন না। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হোন।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে নেতৃবৃন্দ মহান স্বাধীনতার ঘোষক বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তার কনিষ্ঠপুত্র ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকো, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বর্ষিয়ান রাজনীতিক ভাষাসৈনিক এম নূরুল ইসলাম দাদুভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, বিএনপি নেতা শেখ আমজাদ হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা ওহিদুজ্জামান চঞ্চল ও আবুল কালাম আজাদসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলের প্রয়াত সকল নেতাকর্মীর মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। একই সাথে বিএনপি চেয়ারপার্সন ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সাবেক সফল তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, কারামুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পূর্ণ সুস্থতা ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান।
ইফতার ও দোয়া মাহফিল উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট ফজলে হালিম লিটনের সভাপতিত্বে এবং উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব নিজাম উর রহমান লালু’র পরিচালনায় মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ইলিয়াস আলী ও ক্বারী মহিবুল্লাহ।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, খায়রুজ্জামান খোকা, মো. মাহবুব কায়সার, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাংবাদিক মুন্সি আবু তৈয়ব, ইকবাল হোসেন খোকন, মহিবুজ্জামান কচি, মেহেদী হাসান দিপু, কাজী সফিকুল ইসলাম সফি, ম শ আলম, আবুল কালাম শিকদার, এইচ এম আবু সালেক, তরিকুল্লাহ খান, রফিকুল ইসলাম শুকুর, আশরাফ হোসেন, মহিউদ্দিন টারজান, মো. শামসুর রহমান, মিজানুর রহমান খোকন, আলমগীর হোসেন বাদশা, ইমতিয়াজ আলম বাবু, বদরুল আলম আকু, কাজী ফজলুল কবির টিটু, মনিরুজ্জামান মনি, সায়মুন ইসলাম রাজ্জাক, সেলিম বড় মিয়া, এস এম জসিম উদ্দিন, কাজী ইকরাম মিন্টু, নুরে আব্দুল্লাহ, মো. বারেক হাওলাদার, শাহানাজ পারভিন, মো. ইসমাইল হোসেন, বাবুল মুন্সি, ফজলুর রহমান, আবুল কালাম, শহিদুল্লাহ, সেলিম কাজী, সাইদ মহিউদ্দিন বাবু, সেলিম রেজা, মো. আসাদ, হৃদয় হোসেন, জাফর হাওলাদার, খান মুরাদ আহমেদ, সেলিম আহসান, সৈয়দ গাজী, হারুন অর রশিদ, সায়মুন ইসলাম, মুন্সি আব্দুর রব,
আশরাফ হোসেন মোল্লা, মাহবুব হোসেন বাকী, সেলিম খান, মনির হোসেন, তসিব উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
এছাড়া ইফতার মাহফিলে খুলনার বিশিষ্ট রাজনীতিক, জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী নেতা, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক নেতৃবৃন্দ, থানা, ওয়ার্ড অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠণের তৃণমূল নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শেখ সোহেলের উদ্যোগে বটিয়াঘাটার বাইনতলা বাজারে ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘‘রোজাদার এর জন্য ইফতার’’ শ্লোগান নিয়ে পুরো রমজান মাস জুড়ে খুলনা মহানগরী ও জেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর পরিচালক শেখ সোহেলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ কর্মসুচী চলমান রয়েছে। যার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার বাইনতলা বাজারে পথচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলার চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ খুলনা মহানগর শাখার আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এস এম আজিজুর রহমান রাসেল, এস এম হাফিজুর রহমান, মোঃ শওকত হোসেন, মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ রনি, মোঃ সেন্টু, জি এম মিলন গোলদার, মোঃ হুমায়ুন কবির, নাসির উদ্দিন, হাসিব গোলদার, মোঃ ফেরদাউসুর রহমান, আবির মালিক, মাহামুদ ইসলাম সুজন, মৃণাল কান্তি বাছার, মাহামুদুর রহমান রাজেস, আতিক, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, আলি আহমেদ আকুঞ্জি, সানি শেখ, মোঃ নজরুল হোসেন, রাকিবুল হাসান সৌরভ, সাইফ আল মামুন, রাহুল শাহরিয়ার, প্রমুখ।
ইফতার বিতরণ এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শহীদ শেখ আবু নাসের, বেগম রাজিয়া নাসেরসহ ১৫আগষ্ট নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া এবং দেশ ও জাতির উন্নয়নে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ৫শতাধিক পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

ফকিরহাটে শেখ হেলাল উদ্দীন ফাউন্ডেশনের সাধারন সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেখ হেলাল উদ্দীন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৭ম তম সাধারন সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় শেখ হেলাল উদ্দীন ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের স্বপন দাশ অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি শিক্ষাবিদ অমিত রায় চৌধুরী’র সভাপতি সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা স্বপন দাশ। অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাস এর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তৃতা করেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মুস্তাহীদ সুজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম, জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রাজ্জাক, ফকিরহাট সরকারী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ দেব দুলাল বাসু চম্পক, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বাহিরদিয়া-মানসা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম ফকির, শিক্ষক সমিতির নেতা নিখিল চন্দ্র দাশ, মল্লিক আব্দুর সাত্তার ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শেখ ইমরুল হাসান। সভায় বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ-কে ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব নির্বাচিত করে তা অনুমোদন করা হয়। এ সময় শিক্ষক সাংবাদিক রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে শেখ হেলাল উদ্দীন ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক দীন মোহম্মদ সায়েদীন এর পরিচালনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দাকোপে খননকৃত খাল সমূহের অগ্রগতি পরিদর্শন

মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপে জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পে অর্থায়নে খননকৃত খাল সমূহের অগ্রগতি পরিদর্শন ও প্রকল্পের সিআইজি প্রদর্শনীর উপকরণ বিতরণ এর অংশ হিসাবে পিলেট খাবার ও মাছের পোনা বিতরণ করা হয়। বুধবার সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীয় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুকুল বৈদ্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ্বাস, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ।

মোড়েলগঞ্জে সুবিধা ভোগীদের মাঝে আধাপাকা ঘর জমির দলিল হস্তান্তর
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
মুজিববর্ষে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার হিসেবে জমিসহ আদা পাকা বসতঘর পেয়েছেন ভুমিহীন ও গৃহহীন ২০৬টি পরিবার।
উপজেলার বহরবুনিয়া ও পঞ্চকরণ এ দুটি ইউনিয়নে গৃহহীন ও ভূমিহীন ২০৬টি পরিবারের সদস্যের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে নতুন আধাপাকা ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর করেছে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা কর্তৃক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর সুবিধা ভোগীদের মাঝে আধাপাকা ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম। এ উপলক্ষে উপজেলার বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ঘসিয়াখালী আশ্রয়ণ প্রকল্পে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শাহ-ই আলম বাচ্চু। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলী হাসান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক মোজাম, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আফরোজা আক্তার লিনা, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আ. হান্নান, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক খোকন। বক্তৃতা করেন পঞ্চকরণ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, বহরবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান টি এম রিপন।
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া জমিসহ ঘর উপহারপ্রাপ্ত সুবিধা ভোগীদের মধ্য থেকে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন পঞ্চকরণ ইউপির রঞ্জু আক্তার, বহরবুনিযা ইউপি নও মুসলিম হযরত আলী, শিল্পি বেগম, নুরজাহান বেগম, জোহরা বেগম, রেজাউল ইসলাম।

মোড়েলগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ও পরিদর্শন
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
“শেখ হাসিনার অবদান, কমিউনিটি ক্লিনিক বাঁচায় প্রাণ” স্রোগানে নানা আয়োজনে মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ২২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে সোমাদ্দার খালী কমিউনিটি ক্লিনিকে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কার্যক্রম উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শর্মী রায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোমাদ্দার খালী কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচ সিপি সোনিয়ার আক্তার, বাদশারহার কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আতিক হোসেন, পশ্চিম সরালিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি রাম ভরত মাঝি। কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবস পালন ও জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে শিশু, কিশোর ও গর্ভবর্তী নারীদের পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শর্মী রায়। এ ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেছেন।

ডুমুরিয়ায় উপজেলা বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ূ কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ডুমুরিয়া হাই স্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্ল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আমীর এজাজ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, জেলা বিএনপি নেতা আজিজুর হাসান জুলু,খান জুলফিকার আলী, রফিকুল ইসলাম ও চৌধুরী শফিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন শেখ সরোয়ার হোসেন, শেখ শাহিনুর রহমান, মোল্ল্যা কবির হোসেন, মশিউর রহমান, হাবিবুর রহমান হবি, অরুন কুমার গোলদার, মাষ্টার আমিরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, প্রভাষক মঞ্জুর রশিদ, মোল্ল্যা মশিউর রহমান, সরদার বিল্লাল হোসেন, মাহাবুর রহমান,আবরার হোসেন সৈকতসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি, সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বটিয়াঘাটায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ হস্তান্তর
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার উপলক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় বটিয়াঘাটা উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমি ও গৃহ এবং দলিল সহ ঘরের চাবি হস্তান্তর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সারাদেশে গৃহহীনদের মাঝে এ ঘরের চাবি একযোগে স্ব- স্ব প্রতিনিধির মাধ্যমে এ চাবি হস্তান্তর করেন। এ উপলক্ষ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় স্থানীয় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে নির্বাহী অফিসার মোঃ মমিনুর রহমান’র সভাপতিত্বে প্রোজেক্টরের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ্ জালাল,কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা বিনয় কৃষ্ণ সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অমিত কুমার সমাদ্দার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম আলমগীর কবির, খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রাণী রায়, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন, আইসিটি সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ শেখ সুমন হাসান, বীরমুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে পল্লব কুমার বিশ্বাস রিটু, জাকির হোসেন লিটু, মোঃ ওবায়দুল্লাহ শেখ, অধ্যাপক মনোরঞ্জন মন্ডল, সার্ভেয়ার মোঃ সাকিরুল ইসলাম, ইউএনও অফিসের সিএ কাম উচ্চমান সহকারী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির সহ সুফলভোগী ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা।

ওয়ার্ড নাগরিক ফোরাম-এর ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
নাগরিক ফোরাম-এর ৩১টি ওয়ার্ড কমিটির ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা আজ মঙ্গলবার রূপান্তর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক ফোরাম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম খোকন-এর সঞ্চালনায় ৩১টি ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা কে.এম আলম, সৈয়দ নওসাদুজ্জামান পল্টু, মোঃ শাহজাহান হাওলাদার, এস.এম সাদিকুর রহমান সবুজ, শেখ রাজীউদ্দিন রাজু, রমিজ খান, মঈনুল ইসলাম কিরণ, মোঃ শাহজাহান জমাদ্দার, মনির আহমেদ, নিয়তী রায়, আনোয়ার মোরসেদ রুবেল, ইরিনা আক্তার, মোঃ সাবির খান, সাবিনা ইয়াসমিন, বনানী সুলতানা ঝুমু, জেরিন সুলতানা, মোঃ মশিউর রহমান সুমন, আলহাজ¦ মোঃ রফিকুল ইসলাম, শেখ জাহিদুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন হোসেন, মোঃ তসলিম উদ্দিন মিয়া, মোঃ মশিউর রহমান খোকন, সরোয়ার হোসেন, শেখ আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ মোশাররফ হোসেন, মিজানুর রহমান রাজা, বাবলু হাওলাদার, নাসির জবেদ প্রমূখ। সভায় নাগরিক ফোরামের পরবর্তী ত্রৈমাসিক কাজের পরিকল্পনা করা হয়।

কোটচাঁদপুরে ৯৭ টি পরিবার পাচ্ছে নতুন বাড়ি
কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ৯৭ টি পরিবারকে নতুন পাকা বাড়ি দেওয়া হবে। বরাদ্দপ্রাপ্তদের তালিকা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তারই অংশ হিসেবে কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদ মিলনায়তনে নির্বাহী অফিসার দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ৩ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আঃলীগের সভাপতি শরিফুনেচ্ছা মিকি, পৌরসভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিয়াজ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাদিয়া আক্তার পিংকি, উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম খান বাবলু, সহ-সভাপতি ফারজেল হোসেন মন্ডল, সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিরুপমা রায়, মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ মঈন উদ্দিন, পৌর আঃলীগের সভাপতি কাজী আলমগীর, এলাঙ্গী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খাঁন, বলুহর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, দোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল বিশ্বাস, সাবদারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, কুশনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহরুজ্জামান সবুজ প্রমুখ। অনুষ্ঠান টি পরিচালনা করেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল বেগম।
‘আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’ এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় কোটচাঁদপুরেও ভূমিহীণ ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত হয়েছে স্বপ্নের নীড়। ৩য় ধাপে প্রায় ৫০০ বর্গফুটের এই বাড়িতে রয়েছে ২ টি শোবার ঘর, রান্না ঘর, টয়লেট ও বারান্দা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে ও রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মিত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ, নলকূপ। প্রতিটি এই নতুন ঘরের নির্মাণ ব্যায় হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

বাগেরহাটে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাগেরহাটে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট সরুস্থ দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম এই দরিদ্রদের হাতে এই শাড়ি লুঙ্গি তুলে দেন। এসময়, বিএনপি নেতা অধ্যাপক হাদীউজ্জামান, সাহেদ আলী রবি, মেহবুবুল হক কিশোর, পান্না হাজরা, অধ্যপক ইমদাদুল হক,জেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহিদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক ইভা,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওবাইদুল ইসলাম জুয়েলসহ জেলা বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলার ৫ হাজার দরিদ্র মানুষকে শাড়ি ও লুঙ্গি প্রদান করা হয়।

সাতক্ষীরায় ২৪০জন ভূমিহীন পরিবারকে মুজিববর্ষের গৃহ হস্তান্তর
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের উপহার হিসেবে তৃতীয় দফায় সাতক্ষীরায় ২৪০জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ঘর হস্তান্তরের উদ্বোধন করেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উদ্বোধন শেষে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরার সভাপতিত্বে সদর উপজেলার ৪৩টি পরিবারের হাতে ঘরের দলিল তুলে দেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির। এসময় উপস্থিত সেখানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যন আসাদুজ্জামান বাবু, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম কবির প্রমুখ।
অনুষ্ঠান থেকে জানানো হয়, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তৃতীয় দফায় সারা দেশে ঈদ উপলক্ষে ৩২ হাজার ৯০৪টি ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জমি ও গৃহ হস্তান্তর করেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার ৭টি উপজেলায় ২৪০জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ হস্তান্তরের উদ্বোধন করা হয়। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলায় মোট ১ হাজার ৮১৩টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়। তৃতীয় পর্যায়ে সর্বমোট ৮০৯টি বরাদ্দকৃত গৃহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দেশ ও দেশের জনগনকে বাঁচাতে হলে দুর্বার গণআন্দোলনের বিকল্প নেই: মনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ক্ষমতাসীন অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারকে হঠাতে শিগগিরই দুর্বার আন্দোলন শুরু হবে। আর সেজন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. শফিকুল আলম মনা। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। কিন্তু সেদিকে সরকারের কোনো নজর নেই, তারা দুর্নীতি ও লুটপাটে ব্যস্ত। সঙ্কট উত্তোরণে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। রাজধানীর নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির ২৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে খুলনা মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।
মনা বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার নয়। অবিলম্বে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে নব্বইয়ের চেতনায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে পতন ঘটানো হবে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে অবৈধ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে তার দায় বিএনপির ওপর চাপাচ্ছে। তারা সন্ত্রাস ঘটিয়ে বিএনপির নাম দেয়। ইতিপূর্বে তারা পুড়িয়েছে, তারা আগুন জ্বালিয়েছে আর নাম দিয়েছে বিএনপির নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে। কথায় কথায় গুম-খুন তাদের নিত্য রুটিনে পরিনত হয়েছে। চারিদিকে যে পরিস্থিতি তাতে মানুষের বেঁচে থাকা বড় দায় হয়ে পড়েছে। এই দুঃশাসন থেকে মানুষকে ও দেশকে বাঁচাতে হলে দুর্বার গণআন্দোলনের বিকল্প নেই। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কাজী মো. রাশেদ, স ম আব্দুর রহমান, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, শেখ জাহিদুল ইসলাম, ওয়াহেদুর রহমান দিপু, তানভিরুল আজম, শাহিনুল ইসলাম পাখি, রুবায়েত হোসেন বাবু, মুশিদ কামাল, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, কাজী মিজানুর রহমান, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিব বিশ্বাস, তারিকুল ইসলাম, শরিফুল আনাম, শেখ জামাল উদ্দিন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, গাজী আফসার উদ্দীন, নাসির খান, আলমগীর হোসেন, ফারুক হোসেন হিল্টন, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফি, ফারুক হোসেন, আব্দুল আজিজ সুমন, ইঞ্জি. নুরুল ইসলাম বাচ্চু, শাহানাজ সরোয়ার, এইচ এম আসলাম, তরিকুল ইসলাম বাকার, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহিদুর রহমান, মঈদুল ইসলাম টুকু, জাকির ইকবাল বাপ্পী, নুর আলম নুরু, মোল্লা রাজু, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, খোদাবক্স কোরাইশি কালু, গাজী আব্দুল লতিফ, লিটন খান, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, মুনতাসির আল মামুন, শহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, আলাউদ্দিন তালুকদার, আল আমিন সরদার রতন, আরিফুল রহমান শিমুল প্রমূখ।

রূপসায় ১৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার
খবর বিজ্ঞপ্তি
” মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার গৃহহীন থাকবে না একটি পরিবার ” এই পতিপাদ্য বিষয় নিয়ে সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে জমি ও নতুন ঘর প্রদান বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় গণভবন থেকে জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে ৩২হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে
ঈদ উপহার হিসেবে জমি ও গৃহ হস্তান্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সারাদেশের ন্যায় তৃতীয় পর্যায়ে রূপসা উপজেলায় ১৪ টি ঘর হস্তান্তর করা হয়।রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম সভায় সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে জুম কনফারেন্স বক্তৃতা করেন খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলার ডিডিএলজি মোঃ ইউসুপ আলী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা।স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিআই ও আরিফ হোসেন।
বক্তৃতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান,ইউএইচএফপিও ডাঃ শেখ শফিকুল ইসলাম,প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার,উপজেলা প্রকৌশলী এসএম ওয়াহিদুজ্জামান,রূপসা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন,সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, আওয়ামীলীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির, সৈয়দ মোর্শেদুল আলম বাবু,চেয়ারম্যান মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফরহানা আফরোজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, তথ্য আপা দিলশানারা, সমবায় কর্মকর্তা প্রশান্ত ব্যনার্জী, রূপসা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ চিন্তা পাএ,আঃ মালেক, একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল,আওয়ামী নেতা বিনয় কৃষ্ণ হালদার,আওরঙ্গজেব স্বর্ন,বন কর্মকর্তা মুজিবুর হক, আরডিও তারেক আজিজ,উপকারভোগী মাহবুব সরদার,খাদিজা আক্তার,রিহানা আক্তার প্রমূখ

দেবহাটায় মুজিববর্ষের উপহার গৃহ পেলেন ৫জন অসহায় মানুষ
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটায় মুজিববর্ষের উপহার গৃহ পেলেন ৫জন অসহায় মানুষ। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে সকাল ১১ টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃুহ হস্তান্তর উদ্বোধন করার পরপরই দেবহাটার বসন্তপুর গ্রামে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্পের স্থানে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই গৃহগুলো হস্তান্তর করা হয়। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি,এম স্পর্শ। এসময় পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাহেব আলী, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইদ্রিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শেষে অসহায় ৫জনকে জমির দলিল, নাম পত্তন, জমির খাজনাসহ সকল কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করেছে বাগেরহাট জেলা ছাত্রদল
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নব গঠিত কমিটির সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবন ও সাধারন সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করেছে বাগেরহাট জেলা ছাত্রদল। এ সময় তারা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ জানান। সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকালে জেলা সদরের বাগেরহাট খুলনা মহাসড়কে বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম মিঠু এবং যুগ্ন-সম্পাদক এস এম মাহিম হোসেন সুজনের নেতৃত্বে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন- সম্পাদক মো আলামীন,প্রচার সম্পাদক শেখ তানভির,সহ প্রচার মো ইমরা, বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রদল আহ্বয়ক শেখ নিয়ামুল কবির রাহুল, সবুজ হাসান, ফকিরহাট উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক রবি ফকির যুগ্ন আহবায়ক মোড়েলগঞ্জ উপজেলা দেওয়ান সোহেল,রামপাল উপজেলা যুগ্ন-আহবায়ক মারুফ ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

বাগেরহাটে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ভিক্ষুকদের মাঝে পণ্য সামগ্রী বিতরণ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ভিক্ষুকদের মাঝে ব্যবসার জন্য পায়ে চালিত রিক্সা ,চাল, ডাল, তেল, চিপসসহ মুদিসামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। প্রতি ভিক্ষুককে ১৫ হাজার টাকা সমমূল্যের পণ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে শহর সমাজসেবার কার্যালয়ে ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্পের আয়োজনে এক অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময় অতিথি হিসাবে উপস্থিতথেকে এসকল পন্য সামগ্রী তুলেদেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, শহর সমাজসেবা অফিসার এস.এম. নাজমুছ সাকিব, এনজিও সমন্বয় কমিটির সভাপতি কল্লোল সরকার, অফিস সহকারী মো: সুজন হোসেন, ফিল্ড অফিসার মো: শাহাজান আলী, নিভা রানী , মো: মনিরুজ্জামান, মো: আমিনুল ইসলাম, শারমিন খান রূপা, আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জে তৃতীয় পর্যায়ে ৬১২টি পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার
খবর বিজ্ঞপ্তি
মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা ৬১২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেন। গোপালগঞ্জ জেলায় ৩য় পর্যায়ে ৫টি উপজেলায় ৬১২টি ঘরের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৯৩টি, মুকসুদপুর উপজেলায় ৪৬টি, কাশিয়ানী উপজেলায় ৪০টি, কোটালীপাড়া উপজেলায় ২৫টি এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৮টি ঘর রয়েছে। এ অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চু, সাবেক পৌর মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকুসহ সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের গণমুখী কার্যক্রমে সমাজের সকল স্তরের মানুষ উপকৃত হচ্ছে: মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সরকারের গণমুখী কার্যক্রমে সমাজের সকল স্তরের মানুষ উপকৃত হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারসমূহ ঘুড়ে দাড়াতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি সত্যিকার জনকল্যাণমুখী এ সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকারের পাশে থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
সিটি মেয়র মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে মা ও শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী ও ফরেন, কমনওয়েলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস এর কারিগরি সহযোগিতায় এবং অর্থায়নে কেসিসি’র তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ খাবার বিতরণ করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা ও দলীয় ব্যবসা পরিচালনার জন্যও অনুদান প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আরো বলেন, ২০১৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের কার্যক্রম পুনরায় চালু করি। প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের প্রায় ২৯৫টি বস্তির স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি ২৭৯টি বস্তিতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। আগামীতেও এ প্রকল্প কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানের ৩১টি ওয়ার্ডের সুবিধাভোগী ৬’শ ৫০ জন গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদেরকে পুষ্টি সহায়তা বাবদ ৩৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা (প্রত্যেকে প্রতিমাসে ৩০টি ডিম, হাফ লিটার তেল ও মশুরের ডাল), বাল্য বিবাহ নিরোধকল্পে ৮ম থেকে ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া ১০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা বাবদ ২ টি সমান কিস্তিতে প্রত্যেককে ৯ হাজার টাকা হিসাবে মোট ৯ লক্ষ টাকা এবং দলীয় ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য সুবিধাভোগীকে ৬০টি দলকে ১২ লক্ষ টাকা (প্রতিটি দল ২০ হাজার টাকা হিসেবে) প্রদান করা হবে।
প্রকল্পের ফোকাল পারসন ও কেসিসি’র চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো: মোস্তফা। প্রকল্পের কর্মকর্তা, সিডিসি নেতৃবৃন্দ ও সুবিধাভোগীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রামপালে ইউপি সদস্য মহিদুলের বিরুদ্ধে জেলের বরাদ্দের চাল তুলে আত্মসাতের অভিযোগ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলের নামে বরাদ্দকৃত চাল তুলে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গিলাতলা এলাকার মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করেছে। ডাকে পাওয়া লিখিত অভিযোগে জানাগেছে উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য মল্লিক মহিদুল ইসলাম জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেদের একটি তালিকা জমা দেন ইউপি পরিষদের মাধ্যমে। ওই তালিকায় গিলাতলা গ্রামের আশরাফ আলীর পুত্র হাওলাদার সিরাজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে দেন। ওই সিরাজ দেনার দায়ে দেড় যুগেরও অধিক সময় ধরে নিরুদ্দেশ রয়েছেন এবং তার নামে চেক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সিরাজের বাড়িতে গিয়ে তার ঘরের পোতার পরে কলা গাছ লাগানো দেখা যায়। তার বড় ভাই রেজাউলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান দেনার দায়ে ভাই নোয়াখালী চলে গেছেন। বাড়ীতে আসে না বা কোন যোগাযোগ করে না বলে নিশ্চিত করেন। তবে তিনি ভাইয়ের পক্ষে কোন চাল নেননি বলে দাবী করেন। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য মল্লিক মুহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জেলে সিরাজের ৪০ কেজি চল তার ভাই রেজাউল কে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন করা হয় একজন ফেরারী ব্যক্তির নামে সরকারি বরাদ্দের চাল দেয়া যায় কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন জেলে কার্ডে তো তার নাম আছে। এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অন্জন বিশ্বাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেদের চাল দেয়া হয়েছে। তবে চল আত্মসাতের ঘটনা ঘটলে এবং অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, মুহিদুল অন্য জেলেদের নামে চাল না দিয়ে ভূয়া নামে চাল তুলে আত্মসাত করেছে। তারা তদন্তের দাবী জানান।

তীব্র তাপদাহে মোংলার জনজীবন বিপর্যস্ত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় গত কয়েক মাস ধরে বৃষ্টির কোন দেখা নেই। সেই সাথে গত ৩/৪ দিন ধরে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সুন্দরবন ও সমুদ্র উপকূল মোংলা। গত কয়েকদিন ধরে ৩৮/৩৯ ও ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা বিরাজ করছে এ এলাকা জুড়ে। তাপদাহ আর তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এখানকার জনজীবন। সূর্যের প্রখর তাপে সাধারণ মানুষের জীবন পুরোপুরিভাবে বিপর্যয় হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি না হওয়া আর প্রচন্ড রোদে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা শ্রমিক, দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। সামান্য স্বস্তি ও একটু শীতল পরিবেশের জন্য সবাই ছুটছে গাছের ছায়াতলে। অতিরিক্ত গরমে শিশুরা ছুটছে বিভিন্ন শরবত ও পানীয়ের দোকানে। কোথাও কোথাও পুকুরে নেমে পড়ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। মানুষ তো গরম থেকে পরিত্রাণ পেতে ছায়া ও পানিতে অবস্থান নিচ্ছেন। একইভাবে গরমের কারণে কুকুর পানিতে, বিড়াল ছায়ায় ও হাঁসও পানিতে নেমেছে স্বস্তুি পেতে। আর গরম কতটাই যে বেড়েছে তা এ প্রাণীগুলোর বিচরণ ও বর্তমান অবস্থান তা বুঝিয়ে দিচ্ছে।
মঙ্গলবারও প্রচন্ড তাপদাহের কারণে মোংলার রাস্তাঘাটে লোকজনও অন্যান্য সময়ের তুলনায় কম। তাই বন্দর ও পৌর শহরের দোকানপাট এবং রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা। খুব বেশী প্রয়োজন ছাড়া যেন ঘর থেকে বের হচ্ছেনা কেউ। শহরের মাদ্রাসা রোড ও রিজেকশন গলির খেটে খাওয়া দিনমজুরদেরও কাজে দেখা যাচ্ছেনা। দিনমজুর আব্দুল কাউয়ূম, এনায়েত হোসেন ও খলিলুর রহমান বলেন, প্রচন্ড গরমে কাজের পরিবেশ নেই, আমরা তো খেটে খাই। গরমে কাজ করা যায় না, বসেও থাকতে পারিনা। কাজ না করলে খাবো কি, সামনে তো আবার ঈদ।
তাপদাহের প্রভাব মানুষের পাশাপাশি এর প্রভাব পড়েছে প্রাণীকুলের উপরও। চরম ঝুঁকিতে রয়েছে এখানকার বেশির ভাগ মানুষের আয়ের উৎস সাদা সোনাখ্যাত বাগদা চিংড়ি শিল্প।
এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত গরমে চিংড়ি মাছ অক্সিজেন ফেল করে মরে ভেসে উঠে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে পুকুর ও মাছের ঘেরে গাছের ডাল পুঁতে রাখতে হবে। যাতে করে অক্সিজেন তৈরি হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই গরমে পানি স্বল্পতাসহ হীট স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে। তাই তীব্র তাপদাহে শিশু, বৃদ্ধ ও রোজাদারদের খুব জরুরী কাজ ছাড়া বাহির বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বেনাপোল বন্দরে তীব্র পণ্যজট, জায়গা সংকটে খালাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে কয়েকশ’ ট্রাক
বেনাপোল প্রতিনিধি
দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল। প্রতি বছর দেশের সিংহভাগ শিল্প কলকারখানা ও গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রির মালামালের পাশাপাশি কেমিকেল, মটর পার্টস, গাড়ির চেসিসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানি হয়ে থাকে এ বন্দর দিয়ে। বছরে এ বন্দর দিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি হয়ে থাকে। সরকারের কোষাগাৃরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। বেনাপোল বন্দরে
আমদানি-রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় জায়গা সংকটে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র পণ্যজট। এতে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। বন্দরে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের। বন্দরের দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যে আগ্রহ কমার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় দিন দিন কমে আসছে বলে জানালেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। এদিকে শিগগরিই সমাধানের আশ্বাস বন্দর কর্তৃপক্ষের।
বেনাপোল দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশের স্থল ও রেলপথে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। গত দুই বছর করোনা মহামারির ধকলের পর এ বছর আমদানি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বন্দরের গুদামে জায়গা সংকটের কারণে চাহিদামতো ট্রাক ঢুকতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে কার্যক্রম। এক্সপোর্ট ইমপোর্ট গেট হতে বন্দরের গোডাউন পর্যন্ত জ্যাম হয়ে থাকছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করছে ঢিলে ঢালা ভাবে।
দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দরে পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা না থাকার ফলে ভারতীয় পার্শ্বে প্রতিদিন প্রায় ৪/৫ হাজার ট্রাক মালামাল বোঝাই অবস্থায় এক মাসেরও বেশিদিন দাঁড়িয়ে থাকে। ওই ট্রাকের মধ্যে দৈনিক ৬শ থেকে ৭শ‘ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করার কথা থাকলেও সেখানে দৈনিক মাত্র ২৫০-৩০০ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বাকি ট্রাক আসতে না পারার কারনে আমদানিকারকদেরকে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার ভারতীয় টাকা ডেমারেজ দিতে হয়। বর্তমানেও ৪/৫ হাজার ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে ভারতীয় পার্কিং এ।

বেনাপোল বন্দরে পণ্য রাখার গুদামে জায়গা না থাকায় ভারত থেকে আসা পণ্য আনলোডের অপেক্ষায় ৮/১০ দিন দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ভারতীয় ট্রাক চালকদের। যে কারনে ভারতের ব্যবসায়ীরা পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরে জায়গা সংকট ও অবকাঠামো নিয়ে খুবই অসন্তুষ্ট।

বেনাপোল বন্দরের জন্য ১৫’শ কোটি টাকার ১৭৫ একর জমি (নতুন শেড, কন্টিনার টার্মিনাল, হেভি স্টক ইয়ার্ড নির্মাণে জন্য) অধিগ্রহনের বিষয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পটি ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে। পরবর্তীতে উক্ত প্রস্তাবনাটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সবুজ পাতা ভূক্ত হয়েছে। কিন্তু অদ্যবধি প্রকল্পটির কোন অগ্রগতি হয়নি। বেনাপোল বন্দরে দ্রুত ভিত্তিতে ১৭৫ একর জায়গা অধিগ্রহন করা হলে এ বন্দর হতে কাস্টমস এর প্রতি বছর ১০ হাজার কোটি টাকা এবং বন্দরের ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করা সম্ভব।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, এই স্থলবন্দরের ৩৪টি গুদাম ও ৮টি ইয়ার্ড, ২টি ট্রাক টার্মিনাল ও একটি রপ্তানি টার্মিনাল রয়েছে। কোথাও কোন জায়গা খালি নেই। তীব্র পণ্যজট চলছে। বর্তমানে বেনাপোল বন্দরের গুদামের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পণ্য আমদানি হচ্ছে। বেনাপোল স্থলবন্দরে যে শেডগুলি আছে সেখানে মালামাল রাখার ধারণ ক্ষমতা বাস্তবে ৫৯ হাজার মেট্রিক টন কিন্তু বর্তমানে দুই লাখ মেট্রিক টন মালামাল হ্যান্ডলিং হয়। যে কারনে, ভারত হতে যে ট্রাকগুলি আসে তা বন্দরে ৮/১০ দিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। বেনাপোল স্থল বন্দরে ১৭৫ একর জমি অধিগ্রহন পূর্বক সেখানে কমপক্ষে ৩০ টি নতুন শেড, হেভি স্টক ইয়ার্ড, কোল্ড স্টোর নির্মাণ জরুরী। তাই এখনই বন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, আট থেকে দশ দিন পর্যন্ত ভারতীয় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। বন্দরের জায়গার মারাত্মক সংকট থাকার কারণে গাড়িগুলোকে অলস দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও রাজস্ব বৃদ্ধির স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থলবন্দরের জায়গা সংকটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করার জন্য একাধিকবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়সহ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেও কোন আশানুরুপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বেনাপোল বন্দরে ট্রেন সার্ভিস চালু হওয়ায় (সাইড ডোর) এবং কনটেইনারের মাধ্যমে মালামাল আসছে যা হেডলোডে বন্দরে আনলোড হচ্ছে। এছাড়া কমলাপুর এর ন্যায় কনটেইনার অপারেশন খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে। সুতরাং জায়গা অধিগ্রহনসহ অবকাঠামোগত দিকগুলি উন্নয়ন করা দরকার।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, অন্য সময়ের তুলনায় পণ্য আমদানি-রপ্তানি কয়েকগুণ বেড়েছে। স্থলবন্দরে পণ্যের ধারণক্ষমতা ৫৯ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু সেখানে দ্বিগুণের বেশি পণ্য রাখা হচ্ছে। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে আবার গতি ফেরায়, আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে। রেল পথেও প্রচুর পণ্য আসছে। এ কারণে পণ্য রাখার স্থান সংকুলান করা যাচ্ছে না। এতে বন্দরে শেড-ইয়ার্ড সংখ্যাও বাড়াতে হবে। এরই মধ্যে জায়গা অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অধিগ্রহণকৃত জায়গায় শীঘ্রেই ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হলে বন্দরের পণ্যজটের সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বলেন, প্রতিবছর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু সে অনুপাতে রাজস্বের উৎস বাড়ছে না। এতে প্রতিবছরই দেখা দিচ্ছে রাজস্ব ঘাটতি। বন্দরের জায়গা বৃদ্ধির জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

রামপালে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পেল ৬০ টি ভূমিহীন পরিবার
মেহেদী হাসান,রামপাল (বাগেরহাট)
রামপালে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পেল ৬০ টি ভূমিহীন পরিবার। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবন থেকে সরাসরি ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে এক অনুষ্ঠানে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর করেন। এ সময় রামপাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন, এসিল্যান্ড শেখ সালাউদ্দিন দিপু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহিদুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহীনূর রহমান, এলজিইডি কর্মকর্তা গোলজার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো মহিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোজাফফর হোসেন, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তরফদার মাহাফুজুল হক টুকু, বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সী বোরহান উদ্দিন জেড, গৌরম্ভা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাজীব সরদার উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন। অনুষ্ঠানে পরিষদের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সুফলভোগী ঘর পাওয়া পরিবার, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।

খুলনা জেলায় ঘর পেলেন ২৩৯ পরিবার
তথ্য বিবরনী
ঈদ উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ৩২৯০৪ টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। খুলনা জেলার রূপসায় ১৪টি, তেরখাদায় ৬৫টি, দিঘলিয়ায় ৩৫টি, ফুলতলায় চারটি, ডুমুরিয়ায় ৬৫টি, পাইকগাছায় ৩৬টি এবং দাকোপে ২০টি পরিবারের কাছে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর করা হয়। খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলা পরিষদের হল রুমে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ৬৫টি পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘর হস্তান্তর করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন। অনলাইনে যুক্ত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা কথা বলেন। অনুষ্ঠানে খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মন্ডল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আছাদুজ্জামান প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এসময় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, উপকারভোগীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা জেলায় ১ম পর্যায়ে ৯২২ টি গৃহ নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং শতভাগ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ম পর্যায়ের জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ২য় পর্যায়ে ১৩৫১ টি গৃহের বরাদ্দ পাওয়া যায়। গৃহ নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং শতভাগ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে খুলনার জন্য ০৫টি ধাপে সর্বমোট ৯০৬টি গৃহের বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং গৃহ নির্মাণ কার্যক্রম চলমান আছে। এ পর্যায়ে আজ ২৩৯টি পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১ম পর্যায়ে দেশের সকল জেলায় ৬৬১৮৯ টি পরিবারের প্রত্যেককে ২ শতক সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক একক দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সেমি-পাকা গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। ২য় পর্যায়ে সর্বমোট ৫৩৩৪০ টি পরিবারকে জমিসহ ঘর দেয়া হয়েছে। ৩য় পর্যায়ে দেশের সকল জেলায় সর্বমোট ৬৫ হাজার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খুলনা বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেসিং এর উদ্বোধন
তথ্য বিবরনী
খুলনা বিভাগের ১০টি জেলাা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে ইনোভেশন শোকেসিং এর উদ্বোধন মঙ্গলবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এই শোকেসিং এর উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন। এসময় খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারগণ এবং খুলনার জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভাগীয় কমিশনার বিভিন্ন দপ্তরের স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রম বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। আজ বিকালে সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে বিভাগীয় ইনোভেশন শোকেসিং বিষয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

নড়াইলে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পেলেন ৯৫টি পরিবার

মোঃ তাহের, নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইলে ঈদের আগে জেলার ৯৫টি ভূমিহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমিসহ নতুন ঘর পেলেন। মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে এসব পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদ উপহার হিসেবে জমির দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ফকরুল হাসান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, পৌরমেয়র আঞ্জুমান আরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) শাশ্বতী শীল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শওকত কবির প্রমূখ। এসময় বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাগেছে, আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে নড়াইল জেলায় চার কোটি তিরানব্বই লাখ পাঁচ হাজার টাকা ব্যয়ে মোট ১শ’ ৯০টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য জমিসহ ঘর নির্মান কাজ অব্যাহত রয়েছে। ৯৫টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। প্রত্যেকটি ঘরের নির্মান ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫শ’ টাকা।

জিরোপয়েন্ট হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন, ওভারব্রিজে লাগবে চলন্ত সিঁড়ি, জুনের মধ্যে কার্পেটিং
স্টাফ রিপোর্টার
২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জিরোপয়েন্ট থেকে গল্লামারী পর্যন্ত চারলেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত সড়ক ডিভাইডার, দৃষ্টিনন্দন ফুটওভারব্রিজ, ড্রেন কাম ফুটপাথ নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ের অগ্রগতি নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে সড়ক ডিভাইডার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়ার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় স্পেস রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট, আইইআর, বিপরীতে সরকারি দেলদার আহমেদ স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার ও আবহাওয়া অফিস সংলগ্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের পারাপারে একটি সুবিধা সৃষ্টির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একইসাথে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে প্রস্তাবিত ফুটওভারব্রিজ এবং ড্রেন কাম ফুটপাথ নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কেও জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সভায় চলমান জিরোপয়েন্ট থেকে গল্লামারী চারলেন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান মাসুদ। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় স্পেস রেখেই রোড ডিভাইডার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে একটি স্পেসে নড়াচড়াযোগ্য ডিভাইডার দিয়ে শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগ রাখা এবং বিপরীতমুখী দুটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পারাপারের বিষয় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রাসঙ্গিক আলোচনায় তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে প্রস্তাবিত দৃষ্টিনন্দন ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা সহজীকরণের জন্য সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এর দিক-নির্দেশনা মোতাবেক চলন্ত সিঁড়ি সংযোজন করা হচ্ছে। ফলে এর ডিজাইন সংশোধন ও সংযোজন করতে যেয়ে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে ফুটওভারব্রিজটির নির্মাণকাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া চলমান এ প্রকল্পটি সংশোধিত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে প্রেরণ করা হয়েছে। যা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে তিনি আশা করেন আগামী জুন মাসের মধ্যে জিরোপয়েন্ট থেকে ময়লাপোতা পর্যন্ত কালভার্টসহ প্রথমস্তর কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ হবে এবং যার ফলে যানবাহন চলাচলের পথ সুগম হবে। তিনি আরও জানান, জিরোপয়েন্টকে দৃষ্টিনন্দন করার ব্যাপারে অর্থ অনুমোদন হয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে জিরোপয়েন্টকে ঘিরে শহরের প্রবেশমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দৃষ্টিনন্দন করার কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে প্রস্তাবিত ফুটওভারব্রিজে চলন্ত সিঁড়ি সংযোজন করার ব্যাপারে দিক-নির্দেশনা প্রদান করায় সিটি মেয়র এবং খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্যকে উপাচার্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. খোঃ মাহফুজ উদ দারাইন, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্সের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেদায়েতুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপাচার্যের সাথে সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান্যরা সরেজমিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেটের সামনে চলমান সড়ক ডিভাইডারের কাজ পরিদর্শন করেন।

খুবির কর্মকর্তা সেখ সাইদুর রহমানের স্ত্রীর ইন্তেকালে উপাচার্যের গভীর শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার সেখ সাইদুর রহমানের স্ত্রী, পশ্চিম বানিয়াখামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহানারা খাতুন খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৫২ বছর। তিনি দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার বাদ জুম্মা ঈদগাহ প্রাথমিক স্কুল মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে নিরালা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বিলম্বে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় তিনি গত ২১ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) রাতে ইন্তেকাল করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন সহকারী রেজিস্ট্রার সেখ সাইদুর রহমানের স্ত্রীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মু. মাহবুবুস সোবহানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
অপর এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান (পলাশ) ও সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডলসহ পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

তালায় ১৫ ভূমিহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণভবন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাতক্ষীরার তালা শিল্পকলা একাডেমী হল রুমে ১৫ টি পরিবারের ভূমিহীন, গৃহহীনদের জমি ও গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল¬াহ। তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ^াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ^াস,সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম তারেক সুলতান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাঁপড়ি, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মীর জাকির হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুলহকসহ মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং সুফলভোগী।

তালায় মামলা থেকে রেহাই পেতে মাদ্রাসা শিক্ষকের আকুতি!
তালা(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দীন শেখের পুত্র আম্রকানন দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার মাওলানা মোজাম্মেল হকের নামে হয়ারনীমূলক মামলা হওয়ায় শিক্ষক সমাজসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এদিকে শতাধিক শিক্ষকসহ পাঁচশতাধিক এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে গণস্বাক্ষর করেছেন। তারা সরেজমিন তদন্তপূর্বক বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানাগেছে, গত ৩১ মার্চ তালা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ১৫(৩)/২৫ ধারায়, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয়। উক্ত মামলায় ৮নং আসামী হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয় তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের মৃত মিনাজ শেখের পুত্র মাওলানা মোজাম্মেল হকের। তিনি তালার জালালপুর ইউনিয়নের আম্রকানন দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এলাকাবাসী জানায়, মাওলানা মোজাম্মেল হক মাদ্রাসায় চাকুরীর পাশাপশি জাতপুর বণিক সমিতির বর্তমান সহ-সভাপতি। তিনি কোনদিন জামায়াতসহ কোন রাজনৈতিক দলের সাথে কিংবা কোন নাশকতামূলক কাজে জড়িত ছিলেন না। তিনি স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক। ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকীসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে তিনি এলাকায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে থাকেন। জাতপুর বাজারে ব্যবসার সূত্রধরে এলাকার একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন তাকে দেখে নেয়ার জন্য হুমকি-ধামকি প্রদান করতো। সেই মহলের উস্কানিতে উক্ত মামলায় তার নামটি ভুলকরে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে বলে তাদের ধারণা।
উক্ত ঘটনায় শতাধিক শিক্ষকসহ পাঁচশতাধিক এলাকাবাসী বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে গণস্বাক্ষর করেছেন। তারা সরেজমিন তদন্তপূর্বক বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শরনখোলায় নুতন ঘরের চাবি পেল ৫ পরিবার
শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোর জমি নাই ঘর নাই, মাথা গোঁজার ঠাই নাই। মোরে প্রধানমন্ত্রী একখানা ঘর দিয়াছেন এজন্য শুকরিয়া আদায় করি। আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবি করুন। এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন বাগেরহাটের শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের প্রতিবন্ধী মো. হালিম মাঝি। ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকালে গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশজুড়ে ৩২ হাজার ৯০৪ পরিবারের কাছে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর ও ঘরের উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে উদ্ভোধন শেষে সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুর ই আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার খাঁন মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেলের সঞ্চালনায় উপজেলার ৫টি পরিবারের হাতে তাদের নুতন ঘরের চাবি সহ জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রায়হান উদ্দিন শান্ত। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহিমা আক্তার হাসি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম সাইফুল ইসলাম খোকন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন, ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ^াস, অফিসার ইনচার্জ মো. ইকরাম হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র প্রভাষক আঃ মালেক রেজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর জব্বার ও উপকারভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গিলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়ম
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নীতিমালা উপেক্ষা করে ফুলতলা উপজেলার গিলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে। একটি প্রভাবশালী মহল গঠনতন্ত্র উপেক্ষা এবং আইন লঙ্ঘন করে পছন্দের লোকজন দ্বারা একটি পকেট কমিটি গঠন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এই বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একটি প্রভাবশালী মহল গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে পছন্দের লোকজন দিয়ে একটি পকেট কমিটি গঠন করেন। বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা ওই পকেট কমিটি অবিলম্বে বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, খুলনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের নির্দেশনা থাকলেও তা গোপন রেখে প্রধান শিক্ষক মোঃ ইকবাল কবির এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলকে নিয়ে গোপনে পকেট কমিটি গঠন করে শিক্ষাবোর্ডে জমা দিয়েছেন।অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য দ্বারা ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই কমিটি গঠন প্রক্রিয়া হতে শেষ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের কোন ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক অবগত নয়। পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত আহ্বায়ক কমিটি ও প্রধান শিক্ষক কারসাজি করে তার পছন্দনীয় লোকদের নিয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে। এই কমিটি বাতিল পূর্বক বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক বিষয়টি অবগত করে পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা । এই বিষয় অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক ইকবাল কবির বলেন, আমি নিয়মের কোনো ব্যাত্যয় করিনি, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কমিটি গঠন করতে চেয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা বেগম জানান, ম্যানেজিং কমিটি করার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে কমিটি গঠনে অনিয়ম হয়েছে এমন একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ এলাকার সাধারন মানুষ এর মাঝে মিশ্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে । একাধিক অভিভাবক বলেন আমরা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি আশা করি এ বিষয়ে অতিদ্রত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে , আর যদি না করা হয় তাহলে ঈদের পর অভিভাকরা সম্মিলিতভাবে বর্তমান অবৈধ কমিটি বাতিলের জন্য মানববন্ধন সহ কঠিন কর্মসূচি ঘোষনা করবো ।

মণিরামপুরে মোট ৩৪০টি দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে নতুন ঘর পেলো
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি॥
মণিরামপুরে আরো ৪৮ জন দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবার মাথা গোজার ঠাই পেলেন। এ নিয়ে উপজেলায় ৩শ’৪০ টি দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে নতুন ঘর বরাদ্দ পেলেন।
মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্র ও ভূমিহীনদের মাঝে “ঈদ উপহার” হিসেবে তৃতীয় ধাপের এসব ঘর হস্তান্তরের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এরই অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, সহকারি কমিশনার (ভ’মি) হরেকৃষ্ণ অধিকারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জলি আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুর ইসলাম, এমএম ফারুক হুসাইন, আব্দুল আলমি জিন্নাহ, আলমগীর কবির লিটন সরকারি কর্মকর্তা ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়স কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিদ জানান, এ নিয়ে তৃতীয় ধাপে ঘর নির্মান বাবদ বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রথম ধাপে এক লাখ ৭০ হাজার এবং তৃতীয় ধাপে এক লাখ ৯০ হাজার টাকায় ঘর নির্মাণ হয়েছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান জানান, এ নিয়ে উপজেলায় ৩শ’৪০টি দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবার মাননীয় প্রানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে এসব ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। তৃতীয় ধাপে উপজেলায় উদ্বোধনী দিনে ৪৮ টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলে ২শ’ ৯২টি ঘর বরাদ্দ পায় দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবার।

কালীগঞ্জে জমির বিরোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
বিশেষ প্রতিনিধি ॥
জমির বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই ফজলুর রহমান (৬২) নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুর ১ টার দিকে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের বারোবাজারে। তিনি পিরোজপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের পুত্র। নিহত ফজলুর রহমান বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বর ছিলেন। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিকের চাচাতো ভাই।
স্থানীয়দেরসূত্রে জানাগেছে, বাবার রেখে যাওয়া জমি নিয়ে ছোট ভাই হাফিজুরের সঙ্গে বড় ভাই ফজলুর রহমানের গোলমাল ছিল দীর্ঘদিনের। এরই জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে বারোবাজারের ছোট ভাই হাফিজুরের হোমিও ফার্মেসীতে যায় বড় ভাই ফজলুর রহমান। সে সময়ে দু ভাইয়ের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছোট ভাই তার টেবিলের ওপরে থাকা একটি ছুরি দিয়ে বড় ভাইয়ের বুকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এরপর ফজলুর রহমান মাটিতে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। তখনই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যশোর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ তাহামিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফজলুর রহমান হাসপাতালে আসার অনেক আগেই মারা গেছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। এখনও মামলা হয়নি। গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

১২৬ কোটি টাকা আত্মসাত মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় গুদামজাত পাটের বিপরীতে ব্যাংক ঋণের ১২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কাজী হাবিবুর রহমানকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) খুলনা মহানগর বিশেষ দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মাহমুদা খাতুন জামিন না-মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর আইনজীবী অ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, সোনালী ব্যাংক থেকে ২০১০ সাল থেকে সিসি প্লেজ ও সিসি হাইপো খাতে দফায় দফায় ৮৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ টাকা ঋণ গ্রহণ করে মেসার্স সোনালী জুট মিল। কিন্তু এর বিপরীতে মালামাল ক্রয় না করে ওই টাকা আসামিরা পরস্পর যোগসাজোশে আত্মসাত করেন। যা বর্তমানে সুদাসলে ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকা হয়েছে। এ ঘটনায় দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৭ সালে খানজাহান আলী থানায় মামলা করেন। মামলা নং- ৬ (২২/০২/২০১৭)।

মামলার আসামিরা হলো, মেসার্স সোনালী জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম এমদাদুল হোসেন (বুলবুল), সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার নেপাল চন্দ্র সাহা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কাজী হাবিবুর রহমান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এবং জুট মিলস হিমায়িত মৎস্য ও বিবিধ ঋণ বিভাগের ইনচার্জ শেখ তৈয়াবুর রহমান ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার প্রাক্তন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সমীর কুমার দেবনাথ।
এ ব্যাপারে আইনজীবী অ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান জানান, মামলার আসামি মেসার্স সোনালী জুট মিলের চেয়ারম্যান এমদাদুল হোসেন বুলবুল করোনায় মারা গেছেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরাদ হোসেন, কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমানসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

ভাগ্নির লাশ উদ্ধার, খালা নিখোঁজ
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে খালা ও ভাগ্নি নিখোঁজ হয়। পরে ভাগ্নির লাশ উদ্ধার করা হলেও খালা নিখোঁজ রয়েছেন। সোমবার দুপুরে পাথরবাড়িয়া গড়াই নদীতে গোসল করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় জনগণ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় মিম খাতুনের লাশ উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছেন।

নিখোঁজ দুজন সদকী ইউনিয়নের মুলগ্রামের গাফফার মোল্লার মেয়ে চামেলি খাতুন (৩০) ও গাফফার মোল্লার নাতনী খোকসা দুধরাজপুর গ্রামের মাসুদ রানার মেয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মিম খাতুন (১৩)।

নিহতদের স্বজন প্রত্যক্ষদর্শী নীলিমা জানান, দুপুর ১টার দিকে তিনি ও সদকী ইউনিয়নের মুলগ্রামের গাফফার মোল্লার মেয়ে চামেলি খাতুন (৩০) ও গাফফার মোল্লার নাতনি খোকসা দুধরাজপুর গ্রামের মাসুদ রানার মেয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মিম খাতুনসহ (১৩) পাঁচ-ছয়জন গড়াই নদীতে গোসল করতে যান।

তিনি জানান, এ সময় তার ফুফু ও ফুফাতো বোন যেদিকে ড্রেজার দিয়ে নদী খনন করা হয়েছে সেখানে গভীর পানিতে নেমে গিয়ে হারিয়ে যায়। তাদের উপরে উঠতে না দেখে তারা চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তাদের খুঁজে না পেলে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় মিম খাতুনের লাশ উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর বখতিয়ার উদ্দিন জানান, তারা ৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় একটি লাশ উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছেন। এখনো তল্লাশি চলছে এবং খুলনা থেকে ডুবুরি দল আসছে।

দেশের মানুষের আস্থা ও ভরসার নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, দেশের মানুষের আস্থা ও ভরসার নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দানকারী আওয়ামী লীগ দেশ গড়ারও কারিগর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে উন্নয়নের সূচনা করেন। তবে তাঁর সেই উন্নয়ন বিপ্লবের স্বপ্ন পূরণ করতে দেয়নি পরাজিত এদেশীয় পাকিস্তানের দোসররা। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়।
তিনি আরো বলেন, এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার যে কাজ করে যাচ্ছে, এমন কর্মযজ্ঞ এত স্বল্প সময়ে আর কোনো সরকার করতে পারেনি। সরকারের ঈর্ষণীয় সাফল্যে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা ষড়যন্ত্রের জাল পাতার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা ষড়যন্ত্রকারীদের এই অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে প্রতিহত করবে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম অধ্যাপক রোকন উদ্দিন এর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহন করেন। এসব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, র্যাব-৬ খুলনার অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ মোসতাক আহমেদ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, আজগর আলী মিন্টু, অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম অধ্যাপক রোকন উদ্দিনের ছেলে এস এম রফিউদ্দিন আহমেদ রফিক, মো. জলিল তালুকদার, এ্যাড. তারিক মাহমুদ তারা, মহানগর যুব লীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, যুব নেতা মো. তাজুল ইসলাম সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ই আগস্ট নিহত সকল শহীদের, একাত্তরের বীর শহীদদের এবং জাতীয় চার নেতা সহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ আবু নাসের, শেখ রাজিয়া নাসের, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সোহেল, শেখ জালাল উদ্দিন রুবেল, শেখ বেলাল উদ্দিন বাবু- এর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রকৌশলীদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেছেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের সব ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ণ করে যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর কোন অন্য কোন সরকার এত উন্নয়ণ করতে পারেনি। অন্য যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা সবাই লুটপাটের রাজনীতি করেছে। মানুষের উন্নয়নের পরিবর্তে তারা নিজেদের উন্নয়ণ করেছে।
তিনি প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সব পেশাজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় আন্দোলন করেছেন। তাঁরই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের উন্নয়নে যে ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সেখানে আপনাদের বিশাল অবদান রয়েছে। কারণ দেশের উন্নয়নের হাতিয়ার হলেন আপনারা। দেশ ও জাতির কল্যাণে আপনাদেরকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর এক অভিজাত হোটেলে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ খুলনা বিভাগের আয়োজনের ইফতার মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ খুলনা বিভাগের সভাপতি প্রকৌশলী এমডি কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. প্রকৌশলী সোবহান মিয়ার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুল্লাহ, ওজোপাডিকো লি. খুলনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আজহারুল ইসলাম. ওজোপাডিকো লি. খুলনার প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু হাসান, মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল সহ বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও সদসবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় পটকা মাছ খেয়ে একজনের মৃত্যু, অসুস্থ ৫
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশিপুর গ্রামে পটকা মাছ খেয়ে বিষক্রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। ওই পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পরিবার প্রধান মতিউর রহমানকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পথে তিনি মারা যান। পরিবারের অপর চারজন বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মতিউর রহমান (৫২) শ্যামনগর উপজেলার বংশিপুর গ্রামের মৃত আনসার আলীর ছেলে। অসুস্থরা হলেন-মতিউর রহমানের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫), ছেলে সাগর হোসেন (২৫), সাগরের স্ত্রী সিলমি বেগম (২২) ও তাদের ছেলে মাহির হোসেন (৪)।

মতিউর রহমানের মামাতো ভাই আব্দুল হান্নান জানান, দুপুরের খাবারে পটকা মাছ দিয়ে আহার সেরেছিলেন মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যরা। খাবার খাওয়ার পরপরই তারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। পরে তাদের শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কান্তি দে বলেন, ‘বিকেলে দিকে তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মতিউর রহমানকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পথে কুলিয়া এলাকায় তিনি মারা যান। পরিবারের বাকি চারজন সদস্যও আশঙ্কামুক্ত নন। তাদের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, রোগীদের পুরো শরীর ঝিমঝিম করাসহ খিঁচুনি ও বমি হচ্ছিল।
ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম শোকর আলী বলেন, পটকা মাছ খেয়ে মতিউর রহমানের মৃত্যু হয়েছে। তার পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য গুরুতর অসুস্থ বলে শুনেছি।

পেঁপের ওজন ৭-৮ কেজি, গাছপ্রতি ফলন চার মণ!
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে লক্ষ্মীপুর গ্রামে ‘রাইয়ান জৈব কৃষি খামার’ নামে একটি খামার গড়েছেন নজরুল ইসলাম। ওই খামারে চাষ করেছেন দেশি জাতের পেঁপে। তবে দেশি জাতের পেঁপের আকারের তুলনায় তার চাষ করা পেঁপের আকার দানবীয়। একেকটির ওজন ৭-৮ কেজি। দানবীয় এ আকারের কারণে এর নাম দিয়েছেন ‘জায়ান্ট পার্ল পেঁপে’।
নজরুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণীবিদ্যা বিভাগে অনার্স-মাস্টার শেষ করে জাপান থেকে মেরিন সায়েন্সে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। দেশে ফিরে কিছুদিন কাজ করেন বাংলাদেশ মৎস্য ও কৃষি উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্রে। এরপর জাইকার (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) অর্থায়নে পরিচালিত রাজধানী ঢাকার একটি প্রজেক্টে যোগ দেন। কিন্তু করোনাকালে প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলে তিনি গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর থেকে কী করবেন এমন চিন্তা থেকে শুরু করেন কৃষিকাজ। পরে গড়ে তোলেন রাইয়ান জৈব কৃষি খামার।

নজরুল ইসলাম জানান, তিনি প্রথমে খামারের মধ্যে পুকুর খনন করে মাছচাষ শুরু করেন। এরপর এলাকার একজন কৃষকের কাছ থেকে ১০০টি দেশি পেঁপের চারা কিনে পুকুর পাড়ের উর্বর মাটিতে আবাদ করেন। সব সময় জৈব সার ব্যবহার করেন। কখনো রাসায়নিক সার ব্যবহার করেননি। কিছুদিন পর গাছে ফল এলে বাড়তি যত্ন নেওয়া শুরু করেন। হঠাৎ একদিন খেয়াল করেন কয়েকটি গাছের পেঁপে দেশি পেঁপের তুলনায় আকারে অনেক বড়। পেঁপেগুলো পাকার পর গাছ থেকে সংগ্রহ করে ওজন করে দেখেন একেকটির ওজন ৭-৮ কেজি।
তিনি বলেন, বাজারের হাইব্রিড পেঁপেও ওজনে সাধারণত দেড় কেজির বেশি হয় না। কিন্তু তার চাষ করা একেকটি পেঁপের ওজন ৭-৮ কেজি। পরে তিনি এই পেঁপের নাম দেন জায়ান্ট পার্ল পেঁপে।
পেঁপে চাষের জন্য পুকুরের তোলা মাটি ব্যবহার করেছেন নজরুল ইসলাম। তার দাবি, পুকুরের তোলা মাটি অনেক বেশি ঊর্বর হয়। তার পেঁপের ফলনের কারণ এই মাটিই।
সম্প্রতি ঝড়ে নজরুল ইসলামের খামারের অনেক পেঁপে গাছ ভেঙে গেছে। এখন মাত্র ৩০টি গাছ টিকে আছে। তবে তার বাগান ঘুরে এসব গাছে বড় কোনো পেঁপে চোখে পড়েনি।
নজরুল ইসলাম জানান, তার একটি পেঁপে গাছে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ চার মণ পর্যন্ত পেঁপে হয়। প্রথম দিকের পেঁপেগুলো ৭-৮ কেজি ওজনের হয়। কখনো কখনো ১০ কেজি পর্যন্ত হয়। তবে দ্বিতীয় ধাপে যে পেঁপেগুলো পাওয়া যায় সেগুলোর আকার তুলনায় ছোট হয়, ৪-৫ কেজি ওজনের।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম বছর ফল সংগ্রহের পর দ্বিতীয় বছরে নতুন করে গাছ রোপণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাহলে আবার প্রথম দফার মতো বড় সাইজের পেঁপে পাওয়া যাবে। আর চারা রোপণের পর ছয় মাসের মধ্যে ফল বাজারে নেওয়া যায়। আমার কাছ থেকে অনেকে এখন চারা বীজ নিচ্ছেন।’
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাসীন আলী বলেন, ‘ওই খামার পরিদর্শন করে পেঁপেগুলো দেখেছি। এটির সাইজে অনেক বড় ও খেতেও সুস্বাদু। কৃষকরা এটি আবাদ করলে ভালো লাভবান হবে। কারণ ফলন অনেক হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘পেঁপে চাষের জন্য দরকার উঁচু জায়গা যেখানে পানি জমার আশঙ্কা থাকবে না। কারণ পেঁপে গাছের গোড়ায় একদিন পানি জমে থাকলে গাছটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

১২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা জেলহাজতে
স্টাফ রিপোর্টার
গুদামজাত পাটের বিপরীতে ব্যাংক ঋণের ১২৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কাজী হাবিবুর রহমানকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) খুলনা মহানগর বিশেষ দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক মাহমুদা খাতুন জামিন না-মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সোনালী ব্যাংক থেকে ২০১০ সাল থেকে সিসি প্লেজ ও সিসি হাইপো খাতে দফায় দফায় ৮৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৪ টাকা ঋণ গ্রহণ করে মেসার্স সোনালী জুট মিল। কিন্তু এর বিপরীতে মালামাল ক্রয় না করে ওই টাকা আসামিরা পরস্পর যোগসাজোশে আত্মসাৎ করেন। যা বর্তমানে সুদাসলে ১২৬ কোটি ৮২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮২ টাকা হয়েছে। এ ঘটনায় দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৭ সালে খানজাহান আলী থানায় মামলা করেন যার নং- ৬ (২২/০২/২০১৭)।
মামলার আসামিরা হলেন মেসার্স সোনালী জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম এমদাদুল হোসেন (বুলবুল), সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার নেপাল চন্দ্র সাহা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কাজী হাবিবুর রহমান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এবং জুট মিলস, হিমায়িত মৎস্য ও বিবিধ ঋণ বিভাগের ইনচার্জ শেখ তৈয়াবুর রহমান ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড খুলনা করপোরেট শাখার প্রাক্তন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সমীর কুমার দেবনাথ।
আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, মামলার আসামি মেসার্স সোনালী জুট মিলের চেয়ারম্যান এমদাদুল হোসেন বুলবুল করোনায় মারা গেছেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরাদ হোসেন, কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমানসহ অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

নগরীতে ডিবির অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি শেখপাড়ার শেখ মমিন উদ্দিন ফোরকানিয়া জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৫ এপ্রিল বিকেল সোয়া ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দু’মাদক ব্যবসায়ী হলেন খালিশপুর পিপলস নিউ কলোনীর মৃত. মোজাম্মেল শিকদারের ছেলে মো. আজিম শিকদার (৩৭) ও বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানার গাংনী গ্রামের মোল্লা এনামুল হকের ছেলে নাইমুল ইসলাম (২৪)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ২৫ এপ্রিল বিকেল সোয়া ৫টার দিকে নগরীর মুজগুন্নি শেখপাড়ার শেখ মমিন উদ্দিন ফোরকানিয়া জামে মসজিদের সামনে অভিযান পরিচালনা করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টিম। এসময় বারিক ষ্টোর নামক মুদি দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর হতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আজিম শিকদার ও নাইমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে খালিশপুর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

নগরীতে সংখ্যালঘু নব দম্পতিকে জিম্মি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ১
স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর লবনচরা থানা এলাকায় রাজমিস্ত্রি সুদীপ্ত ও তার স্ত্রী পিংকি মন্ডলকে জিম্মি করে চাঁদাবাজিকালে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এঘটনায় জড়িত আরও ৭/৮ জন পলাতক রয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ওই নব দম্পতিকে হরিণটানা এলাকার বিলের মধ্যে আটকে রাখে ওই সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা জোট হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে লবনচরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আজাদ হাওলাদার নামের একজনকে আটক করেছেন। সে টুটপাড়া গেদনপাড়া এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
রাজমিস্ত্রি সুদীপ্ত জানান, নগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের মুজাহিদ পাড়ায় স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ৮/৯ জন যুবক তাকে ও তার স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে বিলের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাদেরকে জিম্মি করে সাথে থাকা স্বর্নালঙ্কার নিয়ে নেয়। এছাড়া এলাকায় বসবাস করতে হলে আরও ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।
লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক বলেন, অভিযোগ পেয়ে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

নগরীতে দুস্থদের মাঝে সেনাবাহিনীর উপহার সামগ্রী বিতরণ
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১৭ বীর এর আয়োজনে দুস্থদের মাঝে সেনাবাহিনী ঈদ শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মাঠে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ঈদ শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ এর শুভ উদ্বোধন করেন ১৭ বীর এর অধিনায়ক লে: কর্নেল মীর্জা মো. ইশতিয়াক আহমেদ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৭ বীর এর কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. আলিপ ও ক্যাপ্টেন মো. মেহেদী হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে খুলনা সদর থানার আওতাধীন ১০০০ দুস্থ অসহায় নারী পুরুষের মধ্যে ঈদ শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোটা চাল- ২ কেজি, পোলাওর চাল- ১ কেজি, লাচ্ছা সেমাই- ২ প্যাকেট, চিনি- ১/২ কেজি, সয়াবিন তেল-১/২ লিটার, মশুর ডাল- ১/২ কেজি। অনুষ্ঠানস্থলে নিরাপত্তায় টুটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এস আই মো. কামাল হোসেন এর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি টিম ও ১৭ বীর এর সদস্যগন নিয়োজিত ছিলেন।

নড়াইলে র্যাবের অভিযানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ”আনসার-আল-ইসলাম” এর বিভাগীয় নেতা গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার
নড়াইল জেলার সদর থানাধীন তালতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ”আনসার-আল-ইসলাম” এর বিভাগীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামী হলেন নড়াইল জেলার সদরের তালতলা এলাকার মো. রবিউল শেখ রবির ছেলে মো. রাসেল শেখ ওরফে সালমান ওরফে তামিম।
র্যাব-৬ জানায়, ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন তালতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি বিশেষ আভিযানিক দল। এসময় গোপন বৈঠক চলাকালে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ”আনসার-আল-ইসলাম” এর বিভাগীয় নেতা তামিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন “আনসার-আল-ইসলাম” এর কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছে মর্মে স্বীকার করে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।