Home খেলাধুলা ম্যাচ জিততে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ইমন

ম্যাচ জিততে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ইমন

2

স্পোর্টস ডেস্ক।।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রান তাড়া করতে নেমে পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ। প্রথম উইকেটে ৪৮ রানের জুটির পর তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন মিলে ৩৬ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে ফেলেছিলেন।

কিন্তু পারভেজের আউটের চার রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাইফ হাসানও। ব্যাক টু ব্যাক দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে রান তোলার গতি কিছুটা স্লো হয়ে যায়। এই দুই উইকেট হারানোকে ম্যাচ হারার টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন পারভেজ হোসেন ইমন।
ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর প্রত্যাশা ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভালো কিছুর। কিন্তু টানা দুই ম্যাচ হেরে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ খুইয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ।

প্রথম ম্যাচটিতে ব্যাটিং ভালো না হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে তুলনামূলক ভালো ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। ১৯৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ১৮৯ রান করতে পারে।
৭ রানে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে পারভেজ হোসেন ইমন বলেন, ‘আমরা প্ল্যান অনুযায়ীই এগোচ্ছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল সবচেয়ে বড় ক্ষতি ছিল আমার আর সাইফ ভাইয়ের উইকেটটা ব্যাক টু ব্যাক পড়ে যাওয়া। ওই জায়গায় একটু পিছিয়ে গেছি, নাহলে খুব সুন্দরভাবেই এগোচ্ছিলাম।’

নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে বলতে গিয়ে ২২ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলা পারভেজ বলেন, ‘একজন ধরে খেলাটা ভালো। পরিস্থিতি যেদিন যেমন দাবি করে। আজকে রানটাও একটু বড় ছিল। আমি আর সাইফ ভাই যখন ব্যাটিং করছিলাম, আমাদের পরিকল্পনা ছিল দুজনই সেট হয়ে থাকব এবং লুজ বল পেলে ব্যবহার করব।’

শুক্রবারের (১৯ জুন) ম্যাচে কম-বেশি সব ব্যাটার রান পেলেও কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। এটাকেই সামনে আনছেন টপ অর্ডার এই ব্যাটার, ‘এরকম রান চেজ করতে হলে একটা বড় স্কোর দরকার হয়। আমরা আসলে সবাই ৩০-৪০ রানের মধ্যে আউট হয়েছি। আমার মনে হয়, এখানে ৩০-৪০ রান যদি কেউ বড় স্কোরে রূপান্তর করতে পারত, তাহলে খেলাটা সহজ হয়ে যেত।’

ইনজুরির কারণে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন না লিটন দাস। তার অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব সামলেছেন তাওহীদ হৃদয়। যদিও অধিনায়ক হিসেবে সফল হতে পারেননি তিনি। লিটনকে মিস করেছেন উল্লেখ করে পারভেজ বলেন, ‘লিটন দাদা ওই রোলটা অনেক ভালোভাবে পালন করে। তাই একটু তো আমরা দাদাকে মিস করছি।’

এদিকে এই সিরিজে অভিষেক হয়েছে পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইনের। ব্যাটিং-বোলিংয়ে খুব ভালো করতে না পারলেও তাকে নিয়ে প্রত্যাশার কথাই শুনিয়েছেন তরুণ এই ব্যাটার, ‘ও মাত্র দুটো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। খুব বেশি প্রত্যাশা না করাই ভালো। ও যত তাড়াতাড়ি সেট হতে পারে, তত ভালো হবে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ও খুব ভালো ব্যাটিং করে। আশা করি, পরের ম্যাচগুলোতে নিজেকে আরও ভালোভাবে মেলে ধরতে পারবে।’