Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

27
ইরি-বোরো মৌসুমে ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা: পিবিএ

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর রেলওয়ে কলোনীর নুরুল ইসলামের ছেলে মো. মুরাদ ইসলাম (২২), ৪নং মাছঘাট বস্তির মৃত. মোতালেব হাওলাদারের ছেলে সজল হাওলাদার (৩০), নিরালা প্রাস্তিকা আবাসিক এলাকার  সুলতান দাড়িয়ার ছেলে মো. সাকিব দাড়িয়া (২০), আড়ংঘাটা দক্ষিণপাড়ার আলতাফ শেখের ছেলে মো. রুহুল আমিন (২৮) ও 

খালিশপুর পিপলস নিউ কলোনীর মৃত. মোজাম্মেল শিকদারের ছেলে মো. আজিম শিকদার (৩৭)। 

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, পিপিএম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৫মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফুলতলায় ডিবির অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা জেলার ফুলতলা থানাধীন যুগ্নীপাশা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী হলেন যশোর জেলার অভয়নগর থানার নওয়াপাড়া গ্রামের মো. ইব্রাহীম কাজীর ছেলে কাজী রোমান সাকিব (২২)।

জেলা ডিবি জানায়, ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফুলতলা থানাধীন যুগ্নীপাশা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এর দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই মো. মনিরুল  ইসলাম। এসময়  যুগ্নীপাশা শেষ সীমানা জুলহাস হাসানের ইজিবাইক গ্যারেজের সামনে খুলনা টু যশোরগামী মহাসড়কের পশ্চিম পাশ হতে ৫০ পিস ইয়াবাসহ সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআই মো. মনিরুল ইসলাম বাদী সাকিবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে ফুলতলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে যার নং-৫।

বোনাপোলে র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ১

স্টাফ রিপোর্টার

যশোর জেলার বোনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুর্টারগান ও ১ রাউন্ড গুলিসহ এক অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬।

৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অস্ত্রধারী হলেন যশোর জেলার বোনাপোল পোর্ট থানার নারায়নপুর গ্রামের মৃত. রবিউল ইসলামের ছেলে মো. ইসরাফিল হোসেন (৪০)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, ৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৯টার দিকে যশোর জেলার বোনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল পৌরসভা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ছোটআঁচড়া সাকিনে ১৪নং কাঁচামালের মাঠের সামনে বাইপাস সড়কের উত্তর পাশে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুর্টারগান ও ১ রাউন্ড গুলিসহ ইসরাফিল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় র‌্যাবের অভিযানে এক ধর্ষণকারী গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার

চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর থানার বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিমের কিছু আপত্তিকর ছবি কৌশলে তুলে মোবাইলের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রচারের ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ মামলার এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬।

৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামী হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার দাসপাড়ার  মো. আলাউদ্দিনের ছেলে মো. খোকন হোসেন (৩০)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, গত ২০ ও ২৪ জানুয়ারি আপত্তিকর ছবি কৌশলে তুলে মোবাইলের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রচারের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিকটমকে ধর্ষণ করে খোকন হোসেন। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলা হওয়ার পর থেকে র‌্যাব-৬ (ঝিনাইদহ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোকন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে দামুরহুদা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নগরীতে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে পিঠা-পায়েস উৎসব

খবর বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক পিঠা দিবস উপলক্ষে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় বছরও পালিত হয়েছে পিঠা-পায়েস উৎসব। রবিবার (৬ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নগরীর ডাকবাংলো মোড়স্থ এম সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর অডিটরিয়ামে উৎসব পালিত হয়। 

বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে পিঠা-পায়েস উৎসবের উদ্বোধন করেন সময় টিভি’সাবেক ব্যুরো প্রধান দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম। উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মহাসীন, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার শেখ হারুনুর রশিদ, নাগরিক নেতা শেখ নাসির উদ্দিন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ হেমায়েতুল ইসলাম, সহ-সভাপতি কবি সৈয়দ আলি হাকিম, ডা. সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডা. মো. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, সরদার আবু তাহের মো. কামরুল ইসলাম কামু, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ আলি মো. আজাদুল হক, কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এম শফিকুর রহমান, পরিবেশ সম্পাদক মীর কাওসার আহমেদ মিজু, নারী নেত্রী কওসারী জাহান মঞ্জু, খালিশপুর থানার সভাপতি তাহেরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানার প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি মল্লিক সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজুল কবির, মো. সাকিব, মো. ইয়ামিন, মো. রফিকুল ইসলামসহ বিশিষ্ট নাগরিক নেতৃবৃন্দ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন মুন্সি আহমেদ হোসেন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতি করার আহবান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, রাজনীতি হচ্ছে দেশ দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার স্থান। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্কুলজীবন থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। এমনকি ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবনের আনন্দের চেয়েও জনসেবামূলক কাজের প্রতি তাঁর আগ্রহ বেশি ছিল। আদর্শ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে হবে তবেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। রোববার (ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় পাইকগাছা প্রেসক্লাবে পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীদের জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতি করার আহবান জানিয়ে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু আরও বলেন, নীতিবিহীন নেতা নিয়ে অগ্রসর হলে সাময়িকভাবে কিছু ফল পাওয়া যায়। কিন্তু সংগ্রামের সময় তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথ ধরেই এগিয়ে যেতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। বজলুর রহমানের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশকে আজ নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছেন। শেখ হাসিনার অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চেতনা হৃদয়ে লালন করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তৃতায় খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল বলেন, তরুণ সমাজের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুপ্রেরণার নাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তরুণ প্রজন্মের কাছে মহান আদর্শ ব্যক্তিত্ব। তরুণদের কাছে তিনি একাধারে একজন উদার ব্যক্তিত্ব, সফল রাজনীতিবিদ অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মূর্ত প্রতীক।  তরুণ প্রজন্মকেই শপথ নিতে হবে এই মহান নেতার নীতি আদর্শ ধারণ করে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার। আরও বক্তব্য রাখেন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দীন ফিরোজ বুলু, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম-আহবায়ক সুমাইয়া সুলতানা লতা, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম রাজা, মোঃ ফেরদাউসুর রহমান, মোঃ মঈনউদ্দিন মাসুদ রানা, মাহাছসুদুন্নবী মিল্টন, ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মৃনাল কান্তি বাছাড়, শেখ মোঃ রাসেল, শেখ হেলাল বাবু, উপজেলা যুবলীগ নেতা এম এম আজিজুল হাকিম, গৌতম রায়, বাশারুল ইসলাম বাচ্চু, মোহম্মদ আলী, রইজ উদ্দীন, আক্কার আলী, গাউসুল হক প্রমুখ।

বুধহাাটয় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ইউনিয়নের চিলেডাঙ্গা গ্রামে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামের আবু তাহের গাজীর শিশু কন্যা আফিয়া (২) তার মায়ের সাথে চিলেডাঙ্গা গ্রামে মামা আব্দুল মাজেদ সরদারের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। মামার বাড়ির পাশে সবজী বাগানে সবজী উঠানোর সময় শিশুর মা মেয়েকে তার মামীর কাছে রেখে যান। মামীর চোখের আঁড়ালে আফিয়া পাশের পুকুরে (খাদে) পড়ে গেলে তাকে না পেয়ে খোজাখুজির এক পর্যায়ে বেলা ১১.৩০ টার দিকে তাকে মৃতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

আশাশুনি উপজেলা বিএনপি’আহবায়ক কমিটি ঘোষণা

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলা বিএনপি’আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আনুলিয়া ইউপি’নবনির্বাচিত সাবেক চেয়ারমান রুহুর কুদ্দুছকে আহবায়ক এস এম মশিউল হুদা তুহিনকে সদস্য সচিব করে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সিনিঃ যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে খায়রুল আহসানকে, যুগ্ম আহবায়ক শেখ আঃ রশিদ, আব্দুল আলিম, মির্জা আয়ুব আলি, শওকত হোসেন, তুহিন উল্লাহ আজহারুল ইসলাম মন্টু। ১নং সদস্য হেদায়েতুল ইসলাম এবং নুরুল হক খোকন, আঃ মান্নান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, নূরুল ইসলাম বাবলু, রবিউল ইসলাম ছোট, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলি মাষ্টার, মাস্টার বশির আহমেদ, জুলফিকর আলি জুলি, এবিএম সেলিম, রফিকুজ্জামান ছট্টু, বোরহান উদ্দিন বুলু, আশরাফুর রহমান মুকুল, আঃ মালেক মল্লিক, বজলুর রহমান, খালেদুজ্জামান টিপুু, আঃ ওহাব, কেসমত উল্লাহ তুহিন, ইসলাম গোলদার, আরিফুল ইসলাম বকুল, আতাউল্লাহ চৌধুরী সাদিক আনোয়ার ছট্টুকে সদস্য করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী সদস্য সচিব আঃ আলিম (চেয়ারম্যান) স্বাক্ষরিত প্যাডে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আশাশুনিতে ছাত্রলীগের মাস্ক বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনিতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে ছাত্রলীগের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (৬ফেব্রুয়ারি) সকালে আশাশুনি বাজারের বিভিন্ন দোকানে, ক্রেতাসাধারণ পথচারীদের মাঝে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বানের মধ্যদিয়ে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেনের দিকনির্দেশনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আশাশুনি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর রহমান রাজের নেতৃত্বে মাক্স বিতরণ করা হয়।

এসময় ছাত্রলীগ নেতা ইমদাদুল হক, সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়মন ইসলাম তারিক, সহ-সভাপতি শাহারুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, ছাত্রনেতা মনি, রাতুল, পলাশ, নাজমুল, আল-আমিন, সিদ্ধার্থ, ইমন, শাহেদ, শান্ত, শাওন, মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী শাহিনুর গাজীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শনিবার আসামীকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মমিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই ফকির জুয়েল রানা শুক্রবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলা (নম্বর-২, তাং-৩/২/২০২২) এর আসামী দরগাহপুর গ্রামের মৃত মুক্তার গাজীর ছেলে শাহিনুর গাজী (৩৫) কে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন।

খুলনায় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনায় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসী ফোরামের সভা শনিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসনসহ নাগরিক সমস্যা লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় জনসচেতনতা গড়তে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জোবায়ের আহম্মেদ খান জবার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ফোরামের যুগ্ম আহবায়ক নারী নেত্রী শামীমা সুলতানা শিলু, জেলা বিএনপির নেতা আব্দুর রশিদ, নারী নেত্রী রেহেনা আখতার, হোসনে আরা চম্পা, বিএনপি নেতা এইচ এম মেহেদী দিপু, সাংবাদিক কৌশিক দে, রাজনীতিক মিজানুর রহমান জিয়া, অ্যাডভোকেট হালিমা খাতুন শিউলী, মোসা: জেসমিন সুলতানা, হালিমা খাতুন শিউলী প্রমুখ।

করোনা শনাক্তের হার ৫৪.৫৫%: বাগেরহাটে মাস্ক ব্যবহারে অনীহা সাধারণ মানুষের

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে করোনা সংক্রমনের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। গেল ২৪ ঘন্টায় ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৮ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পরীক্ষার হিসেবে করোনা শনাক্তের হার দাড়িয়েছে ৫৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। নিয়ে জেলায় এপর্যন্ত করোনা শনাক্তের সংখ্যা হাজার ৬৯৬ জন। পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেলায় মারা গেছে ১৪৪ জন। সুস্থ্য হয়েছেন হাজার ৯৮৪ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১৩ জন। বাকিরা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গেল এক সপ্তাহ ধরে করোনা সংক্রমণের হার শতকরা ৩২ থেকে ৫৪.৫৫ শতাংশের মধ্যে উঠানামা করছে। এর পরেও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা। মানুষ মাস্ক ছাড়া হরহামাশা ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাস্ক না পরার কারণ হিসেবে মানুষের অজুহাতের শেষ নেই।

বিভিন্ন এলাকা বাজার ঘাটে আসা বেশিরভাগ মানুষকে মাস্ক ছাড়াই দেখা যায়। স্বাস্থ্যবিধির বালাইও নেই তাদের মাঝে। এর সাথে বিয়ে, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জনসমাগমতো রয়েছেই।

তবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন। মাস্ক ব্যবহার না করে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করার অপরাধে এক সপ্তাহে বেশ কয়েকজনকে অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এর পরেও মাস্ক ব্যবহার করতে মানুষের অনিহা। বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ বকসী জানান, করোনাভাইরাসের ধরণ ওমিক্রনের ধাক্কা লেগেছে বাগেরহাটে। একারণে দিনদিন সংক্রমণের মাত্রা বাড়ছে। সংক্রমণ রোধ করতে হলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাগেরহাটে ঝুকিপূর্ণ ভবনে চলছে ইউনিয়ন পরিষদের কাজ, দুর্ঘটনার আশংকা

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নং তেলিগাতী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পরিষদের যাবতীয় কাজ ওই ভবনেই করছেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, সচিব, উদ্যোক্তা, মেম্বার চৌকিদারগণ। এলাকার সাধারণ জনগণও নিরুপায় হয়ে ঝুকি নিয়ে ভবনে যাতায়াত করছেন দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনে।ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নগদ টাকা গ্রহন করার সময় আহত হয়েছেন একজন। সর্বশেষ গত মঙ্গল বুধবার চেয়ারম্যানের কক্ষের ছাদ থেকে খোয়াসহ পলেস্তারা খসে পড়ে। সময় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন চেয়ারম্যান মোরশেদা আক্তার। ঘটনার পর থেকে চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ এলাকার সাধারণ মানুষ পরিষদ ভবনে ঢুকতে চাচ্ছেন না। ইউপি সচিব মো. আসাদুজ্জামান, সদস্য মো. আবুল কালাম, জন্মসনদ নিতে আসা আবুবকর খান ফেরদৌস গাজী বলেন, পরিষদ ভবনে ঢুকলে মাথায় পলেস্তারা পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আমরা বিকল্প স্থানে ভবনের কার্যক্রম চালানোর জন্য চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছি।

বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোরশেদা আক্তার বলেন, ভবনটির অবস্থা খুবই নাজুক। যে কোন সময় অঘটন ঘটতে পারে। পরপর দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল আসলাম বলেন, ওই ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটির অনুমোদন হয়ে আছে। টেন্ডারও হয়েছে। শীঘ্রই নির্মাণ কাজ শুরু হবার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভবন না হওয়া পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী ভূমি অফিসের একটি কক্ষে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।

রূপসায় মনসুর স্মৃতি সংসদের আয়োজনে শীতবস্ত্র বিতরণ

রূপসা প্রতিনিধি

রূপসা উপজেলার সদরস্থ শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ আয়োজিত অসহায় শীতার্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান রবিবার বিকাল টায় কাজদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

 জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন  মুকুল, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। মনসুর স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক আহমদুল কবির চাইনিজ এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকএস এম হাবিব, চঞ্চল মিত্র, গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুল গফুর খান, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান,  এমপির প্রধান সমন্বয়কারী যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, সমাজসেবক মাফতুন আহমেদ রাজা, আলতাফ মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা  আজমল ফকির, ইলিয়াস শেখ, শিক্ষক বাশির আহমদ লালু, সমাজসেবক আব্দুল জব্বার শেখ, ক্রীড়াব্যক্তিত্ব প্রশান্ত দে, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঈন উদ্দিন যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জামান সজল, আরাফাত হোসেন, শফিকুর রহমান ইমন প্রমূখ।

ফকিরহাটে ফুড ব্যাংক এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাট ফুড ব্যাংক শাখার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্রে শীতার্ত গরীবদের মাঝে শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। “ক্ষুধা মুক্ত পেট, সুস্বাস্থের বাংলাদেশ ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ফুড ব্যাংক এর সেচ্ছাসেবীরা ফকিরহাটসহ বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করছেন। শনিবার সন্ধ্যায় আট্টাকী এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করা হয়। ফুড ব্যাংক বাগেরহাট এর সৈয়দ অনুজ বলেন “শীতের হাত থেকে রক্ষার জন্য এমন কর্মসূচি তাদের চলমান থাকবে এবং করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার সবচেয়ে বেশী জরুরী। যে কারনে শীতবস্ত বিতরনের পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

ফকিরহাটে ফুড ব্যাংক এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাট ফুড ব্যাংক শাখার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্রে শীতার্ত গরীবদের মাঝে শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। “ক্ষুধা মুক্ত পেট, সুস্বাস্থের বাংলাদেশ ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ফুড ব্যাংক এর সেচ্ছাসেবীরা ফকিরহাটসহ বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করছেন। শনিবার সন্ধ্যায় আট্টাকী এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে শীতবস্ত্র মাস্ক বিতরণ করা হয়। ফুড ব্যাংক বাগেরহাট এর সৈয়দ অনুজ বলেন “শীতের হাত থেকে রক্ষার জন্য এমন কর্মসূচি তাদের চলমান থাকবে এবং করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার সবচেয়ে বেশী জরুরী। যে কারনে শীতবস্ত বিতরনের পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

খুলনায় ভূমি ব্যবস্থাপনা সেবা কার্যক্রম অটোমেশন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

তথ্য বিবরনী

ভূমি ব্যবস্থাপনা সেবা কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন বিষয়ে কর্মশালা রবিবার খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভূমি সচিব বলেন, ভুমি সেবা মানুষের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। রেকর্ডরুম ডিজিটালাইজেশনের ফলে খুব সহজেই জমির পর্চা পাচ্ছে জনগণ। ভূমি সেবা অটোমেশনের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের পুরস্কার অর্জন করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জমির মিউটেশন শতভাগ অনলাইনে করার প্রক্রিয়া চলমান। এক লাখ ৪০ হাজার মৌজাশীট ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। তিন ধরণের স্যাটেলাইট ইমেজ সংগ্রহের মাধ্যমে ডিজিটাল ল্যান্ড সার্ভে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে সকল ভূমি সেবা অটোমেশনের আওতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান সোলেমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ শহিদুল ইসলাম। স্বাগত জানান খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার। কর্মশালায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।

নড়াইলের রামচন্দ্রপুর বিলে ৭০০মিটার খাল খননের অভাবে শীত মৌসুমেও জলাবদ্ধতা

মোঃ তাহের আলী মোল্যা, নড়াইল

নড়াইলের রামচন্দ্রপুর বিলে মাত্র ৭০০মিটার খাল খননের অভাবে শীত মৌসুমও বিলে জলাবদ্ধতা। ফলে ১০০ একর জমির ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদে নড়াইল সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বিলের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে রামচন্দ্রপুর বিলের পাশে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন-আউড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মাহমুদ শেখ, ভূক্তভোগী এমদাদুল ইসলাম, শাহিন শেখ, মনা মিয়া, আজিবর শরীফসহ অনেকে। মেম্বার মাহমুদ শেখ বলেন, নড়াইলের রামচন্দ্রপুর এলাকায় প্রায় ৭০০ মিটার খাল খননের অভাবে এলাকার প্রায় একশ একর জমিতে কয়েক বছর ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কারণে বোরো ধানসহ রবি শষ্য আবাদ করা যাচ্ছে না।

শাহিন শেখ বলেন, আমাদের রামচন্দ্রপুর গ্রামের পূর্ব ডোবের বিল পশ্চিম ডোবের বিলে ৪/বছর ধরে সারাবছর জলাবদ্ধতা থাকে যে কারনে জমিতে কোন ফসল হয় না। একারনে এলাকার ৪০০ পরিবার ক্ষতির মুখে পড়েছে। আমাদের দাবি, মাত্র ৭০০ মিটার খাল খনন করে রামচন্দ্রপুর এলাকার জলাবদ্ধতা দুর করা হোক। এতে কৃষক বাঁচবে, ফসলের উৎপাদন বাড়বে।

কৃষি সম্প্র্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার বলেন, আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি যে জলাবদ্ধতার জন্য রামচন্দ্রপুরের পূর্বডোবের বিল পশ্চিম ডোবের বিলে ফসল হয়না। এমন কোন তথ্য পেলে আমরা চেষ্টা করবো কিভাবে সমাধান করা যায়। তবে এবার মাঘ মাসে হটাৎ করে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়েছে সে জন্য জলাবদ্ধতা হতে পারে। বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহামান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। কৃষি সম্প্রসারনের ডিডি মহোদয়কে বলবো কিভাবে এটার সমাধন করা যায় তার ব্যাবস্থা করতে।

শরণখোলায় মাদকসহ গ্রেফতার দুই

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় পিচ ইয়াবা ২০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই জনকে আটক করেছে শরনখোলা থানা পুলিশ। ফেব্রুয়ারী ভোর রাতে উপজেলার পাঁচরাস্তা এলাকার তালুকদার ট্রেডার্স এর সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।

শরণখোলা থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঁচরাস্তা এলাকায় ইয়াবা গাঁজা বিক্রি হচ্ছে এমন গোপণ সংবাদে শরণখোলা থানার শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল ইব্রাহিম তালুকদারের মেসার্স তালুকদার ট্রেডার্স এর সামনে অভিযান চালায়। এসময় উপজেলার রায়েন্দা তাফালবাড়ি গ্রামের মৃতঃ আঃ হক হাওলাদারের পুত্র মোঃ তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক হাওলাদার (৪০) উত্তর কদমতলা গ্রামের হারুন আকনের পুত্র মাঃ রুবেল আহম্মেদ মুন্না (৩২) কে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের দেহ তল্লাশী চালিয়ে পিচ ইয়াবা ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। পরে তাদের ব্যবহৃত দুইটি মটর সাইকেল ইয়ামাহা আরএক্স (রেজিঃ নং- চট্ট মেট্টো-হ-০২-৮৪২১) নম্বর বিহীন আরেকটি পালসার মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।

শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, কয়েক মাস আগে তারেক হাওলাদার হরিণের মাংস পাচারের সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। সেই মামলায় আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে খাদ্য অধিদপ্তরের ফেয়ার প্রাইসের ২০ স্তা চাল আত্মসাৎ করার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তা জব্দ করেন। ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার দায়েরকৃত মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

কবি শেখ মফিজুর রহমান-এর কবিতা থেকে আলোচনা সভা আবৃত্তি অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে কবিতা পরিষদ, সাতক্ষীরা’আয়োজনে ‘কবি শেখ মফিজুর রহমান-এর কবিতা থেকে আলোচনা সভা আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কবিতা পরিষদ, সাতক্ষীরা’সভাপতি কবি মন্ময় মনিরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা দায়রা জজ কবি শেখ মফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজা রশীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের সমাজকল্যাণ গবেষনা ইন্সস্টিটিউটের প্রফেসর ড. মো. রবিউল ইসলাম, সিনিয়র চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার, জজ আদালতের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আমজাদ হোসেন কবি সৌহার্দ সিরাজ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। স্বাগত বক্তব্য দেন, কবিতা পরিষদ, সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন, কবি গুলশান আরা।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ‘কবি শেখ মফিজুর রহমান-এর কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন, সিনিয়র চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার, মাসুদুর রহমান, মনিরুজ্জামান ছট্টু, দিলরুবা রোজ, রাজিব মেহবুব, স্বপ্না চক্রবর্তী, তামান্না জাবরিন, অনিষা রায়, তাছনিমাহ তুষ্টি, মামইয়া মারজান, মহাথির রহমান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কবি মফিজুর রহমানের প্রতিটি লেখায় দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ফুটে উঠেছে। তিনি সাবলিল ভাষায় জীবনের প্রতিটি গল্প তুলে ধরেছেন ছন্দের মোহনীয় ভাব ভাষায়। বিচারক জীবনের বলয় থেকে বেরিয়ে তিনি নিজেকে আবির্ভূত করেছেন এক মানবতার কবি হিসেবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি খুলনা শাখার কমিটি গঠন

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি খুলনা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০২২-২০২৩ সালের জন্য গঠিত কমিটিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. রামেশ্বর দেবনাথকে চেয়ারম্যান যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আলম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি গঠন কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল করিম সদস্য-সচিব আব্দুর রহমান খান জিহাদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে  ১৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে আরও রয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নজরুল ইসলাম, সদস্য প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শিল, প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গালিব, সৈয়দ মাহফুজ পারভেজ, এস এম মহিদুল ইসলাম, প্রফেসর সুজিত কুমার মণ্ডল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আমিনুল হক আখন্দ, মোঃ হোসেন আলী ফয়জুল, কাজী রিফাত হাসান, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মওদুদুল হক শোভন, কে এম ফয়জুল ইসলাম জিএম সালমান এ-মেহবুব।

লতা-গড়ইখালী কর্মসংস্থান কর্মসূচী কাজ উদ্বোধন

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি

পাইকগাছায় দুই ইউনিয়নে সরকার অনুমোদিত হতদরিদ্রদের মাঝে কর্মসূচির কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার উপজেলার লতা ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী (ইজিপিপি) চলমান মাটির রাস্তা সংস্কার কাজ উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস। সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্মল চন্দ্র বৈদ্য, সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য মঙ্গল চন্দ্র মন্ডল, ইউপি সচিব জনাব মো. জাবেদ ইকবাল, আওয়ামীলীগ নেতা প্রকাশ সরকার, কালীপদ বিশ্বাস, মদন মোহন মন্ডল, আজিজ সরদার, হাসান সরদার, তারক রায়, দীনেশ মন্ডল, অর্জুন মন্ডল, প্রাণকৃষ্ণ মন্ডল, আনন্দ মন্ডল, ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডল, পুলকেশ রায়, মো. আজিজুল বিশ্বাস, বাবলু সরদার, স্বপন মন্ডল, বিজন হালদার, রীনা পারভিন, বিনতা বিশ্বাস, যুবনেতা মৃগাঙ্ক বিশ্বাস, বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল, বিধান রায়, মিজান সানা, ছাত্রনেতা দীপায়ন বিশ্বাস, অমৃত লাল সরকার আলাউদ্দিন সানা প্রমুখ। অনুরূপভাবে উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নে কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজ উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম (কেরু)সময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাটের বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নাই

মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)

খুলনার দাকোপের বাজুয়া – দিগরাজ খেয়াঘাটের বেহাল দশা যেন দেখার কেউ নাই। সাথে সাথে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ। বাজুয়া-দিগরাজ খেয়াঘাটের আজকের যাত্রীদের ভাটার সময় পারাপাররত অবস্থা থেকে তোলা ছবি। এভাবেই যুগ যুগ ধরে এই এলাকার মানুষ পার হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য খেয়া পার হয়ে থাকে। বাজুয়ায় আসতে অথবা বাজুয়া থেকে দেশের কোথায়ও যেতে হলে এভাবেই সকলকে খেয়া পার হতে হয় ভাটার সময়। জানা যায় এই খেয়া-ঘাট আন্তজেলা খেয়াঘাট। বছরে সরকার এই ঘাট থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। তাই যারা ইজারা নিয়ে থাকে তারা সরকারি রেট টাকার জায়গায় জন প্রতি ১০ টাকা নিয়ে প্রতিদিন যাত্রী পার করলেও দেখার কেউ নাই। শুধু তাই না ভাটার সময় পার হতে হলে হয় কাঁদা ভেঙে ট্রলার উঠতে বা নামতে হয় আর যারা কাঁদা ভাঙতে চায় না তারা কাঁদে করে  ১০ টাকা দিয়ে উঠতে বা নামতে হয়। পারাপাররত যাত্রীরা জানায় ঘাটের রেট চার্ট না টানিয়ে ইচ্ছে মতো টাকা আদায় করলেও দেখার কেউ নাই। এলাকার জনগণের প্রশ্ন বলি হচ্ছে টা কি। পারাপাররত যাত্রীদের কাছ থেকে জানা যায় বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাটে পার হতে গেলে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টোল। জলদি ট্রলার দিয়ে যাত্রী পার করে জন প্রতি নিচ্ছে টাকার জায়গায় ১০ টাকা, মোটরসাইকেল ১০০ টাকা, বাইসাইকেলসহ লোক ২৫ টাকা আর মাল থাকলে তো কথা নাই বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন  রকম। যাত্রীরা বলেন সরকারি রেট চার্টে আছে খেয়াঘাটের ট্রলার দিয়ে পার করে যাত্রী প্রতি নিতে হবে টাকা। মোটরসাইকেল সহ যাত্রী ১০ টাকা, বাইসাইকেলসহ যাত্রী টাকা সেখানে ঘাটের তো কোন ট্রলার নাই জলদি ট্রলার দিয়ে ঘাটের যাত্রীদের পার করে আসছে সেই করোনা ভাইরাস শুরু হওয়া থেকে আজ পর্যন্ত। বাজুয়ার যাত্রীরা জানতে চায় সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব রত প্রশাসন আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতাদের কাছে এই ভাবে চলবে কতদিন। এলাকার জনগণ জানতে চায় লকডাউন তুলে দেওয়ার পর থেকে সারাদেশের নৌযান সড়ক পরিবহনের ভাড়া কমানো হয়েছে তবে বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাটের ভাড়া কেন সরকারি রেট চার্ট হিসেবে নেওয়া হবে না। এছাড়া কৈলাশগঞ্জের বুড়িরডাবুর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী অরুন সরকার বলেন আরো অভিযোগ রয়েছে ঘাটে কোন সরকারি রেট চার্ট নাই তাই খেয়াল খুশি মতো টাকা আদায় করছে ঘাট ইজারাদাররা। আমি প্রতিদিন দিগরাজে আসি মাছ বিক্রয় করতে যাওয়ার সময় বরফ নিয়ে যাই কি বলবো এই ঘাটের কথা এরা মনে যা চায় তাই নিয়ে থাকে প্রতিবাদ করতে চাইলে মাঝিরা ঘাটের লোকেরা মারতে আসে জানিনা এরা এতো সাহস কোন জায়গা থেকে পায়। আমরা জনগণ এদের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। তিনি বলেন কার কাছে অভিযোগ করলে এর প্রতিকার পাবো বলেন। একই কথা বলেন প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে পার হওয়া যাত্রী চুনকুড়ি গ্রামের রাজেস খান তিনি বলেন এদের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি বলতে পারেন সাংবাদিক ভাই কার কাছে অভিযোগ করলে এর হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। প্রতিদিন যা আয় করি তা যদি পথেই দিয়ে যেতে হয় তাহলে কি ভাবে আমরা চলবো আমার মনে হয় বাংলাদেশে এরকম ভাড়া কোন ঘাটে নাই। প্রতিবাদ করে কোন কাজ হয় না এদের বিরুদ্ধে এরা টাকা দিয়ে সব কিছু ম্যানেজ করে নেয়। আর যারা আইন প্রয়োগ করবে তারাও নিরব প্রশাসনের নাখের ডুগায় থেকে এরা এভাবে জুলুম করে যাচ্ছে দিনের পর দিন কিভাবে। সকলের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘাটের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা জানতে চাইলে জলদি ট্রলার মাঝিরা বলে ১০ টার অর্ধেক দিতে হয় ঘাট ইজারাদারকে আর অর্ধেক পাই আমরা। একই কথা বলেন ঘাটে টাকা আদায়কারি তিনি বলেন ঘাটে ডাক বেশি তাই ঘাটের ট্রলার দেওয়া যাচ্ছে না জলদি ট্রলার দিয়ে  টাকা নিতে হচ্ছে আমাদের করার কিছু নাই। জানা যায় এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী পার হয়ে থাকে আর ঘাটের অবস্থারও বেহাল দশা, দীর্ঘ বাঁশের সাকুর উপর দিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে গিয়ে ভোগান্তির শেষ নাই, যেন দেখার কেউ নাই। এক কথায় মরার পর খারার ঘাঁ। খুলনা বিভাগীয় কমিশন অফিস সূত্রে জানা যায় বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাট এটা আন্ত-জেলা খেয়াঘাট। বছরে এই ঘাটের ডাক প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। যাত্রীদের দাবি সরকার যেখানে এই ঘাট দিয়ে বছরে এতো টাকা রাজস্ব আদায় করছে আর সেই ঘাটের অবস্থা এই। দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু বিশ্বাসের কাছে জানালে তিনি বলেন অভিযোগ সত্য হলে অতিরিক্ত টোল আদায় করার কারণে অচিরেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই যাত্রীরা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

দেবহাটায় বৈদ্যুতিক বাতির ব্যাপক প্রসারে বিলুপ্তির পথে হারিকেন

কে এম রেজাউল করিম

হারিকেন গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী একটি নিদর্শন। কত গল্প, উপন্যাসে হারিকেনের উপমা ব্যবহার হয়েছে তার শেষ নেই। অনেক বাড়িতে সন্ধ্যায় হারিকেন জ্বালানোর আগে পৌঁছাতে না পারলে পিটুনি খেতে হয়েছে, এমনও শোনা গেছে। হারিকেন জ্বলা মানে পড়াশোনার সময় হয়ে গেছে। সে সময় পড়াশোনাসহ সব ধরনের প্রয়োজনেই ঘরে ঘরে হারিকেন জ্বলত।

বর্তমানে বৈদ্যুতিক বাতির ব্যাপক প্রসারে কমে গেছে হরিকেনের চল। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো দেবহাটায় কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে হারিকেন। বিদ্যুতের প্রসার, বিদ্যুৎ চলে গেলে বিভিন্ন ধরনের চার্জার বাতির ব্যবহারে হারিকেনের তেমন একটা প্রয়োজন হয় না। তাই হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী হারিকেন। তবে এখনও দেশের কিছু কিছু চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় কুপির পাশাপাশি হারিকেনের প্রচলন রয়েছে। তবে চার্জার বাতির অধিক ব্যবহারের কারণে সেটাও সংখ্যায় খুব কম। এক সময় এটা হারিয়ে জাদুঘরে চলে যাবে। তখন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো হারিকেন দেখতে জাদুঘরে যাবে। বইয়ের পাতায় খুঁজবে হারিকেনের ইতিহাস।

একটা সময় ছিল যখন গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে হারিকেন দেখা যেত। তখন হারিকেন মেরামত করতে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে মিস্ত্রী বসতো। উপজেলার প্রতিটি বাজারে ছিল হারিকেন মেরামতোর অস্থায়ী দোকান। তারা বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে ঘুরে হারিকেন মেরামতের কাজ করতেন। এছাড়া অনেকে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়েও হারিকেন মেরামত করতেন। কিন্তু এখন আর হারিকেনের ব্যবহার তেমন একটা না থাকার ফলে হারিকেন মিস্ত্রীদেরও আর দেখা যায় না।

দেবহাটা  উপজেলার ওমর আলী জানান, রাতে পড়তে বসার আগে হারিকেন নিয়ে ভাই-বোনদের মধ্যে টানা-টানি চলতো। হারিকেন নিয়ে কত গল্প শুনেছি। কিন্তু এখন ঘরে ঘরে পৌছে গেছে বিদ্যুৎ। তাছারা বাজারে বিভিন্ন ধরনের চার্জার এলইডি বাল্ব অনেক কম দামে পাওয়া যায়। যার কারনে এখন আর হারিকেনের প্রয়োজন হয় না।

 একই এলাকার রবিউল ইসলাম বলেন, এক সময় হারিকেন নিয়ে ডাকপিয়নরা ছুটে চলতেন গ্রামের পর গ্রামে। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সবাই রাতের বেলায় হারিকেন নিয়ে বের হতেন। হারিকেনের আলো গৃহস্থালির পাশাপাশি ব্যবহার হতো বিভিন্ন গ্রাম্য যানবাহনেও। কিন্তু আধুনিকায়নে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক বাতিতে বাজার ভরপুর। যার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের আলোর অন্যতম উৎস ঐতিহ্যবাহী হারিকেন।

দেবহাটার বাজারের দেবদাস মিস্ত্রি সাংবাদিক কে এম রেজাউল করিম এর কাছে বলেন, এক সময় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নিজের হাতে অনেক হারিকেন মেরামত করতেন। কিন্তু এখন কারও ঘরে হেরিকেন থাকলেও তা কেউ ব্যবহার করে না। এর ফলে মেরামতের কাজও তেমন হয় না। যার কারণে এই পেশা ছাড়তে হয়েছে। এখন তালা, ছাতা লাইট এগুলোর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছি।

মোংলা বন্দর জেটিতে ‘গিয়ারলেস জাহাজের’ পণ্য বোঝাই-খালাসে রেকর্ড

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার ৭১ বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো ওশান ট্রেড লিমিটেডের পানামা পতাকাবাহী গিয়ারলেস (নিজস্ব ক্রেনবিহীন) জাহাজ  এম,ভি ফিলোটিমো জেটিতে ভিড়েছে। বন্দরের নম্বর জেটিতে ভিড়া গিয়ারলেস এই জাহাজটির দৈঘ্য ১শ ৭২ মিটার, গভীরতা দশমিক মিটার। জাহাজটি ৪শ ৮৬ টিউজ কন্টেইনার নিয়ে বন্দরে এসেছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ২টি মাল্টিপারপাস ক্রেন টি মোবাইল হারবার ক্রেন দিয়ে ২শ ৬৩ টি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজ থেকে খালাস ৩শ ৪৪ টি কন্টেইনার জাহাজে বোঝাই করা হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখরউদ্দীন জানান, বন্দরের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সম্প্রতি ২টি মাল্টিপারপাস ক্রেন ৪টি মোবাইল হারবার ক্রেন সংযোজন করা হয়েছে। এই অত্যাধুনিক মাল্টিপারপাস মোবাইল হারবার ক্রেনের মাধ্যমেই গিয়ারলেস জাহাজটি থেকে আমদানী রপ্তানী পণ্য বোঝাই-খালাস সম্ভব হয়েছে। এর আগে শুধুমাত্র নিজস্ব ক্রেনসংযুক্ত কন্টেইনারবহনকারী জাহাজের আগমন ঘটতো বন্দরে। এখন থেকে গিয়ারলেস জাহাজ আসলেও তার যথাযথা সেবা প্রদাণে বন্দর কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মাত্র ৩৯ ঘন্টায় গিয়ারলেস জাহাজটি থেকে সকল কন্টেইনার ওঠানো নামানো হয়েছে, প্রতি ঘন্টায় ১৫টি কন্টেইনার ওঠানামানোতেও রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। কারণ এমন জাহাজ থেকে সমপরিমাণ পণ্য ওঠানামানোর জন্য সাধারণত তিন দিন সময় লেগে থাকে। কিন্তু এটির ক্ষেত্রে সময় লেগেছে দুই দিন। যা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ তথা সরকারের জন্য একটি নতুন মাইল ফলক স্পর্শ করলো। ১৯৫০ সালে মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়।

সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজাতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে: মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি।।

খুলনা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বক্তৃতা, বিবৃতি অনেক হয়েছে, এখন আর এসবের সময় নেই। এখন অবৈধ সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজাতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে  মাঠে নামতে হবে। বাংলাদেশে ২০২২ সালে জাতি অনেক কিছু দেখতে পাবেন। নিষেধাজ্ঞা যেটা হয়েছে তা মাত্র শুরু। আরও অনেক কিছু বাকি আছে। নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে কিছু দানবের বিরুদ্ধে, যারা নরহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। কিন্তু যারা এই নরহত্যার নির্দেশ দিয়েছে তাদের তো এখনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। রবিবার (ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় খালিশপুর থানা বিএনপির আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মঞ্জু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তার কারণেই তাকে জেলে রাখা হয়েছে। যে টাকা খরচই হয়নি, উল্টো বেড়েছে তার জন্য তাকে দিনের পর দিন জেলে রাখা হচ্ছে। সার্চ কমিটির নামে যা হচ্ছে এসব নাটক। তিন বছর আগেই শেখ হাসিনা সার্চ কমিটি করে রেখেছেন। কারা সার্চ কমিটিতে আসবে আর কারা নির্বাচন কমিশনার হবেন- তা শেখ হাসিনার ভ্যানিটি ব্যাগেই আছে। তিন মাসে ভোজ্যতেলের মূল্য দ্বিগুণ বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা ফের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির আমলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য লাগামহীনভাবে বেড়েছে। এভাবে আর দেশ চলতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামন মনি। সময় উপস্থিত ছিলেন এড. ফজলে হালিম লিটন, শেখ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ওহেদুজ্জামান দিপু, নিজামুর রহমান লালু, এড গোলাম মওলা, শামসুর রহমান, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, মেহেদী হাসান রিজভী, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, আশরাফ হোসেন, তরিকুল্লাহ খান, এইচ এম আবু সালেক, ইশহাক তালুকদার, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মহিউদ্দিন টারজান, মোস্তফা কামাল, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, সাজ্জাদ আলী, আলমগীর হোসেন বাদশা, শাহনাজ পারভীন, এস এম জসিম উদ্দিন, কাজী ফজলুল কবির টিটো, নুরুল ইসলাম লিটন, বারেক হাওলাদার, নুরে আলম ডালু,  সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সেলিম বড় মিয়া, বাবুল মুন্সি, জাফর হাওলাদার, হাফিজুর শেখ, সেলিম আহমেদ, হুমায়ুন কবির, হাসান আল মামুন বাপ্পী, শফিকুল ইসলাম শাহিন, আশিকুর রহমান আশিক, মিজানুর রহমান খোকন, আসাদুর রহমান সাগর, হানিফ কমান্ডার, হাসান রুমী, কামাল হোসেন, নজরুল ইসলাম, জামাল হোসেন, আসাদুর রহমান আসাদ, আব্দুল মালেক, আলতাফ হোসেন, মো. সুমন, আমজাদ হোসেন, লাভলু শেখ, হেমায়েত হোসেন, খোকন আলী, আশিকুর রহমান সেলিম, মাসুদ রেজা, ঈসা শেখ, মোস্তাহিদুল হক দিহান, মারুফ হোসেন, ফজলু মিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, মনির হোসেন, শারমিন সুলতানা, শফিকুল ইসলাম, মুনসুর আলী, আলী আজগর, এনায়েত হোসেন, শাহিন শিকদার, ইসমাইল হোসেন, করিম বাবু প্রমুখ।   

খালিশপুরে শেখ সাহেব আলীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নগরীর খালিশপুরে এসবিআলী ফুটবল একাডেমি যার নামে প্রতিষ্ঠিত মরহুম শেখ সাহেব আলী এর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর খালিশপুর আরাবিয়া জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আরাবিয়া জামে মসজিদেন পেশ ইমাম মো. ইউসুফ আলী।

দোয়া মাহফিলে উপস্থি ছিলেন খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, সদস্য মো. মনিরুজ্জামান মহসীন, এসবিআলী ফুটবল একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ আলাউদ্দিন নাসিম, কোষাধ্যক্ষ কাজী শহিদুল হক শুভ্র, সদস্য মো. আইয়ুব আলী, সামসুর রহমান স্মৃতি ফুটবল একাডেমির কামাল রেজা সুজা, চরেরহাট একাডেমির রনি, রূপক ফুটবল একাডেমির বদরুজ্জামান ইতি, শেখ কামাল ফুটবল একাডেমির মনির শেখ, ইদ্রিস আলী, রবিউল ইসলাম, আলী হোসেন, মাহাবুর, শিমুল প্রমুখ।  

কচুরিপানায় স্লুইসগেটের মুখ বন্ধ!

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ।।

বাগেরহাটের চিতলমারীতে কচুরিপানায় স্লুইসগেটের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হুমকিতে চাষাবাদ। যথাসময়ে বিলের পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে অনেক চাষি জমি রোপণ করা নিয়ে চিন্তিত। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা। স্থানীয় চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকার নারাণখালী, বাঁশতলা, ডুমুরিয়া, পারডুমুরিয়া, দত্তডাঙ্গাসহ অধিকাংশ স্লুইস গেটের মুখ কচুরিপানায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে জোয়ার-ভাটার পানি ঠিকমতো ওঠা-নামা করতে না পারায় বোরো মৌসুমে চাষাবাদ নিয়ে চিন্তিত চাষিরা। এছাড়া নারাণখালী স্লুইস গেট নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ার কারণে ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার খিলিগাতী গ্রামের বাসিন্দা মুকুলেশ ঢালী ডুমুরিয়া গ্রামের বোরো চাষি হরেন্দ্র নাথ বাড়ৈ, পারডুমুরিয়া গ্রামের চাষি উত্তম বিশ্বাসসহ অনেকে হতাশা ব্যক্ত করে জানান, স্লুইস গেটের মুখে কচুরিপানা এবং আবর্জনায় বন্ধ হয়ে আছে। এতে বিলের পানি সঠিক সময়ে নিষ্কাশন না হতে পারায় বোরো রোপণ ব্যাহত হচ্ছে। জরুরিভাবে সমস্যার সমাধান করা না হলে চাষাবাদ ব্যাহত হবে বলে জানান তারা। বিষয়ে বাগেরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণেন্দু বিকাশ সরকার জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সেটি পাশ হয়ে এলে সমস্যার সমাধানে কাজ করা হবে। পাশাপাশি বিষয়টি দ্রুত নিরসনে কাজ করা হচ্ছে।

ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার অসীম কুমার দাস জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

পাঁচটি গরু দিয়ে শুরু, বছরে আয় কোটি টাকা!

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

ভারত থেকে চোরাইপথে গরু আসা বন্ধ হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ গরুর খাটালগুলো এখন ফাঁকা। গরুর হাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই হাজার গরু ব্যবসায়ীর অনেকেই বেকার জীবনযাপন করছেন।  

গরু ব্যবসায়ীদের কেউ ভ্যানচালক, কেউ ইজিবাইক চালক আবার কেউ বা দিনমজুরির কাজ করছেন।

এদেরই একজন গরু ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন। তিনি মাত্র পাঁচটি গরু নিয়ে শুরু করেন ছোট্ট গরুর খামার। এই থেকে তিনি এখন বাছুরসহ ৭৯০টি গরুর মালিক। যার বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। আর থেকে নাছির উদ্দিন বছরে আয় করেন প্রায় কোটি টাকা।

বেনাপোলের সীমান্তবর্তী গ্রাম পুটখালির সফল এক খামারির নাম নাছির উদ্দিন। ১৫ বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের গরুর খামার।

জানা গেছে, নাছির ২০১৩ সালে নেপালি জাতের মাত্র ৫টি গরু দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি এনজিও থেকে লাখ টাকা ঋণ নিজস্ব কিছু পুঁজি নিয়ে আরও ৫টি গরু কেনেন। ১০টি গরু থেকে পর্যায়ক্রমে বংশ বৃদ্ধির মাধ্যমে আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছেছে খামারটি।

এখন শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। পেছনে ফেলে আসা কষ্টের অতীতকে স্মরণ করে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন তিনি। পরিশ্রমই তাকে সাফল্যের সুবাতাস দিয়েছে। বর্তমানে বছরে আয়ের পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা।

জানা যায়, বর্তমানে তার খামারে ১২০টি দুধের গাভি রয়েছে। এসব গাভি থেকে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ লিটার পর্যন্ত দুধ পেয়ে থাকেন। প্রতিদিন বিভিন্ন দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত কোম্পানি মিষ্টির দোকানে এসব দুধ সরবরাহ করে থাকেন।

বর্তমানে তার খামারে ১২০টি গাভি, ৫৫০টি ষাঁড় ১২০টি বাছুর রয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। গরুর ডেইরি খামারের পাশাপাশি রয়েছে একটি ছাগলের খামার। যেখানে দেশি উন্নত জাতের প্রায় ১২৫টি ছাগল রয়েছে।

বর্তমানে তার খামারে কাজ করছেন ৮৫ জন শ্রমিক। তাদের হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দিচ্ছেন। শ্রমিকরা জানান, এখানে কাজ করতে পেরে তারা অনেক খুশি।

খামারি মো. নাছির উদ্দিন জানান, প্রত্যেক বছরে খরচ বাদ দিয়ে দেড় থেকে কোটি টাকা আয় হয়ে থাকে। গরুর খাদ্যের দাম দুধের বাজার ওঠা-নামার সঙ্গে আয়ও ওঠা-নামা করে থাকে।

তিনি আরও জানান, তার খামারের সফলতার পেছনে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতা রয়েছে। খামার করার পর থেকে আজ পর্যন্ত বড় ধরনের তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশে বেকারত্ব দূর করতে অবলম্বন হতে পারে গরুর খামার। সরকারের সহযোগিতা পাওয়া গেলে খাতে ৩০% বেকারত্ব দূর করা সম্ভব।

পুটখালি গ্রামের আল আমিন জানান, আত্মনির্ভরশীল নাছির এখন এলাকাবাসী পরিবারের কাছে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার মানুষ। তাকে অনুসরণ করে এলাকায় এখন অনেকেই গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগির খামার করছেন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষ নাছিরের সাফল্যে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।

পুটখালি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হাদিউজ্জামান জানান, আমি দেখেছি নাছির উদ্দিন অমানুষিক কষ্ট করে আজকে এই জায়গায় এসেছেন। নাছিরকে দেখে ইউনিয়নের অনেক নারী-পুরুষ ছোটখাটো গরুর খামার করে ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন।

যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ড. রাশেদুল হক জানান, নাছিরের খামার অঞ্চলের সবচেয়ে বড় গরুর খামার। তিনি একজন দক্ষ খামারি। তাকে দেখে গ্রামের অন্যরা গরু পালনে উৎসাহিত হচ্ছেন। তার খামারের গরু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। আমরা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সরকারিভাবে প্রণোদনা দেয়ার চেষ্টা করছি।

যশোর হাসপাতালে ২টি ভেন্টিলেটর উপহার

 যশোর অফিস

যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের ২টি ভেন্টিলেটর সিস্টেম উপহার দিয়েছে জাহেদী ফাউন্ডেশন।

রোববার দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামানের কাছে ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এইচ মুস্তাফা ওসমান তুরান।

সময় উপস্থিত ছিলেন- যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, জাহেদী ফাউন্ডেশনের পরিচালক লতিফ শাহরিয়ার জাহিদী, যশোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোকসিমুল বারী অপু।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জানান, হাসপাতালে ৮টি ভেন্টিলেটর থাকলেও ৬টিতে ভালো কাজ হচ্ছিল না। মুহূর্তে ভেন্টিলেটর দুটি পাওয়াতে আইসিইউ সেবা নিশ্চিত হবে।

জাহেদী ফাউন্ডেশনের পরিচালক লতিফ শাহরিয়ার জাহেদী প্রজ্জ্বল জানান, ভেন্টিলেটর দুটি উন্নতমানের এবং এটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। আগামী সপ্তাহেই ভেন্টিলেশন সিস্টেম দুটি স্থাপন করা হবে হাসপাতালে।

খুলনায় পরকীয়ার জেরে যুবক খুন, র‌্যাবের অভিযানে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার।।

পরকীয়া প্রেমের জেরে খুলনা মহানগরীর মিয়াপাড়া এলাকায় সপ্তাহখানেক আগে মিজানুর রহমান সবুজ নামে এক যুবককে হত্যা করেছিল তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। সেই হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সাগরকে খাগড়াছড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। গ্রেপ্তার সাগর নিহত সবুজের আপন শ্যালক। রোববার দুপুরে র‌্যাব-কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার এম সারোয়ার হুসাইন জানান, মিজানুর রহমান সবুজ বছর আগে রেশমা আক্তারকে বিয়ে করে। বিয়ের বছর পর থেকে রেশমা আক্তার তার খালাতো ভাই আব্দুল্লাহর সঙ্গে পরকীয়া শুরু করে। নিয়ে সবুজ রেশমার সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয় এবং গত ২৯ জানুয়ারি দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়।

ওই দিন রাতে সবুজ মোটরসাইকেলযোগে নগরীর মিয়াপাড়া পাইপের মোড় এলাকায় ফিরছিলেন।

পরকীয়ার জের ধরে রেশমার পরিকল্পনা অনুযায়ী সাগরসহ কয়েকজন সবুজের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এরপর সাগর ছুরি দিয়ে সবুজের বুকে পিঠে কয়েকটি কোপ দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহত সবুজ ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা করতেন। হত্যার ঘটনায় নিহতের মা হোসনেয়ারা বাদী হয়ে সবুজের শ্যালক সাগরসহ জনের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার রাতে খাগড়াছড়ি থেকে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সাগরকে গ্রেপ্তার করে। সাগর নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। তাকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে মামলায় গত ৩০ জানুয়ারি পুলিশ নিহতের শাশুড়ি নাসিমা বেগম স্ত্রী রেশমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছিল।

মাগুরায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকে প্রসূতি নবজাতকের মৃত্যু, অভিযোগ ‘ভুল চিকিৎসার’

মাগুরা প্রতিনিধি।।

মাগুরায় ‘নিউ আল বারাকা’ প্রাইভেট ক্লিনিকে ‘ভুল চিকিৎসায়’ প্রসূতি তার নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

শহরজুড়ে আলোচিত ঘটনার পর মাগুরা প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতি বলছে, ওই ক্লিনিকটির অনুমোদন নেই।

প্রসূতি রাশিদা বেগমের (২৪) শ্বমুর মাখন শেখ জানান, গত শুক্রবার রাতে সন্তান প্রসবের জন্য শহরের হাসপাতাল পাড়া এলাকায় নিউ আল বারাকা প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় রাশিদাকে। শনিবার রাতে চিকিৎসক দিলারা আকবর লাবণী ওই ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করেন। তখন একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন রাশিদা।

তবে অস্ত্রোপচারের আগে রক্তের প্রয়োজন হলে রাশিদার শরীরে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের পরিবর্তে ক্লিনিকের প্যাথলজি থেকে ‘এবি’ পজিটিভ রক্ত দেওয়া হয়। এতে জন্মের পরপরই অসুস্থ হয়ে মারা যায় ওই নবজাতক। অন্যদিকে রক্তের ভুল ব্যবহারের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন মা রাশিদা। উপায়ান্তর না দেখে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রসূতি রাশিদা বেগমকে দ্রুত ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে রাশিদা মারা যান।

এই অভিযোগ প্রসঙ্গে চিকিৎসক দিলারা আকবর লাবণী বলেন, ‘রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচার করার সময় তেমন কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। তবে গর্ভে পানির স্বল্পতা ছিল, যে কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। মা রাশিদার কিডনি জটিলতা ছিল। রাশিদার শরীরে রক্ত দিয়েছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’

মাগুরা প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফরহাদ হোসেন বলেন,‘ওই ক্লিনিকের প্যাথলজির কোন অনুমোদন নেই। এমনকি ক্লিনিকের অনুমোদনের বিষয়ে আমাদের কাছে কোন তথ্য নেই।’

তিনি জানান, মাগুরা সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে ৭টি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আরও কয়েকটি ক্লিনিক তালিকায় রয়েছে।

ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় প্রভাবশালী মহল অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িত থাকায় অবৈধ ক্লিনিকবিরোধী অভিযান নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

মাগুরা জেলা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান বলেন, ‘প্রসূতি নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি আমি জেনেছি। বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আল বারাকা ক্লিনিকের মালিক সাইফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

ইলমার কান্না থামাতে পারছে না কেউ

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

কখনও নানি, কখনও মামি আবার কখনও অন্য স্বজনের কোলে ঠাঁই হচ্ছে তিন মাসের শিশু ইলমার। তবে কারও কোলে গিয়েই অবুঝ শিশুটির কান্না থামছে না। ক্ষুধা নিবারণে গাভীর দুধ কিংবা শিশুখাদ্য কিছুই মুখে তুলছে না সে।

তার অবাক চাহনিতে যেন শুধু মায়েরই খোঁজ। পৃথিবীর সঙ্গে এখনও তেমন পরিচয় ঘটেনি তার। তাই তো রাতদিন একাকার করে কেঁদে বুক ভাসায় সে। গত ফেব্রুয়ারি ভোরে শিশুটিকে বিছানায় শুইয়ে রেখে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন মা কনিকা খাতুন (১৯)এরপর থেকে কোনোভাবেই থামছে না ইলমার কান্না। সে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের মানিক মণ্ডলের মেয়ে। বর্তমানে পাশের গ্রাম রামনগরে নানার বাড়িতে রয়েছে সে।

শিশুটির নানি ছায়েরা খাতুন জানান, ওর মায়ের মৃত্যুর পর থেকে রাতদিন শুধুই কাঁদছে। বাইরের কোনো খাবারও খাচ্ছে না। মামি দিনে দু-একবার দুধ খাওয়ালেও তা অপ্রতুল। কারণ তারা তো এই বাড়িতে থাকেন না। আর তাদেরও সংসার রয়েছে। এমন হলে তাকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। অবুঝ শিশুটি নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন তারা।

সম্পর্কে মামি রোজিনা খাতুন বলেন, তার বিয়ে হয়েছে অন্য এলাকায়। কয়েকদিন আগে বাড়িতে এসেছেন। শিশুটির কান্না থামাতে মাঝেমধ্যে দুধ খাওয়াচ্ছেন। তবে তা মুখে তুলতে চাচ্ছে না সে। ছাড়া তিনিও দু’দিন পর শ্বশুরবাড়ি চলে যাবেন। তখন এই অবুঝ শিশুর কী হবে? এই ভেবে খুব খারাপ লাগছে।

ইলমার নানা মনিরুল ইসলাম জানান, ওর মায়ের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এরপর আবার এই অবুঝ শিশু। ওর বাবাসহ কারও কোলেই সে যেতে চাচ্ছে না। শুধু কাঁদছে। কীভাবে যে এই শিশুকে বাঁচিয়ে রাখবেন তারা বুঝতে পারছেন না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জামিনুর রশিদ জানান, মায়ের দুধই শিশুর আদর্শ খাদ্য। শিশুদের ক্ষুধা নিবারণে অন্তত ছয় মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধের বিকল্প নেই। যেভাবেই হোক কোনো না কোনো নারীর বুকের দুধ শিশুটিকে খাওয়াতে হবে। আর তারা নিয়মিত শিশুটির খোঁজ রাখবেন বলে আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশে প্রথম দেখা মিললো যে পাখির

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে বিরল প্রজাতির একটি পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। এটি দেখতে রাজহাঁসের মতো। পাখিটির নাম ‘রাজহংসী’ বলে জানিয়েছেন বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো পাখিটি দেখা গেলো। রোববার (ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে পাখিটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ইয়ারব হোসেন জানান, সকালে গ্রামের নৌখালে পাখিটি উড়ে এসে পড়ে। পরে গ্রামের এক ছেলে পাখিটি আটক করে। বিষয়টি সেভ ওয়াইল্ড লাইফের স্বেচ্ছাসেবকদের জানানো হয়। তারা এসে পাখিটি উদ্ধার করেন।

সেভ ওয়াইল্ড লাইফ টিমের সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পাখিটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আমরা জানতে পারি এটি বিরল প্রজাতির রাজহংসী পাখি। পাখিটি উদ্ধারের পর বিজিবি থেকে আমাদের জানানো হয়েছে পাচারকারী চক্র সীমান্ত দিয়ে এটি ভারতে পাচার করছিল। এক অভিযানে পাখিটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি তাদের ক্যাম্প থেকে উড়ে গেছে। একই প্রজাতির আরও একটি পাখি বিজিবির কাছে রয়েছে। পরে পাখিটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিষয়ে ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ বলেন, কয়েকদিন আগে সীমান্তে বিজিবির অভিযানে পাচারের সময় দুটি পাখি উদ্ধার করা হয়। ক্যাম্প থেকে একটি পাখি উড়ে চলে যায়। পাখি উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর সেভ ওয়াইল্ড লাইফ টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। পাখিটি বাংলাদেশে প্রথম দেখা গেলো বলে জানান বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুলাহ সাদিক। তিনি বলেন, পাখিটির নাম ‘রাজহংসী’এটি সাইপ্রাস থেকে আসতে পারে। তবে পাখিটি সেখান থেকে বাংলাদেশে কীভাবে এলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলতে পারবো।’

বিএনপি নেতার মায়ের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীর মাতা মিসেস খালেদা পারভীনের রোগমুক্তি কামনায় রবিবার বাদ আসর পূর্ব রূপসা সিএনবি জামে মসজিদে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল পূর্ব রূপসা শাখার উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শ্রমিক দল সভাপতি জালালউদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজীর সঞ্চালনায় দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সভাপতি খান জুলফিকার আলী জুলু, এহতেশামুল হক শাওন, মোল্লা সাইফুর রহমান, রফিকুল ইসলাম বাবু, সাঈদুজ্জামান খান, জাভেদ মল্লিক, দিদারুল ইসলাম, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, কবির শেখ, আব্দুল বারেক, লাভলু শেখ, মাসুম হোসেন অন্তর, মাহফুজুর রহমান, জালাল হাওলাদার, ফরহাদ হাওলাদার, আতাহার গাজী, মাসুদ, ইয়াকীন প্রমুখ।

চশমা শিল্প বণিক সমিতির কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

সরকারী সকল নির্দেশনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতি খুলনা জেলা শাখার নিজস্ব কার্যালয়ে কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্তসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতি খুলনা জেলা শাখার বিনা প্রতিদন্ধিতায় পূণ-নির্বাচিত সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান জামাল। সেময় তিনি বলেন, ওমিক্রনের এই পরিস্থিতিতে সকল ব্যবসায়ীকে সরকারী বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে এবং সকল ক্রেতাকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ প্রদান করে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতি খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন। উক্তসভায়  উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতি খুলনা জেলা শাখার উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব হুমায়ুন কবির, ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেম আলি, হুমায়ুন কবির জনি, শরীফুল ইসলাম মামুন, চৌধুরী মাহমুদ হাসান, মেহেদী আল মাহমুদ শরীফ, মোঃ তবিবুর রহমান, মিজানুর রহমান মিজান, এম বি এম সাইফুদ্দিন সুজন, মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ শাহগীর হোসেন, এহসানুল হক বাপ্পি, মোঃ আব্দুল লতিফ, মোঃ রবিউল আজম টিটু, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ সাদ্দাম হোসেন, রুহিদাস মন্ডল, উজ্জল রহমান প্রমুখ। উক্ত সভায় প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান হয়।  

নামেই টার্মিনাল, যাত্রীও আসে না বাসও থামে না

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় ২৮ বছর আগে নির্মিত হয় বাস টার্মিনাল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে টার্মিনালের বেশিরভাগ কাউন্টার। যাত্রীদের অনীহা থাকায় টার্মিনালে থামে না বাস। কিছু রুটের বাস এলেও তা অল্প সংখ্যক। ফলে শহরের একাধিক জায়গায় যাত্রী ওঠানামা করা হচ্ছে। রাস্তার পাশে রাখা হচ্ছে বাস। এতে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যানজটমুক্ত রাখা যত্রতত্র গণপরিবহনের অবৈধ স্ট্যান্ড সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের পাশে পৌর বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর পৌরসভার সাবেক মেয়র অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস বাস টার্মিনালের উদ্বোধন করেন। ওই সময় চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকা, মেহেরপুর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোরসহ আন্তঃজেলার বিভিন্ন বাস টার্মিনাল থেকে চলাচল শুরু করে। এর কিছুদিন পর টার্মিনাল থেকে শুধু ঝিনাইদহ এবং হাতেগোনা ঢাকার কিছু বাস চলাচল করলেও অন্য রুটের বাস টার্মিনাল থেকে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে আজ অবধি টার্মিনালটি আর সেভাবে ব্যবহার হয়নি।

বর্তমানে মেহেরপুর, আলমডাঙ্গা যশোরের বাসগুলো শহরের একাডেমি মোড়, বড়বাজার চৌরাস্তার মোড়, কোর্ট মোড় এবং দৌলতদিয়া থেকে চলাচল করে থাকে। যাত্রীরা তাদের সুবিধার্থে ওই জায়গাগুলো থেকে বাসে ওঠানামা করছেন।

শনিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্ষিপ্ত কিছু যানবাহন এবং অল্প কিছু যাত্রী রয়েছে টার্মিনালটিতে। টার্মিনালের ঘরগুলোর দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। বিভিন্ন কক্ষের দরজা ভাঙা। যানবাহন না আসার কারণে বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার নামে বরাদ্দ করা কাউন্টারগুলোও বন্ধ রয়েছে। হাতেগোনো মাত্র চার-পাঁচটি কাউন্টার খোলা রয়েছে। তবে টার্মিনালের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন মেরামতের কাজ।

শৌচাগার ময়লা-আবর্জনায় ভরা। টার্মিনালে যাত্রীদের বসার কোনো জায়গা নেই। কিছু কক্ষে যানবাহন মেরামতের যন্ত্রপাতি রাখা হয়েছে। টার্মিনালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখানে গড়ে ওঠা খাবার হোটেলসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো আছে সেগুলো কোনোরকম ঝিমিয়ে চলছে।

স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, টার্মিনাল থেকে ঝিনাইদহ এবং ঢাকা রুটের নির্দিষ্ট কয়েকটি বাস ছাড়া আর কোনো বাস চলাচল করে না। উদ্বোধনের পর টার্মিনালকে কেন্দ্র করে অনেক দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। কিন্তু কিছুদিন পরই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাস চালক বলেন, টার্মিনাল এমন এক এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে চালকরা যেতে চান না এমনকি যাত্রীরাও সেখানে যেতে চান না। টার্মিনালে নেমে শহরে যেতে আরও ১৫-২০ টাকা ভাড়া গুনতে হয়। বিশেষ করে যেসব যাত্রী মেহেরপুর, যশোর আলমডাঙ্গা রুটে যান তারা অতিরিক্ত ১৫-২০ টাকা খরচ করে টার্মিনালে না এসে পৌর শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাসে ওঠেন। এতে যাত্রীদের অনেক সুবিধা হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, চুয়াডাঙ্গা শহরটি রেললাইনের পশ্চিম দিকে আর টার্মিনালটি শহরের পূর্বদিকে রেললাইনের ওপারে। ফলে রেলগেটে অনেক সময় গাড়ি আটকে থাকে। কারণে টার্মিনালমুখী হতে চায় না অনেক চালক।

চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইয়াকুব আলী বলেন, শহরের প্রধান প্রধান সড়কে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক বলেন, টার্মিনালটি বর্তমানে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। কারণে টার্মিনাল অনেকেই পছন্দ করেন না। দৃষ্টিনন্দন করে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তা নির্মাণ করা হলে শহরের ভেতরের রাস্তায় যানজট আর থাকবে না।

স্কুলের বারান্দায় রক্তাক্ত মরদেহ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে ইলিয়াস পাটোয়ারি (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকার এম কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। ইলিয়াস পাটোয়ারি চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার নুরপুর গ্রামের মৃত সিদ্দিক পাটোয়ারির ছেলে। স্কুলশিক্ষক সাইদুর রহমান জানান, ওই ব্যক্তি বেশ কয়েক মাস ধরে স্কুলের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতেন। কারো সঙ্গে তেমন একটা কথা বলতেন না। আজ সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় স্কুলের বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

স্থানীয় যুবক মো. আল আমিন বলেন, আমরা প্রতিদিন বিকেলে স্কুলমাঠে খেলা করতাম। একদিন তিনি আমাকে ডেকে কিছু কাগজ দিয়ে বলেন এখানে আমার মেয়ের নম্বর আছে। তাকে একটু ফোন দেন, কথা বলব। আমি ওই নম্বরে ফোন করে তার মেয়ের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিই।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সোহেল রানা জানান, বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে ইলিয়াস পাটোয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বলা যাবে তার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বসতঘরে তৈরির সরঞ্জামসহ ১০ বোমা উদ্ধার

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হিজলবাড়ীয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ১০টি বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযান চালায় গাংনী থানা পুলিশের একটি দল। অভিযান টের পেয়ে আত্মগোপন করেন বাড়ির মালিক আব্দুল জব্বার। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, আব্দুল জব্বার পেশায় গাছী (খেঁজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহকারী)পাশাপাশি তিনি গোপনে বোমা তৈরি করে সন্ত্রাসীদের কাছে সরবরাহ করতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যা থেকে তার বাড়ির আশপাশে ঘিরে অভিযান শুরু করা হয়। এক পর্যায়ে তার বসতবাড়ির শয়ন কক্ষের বাক্সের মধ্যে মাটির হাড়িতে রাখা ৫টি, দুটি প্লাস্টিকের ড্রামে প্যাকেটের মধ্যে রাখা ৫টি বোমা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ঘর থেকে বের করা হয় বোমা তৈরির সরঞ্জাম, গাঁজা গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম। আব্দুল জব্বারকে গ্রেফারেরর চেষ্টা চলছে জানিয়ে ওসি আরও বলেন, জব্বারের নামে মামলা করা হবে। বোমাগুলো পানিতে রেখে প্রাথমিকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে উন্মত্ত আচরণ: যুবক আটক, পুলিশ প্রত্যাহার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের ওপরে উঠে এক যুবককে উন্মত্ত আচরণ করতে দেখা গেছে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেছে পুলিশ। সেইসঙ্গে ঘটনায় দায়িত্ব এবং কর্তব্যে অবহেলার দায়ে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (ফেব্রুয়ারি) দিন-দুপুরে ম্যুরালের ওপর উঠে ওই যুবককে দাঁড়িয়ে উন্মত্ত আচরণ করতে দেখা যায়। এদিকে, ম্যুরাল চত্বরে সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহারা থাকার কথা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনতার চোখ এড়িয়ে কিভাবে ওই ব্যক্তি ম্যুরাল বেয়ে ওপরে উঠেছেন তা নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল টার দিকে শহরের জনাকীর্ণ এলাকা পাঁচ রাস্তা মোড়ে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বেয়ে ওপরে ওঠেন ওই ব্যক্তি। ম্যুরালের ওপরে উঠে তাকে উন্মত্ত আচরণ করতে দেখা যায়। এসময় ঘটনাটি পথচারীসহ স্থানীয়দের দৃষ্টিগোচর হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ওই ব্যক্তি ম্যুরাল থেকে নেমে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এদিকে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে উঠে উন্মত্ত আচরণের এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে শনাক্তের জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নামে। এরপর ঘটনার মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে শহরের বড় বাজার এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়। আটক ব্যক্তি অপ্রকৃতস্থ নাকি ওপরে ওঠার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ জানায়, আটক ওই ব্যক্তির নাম শাকিল। প্রাথমিকভাবে তার বাড়ি জয়পুরহাটে বলে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণসহ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে ওই ব্যক্তি শুধু একাই জড়িত নাকি অন্য আরও কেউ জড়িত রয়েছে পুলিশ এসব বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছে। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার জন্য তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বর রাতে দুর্বৃত্তরা একই কায়দায় ওপরে উঠে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে আঘাত ভাঙচুর করে। ঘটনায় পুলিশ শহরতলির জুগিয়া এলাকার একটি মাদরাসার দুই শিক্ষক দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করে। বঙ্গবন্ধুর ওই ম্যুরালটি ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকে সেখানে সার্বক্ষণিক তিনজন পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়।