শার্শায় র্যাবের অভিযানে প্রায় দু’কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
যশোর জেলার শার্শা থানার বাগুরী বেলতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১কেজি ৮০০গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন যশোর জেলার শার্শা থানার বাগুরী বেলতলা গ্রামের মৃত. ইয়াকুব কাশারীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৭)।
র্যাব-৬ জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোর জেলার শার্শা থানার বাগুরী বেলতলা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বেলতলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম এর বসত বাড়ির সামনে থেকে ১কেজি ৮০০গাঁজাসহ সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে শার্শা থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নগরীতে মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির ত্রাণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহামারী করোনা ভাইসের কারণে নিভৃতবাসে (কোয়রান্টিন) থাকা কর্মহীন দরিদ্র মানুষের মাঝে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা মহানগর কমিটির উদ্যোগে গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড দিপংকর সাহা দিপু ও বিকল্প সদস্য খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম। নেতৃবৃন্দ ত্রাণ সামগ্রী বন্টনের সময়ে সকলকে সাবধানতা ও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেন, ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়া, যেখানে সেখানে কফ থু-থু না ফেলা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নগরীর ২৪, ২০, ১৯নং ওয়ার্ড ও খালিশপুর থানা এলাকায় হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষের তালিকা করে বাসায়-বাসায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। এ কর্মসূচিতে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল-ইসলাম, সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড খলিলুর রহমান, মহানগর নেতা কমরেড মনির হোসেন, যুব মৈত্রী জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার ও ছাত্র মৈত্রীর জেলা সহ-সভাপতি মির মানিক প্রমুখ।
যশোরে শিক্ষার্থী অপহরণের অভিযোগে মামলা গ্রেফতার-১
যশোর অফিস
যশোরে এক স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থী অপহরণের অভিযোগে কোতয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অপহরণকারী শিক্ষার্থী রুখছানা আক্তার উর্মি (১৪) কে উদ্ধার করে রোববার যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। মামলায় আসামী করা হয়েছে ৬জনসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জন। এ সময় পুলিশ এজাহার নামীয় আসামী আরজিনা বেগমকে গ্রেফতার করেছে
যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়ার মৃত খালেক সিকাদেরর ছেলে হাফিজুর রহমান কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত এজাহাওে আসামী করেছেন,সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের উসমান গণি খানের ছেলে রিপন হোসেন,রুহুল আমিন খানের ছেলে ওসমান গনি খান,ওসমান গনি খানের স্ত্রী আরজিনা বেগম, ইব্রাহিমের ছেলে রাজু,সিরাজুল ইসলামের ছেলে ওবাইদুল ও সদর উপজেলার দাইতলা গ্রামের আনারুলসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩জন।
হাফিজুর রহমান তার দায়েরকৃত এজাহারে বলেন তার মেয়ে রুখছানা আক্তার উর্মি যশোর এমএসটিটি বালিকা বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। রুখসানা আক্তার উর্মি স্কুলে আসা যাওয়া প্রাক্কালে উক্ত রিপন হোসেন তাকে উত্যক্তসহ বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে ২ ও ৩ আসামী উর্মিকে দেখে পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। উর্মি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাকে বিয়ে দিতে তার পরিবার অস্বীকার করে। উর্মি প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি হতে বের হয় ৩১ মার্চ সকালে। বাড়ির সামনে পৌছালে ৪ মোটর সাইকেল যোগে রিপন হোসেনসহ তার সহযোগী আসামীরা উর্মিকে ফুসলিয়ে মোটর সাইকেল যোগে তুলে নিয়ে বারান্দীপাড়া লিচুতলার দিকে চলে যায়। উর্মির ফুফু চায়না বেগম দেখে উর্মিকে অপহরণকারীদের হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পুলিশ এটনায় এজাহার নামীয় ৩ নম্বর আসামী আরজিনা বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে।
যশোরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের ঘটনায় লম্পটের অস্বীকার ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহন
যশোর অফিস
ভিক্ষুক দম্পতির প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বাড়িওয়ালা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ধর্ষন অতপর অন্তসত্বার ঘটনায় শনিবার আদালতে ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহন করা হয়েছে। লম্পট ও ধর্ষক যশোর শহরের শংকরপুর পশ্চিম পাড়ার মৃত আত্তাবের ছেলে রানা হোসেন পুলিশের কাছে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে সোপর্দ করার পর জবানবন্দি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সুমন ভক্ত জানিয়েছেন, কিশোরীর অন্তসত্বা প্রসাবের পর ডিএনএ টেষ্ট করা হবে।
প্রতিবন্ধী কিশোরীর মাতা শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন,তিনি ও তার স্বামী সকাল ৮ টায় বাড়ি হতে বের হয়ে বিকেল ৪ পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করতো। ভাড়া বাড়িতে এক মাত্র প্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে রেখে যেতেন। উক্ত বাড়ির মালিক রানা হোসেনের স্ত্রী বিগত ৭ মার্স পূর্বে স্বামী রানাকে ডিভোর্স দেয়। বাড়িতে প্রতিবন্ধী কিশোরী থাকার সুযোগে তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে রানা হোসেন একাধিকবার ধর্ষন করে। এক পর্যায় কিশোরীর পেট উচু দেখে তার মা বাবা তাকে বিষয়টি জ্ঞিাসাবাদ করলে সে জানায় রানা হোসেন তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ইতিপূর্বে ১০/১২ বার ধর্ষন করেছে। পরে রানা হোসেনকে বিয়ের কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তাদেরকে মারপিটসহ বাড়ি হতে চলে যাওয়ার হুমকী দেয়। পুলিশ রানা হোসেনকে গ্রেফতার করে থানায় আনার পর সে সব স্বীকার করে। পরে তাকে শনিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে জবানবন্দি প্রদান করার কথা বলে সে অস্বীকার করে। তবে কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা ও ২২ ধারা জবানবন্দি সম্পন্ন করেছেন।
যশোরে যৌতুকের কারনে সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মনীষা আহত: স্বামী গ্রেপ্তার
যশোর অফিস
যৌতুকের ৫লাখ টাকা জন্য মারপিটের শিকার হয়েছে যশোর শহরের নাজির শংকরপুরস্থ সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) উপ-তত্ত্বাবধায়ক শান্তা শ্যামলী মনীষা (৩৪)। এই ঘটনায় তিনি স্বামী কিংশুক ভাষ্করের (৪৩) বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী গ্রামের আব্দুল খালেক মনির মেয়ে ও যশোর শহরের নাজির শংকরপুর সরকারী শিশু পরিবার বালিকা উপ-তত্বাবধায়ক মনীষা বাদি হয়ে তার দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করেছেন, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাইশা গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে কিংশুক ভাষ্করের সাথে তার ১২ বছর আগে বিয়ে হয়। তিনি শংকরপুরস্থ সরকারি শিশু পরিবারের কোয়াটারে বসবাস করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে নানা ভাবে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। কিংশুক মনীষাকে তার পিতার বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলে। তিনি দিতে রাজি না হওয়ায় গত ২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় তার সরকারী কোয়াটারে তাকে মারপিট করে। তার নাকে ও মুখে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। পরে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে কিংশুক তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। পরে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এসে চিকিৎসা গ্রহন করেন। পরে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। পুলিশ যৌতুক লোভী স্বামী কিংশুককে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছেন।
যশোরে কিশোরের আত্মহত্যা
যশোর অফিস
আরাফাত হোসেন (১৬) নামে এক কিশোর রোববার সকালে আত্মহত্যা করেছে। সে এবছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান মনি’র ছেলে। কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ কনস্টেবল রুহুল আমিন জানান, রোববার ৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১ টায় আরাফাত হোসেন পারিবারিক কলহের এক পর্যায় অভিমান করে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা। এ ব্যাপারে কোতয়ালি মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মহেশ^রপাশা মানবতার ডাক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ^রপাশা গোলকধাম মোড়ে অবস্থিত মানবতার ডাক সংস্থার উদ্যোগে ৫এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫টায় স্থানীয় গোলকধাম মোড়ে সংস্থাটির কার্যালয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীর দরিদ্র প্রায় এক শতাধিক কর্মহীন পরিবারের প্রতিটি পরিবারকে ৭কেজি চাল, আধা কেজি ডাল, ২কেজি আলু এবং ১টি করে সাবানসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় সংস্থাটির সভাপতি জামসেদ শেখ, সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসেন, খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শেখ বদরউদ্দিন, মিজানুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, সেকেন্দার মিয়া, মো. মনিরুজ্জামান, শারমিন সুলতানা নিপা, রওশন আরা, হাফিজুর রহমান, জাহিদ হাসান পিন্টু, এমরান হোসেন, আমিন আহম্মেদ, হাসমত শেখসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
উত্তর বনিকপাড়ায় কর্মহীন দিনমুজুরদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ^রপাশা উত্তর বনিকপাড়ার দীনমুজুরদের মাঝে এলাকার যুব সমাজের উদ্যোগে কয়েকজন স্বচ্ছল ব্যক্তির সহযোগিতায় ৫এপ্রিল রবিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় উত্তর বনিকপাড়া ইমলাক ঢালীর বাড়ী সংলগ্নে এলাকার প্রায় দেড় শতাধিক কর্মহীন দীনমুজুর পরিবারের প্রতিটি পরিবারকে ৪কেজি চাল, ১কেজি ডাল, ১লিটার তেল, ২কেজি আলু এবং ১টি করে সাবানসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় করোনা সংক্রামক মরণ ব্যাধি এ থেকে বাঁচার জন্য জনসাধারণকে সচেতন হয়ে সামাজিক দুরত্ব এবং সরকার ঘোষিত নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান। এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইমলাক ঢালী, যোগিপোল ৩নং ইউনিট আওয়ামীলীগ নেতা এস এম ইসহাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিউদ্দিন শফি, বাবু তপন কুমার দত্ত, কামরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন রোমান মোল্যা, তরুণ সমাজ সেবক মো. ফয়সাল হোসেন, ১নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. ফরহাদ হোসেন, আলহাজ্জ জাবেদ হোসেন, বাবুসহ এলাকার যুবক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য গত ১এপ্রিল এই যুবকদের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্র ৫০টি পরিবারের প্রত্যেককে একই পরিমান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
গিলাতলা আদর্শ যুব পর্ষদের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা আদর্শ যুব পর্ষদের উদ্যোগে ৫এপ্রিল রবিবার বিকাল ৫টায় এলাকার কর্মহীন দরিদ্র অসহায় সাড়ে ৩’শ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্জ শেখ মনিরুল ইসলাম খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানার ওসি তদন্ত মো. কবির হোসেন, এস আই আ, হক, যুব পর্ষদের সভাপতি শেখ আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. মুক্ত খান, খান আঃ হালিম, গাজী তফসির উদ্দিন , সরদার সালেহ আহম্মেদ, খান আমির হোসেন, শেখ মোহাম্মাদ আলী,শেখ আলতাফ হোসেন, শাহীন খান, মানিক খান, বোরহান খান, জুলফিকার আলী, শাহনাজ বেগম, মিন্টু খান, রিপন খান, হায়দার আলী সহ কাবের সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একুশের আলো খুলনার উদ্যোগে খালিশপুরে রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মাঝে খাবার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন একুশের আলো খুলনার উদ্যোগে গতকাল (রবিবার) দুপুরে খালিশপুর বিআইডিসি রোডে রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রখর রোদ উপেক্ষা করেই শতাধিক রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মাঝে এ খাবার বিতরণ করা হয়। যাত্রী জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার জন্য চালকদেরকে অনুরোধ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন খালিশপুর থানা কমিটির সম্পাদক খলিলুর রহমান সুমন, একুশের আলো খুলনার প্রধান নির্বাহী মাহবুবুল হক, সদস্য এনামুল হক রাসেল, আবু নাঈম, ফরহাদ হোসেন, মাহবুব হোসেন, মোঃ পারভেজ, মোঃ পিয়াল, মোঃ আলম, সাইফুল ইসলঅম, ফয়সাল আহমেদ, নাঈম মোল্যা প্রমূখ।
সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত আরো ৬৩ জনসহ মোট ২ হাজার ৯৯৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে, ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৯১৬ জনকে,
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত আরো নতুন ৬৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এনিয়ে, এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৯৯৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে আরো ৯১৬ জনকে।
এদিকে, ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রতিদিনই ভারত থেকে ঢুকছে শত শত বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী। আজ রবিবার বেলা ২টা পর্যন্ত ৪৮ জন বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী দেশে ঢুকেছেন। যার বেশীর ভাগই বাড়ি সাতক্ষীরায়। সমগ্র দেশ জুড়ে যখন চলছে অঘোষিত লক ডাউন ঠিক তখনই ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে ঢুকছে শত শত বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী। এতে সাধারন মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও আতঙ্ক বাড়ছে। তবে, ভারতে লক ডাউনের কারনে ভারতীয়রা বাংলাদেশ থেকে তাদের নিজ দেশে ফিরতে পারছেননা বলে জানিয়েছেন ইমিগ্রেশন ওসি বিশ্বজিত সরকার। তবে, ভোমরাস্থল বন্দরসহ সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারী করেছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীরা।
ওয়ালটন পরিবেশক চিতলমারীর দুই শতাধিক পরিবারকে ত্রাণ বিতরন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় রবিবার ব্যতিক্রমভাবে দুই শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করেছে ওয়ালটনের স্থানীয় পরিবেশক। শেখ হেলাল উদ্দিন একাডেমির মাঠে তিন ফুট দুরত্বে গোলাকার বৃত্তের মধ্যে তালিকাভুক্ত পরিবারের সদস্যদের পর্যায়ক্রমে দাড়াতে বলা হয়। এরপর একে একে তাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন আয়োজকগণ। বিকাল চারটার দিকের এই আয়োজন স্থানীয় সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ওয়ালটনের স্থানীয় পরিবেশক মেসার্স সনি কর্ণারের সত্ত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম মুন্সি বলেন, করোনা ভাইরাস হতে চিতলমারী উপজেলার মানুষদের রক্ষা করতে এইভাবে আয়োজন করা হয়। প্রতি পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, তেল, লবন, পেঁয়াজ ও হাত ধোয়ার সাবান দেয়া হয়েছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রাখা হবে।
খাবার সামগ্রী প্রাপক বিধবা গোলেজান বিবি জানান, গোল বৃত্তের মধ্যে দাড়াতে গিয়ে প্রথমে অবাক হই। দাড়ানোর পরে বলা হয়েছে, এভাবে দুরে দাড়ালে, মুখোশ ব্যবহার করলে এবং নিয়মিত হাত-মুখ ধুয়ে পরিস্কার করলে করোনা ভাইরাস হবে না। বিষয়টি জেনে আমার মনের ভয় কেটে গেছে।
বাগেরহাটে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার, কমিটি স্থগিত
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফজলে হাসান এলাহী শিকদার (৫৪) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সদর উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের নওশের আলী বাচ্চুর জমিতে ঢুকে গড়াবেড়া ভাংচুরের অভিযোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এলাহীকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে এক প্রেসবিজ্ঞতিতে গোটাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি স্থগিত করেছে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃবৃন্দ। সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ মনি ও সাধারণ সম্পাদক মুকুল মল্লিক স্বাক্ষরিত ওই প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় অনিবার্যকারণ বশত গাটাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি স্থগিত করা হল। গ্রেফতার ফজলে এলাহী শিকদার সদর উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত জামাল শিকদারের ছেলে। বাগেরহাট সদর থানার এসআই লোকমান হোসেন বলেন, নওশের আলী বাচ্চুর করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ফজলে হাসান এলাহী শিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রবিবার (০৫ এপ্রিল) সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ মনি বলেন, উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গোটাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে।
চিতলমারীতে বেশীর ভাগ মানুষ সামাজিক দুরত্ব মানছেনা আড্ডা মারছে পাড়া মহল্লায়
চিতলমারী প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বেশীর ভাগ মানুষই সামাজিক দুরত্ব মানছেনা। যার ফলে এউপজেলায় ঝুকি বেড়ে যাচ্ছে। রাস্তা ঘাট- হাটবাজার, পাড়া, মহল্লায় সববয়সের মানুষ অবাধে চলা ফেরা করছে। উপজেলা প্রশাসন রাষ্ট্র ও জনগনের স্বার্থে প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে রাত পর্যন্ত সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে উপজেলার একপ্রান্তথেকে আরএক প্রান্ত চষে বেড়াচ্ছেন।কোন কারন ছাড়া বাইরে বেরলে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখিন হয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা হচ্ছে।
এরপরও তারা পাড়া মহল্লার মধ্যে বা দোকানের সামনে জড়ো হয়ে আড্ডা দিচ্ছে। কোন ভাবেই মানুষের মধ্যে সচেতনতা ফিরে আনা যাচ্ছেনা। সরকারের বেধে দেয়া এসময়টা ও স্বস্থ্য বিধি আমরা যদি ধৈর্য ও সরকারী নির্দেশ মেনে সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে পার পার করতে না পারি তাহলে বড়ধারনের বিপদ হতে পারে।সরকারের নির্দশনা ছিল ১৪ দিন সকলকে নিজনিজ বাড়িতে ঘরবন্দি হয়ে থাকতে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘরের বাহিরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এউপজেলায় প্রথম থেকে সরকারী এ নির্দেশনা মানলেও এখন তা আর মানছেনা।রাস্তা ঘাট, হাট-বাজার, পাড়া মহল্লায় সববয়সের মানুষ অবাধে চলা ফেরা করছে।বিকেল হলে পাড়া বা মহল্লার মধ্যে ছোট ছোট দোকানের সামনে দল বেধে মোবাইল ফোন নিয়ে আড্ডা দিতে দেখা গেছে।
চিতলমারীতে গৃহবন্দি মানুষের মাঝে জেলা পুলিশের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে কর্মক্ষম বেকার হয়ে পড়া গৃহবন্দি হতদরিদ্র ও দিনমুজুর মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা মিটাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রহী বিতরন করা হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২ টায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডুমুরিয়া এলাকায় গৃহবন্দি বেকার হয়ে পড়া হত দরিদ্র পরিবারের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে এনিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন জেলা পুলিশ সুপার পংকজ রায়, এসয় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিসদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, ইউএনও মো: মারুফুল আলম, অফিসার ইনচার্জ মীর শরিফুল হক, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মো: বাবুল হোসেন খান, সাধারন সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়,সদর চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শেখ, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি মুকুলেশ ঢালী।
সাগরদাঁড়ী ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেনের উদ্যোগে ৭ শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগনেতা শাহাদাৎ হোসেনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লগডাউনে কর্মহীন সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের ৭ শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে রবিবার বিকালে চাউল-ডাউল-সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সাগরদাঁড়ীর মধুমঞ্চে প্রধান অতিথি হিসাবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা। এসময় প্রধান অতিথি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফাও ব্যক্তিগত ভাবে উক্ত হতদরিদ্রদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন ৯ টি ওয়ার্ডে পৃথকভাবে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবুল হাসান, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ইউপি সদস্য বৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বটিয়াঘাটায় করোনা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ
বটিয়াঘাটা (খুলনা) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা এস এম ফরিদ রানার নেতৃত্বে গতকাল শনিবার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুকদাড়া, গাওঘরা, কোদলা, সুন্দর মহল, মঠবাড়ি, বারোআড়িয়া বাজার এবং বটিয়াঘাটা সদরে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ দেবাশীষ মন্ডল, এস এম শাহীন আলম, ডাঃ সুব্রত মন্ডল, অলোক রায়, কাবিদুল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, এস এম সৌরভ, জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক শেখ আল আমিন, সুজিত রায়, ইউনুচ শেখ, ফারুখ গাজী, চিন্ময় রায়, মোঃ সাইফুল্লা, বিষ্ণুপদ মন্ডল, নিখিল চন্দ্র মন্ডল, শৈলেন্দ্র নাথ মন্ডল প্রমূখ।
বটিয়াঘাটা উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি, তবে বিদেশ ফেরত বেশ কয়েকজন এলাকায় ফিরলেও তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক অর্পনা বিশ্বাসের সাথে বার বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করছেন না। চার্টারে কন্ট্রোল রুমের ০১৭৩০-৩২৪৫৯৩ এই নম্বরে কল করা হলে নম্বরটি ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অপারেটর থেকে জানায়। অবস্থার দৃষ্টে মনে হয়, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা সংক্রান্ত বিষয়টিকে গোপন রাখতে চায়।
খানজাহান আলী থানা এলাকার মানসিক ভারসাম্যহিন লোকের মধ্যে ওসি শফিকুলের খাদ্য বিতরন
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতি কারনে বিভিন্নস্থানের মত খানজাহান আলী থানা এলাকার হোটেল , রেস্তারা , চা এর দোকান বন্দ থাকায় চরম খাদ্য কষ্টে দিন কাটাচ্ছে ১৫ জন মানসিক ভারসাম্যহিন ব্যক্তি । এ সংক্রান্ত খবর গত শনিবার বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ হবার পর খানজাহান আলী থানা অফিসার্সইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম গভির রাতে এ সকল ব্যক্তিদের খুজে খুজে খাবার বিতরন করেছেন । ওসি শফিকুল ইসলামের এ উদ্যেগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্নশ্রেনি পেশার মানুষ। গিলাতলা কেডিএ আবাসিক এলাকার স্থানিয় বাসিন্দা প্রফেসর শামসুল হক বলেন অনেক ব্যাবসায়ি তাদের ডেকে খাবার দিতো কিন্তুবর্তমানে দোকানপাঠ বন্দ থাকায় তারা খাবার পাচ্ছেনা , কিন্তু খানজাহান আলী থানার ওসি যে কাজটি করছেন তা সত্যিই প্রশংসাজনক । এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন আমরা থানা এলাকার প্রত্যেক টি এ ধরনের ব্যক্তিকে খুজে বের করে তাদের খাবারের ব্যাবস্থা করছি, এবং এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে । উল্যেখ্য করোনার প্রভাবে খানজাহান আলী থানা এলাকার ফুলবাড়ীগেট, বাদামতলা , গিলাতলা, শিরোমণি, মিরবাড়ি, গ্যারিশন, ডাক্তারবাড়ী, মাত্তমডাঙ্গা, পথেরবাজার মশিয়ালি সহ আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের প্রায় ১৫ জন মানসিক ভারসাম্যহিন ব্যক্তি চরম কষ্টের মধ্যে দিন কাটছিলো।
গিলাতলা দঃ পাড়ায় সিমানা পিলারের চাপায় ২য় শ্রেনির শির্ক্ষার্থী মৃত্যু
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
নগরির খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা দঃ পাড়ায় সিমানা পিলারের চাপায় ২য় শ্রেনির শিক্ষার্থী মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । সোমবার দুপুর ২ টার সময় গিলাতলা দঃ পাড়া শেখ সিমেন্ট সংলগ্ন মোঃ আলম হোসেনের শিশু পুত্র ও সাখাওয়াতৎ মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনির ছাত্র সিয়াম (৬) প্রতিবেশির সিমানা পিলার এর পশে খেলা করছিলো খেলার একপর্যায়ে পিলার টি ভেঙ্গে সিয়ামের মাথায় পরে এসময় স্থানিয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানিয় কিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করে । গতকাল বাদ আছর গিলাতলা কেডিএ আবাসিক গোরস্থানের সামনে জানাযা শেষে আবাসিক কবরস্থানে দাফন করা হয় । এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে ।
পুলিশ নারী কল্যান সমিতি(পুনাক), খুলনা জেলা কর্তৃক বেদে সম্প্রদায়ের জন্য ০১ মাসের বিশেষ খাদ্য সহয়তা
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কর্মসূচী চলাকালে কর্মহীন বেদে সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য রবিবার পুলিশ নারী কল্যান সমিতি(পুনাক), খুলনা জেলার পক্ষ থেকে এক মাসের খাদ্য সহায়তা দেযা হয়েছে। জেলার তেরখাদা থানার বেদে সম্প্রদায়ের ৩৫ টি পরিবারের মোট ১৪৯ জন সদস্যের জন্য ০১ মাসের খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় পুলিশ নারী কল্যান সমিতি(পুনাক), খুলনার সভাপতি মিসেস শারমিন আক্তার এবং খুলনা জেলার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থেকে বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া খুলনা জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের নারী পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার মুক্তামনির নানাকে কুপিয়ে হত্যা
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
রক্তনালির টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশব্যাপী আলোচিত সাতক্ষীরার মুক্তামনির নানা শওকত সরদারকে (৬০) তুচ্ছ ঘটনায় কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় আহত হয়েছে নিহতের ছেলে ইমন ও চঞ্চল। শনিবার রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শওকত সরদার সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মৃত মুক্তার সরদারের ছেলে ও রক্তনালি টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশব্যাপী আলোচিত মুক্তামনির নানা।
নিহতের জামাতা ও মুক্তামনির বাবা ইব্রাহিম হোসেন জানান, গত শুক্রবার উত্তর শিবনগর জামে মসজিদে জুম্মার নামাজে মসজিদ উন্নয়নে টাকা তুলছিলো প্রতিবেশী শামিম নামে এক যুবক। নিহত শওকতের ছেলে হাবিবুর রহমান দানের টাকা না দেওয়ায় মসজিদের মধ্যেই তাকে অপমান করে শামিম। নামাজ শেষে হাবিবুর বাড়ি যেয়ে তার পিতা শকওকতকে বিষয়টি জানায়। শওকত সাথে সাথে মসজিদের সামনে এসে শামিমের পিতা ফজলুকে ঘটনাটি জানায়। এসময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামিমের নেতৃত্বে ফারুক, শরিফুলসহ ৮/১০ জন সন্ত্রাসী ধারালো দা দিয়ে শওকতের মাথায় কোপ মারে এবং অন্যান্যরা এলোপাতাড়িভাবে লাঠি দিয়ে মারপিট করে। এ সময় বাবা শওকতকে ঠেকাতে এসে তার দুই ছেলে ইমন ও চঞ্চল আহত হয়। স্থানীরা শওকতকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরার সদর হাসপাতেল ভর্তি করলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে, আহত ইমন এখনও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ও চঞ্চল সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি শুনেছি তবে কেউ এখনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আইসগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাগেরহাটে সামাজিক দুরত্ব মানছে না অধিকাংশ মানুষ, প্রশাসনের সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান
মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট
বাগেরহাটে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষের সাথে সামাজিক দূরত্ব বাড়াতে প্রশাসনের নেওয়া উদ্যোগ কাজে আসছে না। শহরের মানুষ কিছুটা মানলেও গ্রামের মানুষ মোটেই মানছে না। দিনের বেলাতে মোড়ে, হাট বাজারে ভিড় না থাকলেও সন্ধ্যায় ভিড় বাড়ছে এবং তা চলছে রাত নয়টা দশটা পর্যন্ত। জেলা প্রশাসন বা কোন বেসরকারী সংগঠন সহায়তা দিতে আসলে সেখানে সামাজিক দুরত্ব না মেনে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন।
এক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে। গ্রামের মানুষ যেভাবে ঘর ছেড়ে বাড়ির বাইরে আসছে তাতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কতটা রোধ করা যাবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বাগেরহাটের বিভিন্ন পাড়া মহল্লা, মোড় ও হাটবাজারের জনসমাগম কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত দুইদিন সরজমিনে ঘুরে ও বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বাগেরহাট জেলা নয় উপজেলা অধিকাংশ এলাকার একই চিত্র পাওয়া গেছে। সব শ্রেণি পেশার মানুষকে ঘর বন্দি রাখতে শুরুতেই বাগেরহাটের প্রশাসনসহ সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো স্থানীয় জনগনকে সচেতন করতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন এলাকার স্থানীয়রা বলছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সবারই ঘরে থাকা উচিত। রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে আমরা জানছি কিন্তু মানছি। সরকারের নির্দেশনা মেনে চললে আমরা তাড়াতাড়ি আগের অবস্থায় ফিরতে পারব বলে মনে করেন এই ব্যক্তিরা।
এপ্রসঙে বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদ উদ্দীন হায়দার বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দুরত্বের বিকল্প নেই। বাগেরহাটে অনেক এলাকায় সামাজিক দুরত্ব মানুষ মানছেন না। বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা বিবেচনা করে আগামী এপ্রিল মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ আমাদের জন্য খারাপ সময়। এই সময়টায় আমাদের সবার ঘরে থাকতে হবে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বাগেরহাটের বিভিন্ন সংগঠন কাজ করছে। সবাইকে আরও সচেতন করতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাসহ সেচ্ছাসেবীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বাগেরহাট সদর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বাগেরহাটে ভারতসহ ৩৮ টি দেশের চার হাজারের অধিক মানুষ সম্প্রতি বাগেরহাটে ফেরেন। ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তাদের মধ্যে আমরা এক হাজার পাঁচশ ১৭ জনকে ১৪ দিনের হোম কোরেন্টিনে নেওয়া হয়। এরমধ্যে এক হাজার ২১৮জনের ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকিরা হোম কোরেন্টিনে আছেন। এই এপ্রিল মাসের প্রথম দশদিন ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সবচেয়ে ডেঞ্জার সময়। এই সময়টা সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সবাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যারা যার বাড়িতে অবস্থান করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাগেরহাটের মানুষকে সামাজিক দুরত্ব ও ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে। অতিপ্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। সব ধরনের জনসমাগম রোধ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ভিড় দেখলে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যেয়ে তাদের বোঝাচ্ছে। তারা চলে আসার পর আবার স্থানীয়রা আবার জড়ো হচ্ছেন। নিজেরা যদি সচেতন না হন তাহলে চলবে কি করে। আসুন সবাই সচেতন হয়ে ঘরে থাকি করোনা ভাইরাসকে না বলি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের মাঠে কাজ করা একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বাগেরহাট শহরের মানুষ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলছে। তবে গ্রামের মানুষ দিনের বেলায় বাড়িতে থাকলেও বিকেল গড়ানোর সাথে সাথে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোড়ে বা বাজারে যাচ্ছেন। সেখানে ভিড় করে গল্প করছেন চা পান করছেন। সামাজিক দুরত্বও মানছেন না। তবে এই মানুষদের মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষণীয় তাহলো ছেলে বুড়ো সবাই মুখে মাক্স পরে বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন। আমরা এসব মানুষদের করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা বোঝাচ্ছি। তারাও বুঝছেন কিন্তু মানছেন না। তারা চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ যাতে সামাজিক দূরত্ব মেলে চলে তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বেশি প্রচারণা চালানো হবে।
সিটি মেয়র নগরীতে নি¤œ আয়ের ব্যক্তিদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় রবিবার সকালে খুলনার দৌলতপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস চত্বরে দূরত্ব বজায় রেখে কর্মহীন নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে চাল, ডাল, আলু, সাবান, তেল, পেঁয়াজ, লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, বিজেএ’র চেয়ারম্যান শেখ সৈয়দ আলী, ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কবির হোসেন কবু মোল্ল্যা, ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, আকাঙ্খা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ মজনু, মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম বন্দ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুর রব মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সিটি মেয়র তিনশত নি¤œ আয়ের ব্যক্তিদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
পরে সিটি মেয়র পর্যায়ক্রমে নগরীর ৮, ১১, ১২, ১৮, ১৬ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ মোট এক হাজার ছয়শত পঞ্চাশ কর্মহীন নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে উন্নয়ন কমিটির খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
রবিবার ৫ এপ্রিল বেলা ১১টায় বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ‘ঘরে থাকুন’ এই প্রত্যয়ে দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উন্নয়ন কমিটির কার্যালয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি নিজাম উর রহমান লালু, শাহিন জামান পন, অধ্যাপক মো: আবুল বাসার, মামনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মো: মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান বাবু, মিজানুর রহমান জিয়া, উন্নয়ন কমিটির নেতা রকিব উদ্দীন ফারাজি, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মিজানুর রহমান টিংকু, মো: খলিলুর রহমান, অধ্যাপক মো: আজম খান, মো: দেলোয়ার হোসেন, মো: আজিমুর রহমান, মো: সেলিম সরওয়ার, আব্দুল হান্নান, আতিয়ার রহমান, সরদার জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও উন্নয়ন কমিটির বিভিন্ন থানা শাখার পক্ষ থেকে দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে সকলকে ঘরে থাকার জন্য আহবান জানান।
এছাড়াও উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ সমাজের বিত্তশালী ও সামর্থবানদের প্রতি দরিদ্র, কর্মহীন ও অসহায় মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
কুয়েট শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ্যদের মধ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় বিশ^বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে কুয়েট ও আশেপাশের ১৩৫ টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. পল্লব কুমার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ আব্দুল হাসিব, শিক্ষক সমিতি কর্তৃক গঠিত এ সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এ এন এম মিজানুর রহমান, সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, প্রফেসর ড. কাজী এবিএম মহীউদ্দিন, সদস্য সচিব খন্দকার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ইকরামসহ বিশ^বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, প্রফেসর ড. সজল কুমার অধিকারী, ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহ, মোঃ এ¯্রাজ-উল-জান্নাত, পারভেজ আহমেদ, সৌমিত্র কুমার সরকার, সোমনাথ সোমদ্দার, মোঃ নূরুজ্জামান, প্রমুখ।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় প্রথম থেকেই সচেষ্ট। ইতঃপূর্বে বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে কয়েক হাজার বোতল হ্যান্ড সেনিটাইজার বিতরণ, ক্যাম্পাস ও ফুলবাড়ীগেট এলাকায় সচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুন স্থাপন এবং হ্যান্ড বিল বিতরণ করা হয়।
খুলনায় মৃত রিফাতের বাসায় ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত ৩১ মার্চ খুলনার খালিশপুরের বিহারী কলোনিতে বসবাসরত মোঃ আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ রিফাত চারটি হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু বরন করেন, তার পরিবারকে সান্ত¡না দিতে গতকাল রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকালে বাসভবনে উপস্থিত হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর ও খালিশপুর থানার নেতৃবৃন্দ। তারা উপস্থিত তার মা ও নানাকে সান্ত¡না দেন এবং বলেন এই ঘটনা কখনই কাম্য নয়, এধরনের সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ হাফিজুর রহমান, খালিশপুর থানার সহ সভাপতি মোঃআবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম আকন্দ, ১২ নংওয়ার্ড সেক্রেটারী মোঃ শোয়াইবুর রহমান, মোঃ ইমাম হুসাইন, মোঃ জোবায়ের হোসেন, মোঃ ইমন হোসেন, মোঃ সোহেল রানা, মোঃইলিয়াছ হোসেন তারা সহ নেতৃবৃন্দ।
খুলনার বানিয়াখামার মাদ্রাসা শিক্ষকরা সরকারি নির্দেশনা মানছেন না
স্টাফ রিপোর্টার
করোনা পরিস্থিতিতেও সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে খুলনায় পশ্চিম বানিয়াখামার দারুল কোরআন বহুমুখী মাদ্রাসায় অবস্থান নিয়ে অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করছেন শিক্ষকরা। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে বিষয়টিকে তুচ্ছ ঘটনা হিসেবে দেখছেন। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২০ থেকে ২২ জন শিক্ষক ও স্টাফ কর্মরত আছেন। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক জানান, সেখানে প্রায় ২৫ জন শিক্ষক ও স্টাফ আছেন। তবে আজ ৫ থেকে ৭ জন অবস্থান করছেন। মাদ্রাসায় প্রবেশ করে কথা বলার পর শিক্ষকরা একে একে বেরিয়ে যান। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তার অফিস কক্ষেই অবস্থান নিয়ে কাজ চালিয়ে যান। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাদ্রাসা অবস্থান করে পরীক্ষার সিলেবাস তৈরির কাজ করা হচ্ছে। এ কারণেই তারা মাদ্রাসা অফিস কক্ষে অবস্থান করতেছে।
মাদ্রাসার অপর সহকারী শিক্ষক পশ্চিম বানিয়াখামার জামে মসজিদের খতিব ইমরান গওয়ারি বলেন, করোনা পরিস্থিতির পর মাদ্রাসা খুললেই পরীক্ষা শুরু। তার প্রস্তুতি হিসেবেই আমরা মাদ্রাসায় অবস্থান করে সিলেবাস তৈরি করছি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করছি এবং পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। অভিভাবক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরীক্ষার সিলেবাস নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তাকে মাদ্রাসা আসতে বলা হয়েছে। তাই তিনি মাদ্রাসায় এসে ছিলেন। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। তবে অফিসের কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করতে মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার কয়েকজন শিক্ষক অফিসে আসে। এটা তারা নিজ উদ্যোগেই করছেন। আর তিনি নিজেই এই মাদ্রাসার পাঁচ তলায় অবস্থান করছেন। এখানেই তার আবাসিক বাসা। শিক্ষকরা অফিসে আসার কারণে তিনি নিজেও অফিস কক্ষে অবস্থান করছেন। এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক বলেন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম নির্ধারণের জন্য আবাসিকে থাকা কিছু শিক্ষক অফিসে বসে কাজ করে থাকতে পারেন।











































