Home আঞ্চলিক কয়রায় ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধের অবৈধ পাইপ তুলে দিয়েছেন এলাকাবাসী

কয়রায় ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধের অবৈধ পাইপ তুলে দিয়েছেন এলাকাবাসী

7

কয়রা প্রতিনিধি:

কয়রায় লবন পানির চিংড়ী ঘের আর নয়, এখন ধান চাষে আগ্রহী জমির মালিকরা চিংড়ী ঘেরের অবৈধ পাইপ তুলে বন্ধ করে দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলুর নেতৃত্বে দক্ষিণ মঠবাড়ী গ্রামের শতশত জনগণ পাইপ তুলে দেওয়ায় অবশেষে লবন পানি মুক্ত হল কিছু এলাকা। সরেজমিনে জানা গেছে , দক্ষিণ মঠবাড়ী গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি এলাকাবাসীর দাবী উপেক্ষা করে জোর করে লবন পানির চিংড়ী চাষে আগ্রহী। সেজন্য তারা ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধ ছিদ্র করে পাইপ ঢুকিয়ে নদী থেকে লবন পানি তুলে চিংড়ী চাষ শুরু করেন। তবে স্থানীয় ইউপি মেম্বর ওহিদ মোড়ল তার প্রতিবাদ জানিয়ে কয়রা উপজেলা সিঃ সহঃ ম্যাজিট্্েরট আদালতে একটি মামলা করলে আদালত বিষয়টি পুলিশের কাছে তদন্তে পাঠায়। এছাড়া এলাকার অধিকাংশ মানুষ লবন পানির চিংড়ী ঘের নয় এখন থেকে ধান চাষ হবে এমন শ্লোগান তুলে ইউপি চেয়ারম্যানকে জানায়। এদিকে দীর্ঘ ২ মাস এলাকায় অধিকাংশ জনগণ এ ধরনের প্রতিবাদ মুখর হওয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলামিন প্রতিবাদকারীদের নামে একাধীক মিথ্যা মামলা করেছেন জানা গেছে। অবশেষে সোমবার ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বর সরেজমিনে গেলে শতশত জনতা তাদের সামনে অবৈধভাবে বসানো পাইপ তুলে দিয়েছেন।

এসময় এলাকাবাসী জানায়, ছাত্রলীগের আলামিন, রহিম মাষ্টারের নির্দেশে সাবুদ গাজী, তার ভাই মোসলেম ও আলাউদ্দিন গাইন সহ আরও অনেকে জোর পূর্বক চিংড়ীঘের করতে চায়। কিন্তু তার প্রতিবাদ করলে তাদের নামে মিথ্যা মামলা করেন। এছাড়া জমির মালিক শরিফুল, মিজানুর, কোহিনুর মালী, শামছুর মালীসহ একাদীক ব্যক্তি জানায়, আলামিন ক্ষমতা দেখিয়ে অনেক অত্যাচার করেছে এলাকায়। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু জানান, দক্ষিণ মঠবাড়ী গ্রামে ১ বছর আগে লবন পানির চিংড়ীঘেরের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলে, ঘের মালিকরা জানায়,আগামী ২০২০ সালের শুরু থেকেই ঘের বন্ধ করা হবে। অথচ আলামিন, রহিম সহ কয়েকজন এলাকাবাসীর দাবী উপেক্ষা করে লবন পানি তোলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিবাদী জনতা অবৈধ ২ টি পাইপ তুলে দেয়। তিনি বলেন, এলাকার ৯৫ ভাগ মানুষ ধানচাষে আগ্রহী হওয়ায় তারা নিজেরাই ঘের বন্ধ করতে চাচ্ছে।