খুলনা মহানগর যুবদলের জরুরি সভা আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মহানগর যুবদলের উদ্যোগে জরুরি সভা আজ মঙ্গলবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নগরীর কে.ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। যুবদলের সহ-সভাপতি (খুলনা বিভাগ) ও নগর শাখার সভাপতি মাহাবুব হাসান পিয়ারুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভা পরিচালনা করবেন সাধারন সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর।
এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনা। বিশেষ অতিথি মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির। মহানগর যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দ, থানা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন শাখার সকল নেতাকর্মীকে উপস্থিত থাকতে বিশেষভাবে আহবান জানিয়েছেন নগর যুবদলের সভাপতি মাহাবুব হাসান পিয়ারু ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর।
দাকোপের বানিশান্তায় জিওবি ইউনিসেফ আসওয়া-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাজুয়া (দাকোপে) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপের বানিশান্তায় জিওবি ইউনিসেফ আসওয়া-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে কেয়ার বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বানিশান্তা ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় বানিশান্তা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বানিশান্তা ইউপি চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়, কেয়ার বাংলাদেশের বানিশান্তার দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত ওয়াশ ফ্যাসিলিটেটর মোঃ হারুন অর রশিদ, ওয়াশ ফ্যাসিলিটেটর লিজা মন্ডল, সিতাংশু রায়, প্রধান শিক্ষক তপন কুমার রায়, প্রধান শিক্ষক মলয় রায়, ইউপি সচিব সমীর বাকচী,সমাজ সেবক সন্তোষ ঘরামী, তইবুর রহমান, সুনিপ রপ্তান, আব্দুল মান্নান, হাবিবুর রহমান প্রমুখ। কর্মশালায় বিগত দিনের কর্মকান্ডের প্রশংসা করে আলোচকবৃন্দ নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে দাকোপে নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
কেশবপুর রেলপথের দাবিতে মানববন্ধন
কেশবপুর (যশার)প্রতিনিধি :
কেশবপুর রেলপথ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার বিকালে কেশবপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাস চত্বরে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা যশোরের কেশবপুর ও মণিরামপুর উপজেলার ভেতর দিয়ে মহাকবির জন্মভূমি সাগরদাঁড়ি হয়ে সাতক্ষীরা পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের দাবি করেন। এ পথ দিয়ে রেললাইন নির্মাণ হলে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি সাগরদাঁড়ি ভ্রমণ পর্যাটকদের সুবিধা বাড়বে। অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে উনয়নের জন্য রেলপথ সকলের প্রাণের দাবি।
কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তিতা করেন, কেশবপুর উপজলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এইচ এম আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন, উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মশিউর রহমান, উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান নানু, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ, প্রভাষক কানাই লাল ভট্টাচাযর্য, স্বেছাসেবী সংগঠন ওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক সৈয়েদ আকমল আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুল প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, কেশবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উৎপলদে।
খুলনা জেলা আ.লীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সদস্য, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা নিশা, তার পিতা খান ফেরদৌস ওয়াহিদ মৃত্যু বরণ করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী সহ সকল নেতৃবৃন্দ।
কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুরে ১৩ টি ইটভাটায় অভিযান, ২১ লাখ টাকা জরিমানা ॥ গুড়িয়ে দিয়েছে ২ টি
বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপজেলায় লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় ১৩ টি ইটভাটায় মোট ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও বুলড্রেজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে ২ টি ইটভাটার স্থাপনা। সোমবার দিনভর এ অভিযান চালানো হয়।
যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর দপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিমের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।
যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ জানান, সকাল থেকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপজেলার ১৩ টি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এরমধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় একটি ও কোটচাঁদপুর উপজেলায় একটি ইটভাটা বুলড্রেজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও নিয়ম নীতি না মেনে ভাটার মাধ্যমে কৃষি জমির ক্ষতিসাধন ও পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে কাজ করায় বাকি ১১ টি ইটভাটায় মোট ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার জেলার মহেশপুর উপজেলার ৮টি ইটভাটায় অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় অবৈধ তিনটি ভাটা উচ্ছেদ করা হয় এবং ৫ টি ইটভাটায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মোংলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দোকানপাট ভাংচুর ও নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে পৌর শহরের রবীন্দ্রনাথ সড়কে এ হামলা ও ভাংচুর চালায় প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় আটজনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
মোংলা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনাথ সড়কের বাসিন্দা মোঃ সেলিম মোল্লার সাথে একই এলাকার মোঃ ওসমান চৌকিদারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরে সোমবার সকালে সেলিম ও তার মেয়ে শারমিন আক্তার মাধুরি দোকানে থাকা অবস্থায় দোকানে এসে হামলা-ভাংচুর চালায় প্রতিপক্ষ ওসমানসহ তার লোকজন। এ সময় সেলিম ও তার মেয়ে এবং স্ত্রীকে মারপিট করে তারা। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মোংলা থানার এসআই মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করি। তবে এ ঘটনায় ওসমান চৌকিদার, ইব্রাহিম চৌকিদার, বেল্লাল ফকির, মমতাজ বেগম, মরিয়ম বেগম, মুকুল বেগম, সুজলা বেগম ও মুক্তা বেগমকে আসামী করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন সেলিমের স্ত্রী জেসমিন বেগম। বিষয়টির তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মশিয়ালীতে জিহাদ হত্যা মামলার আসামী রেজাউল আটক
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামের জিহাদ হত্যা মামলার রেজাউল শেখ ক্যাবলা(৪৫)কে আটক করেছে পিবিআই। খুলনা জেলা পুলিশ ব্যূরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই) এর ওসি মাহফুজ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জিহাদ হত্যা মামলার ১৭ জন আসামীর ভিতর ৯নং আসামী মশিয়ালী গ্রামের মৃত আজিজ শেখ এর পুত্র রেজাউল শেখ ক্যাবলা(৪৫)কে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনার ডাকবাংলা থেকে ৩১ জানুয়ারী বেলা ১টায় আটক করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরও আটকের ব্যপারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ মামলার বাদী নিহত জিহাদের চাচা নূর মোহাম্মাদ বলেন, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই এলাকাবাসীর হামলায় আমার ভাইপো মশিয়ালী গ্রামের জিহাদ শেখ নিহত হয় এবং একই এলাকার আমার অপর ভাইপো মোঃ জাকারিয়া, মিল্টন ও জাফরিন এর বাড়িতে ভাংচুর, লুটপাটসহ অগ্নি সংযোগ করা হয়। ষড়যন্ত্রমুলকভাবে আমাদের গুলিতে তারা মারা গেছে বলে প্রচার করে এবং আমার পরিবারের ২২ জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে । এ মামলায় আমার ভাইপোসহ কয়েকজন পুলিশের কাছে আটক হয় । পরবর্তিতে গত বছরের ১২ ডিসে¤বর আমার ভাইপো জেল থেকে জামিনে আসার পর ৯ জানুয়ারী খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা কোর্টে করার পরমার্শ দেন। সেই মোতাবেক ১১ জানুয়ারী বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আমলি আদালতে ১০৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। মোঃ জাকারিয়া ১৬ জানুয়ারী বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আমলি আদালতে ১১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে আরোও একটি মামলা দায়ের করে । বর্তমানে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে পিবিআই এর উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান । তিনি আরোও বলেন, এলাকার সন্ত্রাসীদের ভয়ে ১৭ টি পরিবার নিয়ে আমরা এলাকায় যেতে পারছিনা কনকন শীতে রাস্তায় রাস্তায় চরম মানবেতর জীপন যাপন করছি। আমরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে এলাকায় বসবাস করতে পারি তার সুব্যবস্থা করতে স্থানীয় প্রতিনিধি ও প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আমার ভাইপো জিহাদ হত্যা মামলার আসামিরা এবং বাড়িঘর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ কারীরা এখনও প্রশাসনের সামনে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে । অতিদ্রুত সকল আসামিদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।
দাকোপে ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে প্রদর্শনী মেলা ও সভা অনুষ্ঠিত
বাজুয়া ( দাকোপ ) প্রতিনিধি
“ছাগল পালনে অর্থ আয়ঃ খাদ্য সবই যোগায়” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে দাকোপে ব্লযাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় প্রদর্শনী মেলা, র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে ৩১ জানুয়ারী সোমবার সকাল ১০ টায় এ লক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী চালনা পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের মাঠে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা গালিব মাহমুদ পাশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়। সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ পরিতোষ রায়। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দাকোপ প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ শিপন ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের এলইও (এনএটিপি) সিফাত হোসাইন জয়া, এলইও শামীম আরা হক, উপ-সহকারী কর্মকর্তা এস এম, বোরহান উদ্দিন প্রমুখ। মেলায় দেশীয় বিভিন্ন জাতের ব্লযাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনিতে আরও একজনের করোনা পজেটিভ
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনিতে আরও একজনের করোন পজেটিভ হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) নতুন একজনের করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে।
নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন শুরুর পর থেকে এপর্যন্ত ৫ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। সোমবার ২ জনের করোনা টেস্ট করা হয়। যার মধ্যে আজনের পজেটিভ হয়েছে। পজেটিভ হওয়া ব্যক্তির নাম সৌমকি দত্ত। তিনি উত্তরণে কর্মরত।
করোনা শুরুর পর ২য় ভেরিয়েন্ট পর্যন্ত আশাশুনি উপজেলায় ২৭৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিল। যার মধ্যে ৯ জন মারা যান।
এ পর্যন্ত আশাশুনি উপজেলায় সর্বমোট ২৮৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে।
কাদাকাটি হাজিরহাটে মিষ্টির দোকানে চুরি
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনির কাদাকাটি হাজীরহাটে এক রেষ্টুরেন্টে চুরি সংঘটিত হয়েছে। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। হাজীহাটে মা রঞ্জিতা মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক দিলীপ কুমার ঘোষ রবিবার রাত্রে প্রতিদিনের ন্যায় দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। রাতের কোন এক সময় সংঘবদ্ধ চোরেরা দোকানের সিলিং এর হার্ডবোর্ড ও ছাউনির এ্যাডবেষ্টার কেটে ভিতরে ঢোকে। এসময় চোরেরা দোকানের ক্যাশ বাক্সর তালা ভেঙ্গে অনুমান সহস্রাধিক নগদ টাকা, অনুমান ২৫ কেজি মিষ্টি ও হিসাবের কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। সোমবার সকালে দোকান মালিক দোকানের শার্টার খুলে ভিতরে ঢুকে চুরির ঘটনা জানতে পারেন। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।এসআই নুরনবী ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন।
মোংলায় বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংর্ঘষে নিহত ১, আহত ১
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় বাস ও মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংর্ঘষে মটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন মটর সাইকেলের অপর আরোহী। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে। নিহত ও আহতদের বাড়ী খুলনায়।
পুলিশ ও বন্দর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মোংলা-খুলনা মহাসড়কে দিগরাজ এলাকায় নৌবাহিনীর ঘাঁটির সামনে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। মোংলাগামী যাত্রীবাহী বাস ও খুলনাগামী মটরসাইকেলে এ সংর্ঘের ঘটনা ঘটি। এ সময় মটরসাইকেলটির সামনের চাকা বাসের সামনের দিক থেকে নিচে ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মটরসাইকেল চালক রাজন (৩৫) মারা যান। এ সময় গুরুতর আহত হন রাজনের সাথে থাকা আরোহী রাসেল (৩০)। স্থানীয়রা রাসেলকে উদ্ধার করে বন্দর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
মোংলা বন্দর হাসপাতালের ডাঃ গোলাম রাব্বী প্রিন্স বলেন, ঘটনাস্থলেই মারা যায় রাজন, হাসপাতালে তার মরদেহ আনা হয়। আর গুরুতর অবস্থায় আনা রাসেলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনায় পাঠানো হয়েছে। নিহত রাজন খুলনার সোনাডাঙ্গার করিমনগর এলাকার আঃ রবের ছেলে। আর গুরুতর আহত রাসেল একই এলাকার মোঃ বুলবুলের ছেলে।
মোংলা থানার এসআই জ্যোতিরর্ময় ফৌজদার বলেন, খবর পেয়ে বাসটি আটক ও মটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সাথে সাথে বাস ফেলে চালক ও ড্রাইভার পালিয়ে যান।
বাগেরহাটে মাস্ক বিতরণ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চলমান কোভিড সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান এই মাস্ক বিতরন করেন।এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক রিজাউল কবিমসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মাস্ক বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, সকলকে “নো মাস্ক নো সার্ভিস” নীতি মেনে চলতে হবে। সপরিবার করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ, বাড়ির বাহির হলে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাসহ সরকার আরোপিত বিধি-নিষেধ মেনে চলার জন্য বাগেরহাটবাসীকে আহ্বান জানান তিনি।
বাগেরহাটে ২৪ ঘন্টায় ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে গেল ২৪ ঘন্টায় ১৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। পরীক্ষার হিসেবে শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এই নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪২১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪৪ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৯৪২ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১ জন। এছাড়া বাসা-বাড়িতে চিকিৎসাধীন ৪৬৮ জন। গতকাল রবিবার ১২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় আক্রান্ত হয়েছিল ৭০ জন।
রবিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাগেরহাটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, বাগেরহাটে করোনা সংক্রমনের হার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় সকলকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি মাস্ক পরিধানের প্রতি আগ্রহী হওয়ার আহবান জানান এই কর্মকর্তা।
কয়রায় প্রতিবন্ধী ও অটিষ্টিক শিশুদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন ছাত্রলীগ
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
“শীতার্থ মানুষের পাশে দাড়াই’ শ্লোগানকে সামনে রেখে কয়রা উপজেলায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব,ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অসহায়,দুস্থ প্রতিবন্ধী ও অটিষ্টিক শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় কয়রা শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উক্ত বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রছাত্রীর মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়। কয়রা শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকুকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। অনেকে হাঁটতেও পারে না ঠিকমত তা-ও তারা অভিভাবকের হাত ধরে কম্বল দেখে ছাত্রলীগ নেতার গায়ের উপর ঝাপিয়ে পড়েন। রেবেকা খাতুন দাদীর সাথে স্কুলে এসছে। কম্বল দেখে দাদীর কাছে বায়না ধরেছে তার লাল কম্বল চাই। ছাত্রলীগ কর্মী তার হাতে কম্বল তুলে দিতেই রেবেকার মুচকি হাস্ ি। লাল টুকটুকে কম্বল পেয়ে সে খুব খুশি। বিদ্যালয়ের ছাত্র সবুজ,তামিম ও যোবায়ের বলেন, ছাত্রলীগের বড় ভাইয়েরা আমাদেরকে নতুন কম্বল দিয়েছে। এই শীতে কম্বল গায় দিয়ে রাতে ঘুমাতে পারবো। নতুন কম্বল পেয়ে খুবই খুশি আমরা।
কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু বলেন, কয়রা পাইকগাছার গন মানুষের প্রিয় অভিভাবক জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু ভাইয়ের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কয়রা উপজেলা শাখার আয়োজনে কয়রা শেখ রাসেল প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের ৫০ জন প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদেরকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে সাহায্য করে এসেছে। এধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রলীগ নেতা জোবায়ের, বিল্লু, আশিক, রাজা, ইসমাইল প্রমুখ।
তালায় বঙ্গবন্ধুর চিঠি পাওয়া আব্দুর রবের নাম নেই পূর্ণাঙ্গ বুদ্ধিজীবী তালিকায়!
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)||
স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও শহীদ বুদ্ধিজীবী পূর্ণাঙ্গ তালিকায় ঠাঁয় মেলেনি পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্পে হত্যা করে কপোতাক্ষ নদে ভাসিয়ে দেওয়া সাতক্ষীরার তালার ডাঃ আব্দুর রবের নাম। তিনি তালা সদর ইউনিয়নের মাঝিয়াড়া গ্রামের সৈয়দ হাফেজ হযরত উল্লাহর পুত্র। ১৯৭১ সালে ৩ আগষ্ট ডাঃ সৈয়দ আব্দুর রব তালা সদরের তিন রাস্তার মোড়ে তার নিজ চিকিৎসালয়ে তৎকালীন জয় বাংলার পতাকা উত্তোলন করেছিল। সেই অপরাধে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনীর দোসর রাজাকারবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনারা তাকে খুলনার কপিলমুনি ক্যাম্পে ধরে নিয়ে বর্বর অত্যাচার চালিয়ে হত্যা করে লাশ কপোতাক্ষ নদে ভাসিয়ে দিয়েছিল। শহীদ বুদ্ধিজীবী সংজ্ঞায় একজন চিকিৎসা হিসাবেই তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গেজেটে অন্তর্ভূক্ত জরুরী। সংবাদকর্মীদের সাথে সাক্ষাৎকালে এমনটাই দাবি করেছেন ডাঃ সৈয়দ আব্দুর রবের পুত্র সৈয়দ আব্দুল্লাহেল কাফী মঞ্জু। তিনি এ সময় শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের তালিকায় নাম লেখাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল শহীদ ডা. সৈয়দ আব্দুর রবের স্ত্রী মনোয়ারা খাতুনকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিঠি দিয়ে সমবেদনা জানিয়ে আর্থিক সহায়তা করেছিলেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন,‘‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে আপনার সুযোগ্য স্বামী আত্মোৎসর্গ করেছেন। আপনাকে আমি গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক সমবেদনা। আপনার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও রইল আমার প্রাণঢালা সহানুভূতি। এমন নিঃস্বার্থ মহান দেশ প্রেমিকের স্ত্রী হওয়ার গৌরব লাভ করে সত্যি আপনি ধন্য হয়েছেন। ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল’ থেকে আপনার পরিবারের সাহায্যার্থে আপনার সংশ্লিষ্ট মহকুমা প্রশাসকের নিকট এক হাজার টাকার চেক প্রেরিত হলো। চেক নম্বর- ০১৩৬৯৮। শহীদ ডা. সৈয়দ আব্দুর রব ব্যক্তিগত জীবনে দুই বিয়ে করেছিলেন। তার দুই স্ত্রীর ঘরে ৪ ছেলে ও ৬ মেয়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে তার বড় ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহেল বাকী (খসরু) ইতোমধ্যে মারা গেছেন। বাবার রেখে যাওয়া ‘মনোয়ারা ফার্মেসী’ ঘিরেই ছিল তার কর্মব্যস্ততা। তার ছোট (দ্বিতীয়) ভাই সৈয়দ আব্দুল্লাহেল কাফি মনজুও বাবার মতোই হোমিও চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়ভাবে যাকে মনজু ডাক্তার নামেই সবাই চেনেন।
এ ব্যাপারে সৈয়দ আব্দুল্লাহেল কাফি মনজু বলেন, ‘২০১২ সালে মারা গেছেন আমার মা মনোয়ারা খাতুন। তার নামেই তালা বাজারে মনোয়ারা ফার্মেসী ছিল। ওই ফার্মেসীতেই বাবা জয় বাংলার পতাকা উড়িয়েছিলেন। সেটি সম্ভবত জুলাইয়ের প্রথম দিকে হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজাকাররা খবর দিলে পাকিস্তানী আর্মিরা এসে সেই পতাকা খুলে নিয়ে যায়। তখন আমার বাবা দোকানে ছিলেন না। এরপর ১ আগস্ট স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় দোকান থেকে (মনোয়ারা ফার্মেসী) আমার বাবাকে ধরে নিয়ে যায় কপিলমুনি রাজাকার ক্যাম্পে। সেখানে তাকে দুইদিন অমানুষিক টর্চার চালিয়ে ৩ আগস্ট রাতে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর নাকি তার লাশ পার্শ্ববর্তী কপোতাক্ষ নদীর পাড়ে ফেলে দেয়া হয়। কিন্তু ভয়ে কেউ তার লাশটি আনতে যায়নি। পরে স্থানীয়রা সেই লাশ কপোতাক্ষ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।’
মনজু আরো বলেন, ‘বাবা ছিলেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বঙ্গবন্ধু নিজেই আমার মাকে সমবেদনা জানিয়ে একটি চিঠি লিখেছিলেন। আমার মা-ও হয়তো বিষয়টি ভুলে গিয়েছিলেন। স্থানীয় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বছর তিনেক আগে আমাদের বিষয়টি বলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আমার মাকে লেখা বঙ্গবন্ধুর সেই চিঠিটি খুঁজে পায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতা প্রদানসহ নানা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। আমার বাবাও তো মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু নিজেই আমার মাকে শ^ান্তনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। আমরা কেন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবো? বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা এখন ক্ষমতায়। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তিনি অনেক কিছু করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবার হিসেবে তার কাছে আমরা সুযোগ-সুবিধা আশা করি।’ তবে আশার কথা হলো মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কার্যক্রমে আবেদন করেছেন তিনি।
তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদ্য বিদায়ী কমান্ডার মোঃ মফিজ উদ্দীন বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে উনার সরাসরি ভূমিকা কতটুকু ছিল সেটি আমার জানা নেই। তবে রাজাকাররা উনাকে হত্যা করেছেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের শহীদ’ হিসেবে তার পরিবারকে প্রত্যয়নপত্র দেয়া হয়েছে।” তবে সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বইয়ের যে তালিকা আছে সেই তালিকায় ডাক্তার সৈয়দ আব্দুর আব্দুর রবের নাম রয়েছে বলে জানান তিনি।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, বিষয়টি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের। পরিবার থেকে মুক্তিযোদ্ধারা মন্ত্রণালয়ের আবেদন করলে সেটি আমাদের কাছে আসলে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পাঠানো হবে। যদি সকল তথ্য সঠিক থাকে তাহলে তাকে গেজেটের আওতাধীন করার সুপারিশ করা হবে।
নগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতির সুস্থতা কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ নগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদারের সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন রূপসার মিলকি দেয়াড়া স্বর্ণময়ী কালিমন্দির ও শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ। তিনি স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিবৃতিদাতারা হচ্ছেন মন্দির পূজা কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য অরুপ ভৌমিক, দিবাকর মন্ডল, সভাপতি রাজিব দাস, কার্যকরী সভাপতি টিকেন্দ্রনাথ মিস্ত্রী, সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার বিশ^াস, কোষাধ্যক্ষ কৌশিক দত্ত রাজা, তপন রায়, পলাশ মল্লিক, জয়দেব সাহা, রবিন কর্মকারসহ নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ পূজা উদ্য্পন পরিষদ নগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদারের সুস্থতা কামনা করেন।
খুলনার নাট্য নিকেতনের সদস্য মতিউর রহম নের ইন্তেকাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার বিশিষ্ট সাংস্কৃর্তিক ব্যক্তিত্ব খুলনা নাট্য নিকেতনের সদস্য,নাট্য পরিচালক বাংলাদেশ বেতার এস এম মতিউর রহমান সোমবার ভোর পাঁচটার দিকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্নালিল্লাহে ইন্না ইলাহি রাজিউন) মৃত্যুকালে মরহুমার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি জীবদ্দশায় বাংলাদেশ বেতারসহ বহু ঐতিহাসিক নাটক সাফল্যের সহিত সুনাম অর্জন করেছেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রসহ দেশের বিভিন্ন জেলা আন্তঃজেলা নাট্য উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। বেশ কয়েকবার জাতীয় নাট্যোৎসব অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। যেমন অভিনয় তেমনি পরিচালনায় তিনি ছিলেন খুলনার নাট্যঙ্গনের এক কিংবদন্তি মহাপুরুষ। মরহুমের মৃত্যুতে খুলনা সাংস্কৃর্তিক অঙ্গণ যেমনি হারালো একজন মুরুব্বী তেমন হারালো একজন গুনী নাট্য পরিচালক।তিনি বাংলাদেশ বেতার নাট্যকার নাট্যশিল্পী সংসদের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য। তিনি ছিলেন খুলনা নাট্য নিকেতনেরএর একজন ঐতিহাসিক নাটকের কিংবদন্তি পরিচালক তার পরিচালনায় বহু নাটক খুলনা নাট্য নিকেতনের গৌরব এনে দিয়েছে মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,তিনপুত্র,তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন তার মৃত্যুর খবর শোনার সাথে সাথে এলাকাবাসীসহ শতশত নাট্যকর্মী তার বাসভবনে ছুটে যান এবং তার পরিবারকে সান্ত¦না দেন। গতকাল বাদ জোহর বানরগাতি আল-আমিনা মসজিদের নামাজে জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে খুলনা নাট্য নিকেতন,বাংলাদেশ বেতার নাটক নাট্যশিল্পী সংসদ,খুলনা সাংস্কৃর্তিক উন্নয়ন পরিষদ,খুলনার নাট্য নিকেতন প্রশিক্ষণ স্কুল সহ অসংখ্য নাট্য ও সাংস্কৃর্তিক সংগঠন শোক জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে চিংড়ী চাষীদের মানব বন্ধন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা শ্যামনগরের নূরনগর ও কৈখালী ইউনিয়নের চিংড়ি চাষীরা সাদা সোনাখাত ও প্রধান রপ্তানীমুখী পন্য বাগদা চিংড়ী চাষের অনুকুল পরিবেশ তৈরী ও সুনিদিষ্ট নীতিমালার নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাগদা চিংড়ী চাষের দাবিতে গত রবিবার নতুনঘেরী ভেড়ার হাটে মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন চিংড়ী ঘের ব্যবসায়ী মোঃ ফজলুল করিম, আতিয়ার রহমান, গাজী নুর ইসলাম ও শাহারিয়া সোহাগ প্রমুখ। দুই ঘন্টা মানব বন্ধনে বক্তরা বলেন. পরানপুর, গোনা, দুরমুজখালীতে ১টি করে ও কুলতলীতে ২টি করে মোট ৫টি মিনি স্লুইচগেট সরকারীভাবে অনুমোদিত। উক্ত গেট গুলো দিয়ে লোনা পানি উঠিয়ে আমরা দীর্ঘ দিন চিংড়ী চাষ করে আসছি। বর্তমান শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গেট গুলো দিয়ে লোনা পানি উঠানো বন্ধ করে দেয়ায় আমরা দিশাহারা হয়ে পড়েছি। এ এলাকায় চিংড়ী চাষ বন্ধ হলে হাজার হাজার ঘের ব্যবসায়ীরা ঋণের টাকা পরিশোধ তো দুরের কথা না খেয়ে মরবে। তারা আরও বলেন সুনিদিষ্ট নীতি মালায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে চিংড়ী চাষ করার দাবিতে জননেত্রী ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্থানীয় সংসদ সদস্য এস.এম. জগলুল হায়দার সহ জেলা ও উপজেলার দায়িত্বরত সরকারী কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানান। মানববন্ধনে হাজার হাজার চিংড়ী ঘর ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।
দিঘলিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে থানায় মামলা, আদালতে জবানবন্দি
আসাদ, দিঘলিয়াঃ
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর (উঃ) পাড়া ৫ নং ওয়ার্ডে ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন। দিঘলিয়া থানা মামলা নং ১৩, তাং ৩১/০১/২০২২। এ ব্যাপারে কিশোরী মেয়েটি গতকাল নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, অভিযোগে অভিযুক্ত মৃত মতি শেখের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ (৫০) এর বাড়ি একই এলাকায়। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) পাওনা টাকা আনতে সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬ টার দিকে বাদীর মেয়েকে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে টাকা আনতে পাঠায়। এ সময় জাহাঙ্গীর বাদীর মেয়েকে টাকা দেয়ার কথা বলে ঘরের ভিতরে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঘটনার সময় জাহাঙ্গীর ছাড়া বাড়িতে কেউ ছিল না। এ সময় কিশোরীর আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে জাহাঙ্গীর ওই কিশোরীর হাতে পাওনা টাকা দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি দেখায় কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। কিশোরী মেয়েটি বাড়িতে এসে পাওনা টাকা তার মায়ের কাছে দিয়ে ঘটনার বিষয়ে খুলে বলে। এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্যে অভিযান চলছে।
ডুমুরিয়ায় নান্দনিক নকশায় নির্মিত উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনটি দৃষ্টি কাড়ছে সবার ঃ একই ভবনে ৯টি দপ্তরের সেবা
এস রফিক, ডুমুরিয়া
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদে নান্দনিক নকশায় নির্মিত ৫তলা ভবনটি নজর কাড়ছে সবার। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত উপজেলা কমপ্লেক্স সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনটি (হলরুমসহ) নির্মাণে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৭ কোটি ৬০ লাখ ৮৩ হাজার ৯১৯ টাকা। উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করতে একই ছাঁদের নিচে জনসাধারণের সব ধরণের সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের এ উদ্যোগ।
জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পুরাতন জরাজীর্ণ ভবনে বসে কাজ করতে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সেবা গ্রহণকারীদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। অধিকাংশ কক্ষে ছাদে ফাটল হয়ে ঝুকিপূর্ণ অবস্থা হয়েছিলো। অনেক কক্ষে বৃষ্টির পানিও পড়তো। এসব সমস্যা উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তারই আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দের আন্তরিক প্রচেষ্টায় উপজেলা পরিষদ ভবনটি আজ আধুনিকায়নে রূপ নিয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর এশা-এমবিপিএল মহিউদ্দিন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তÍর কাজের উদ্বোধন করেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। কাজটি বাস্তবায়ন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিইডি)। ঝকঝকে চকচকে উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনটি গত বছর ২৯ ডিসেম্বর এর উদ্বোধন করা হয়। এইচ প্যাটেন্ট দুই ’বে’ বিশিষ্ট ৬তলা ফাউন্ডেশনের ৫তলা ভবনের প্রতিটি বে’তে ৫ টি কক্ষ, দুইটিতে এট্যাস্ট বাথরুম ও একটি কমন বাথরুম আছে। অর্থাৎ প্রতি তলাতে রয়েছে ১০টি কক্ষসহ পর্যাপ্ত টয়লেট। যার ৫ম তলায় কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, যুব উন্নয়ন, সমবায়, ৪র্থ তলায় উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, ১টি ট্রেনিং/মিটিং রুম, ৩য় তলায় উপজেলা নির্বাহী অফিস ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়, আইসিটি, ২য় তলায় ভাইস চেয়ারম্যান দ্বয়ের অফিস ও ইউএনও অফিস রয়েছে। ভবনের প্রতিটি কক্ষ অত্যন্ত খোলামেলা এবং পরিবেশ বান্ধব। এ ছাড়া গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য রয়েছে সু-ব্যবস্থা। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন এ ভবনটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। এ ভবনে পরিষদের সকল প্রধান দপ্তরগুলো স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। ভবনটি নির্মাণের ফলে বাংলাদেশ সরকারের যে ডিজিটাল সেবা এবং একই ছাঁদের নিচে সকল সেবাপ্রাপ্তি জনগনের যে প্রত্যাশা এবং সরকারের নির্বাচনী দেয়া যে ইস্তেহার সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে। এ ভবন নির্মানের ফলে জনসাধারণ বিশেষভাবে উপকৃত হবে। বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে তাদের আর দৌড়ানো লাগবে না, এখন থেকে এক ভবনেই সকল সেবা পাবেন। তিনি বলেন, ডুমুরিয়া দুর্যোগ প্রবণ এলাকা। যে কারণে ভবনটির নিচে ফাকা রাখা হয়েছে। দুর্যোগ মুভমেন্টে ডুমুরিয়াবাসী এখানে আশ্রয় নিতে পারবেন, তাছাড়া কৃষিপন্য বা গবাদি পশু এ আশ্রয় রাখা যাবে। সে আলোকেই ভবনটি তৈরি করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, পুরাতন ভবনে আমাদের কাজ করতে অনেক কষ্ট হত। নতুন এ ভবনে এসে কাজেরও গতি বেড়েছে এবং একই স্থানে বসে জনগনকে সকল সেবা দেওয়া সহজ হচ্ছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম বলেন, ভবনের দ্বিতলায় এ্যাটাষ্ট বাথরুমসহ একটি মানসম্মত অফিস পেয়ে আমি খুব খুশি। ভবনটি আসলেই দৃষ্টিনন্দন। সাধারন মানুষের নজর কাড়ছে এ ভবনের দিকে। কাঁঠালতলা এলাকার স্বদেশ মল্লিক জানান, গতকাল সোমবার উপজেলা পরিষদে ৩/৪টি দপ্তরে কাজ নিয়ে এসেছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যে একই ভবনে সব কাজ সেরে নিলাম। তিনি আরও বলেন,ডুমুরিয়ায় এই প্রথম দেখার মত একটি ভবন হয়েছে যা অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে তাকিয়ে দেখলাম। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, নতুন এই ভবনে একই ছাদের নীচে জনগন অনেক সেবা নিতে পারবে। যেহেতু ভবনটি সাইক্লোন কাম অফিস, সেহেতু দূর্যোগ ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় স্থানীয় জনগন এখানে আশ্রয় নিতে পারবে।
মহেশপুরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি রনি ও সম্পাদক দবীর উদ্দিন
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপজেলা বিএনপির দ্বি বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে উপজেলার ভৈরবা শহিদুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজে এ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি মেহেদী হাসান রনি ও সাধারণ সম্পাদক দবীর উদ্দিন বিশ্বাস নির্বাচিত হয় ।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস এম শাহজামান মোহনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু,বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল,ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তি যোদ্ধা এ্যাড. এসএম মশিউর রহমান, সদস্য সচিব এম এ মজিদ,যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল মালেক,আক্তারুজ্জামান,জাহিদুজ্জামান মনা,ঝিনাইদহ সদর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. কামাল আজাদ পান্নু, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।
সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের খুলনা নগর সভাপতি গাজী আলাউদ্দিন
খবর বিজ্ঞপ্তি
সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে আলহাজ¦ গাজী আলাউদ্দিন আহমদকে। ৩০ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে কেন্দ্রীয় মহাসচিবের বরাত দিয়ে সহকারী পরিচালক মহিম মিজান স্বাক্ষরিত এক পত্রে খুলনা মহানগর শাখার চলমান কমিটির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ¦ গাজী আলাউদ্দিন আহমদকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি ভারত ও নেপাল সরকারেরও অনুমোদনপ্রাপ্ত এবং ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ন্যাশনাল কমিশন ফর ওমেন-ভারত, ন্যাশনাল ভিজিলেন্স কমিশন-ভারত ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
আলহাজ¦ গাজী আলাউদ্দিন আহমদ ফাউন্ডেশনের এই দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সংগঠনের খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন উপদেষ্টা রোটাঃ এস. এম. শাহনওয়াজ আলী, আলহাজ¦ রোটাঃ ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদার ও ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ, সহ-সভাপতি আলহাজ¦ রোটাঃ সরদার আবু তাহের, মোহাম্মদ আরিফ, শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন ও আব্দুস সালাম শিমুল, সাধারণ সম্পাদক এম. এ. মান্নান বাবলু এবং রোটাঃ মোঃ আজিজুল হক, রোটাঃ খান ইমরান আহমেদ, মোঃ রুকুনুজ্জামান, ইনামুল হক সবুজ, এস কে রানা আহমেদ, এইচ এম জহিরুল ইসলাম, বিমল মল্লিক, মোঃ বদিউজ্জামান লাবলু, মোঃ হাসানুর রহমান তানজির, এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান মিজি, ইসরাত জাহান জিনাত, মোঃ হুমায়ুন কবির বালী, এসকে এমডি বাহলুল আলম, মোঃ মনির হোসেন, রকিব উদ্দিন মোল্যা, বিপ্লব কান্তি দাস, শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, অসীম কুমার বিশ^াস, কাজী আব্দুল মান্নান, সোহাগ হোসেন, প্রীতিশ ঢালী, মোঃ ইউনুস সানা, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, মানসুরা তুলি, এম হানিফ হোসেন, নাঈম ফারহান, মোঃ আফতাব উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন মোল্লা রাজীব, শাহিন আলম বাবু, মোঃ লিটন হোসেন প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ মনে করেন আলহাজ¦ গাজী আলাউদ্দিন আহমদ এর নেতৃত্বে সংগঠনটি এতদাঞ্চলের মানবাধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
বেনাপোল বন্দর থেকে অনির্দিস্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানী
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল বন্দর দিয়ে সোমবার সকাল থেকে অনির্দিস্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানী বানিজ্য। তবে বেনাপোল বন্দরে মালামাল লোড আনলোড সহ পন্য ডেলিভারি স্বভাবিক রয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে এলপি ম্যানেজার কর্তৃক নানাবিধ হযরানির প্রতিবাদে সেখানকার সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশন, ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন,ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সহ বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো এ ধর্মঘটের ডাক দেন। পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি কাজে নতুন এলপি ম্যানেজার নতুন নতুন আইন তৈরী করার কারণে নানা হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আমদানি-রফতানি কাজে নানা হয়রানি বন্ধ সহ বন্দরের নতুন এলপি ম্যানেজারকে প্রত্যাহারের দাবিতে দফায় দফায় বৈঠক ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছে আন্দোলকারীরা। বন্দর ব্যবহারকারীরা আরো বলেন তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যšত তাদের এ আন্দোলন চলবে।
পেট্রাপোল বন্দরের স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র জানান, কোভিড ১৯ এর কারণে তাদের ব্যবসা বাণিজ্যে আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। আগে যেখানে ২৪ ঘন্টায় ৭০০ পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে রফতানি হতো, বর্তমানে তা দাড়িয়েছে সাড়ে তিনশো ট্রাকে। নতুন এলপি ম্যানেজার ব্যবসায়ীদের কোনো কথা না বলে বন্দর এলাকায় প্রবেশের উপর নতুন নতুন আইন তৈরী করে আমাদের বাণিজ্যে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। নতুন এলপি ম্যানেজার বিএসএফকে কাজে লাগিয়ে পরিবহন কর্মীদের বন্দর অভ্যšতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ আন্দোলন কারীদের।
ইউনিক কার্ড ছাড়া কোনো পরিবহন শ্রমিককে বন্দর অভ্যাšতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। বন্দর অভ্যšতরে প্রবেশ করতে না পারায় আমদানি-রফতানি কাজে জড়িতদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
আমদানি-রফতানি কাজে বন্দর অভ্যন্তরে প্রবেশসহ নানা হয়রানি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের অনির্দিস্ট কালের আন্দোলন চলবে। ধর্মঘট থাকায় সকাল থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের ডেপুটি ডাইরেক্টর আব্দুল জলিল জানান, ভারতের পেট্রপোল বন্দরে অনির্দিস্টকালের ধর্মঘটের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি- রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। ওপারে এলপি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী ও ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন আন্দোলন করছেন। আমদানি- রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও আমাদের বন্দরে মালামাল লোড আনলোড স্বাভাবিক রয়েছে।
জালে ধরা পড়েছে ১০ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ, ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চর সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ১০ মণ ওজনের একটি বিশাল আকৃতির শাপলাপাতা মাছ। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে সাগরে জেলে কুতুবআলীর জালে মাছটি ধরা পড়ে। এরপর সোমবার সকালে সেই মাছটি বিক্রির জন্য আনা হয় মোংলা পৌর শহরের প্রধান মাছ বাজারে। এ সময় বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। মাছ বাজারের রাইজিং ফিস আড়ৎ মালিক দ্বীন ইসলাম ডাকের মাধ্যমে ৬৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। এরপর তিনি মাছটি কেটে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।
মোংলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের জয়খাঁ গ্রামের জেলে কুতুবআলী সাগরে মাছ ধরতে গেলে তার জালে এ মাছটি ধরা পড়ে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সাগরে জেলের জালে ধরা পড়া মাছটি শাপলাপাতা মাছ নামে পরিচিত। স্থানভেদে কেউ কেউ এটিকে বাড়ুল মাছও বলে থাকেন। তিনি আরো বলেন, সাগর-নদীতে সাধারণত মাটি ছুঁই ছুঁই করে এটি চলাচল করে। এই মাছটি সামুদ্রিক মাছ, উপকূলীয় এলাকায় বেশি দেখা যায়। প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় বাজারে মাছটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
দেবহাটায় বিলুপ্তির পথে মেঠো পথের পরিবহন গরু গাড়ী
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা ||
আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে ধুত্তুর ধুত্তুর ধুত্তুর-ধু সানাই বাজিয়ে’ অথবা ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া,
ইত্যাদি গান এক সময় গাড়িয়ালের সাথে সাথে গ্রামবাংলার সহজ সরল মানুষ মুখে মুখে গেয়ে ফিরত সারাক্ষণ। আবহমান গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য ও দুর্গম মেঠো পথের একমাত্র পরিবহন গরুর গাড়ি কালের বিবর্তনে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এক সময়ে মানুষের মালামাল পরিবহন ও দূর দূরান্তে যাতায়াতের জন্য দুই চাকাবিশিষ্ট গরু গাড়িই ছিল একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু আজ আর সেই ইনঞ্জিন বিহীন গাড়ী চোখে পড়েনা। কালের পরিক্রমায় আর যান্ত্রিকযুগের প্রযুক্তির ছোয়ায় সেই পরিবেশ বান্ধব পরিবহন আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। বৃহৎ আকৃতির গোলাকার বাবলা কাঠের তৈরী দুটি চাকা বিশিষ্ট গাড়ির বডি তৈরী করা হয় বাঁশ ও বাঁশের চটা দিয়ে যার পেছনের দিকে ২ থেকে আড়াই ফুট চওড়া, আর সামনের দিকে সরু হয়ে মাত্র ১ ফুট থাকে। ১২ থেকে ১৪ ফুট দুটি লম্বা বাঁশের মাঝাখানে বাঁশের চটা দিয়ে তৈরী বডির প্রায় মাঝামাঝি অংশে সেই বৃহৎ আকৃতির চাকা দুইটি কাঠের তৈরী ঝুরা বা এক্সেল লাগিয়ে দেওয়া হয়। সামনের দিকে গরুর ঘাড়ে বাঁধানোর জন্য আড়া-আড়িভাবে দেওয়া হয় ৪ থেকে ৫ ফুট লম্বা বাঁশের জোঙ্গাল। মালামাল বহনের জন্য গাড়ীর উপরে বেড়া লাগানো হয় গ্রামগঝেঞ্জ যাকে ঝোড়া বলে। আর মানুষ বা নতুন বর কনে বহনের জন্য ব্যবহার করা হয় ছাউনী, শাড়ী কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় সেই ছাউনী গুলি। যেটাকে গ্রামের মানুষ সইয়ে গাড়ী বলে। আর এই সব কাঠ ও বাঁশের তৈরী গরু গাড়িগুলি অধিকাংশ লোক জীবন জীবিকার তাগিদে ভাড়ায় ব্যবহার করতো। মধ্যবিত্ত ও ধনী শ্রেণির লোকেরা ঐতিহ্য ও ব্যাক্তিত্বের জন্য নিজেরা কর্মচারী রেখে গাড়ি ব্যবহার করতো। দেবহাটা উপজেলায় এক সময় এই গরুর গাড়ি তৈরী করে অনেক পরিবার জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরু গাড়ি তৈরীর মিস্ত্রিদের ছিল ব্যাস্ততা। দম ফেলার ফুসরত থাকতোনা তাদের। আজ যান্ত্রিক যুগের দাপটে সে সব কেবলই স্মৃতি। আজ আর মিস্ত্রি পাড়ায় বাজেনা হাতুড়ির শব্দ। নিশ্চুপ হয়ে গেছে গরু গাড়ী তৈরীর কারখানাগুলি। উপজেলার কোড়া গ্রামের গাড়ি তৈরীর মিস্ত্রি আব্দুল খালেক হাসান আলি। আজ আর তা চোখে পড়েনা যন্ত্র চালিত গাড়ি ঘোড়ার কারণে সবই হারিয়ে গেছে। এবিষয়ে সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, ডিজিটাল যুগে মানুষ এখন আর এসব আর ব্যবহার করতে চায়না। কিন্তু আমরা বাঙালি আর গরু গাড়ি বাঙালিদের ঐতিহ্য, এখনও দুর্গম মেঠো পথে বাঙালি ঐতিহ্য গরু গাড়ি দেখা যায়। আর এভাবেই এটা হয়তো যুগযুগ টিকে থাকবে।
খূলনা জেলা পরিষদের অর্থায়নে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত ক্যাপসুল লিফট এর শুভ উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় খুলনা জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ৪০.০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত ক্যাপসুল লিফট উদ্বোধন করা হয়। নির্মিতি লিফটের শুভ উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, এনডিসি, মহোদয় খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা আওয়ামীলগ এর সভাপতি আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ মহোদয় এবং খুলনা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার মহোদয় ও খুলনা মাহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম ডি বাবুল রানা । অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আছাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের সচিব, বিষ্ণুপদ পাল, উপ পরিচালক, স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, খূলনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাস (এল এ), জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এস এম মাহাবুবুর রহমান সহ জেলা প্রশাসনের সর্বস্থরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
দাকোপে ভূমিহীন পরিবারের নির্মাণাধীন ঘরের কাজ পরিদর্শন
মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দাকোপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহিত প্রকল্পের আওয়তায় তৃতীয় ধাপে ভূমিহীন পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন ঘরের কাজ পরিদর্শন করেছেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ মারুফুল আলম। সোমবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা সদর ১নং পানখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের খোনা গ্রামে ভদ্রা নদীর পাড়ে ভূমিহীন ২০ পরিবারের জন্য নির্মানাধীন ঘর পরিদর্শন ও স্থানীয় জনসাধারণের সাথে সৌজন্য মতবিনিময় করেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ মারুফুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ আবুল হোসেন, উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) গালিব মাহমুদ পাশা, চালনা পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা প্রকৌশলী ননী গোপাল দাস,পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহম্মেদ, ইউপি চেয়ারম্যান পঞ্চানন মন্ডল, দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শিপন ভূঁইয়া, সিনিয়র সাংবাদিক এস এম মামুনুর রশিদ, ভুমি অফিসের নাজির কিরণ বালা,উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নিতাই বাছাড়,ইউপি মেম্বর রাসেদুল ইসলাম বাবু ,মোঃ নজরুল ফকির প্রমুখ।
দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগ যখন রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী ঠিক সেই সময় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে এবং আওয়ামী লীগের মেধাবী রাজনীতিকদের বেছে বেছে হত্যা করেছে। তেমনিভাবে সারাদেশের ন্যায় খুলনার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান ছিল শক্তিশালী। সেকারনেই বিএনপি-জামায়াত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে হত্যাকান্ড শুরু করে। তাদের প্রতিহিংসার শিকার হন মঞ্জুরুল ইমাম, সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু, মঞ্জুর মোর্শেদ লাবু, কামরুল ইসলাম কুটু, সাংবাদিক হারুনুর রশীদ খোকন, মানিক চন্দ্র সাহার মতো সাহসী ও মেধাবী বুদ্ধিজীবী এবং নেতৃবৃন্দকে।
তিনি আরো বলেন, লাবু সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পরে বিএনপি-জামায়াতের ভীত নড়ে যায়। ওরা রাজনৈতিক ভাবে পরাজিত হতে থাকে। সেকারনেই বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মদদে এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের দিয়ে বোমা হামলা করে লাবুকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মোর্শেদ খান লাবুর ১৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, উপ-দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. শামীম, ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব মিয়া। মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বেগ লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, অধ্যা. আলমগীর কবির, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, নুর মোহাম্মদ শেখ, এস এম আকিল উদ্দিন, মো. মোতালেব হোসেন, মীর বরকত আলী, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মো. আমির হোসেন, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, আইরিন চৌধুরী নীপা, মো. জাহিদুল হক, সরদার আব্দুল হালিম, মো. জাকির হোসেন, মো. রুহুল আমিন, এমরানুল হক বাবু, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মীর মো. লিটন, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, আলী আকবর মাতুব্বর, মো. মোক্তার হোসেন, হাবিবুর রহমান দুলাল, তোতা মিয়া ব্যাপারী, মো. আব্দুল কাদের, কবির পাঠান, আলমগীর মল্লিক, আফরোজা জেসমিন বিথী, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, মেহজাবিন খান, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মো. শহীদুল হাসানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরে লাবু’র আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, হাফেজ রফিকুল ইসলাম ও হাফেজ আব্দুর রহিম। এর আগে সকাল ৯টায় মহানগর আওয়ামী লীগ, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ, ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, ১৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ শেখপাড়া বিদ্যুৎ স্কুলের সামনে অকুস্থলে লাবুর প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এবং সকাল সাড়ে ৯টায় শেখেরগা জামে মসজিদে শহিদ মঞ্জুর মোর্শেদ লাবুর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম বাবলু, নুর মোহাম্মদ শেখ, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, যুব লীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, থানা আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ এনামুল কবির, মো. আমির হোসেন, চ ম মুজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, নুর ইসলাম, মো. জাহিদ হোসেন, মো. মোতালেব হোসেন, টি এম আরিফ, মো. মোক্তার হোসেন, মো. রুহুল আমিন, মামুন চৌধুরী, সোহেল চৌধুরী, আলী আকবর মাতুব্বর, তোতা মিয়া ব্যাপারী, মেহজাবিন খান, মো. আলমগীর মল্লিক, মো. শহীদুল হাসান, হাসান শেখ প্রমূখ।
১১ আইনজীবী ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ।।
সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হোসেনসহ নির্বাহী কমিটির ১১ সদস্যকে ছয় বছরের জন্য নির্বাচনি কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বাজেটের হিসাব বহির্ভূত ৬৯ লাখ টাকার অবকাঠামোগত কাজ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ।
আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি আবুল হোসেন (২) বলেন, ছয় দিন আগে সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গত বছরের ৩০ মে ১৪১ জন আইনজীবীর দেওয়া একটি অভিযোগপত্র নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। অভিযোগপত্রের বিষয় ছিল- আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হোসেন তোজামের নেতৃত্বাধীন কমিটি বাজেট বহির্ভূতভাবে ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পানির ফোয়ারা, লিফট নির্মাণসহ পাঁচটি অতিরিক্ত কাজ করেন।
তিনি বলেন, বাজেট বহির্ভূত কাজ গঠনতন্ত্রবিরোধী। তাই তাদের দুই অভিযোগে তিন বছর করে মোট ছয় বছর নির্বাচনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী ছয় বছর তারা বারের কোনো ভোট করতে পারবেন না।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উল্লাহ সবুজ বলেন, আগের কমিটির সদস্যদের নির্বাচনি কার্যক্রম নিষিদ্ধের পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়। এসএম হায়দারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, শফিকুল ইসলাম, শম্ভুনাথ সিংহ, খায়রুল বদিউজ্জামান ও শাহনাজ পারভীন মিলিকে সদস্য করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত ঘোষিত হওয়ার পর আদালত চত্বরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনজীবীদের একটি অংশ। আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন তারা।
আইনজীবী আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- শাহ আলম, তোজাম্মেল হোসেন তোজাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সমিতির সিদ্ধান্ত একপেশে। বাজেট বহির্ভূত খরচের কথা বলে সাবেক সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হোসেন তোজামসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হটকারী সিদ্ধান্ত।
এ বিষয়ে শাহ আলম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক। কাজের অনিয়মের বিষয়ে তারা প্রমাণ দিতে পারছেন না। বাজেটের মধ্যে পাঁচটি কাজের তালিকা নেই বলে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। আসল বিষয় হলো- উন্নয়নের পাঁচটি কাজ বাজেটের মধ্যেই ছিল।
আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামে শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে ওয়াজেদ শেখ (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওয়াজেদ শেখ উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাড়িতে বড় ছেলে ও ওয়াজেদ শেখ ছিলেন। ভোরে তার ছেলে মাঠে কাজে গিয়েছিল। প্রচণ্ড শীতে গরম তাপ নিতে রোববার সকালে বাড়ির উঠানে খড়-পাতায় আগুন ধরিয়ে বসে ছিলেন বৃদ্ধ ওয়াজেদ শেখ। কিন্তু হঠাৎ আগুন তার শরীরে থাকা পাঞ্জাবিতে লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তার চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে পুড়ে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওয়াজেদ শেখের। স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবক
হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল রানা (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার ভেড়াখালি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ওই ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার যুবক ভেড়াখালি গ্রামের আনজের আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ২৫ জানুয়ারি ওই স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অপহরণ করে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। আর কৌশলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ওই ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে সোহেল। এ ঘটনায় গত ২৬ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা থানায় একটি জিডি করেন।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। গত ২৫ জানুয়ারি স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি- ওই যুবক আমার মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে অপহরণ করেছে। অপহরণের পর থেকেই খারাপ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সে আমাদেরকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।’
হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইলে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে ওই যুবক। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে কৌশলে অপহরণ করে আটকে রেখে কয়েক দফায় ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আর গ্রেপ্তার যুবককে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার মিরপুরে ভ্যান চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিশান নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জয়নাল (৩৫) নামে আরেক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের চুনিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মিরপুর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত নিশান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। আহত জয়নালেরও একই এলাকায় বাড়ি। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরের দিকে ভ্যান চোর সন্দেহে কয়েকজনকে ধাওয়া করে স্থানীয়রা। এসময় অন্যরা পালিয়ে গেলেও নিশান ও জয়নাল ধরা পড়ে গণপিটুনির শিকার হন। এতে নিশান ঘটনাস্থলেই মারা যান। জয়নাল গুরুতর আহত হন। তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিশানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মিরপুর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, চোর সন্দেহে এলাকাবাসীর হাতে দুই জন গণপিটুনির শিকার হন। এতে নিশান নামে একজন মারা গেছেন। জয়নাল নামের অপরজন আহত হন। তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনায় করোনায় চারজনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে করোনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৫৯ জনের। এরআগে রোববার বিভাগে ৭৮৪ জনের করোনা শনাক্ত এবং একজনের মৃত্যু হয়েছিল।
সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মনজুরুল মুরশিদ স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে করোনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে কুষ্টিয়ায় দুইজন, খুলনা ও যশোরের একজন করে মারা গেছেন। একইসময়ে বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়েছে সংখ্যা ৭৮৪ জনের। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে খুলনা। এই জেলায় সর্বোচ্চ ২০৭ জনের শনাক্ত হয়েছে। আর কুষ্টিয়ায় ১৩৪ জন ও যশোরে ১১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া বাগেরহাটে ৫৯ জন, সাতক্ষীরায় ৭১ জন, ঝিনাইদহে ৫৮ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৩২ জন, নড়াইলে ২১ জন, মাগুরায় ৩৫ জন ও মেহেরপুরে ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
শনাক্ত সংখ্যা বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। এখানে ৩০ হাজার ৩১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যায় সবচেয়ে কম মাগুরায় ৪ হাজার ৪৩৬ জন।
এছাড়া করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে খুলনায়। এই জেলায় মারা গেছে ৮১১ জন। আর মৃতের সংখ্যায় সবচেয়ে কম সাতক্ষীরায় ৮৮ জন।
নড়াইলে মাদক মামলায় মামা-ভাগ্নের যাবজ্জীবন
নড়াইল প্রতিনিধি।।
নড়াইলে মাদক মামলায় মামা-ভাগ্নেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) ১২টার দিকে নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. কেরামত আলী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডিতরা হলেন- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলাধীন লেবুতলা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে মো. মুকুল হোসেন ও একই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন। তারা দুজন মামা-ভাগ্নে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিরা মটর সাইকেল যোগে ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ৪৮ বোতল পেন্সিডিল পাচার কালে গত ২০১৪ সালের ৩ জুলাই নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকা থেকে ডি বি পুলিশের অভিযানে হাতেনাতে ধরা পড়ে। ওই ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে সদর থানায় ডিবির করা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ একই বছরের ১৬ আগস্ট দুই আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ৭ বছরের বেশি সময় ধরে চলা মামলাটিতে মোট ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেন।
গোপালগঞ্জে হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।।
গোপালগঞ্জে মোসলেম সরদার হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্বাস উদ্দীন সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দত্তডাঙ্গা গ্রামের ঝিলু সিকদারের ছেলে ইকবাল সিকদার (৪০) এবং সাকায়েত সিকদারের ছেলে সেলিম সিকদার (৪২)। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলো- দত্তডাঙ্গা গ্রামের সাকায়েত সিকদার, মুরছালিন, ইনামুল সিকদার, আজিজুল সিকদার, ওসমান মুন্সী এবং নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার রায়পাশা গ্রামের পলাশ শেখ।
এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ইকবাল সিকদার এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মুরছালিন ও ইনামুল সিকদার পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়- ২০০৬ সালের ২৯ নভেম্বর রাতে মোসলেম সরদার পাশ্ববর্তী পিঠাবাড়ি গ্রামে গান শুনতে যান। রাতে গান শুনে ফেরার পথে পিঠাবাড়ি বিলের মধ্যে সাজাপ্রাপ্তরা তাকে হত্যা করে বিলের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। সাথে থাকা ওসমান সিকদার আহত হয়ে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর বিলের মধ্য থেকে পুলিশ মোসলেম সরদারের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের ভাই মোহন সরদার বাদী হয়ে ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৯২/২০০৬)। তার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ তদন্ত শেষ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন শহিদুজ্জামান খান এবং আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন কাজী মেজবাহ উদ্দীন খোকন।
বাগেরহাটে সব ধরণের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় জেলায় সব ধরণের সভা, সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভা থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
একই সাথে শহর-বন্দর, গ্রাম থেকে সর্বত্রই জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান শহীদ মিনার সড়ক, প্রেসক্লাবের সামনে, শালতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মাস্ক বিতরণ করেন এবং জনগণকে মাস্ক পরতে অনুরোধ জানান।
এদিকে বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার শতকরা ৩৯.৮৬ শতাংশ। এই সময়ে জেলায় ১৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এনিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৪২১ জন। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেলায় মারা গেছে ১৪৪ জন।
সোমবার বাগেরহাট শহরের মেইন রোড, সাধনার মোড়, কাপুডেপট্টি, কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত। মানুষ মাস্ক ছাড়া হরহামেশা ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাস্ক না পরার কারণ হিসেবে মানুষের অজুহাতের শেষ নেই। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. জালাল উদ্দিন আহমেদ জানান, করোনা সংক্রমণ রোধ করতে হলে অবশ্যই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এই মুহূর্তে বাগেরহাটে করোনা আক্রান্ত ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকিরা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে তিনি জানায়।
অন্যের বউকে ফেরত না দিলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
ফরিদপুর প্রতিনিধি।।
ফরিদপুরের নগরকান্দায় অন্যের বউ ‘ভাগিয়ে নেওয়ার’ ঘটনায় সংঘর্ষের পর সালিশ বৈঠক হয়েছে। সালিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ওই নারীকে তার স্বামীর কাছে ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় অভিযুক্ত ছেলের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
গতকাল রোববার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে কাইচাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা খান আরটিভি নিউজকে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। যদিও এই ব্যাপারে ওই নারীর কোনো বক্তব্য চেষ্টা করেও নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ওই নারীর স্বামী শাহিন ফকির আরটিভি নিউজকে বলেন, আনিস মাতুব্বর আমার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। আমার স্ত্রী তিন ভরি গহনা এবং নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। আনিস এর আগেও ভাঙ্গা থেকে একটি নারীকে একইভাবে ভাগিয়ে নিয়ে এসে তার সকল টাকা আত্মসাৎ করে ওই মেয়েকে তাড়িয়ে দেয়।
সালিশে অংশ নেওয়া নগরকান্দা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, শাহিন ফকিরের স্ত্রীকে প্রায় এক মাস আগে ভাগিয়ে নিয়ে যায় একই গ্রামের মুন্নু মাতব্বরের ছেলে আনিস মাতুব্বর। এ ঘটনায় দুই পরিবারের মধ্যে গত ২৬ জানুয়ারি কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। দুই পক্ষ ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ১২ জন আহত হন।
তিনি আরও বলেন, আনিস মাতুব্বর এর আগেও এরকম দুটি মেয়েকে ভাগিয়ে আনার ঘটনা ঘটিয়েছেন। সে ঘটনার একটিতে মামলা এবং আরেকটি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা হয়। এজন্য মাত্র তিন দিনের মধ্যে ওই মেয়েকে জীবিত হাজির করে তার শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তা দিতে ব্যর্থ হলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) সুমিনুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
তিনি আরও বলেন, শুক্র ও শনিবার এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক যুবকের স্ত্রীকে ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে অপর এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়। গত বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের পোড়াদিয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুই জনকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং তিন জনকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভারত সুন্দরী কুল চাষে লাভবান চাষি
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।
ভারত সুন্দরী কুল আবাদ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন তরুণ চাষি আব্দুস ছামাদ। আব্দুস সামাদ দামুড়হুদা উপজেলার দেউলী-চিৎলা হাসপাতাল মাঠে তিন বিঘা জমিতে উন্নত জাতের এ কুলের আবাদ করেছেন। জানাগেছে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা সদরের চিৎলা গ্রামের বজলু রহমানের ছেলে আ. সামাদ (৩২) এইচএসসি পাস করে আর লেখোপড়া করেননি। পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন কৃষিকাজ। ভাবতে থাকেন কি চাষ করলে ভালো লাভবান হওয়া যাবে। বিশ্বস্ত সূত্রে তিনি জানতে পারেন ভারত সুন্দরী কুল চাষ করে লাভবান হওয়া যাবে। যশোরের এক নার্সারি থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচে চারা নিয়ে এসে প্রাথমিকভাবে তিন বিঘা জমিতে এ জাতের কুলচারা লাগান। অল্প সময়ে চারাগুলো বেড়ে ওঠে। তিন মাসের মধ্যেই ফুল ও ফল ধরা শুরু করে। এখন প্রতিদিন ২-৩ মণ করে কুল তুলে চুয়াডাঙ্গার আড়তে বিক্রি করছেন। ইতোমধ্যে তিনি প্রায় তিন লাখ টাকার কুল বিক্রি করেছেন। আরও দুই লাখ টাকার কুল বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি। কুল গাছের ওপরে নেট জাল টাঙিয়ে দিয়েছেন যাতে পাখিরা কুল নষ্ট করতে না পারে। অপরদিকে, গাছের কলম করতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে বিক্রির জন্য ৫ হাজার চারা প্রস্তুত করেছেন। সুস্বাধু মিষ্টি এ কুল গাছে কোনো কাটা নেই। সহজেই পরিচর্যা ও কুল তোলা যাচ্ছে। আর দুমাস পরেই কুল তোলা শেষ হলে গাছের ডাল কেটে দেয়া হবে। সাথে সাথে গাছের চারাও কমিয়ে দেয়া হবে। জমিতে এখন ৯ শতাধিক গাছ রয়েছে। আগামী বছরে অর্ধেক গাছ থেকে আরও বেশি কুল ধরবে বলে আশা করছেন তিনি। ইতোমধ্যে কুল গাছের ফাঁকে ফাঁকে সাথী ফসল হিসেবে উন্নত জাতের তরমুজের চারা রোপণ করেছেন। তিন বিঘা জমিতে পরিচর্যার জন্য রক্ষণাবেক্ষণ, কুল তোলা, চারা কলম করার জন্য ৪-৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। কুলের চারা লাগানোর আগে জমিতে রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সার দিয়েছিলেন তিনি। আর কোনো সার দিতে হয়নি তাকে। সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি ২ লাখ টাকা লাভ করবেন। পাশাপাশি চারা তৈরি করে বিক্রিও করবেন।
কুলচাষি আব্দুস সামাদ বাসসকে জানান, বাবার সাথে সহযোগী হিসেবে চাষ শুরু করেছিলাম। কিন্তু ওইসব চাষে লাভ করতে পারিনি। বিকল্প হিসেবে উন্নত জাতের ভারত সুন্দরী কুল চাষ করে লাভের মুখ দেখছি। আমার বাবার এক ইঞ্চি জমি পতিত থাকবে না। প্রতিটি জমিই চাষের আওতায় আনা হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির জানান, চাষিরা যে ফসল চাষ করে লাভ হবে সেই ফসলই আবাদ করবে। আর এসব ফসলের উপর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এজন্য মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে সামাদের মতো অন্য তরুণ, যুবকেরা এরকম উন্নত জাতের কুল চাষ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।
সাইবার ট্রাইব্যুনাল খুলনায় মাগুরার সাংবাদিক রোস্তম মল্লিককে আইসিটি মামলা হতে অব্যহতি
স্টাফ রিপোর্টার।।
মাগুরা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক অপরাধ জগৎ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রোস্তম মল্লিককে আইসিটি মামলা থেকে অব্যহতি দিয়েছে আদালত। ৩০ জানুয়ারি সাইবার ট্রাইব্যুনাল খুলনার বিচারক কণিকা বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সাপ্তাহিক অপরাধ জগৎ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রোস্তম মল্লিক তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন মাগুরার এক যুবলীগ নেতা অবৈধ পথে কোটি কোটি টাকার মালিক, অনুসন্ধান চলছে। এঘটনায় যুবলীগ সদস্য আশরাফ খান মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর এর নাম উল্লেখ ও তার গুণকীর্তন করে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মাসুম বিল্লাহ রোস্তম মল্লিককে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজশিট দাখিল করেন। পরে রোস্তম মল্লিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল খুলনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। দীর্ঘদিন হাজতবাসের পর তিনি জামিন পান। ৩০ জানুয়ারি এ মামলার চার্জ গঠণের দিন ধার্য ছিল। এদিন রোস্তম মল্লিকের আইনজীবী চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার আদালতে তার আসামি নির্দোষ দাবী করে মামলা থেকে অব্যহতির আদেবন করে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত মল্লিককে আইসিটি মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে খালাস প্রদান করেন। মামলা নং- আইসিটি, খুলনা-১৭৮/২১।
কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ১৭৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর জিন্নাহপাড়া ৯নং গলির মৃত. জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা (২৭), খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার বৃত্তি ভুলবাড়িয়া সরাফপুর গ্রামের মৃত. গোলাম রসুল খানের ছেলে মো. ওবায়দুল্লাহ খান (৩১) ও মাধবকাঠী পশ্চিমপাড়ার মৃত. ইউছুফ গাজীর ছেলে হাবিব গাজী (৩৭)।
কেএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) রাশিদা বেগম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ১৭৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় র্যাবের অভিযানে ৬৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ৩
স্টাফ রিপোর্টার ।।
চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর থানাধীন চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা রোডে অভিযান চালিয়ে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপে ৬৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও নগদ ৪১,৫৩০টাকাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ৩ মাদক ব্যবসায়ী হলেন ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার কুটুরী এলাকার মো. চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. ফয়সাল (২৫), চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার ভালাইপুর গ্রামের মৃত. জনাব মন্ডলের মেয়ে মোছা. বিথী বেগম ওরফে জাহানারা (৩৩) ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার মজলিসপুর গ্রামের লাকমান হোসেনের ছেলে মো. সাগর আলী (১৮)।
র্যাব-৬ জানায়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর থানাধীন চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা রোডে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল। এসময় কেদারগঞ্জ গ্রামস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউট এমএলটি. সাইট কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপে ৬৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও নগদ ৪১,৫৩০টাকাসহ ওই ৩জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।










































