আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি ভয়াবহ বিমান হামলার পর নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে হাজারো বেসামরিক মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে।
সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ জুন) টাইর ও সাইদা শহরের মধ্যবর্তী কাসমিয়েহ সেতু দিয়ে হাজারো লেবানিজ নাগরিক উত্তরাঞ্চলের নিরাপদ এলাকায় আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, কারণ পরিবারগুলো সম্ভাব্য আরো হামলার আশঙ্কায় নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নেতাদের মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা হলেও দক্ষিণ লেবাননে সহিংসতা থামেনি। বরং সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে এবং স্থিতিশীলতার আশা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও তাদের কয়েকজন সেনা সদস্য হতাহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও বাড়ছে উদ্বেগ।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চলমান সংঘর্ষ অব্যাহত থাকলে নতুন মানবিক সংকটের সৃষ্টি হতে পারে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
তবু সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কাঠামোর আওতায় লেবানন থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার চুক্তির শর্ত নয় এবং আত্মরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের থাকছে।










































