মিলি রহমান:
করোনার সংক্রামন ভীতির এই সময়ে সাধারণ সর্দি-কাশি কাশিই মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তবে সব সর্দি-কাশি জ্বরই করোনা নয়, এটা মনে রাখতে হবে। তাছাড়া এখন চাইলেই সামান্য জ্বরে হাসাপাতালে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ জ্বর-সর্দিতে কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে। এতে যেমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই তেমনি সর্দি-কাশি প্রতিরোধের শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। তাহলে চলোন জেনে নেই সেই ঘরোয়া সহজ উপায়গুলো কি কি :
আদার ব্যবহার: সর্দি-কাশি ঠেকাতে আদা-চা যে খুব কার্যকর এ কথা সকলেই জানেন। তবে এই চা ফোটানোর সময় তাতে কিছুটা মধু ও লেবুর রস দিতে পারেন। যা শরীরকে গরম রাখতে ও সর্দি-কাশি দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
গরম পানির ভাপ নেওয়া: কান, গলা, মাথা ঢেকে ফেলুন বড় চাদর দিয়ে। তারপর গরম পানির ভাপ নিন। গরম পানিতে ব্যাকটিরিয়া নিরোধক কিছু ওষুধও ফেলতে পারেন। অনেকে ক্যামোমাইল বা ইউক্যালিপটাস তেল যোগও করে থাকেন। ভাপ নিলে নাক দিয়ে পানি পড়া কমবে তেমনি কাশিও কমতে বাধ্য। ভাপ নেওয়ার সময় ফ্যান বন্ধ রাখবেন। ভাপ নেয়া শেষ হলে অন্তত দশ মিনিট ফ্যানের বাতাস থেকে দূরে থাকুন। সেই সঙ্গে গরম পানি খাওয়া ও গোসল করা।
মধু ব্যবহার করতে পারেন: প্রতিদিন ঘুমনোর আগে আনপাস্তুরাইজড মধু খান। কেউ কেউ গরম পানি বা দুধের সঙ্গে মিশিয়েও খেয়ে থাকেন। কাশি কমাতে ও ঠা-ার প্রকোপ থেকে দূরে থাকতে মধু খুবই কার্যকর।
আপেল সাইডার ভিনিগার: গলার মিউকাসকে ভাঙতে ও ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে আপেল সাইডার ভিনিগার খুবই উপকারী। সর্দি-কাশির সমস্যা থাকলে প্রতিদিন উষ্ণ পানিতে দু’চামচ আপেল সাইডার যোগ করে খালি পেটে খাবেন। যার ফলে ঠান্ডাজনিত অসুখের হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন।
লেবু : চিকিৎসকরা বলছেন এখনকার জ্বরে লেবুর রস খুব উপকারি। তাই ঠা–জ্বরে গরম পানিতে লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন।









































