।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি গঠনে সকলকে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানিয়ে বলেন, পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছি। ভাষা আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করেছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সকল ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এজাজ আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের গল্প রাতের ভোটে নির্বাচিত সরকারের তামাশা ছাড়া কিছুই নয়। উন্নয়ন বলতে কেবল সরকার দলীয় নেতা এমপি ও মন্ত্রীদের সম্পদ বেড়েছে। সরকার বিএনপিকে নির্মূল করার অপচেষ্টা করেছিলো কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি; তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
৭০ বছর আগে ভাষা আন্দোলনের যে মূল চেতনা ছিল সেই চেতনা ছিল আমাদের স্বাধীকারের চেতনা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার চেতনা। বাক-স্বাধীনতা থাকবে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই চেতনাকে ধারণ করেই আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম একুশে পদক শুরু করেছিলেন। অবৈধ সরকার জনগণের ওপরে চেপে বসে আছে যারা জনগণের সমস্ত আশা আকাক্সক্ষাকে দমন করছে এবং একুশের যে চেতনা সেই চেতনাকে তারা ভুলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় গৃহবন্দী হয়ে আছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান মিথ্যা মামলায় নির্বাসিত অবস্থায় আছেন। অগণিত মানুষ মামলায় জড়িত। তিনি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের বিদায় ঘটবে ইনশাল্লাহ।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলার সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, বিএনপি নেতা স ম আব্দুর রহমান, কাজী মো. রাশেদ, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, আজিজুল হাসান দুলু, এ্যাড, তসলিমা খাতুন ছন্দা, মোস্তাউল বারী লাভলু, আজিজা খানম এলিজা, মনিরুল হক বাবুল, কাজী মাহমুদ আলী, আবুল কালাম জিয়া, শেখ সাদি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, বদরুল আনাম খান, সুলতান মাহমুদ, মোল্লা মোশারেফ হোসেন মফিজ, একরামুল হক হেলাল, নাজির উদ্দিন নান্নু, শামিম কবীর, এবাদুল হক রুবায়েত, আতাউর রহমান রুনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইশতি, আহসান উল্লাহ বুলবুল, শামসুল বারী পান্না, গাজী আফসার উদ্দিন মাস্টার, নাসির খান, এইচ এম আসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি, সিরাজুল ইসলাম লিটন, জি এম মঈন উদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মুনতাসীর আল মামুন, তরিকুল ইসলাম তারেক, নিঘাত সীমা, আনজিরা খাতুন, শাহনাজ সরোয়ার, শাম্মী আক্তার, সেতারা সুলতানা, এ্যাড, কানিজ ফাতেমা আমিন, মাহমুদা কাজল, আবু জাফর, মেশকাত আলী, এ্যাড, মারুফ হোসেন, দিপু প্রধান, আমিন আহম্মেদ, হুমায়ুন আহমেদ, কে এম মাহবুব আলমসহ অনেকে। আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন কে এম হুমায়ূন কবীর। আলোচনা শেষে দোয়া মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাত১২.০১ মিনিটে বিএনপির নেতৃবৃন্দ শহীদ হাদিস পার্কের শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি সুর্য্যেদয়ের সাথে সাথে মহানগর বিএনপির সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় খালিশপুরে এবং ৮টায় দৌলতপুরে কালো ব্যাচ সহকারে প্রভাতফেরীতে নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।











































