Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

18

জুট মিল চালু ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা

  ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি

 শিরোমণি শিল্পাঞ্চলের ব্যক্তিমালিকানাধীন বন্ধকৃত জুট স্পিনার্স মিল সহ সকল মিল চালু ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবীতে আগামী রবিবার(৯ জানুয়ারী) সকাল ১০ টায় শিরোমণি খুলনা যশোর মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচী সফল করার লক্ষে এক প্রস্তুতি সভা ৭ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধায় শিরোমণি গফ্ফার ফুড মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দীন, কাজী মোস্তাফিজুর রহমান, শাহ্ মনিরুল ইসলাম, মোঃ কেসমত আলী, লিয়াকত মুন্সি, আমির মুন্সি, আবুল হোসেন, আবু তালেব, মোঃ আলাউদ্দিন,  সবুর, আলম প্রমুখ।

 প্রতিবাদে এবং ফঁসির দাবীতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল

  ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

নগরীর মশিয়ালীতে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার এর সাথে জড়িত আটককৃত আসামী বহিস্কৃত খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক শেখ জাকারিয়া ও তার ভাই মিলটন এবং জাফরিনসহ সকল আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় এসে মশিয়ালী এলাকার সাধারণ মানুষদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকী ধামকী দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। এঘটনায় উক্ত আসামীদের পূণরায় গ্রেফতার পূর্বক দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে শুক্রবার (৭ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টায় এলাকাবাসির উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি মশিয়ালী আলিয়া মাদ্রাসার সামনে হতে শুরু করে কুলসুম বিবি সড়ক, সিএনবি মাঠ, শহীদ শাহাদাত সড়ক, মিনা বাজার হয়ে আলিয়া মাদ্রাসার সামনে এসে এক পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন মশিয়ালী গ্রামের সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ আমিরুল সরদার। হাফেজ মোঃ মাসুম বিল্লাহ এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন আঃ সাত্তার মোল্লা,  তবিবুর রহমান, হামিদ আকুজ্ঞি, ওলিয়ার রহমান, মুজিবর রহমান, ১নং আটরা গিলাতলা ১,২,৩ নং সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য রাজিয়া বেগম, ইউপি সদস্য মোঃ বক্তিয়ার পারভেজ,মোঃ মিটুল শেখ, মোঃ রবি, মো: সালাউদ্দিন গাজী, আঃ রব মোল্যা, মো: সাইদুল শেখ, সাজ্জাদ হোসেন, মকবুল শেখ, জুয়েল শেখ, মুমিন শেখ, কামরুল শেখ প্রমুখ। পথসভায় বক্তারা বলেন, ট্রিপল মার্ডার এর সাথে জড়িত আসামীরা এলাকায় এসে মশিয়ালী এলাকার সাধারণ মানুষদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে যশোরের কোন এক অজ্ঞাত স্থানে গাঢাকা দিয়ে রয়েছে। তাদেরকে পূনরায় গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় এলাকাবাসী রাজপথ, রেলপথ অবরোধসহ কঠিন কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে বলে হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন।

  উল্লেখ্য, মশিয়ালী গ্রামের একটি মসজিদ কমিটির মেয়াদ শেষ হলে সভাপতির পদ থেকে শেখ জাকরিয়াকে পদত্যাগ করতে বলে মিল শ্রমিক মুজিবরসহ মসজিদের মুসল্লিগন। সকলের দাবীর মুখে বাধ্য হয়ে পদ থেকে সরে দাড়াতে সম্মত হয়ে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এর আগে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকালে জাকারিয়া ও তার ভাইয়েরা অস্ত্র দিয়ে মিল শ্রমিক মুজিবরকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদী এলাকাবাসীর উপর জাকারিয়া-জাফরিন-মিল্টন বাহিনী নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মশিয়ালী গ্রামের মৃত বারিক শেখের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৬০) একই এলাকার মো. ইউনুছ আলীর ছেলে গোলাম রসুল (৩০) এবং পরে গুলিবিদ্ধ এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে আটরা মেট্রো টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র সাইফুল ইসলাম (২২) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবং গুলিবিদ্ধ হয়ে আফসার শেখ, শামিম, রবি, খলিলুর রহমান, মশিয়ার রহমানসহ বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুলি বর্ষণে হতাহতের ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র সাইফুল ইসলামের পিতা সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২০ সালের ১৮ জুলাই শনিবার খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১২, তাং ১৮/৭/২০)। মামলায় খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সহ-প্রচার সম্পাদক শেখ জাকারিয়া হোসেন জাকার, তার ভাই মহানগর ছাত্রলীগের বহিস্কৃত সহ-সভাপতি শেখ জাফরিন, অস্ত্র মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী মিল্টনসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ এবং ১৫/১৬ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামী করা হয়।

সোনালী অতীত ক্লাবের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

সোনালী অতীত ক্লাব খুলনার সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত আগামী ৩ বছরের জন্য গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৭টায় জেলা স্টেডিয়ামস্থ ক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সোনালী অতীত ক্লাবের উপদেষ্টা এস এম মোয়াজ্জেম রশিদী দোজা’র উপস্থিতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রাক্তন খেলোয়াড়দের সদস্যপদ নবায়ণপুর্বক সোনালী অতীত ক্লাবকে গতিশীল করতে সকলের প্রতি আহবান জানান সভাপতি আবুল মনসুর আজাদ। সভায় বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লাবের উদ্যোগে অনুবর্ধ-১৩ ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, সিক্স-এ সাইড ফুটবল টুর্ণামেন্ট, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও ট্র্যাকসুট তৈরী। সভায় বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার সেলিমের ইন্তেকালে তার রুহের মাগফেরাত কামনা এবং ক্লাব সদস্য মো. মোশারেরফ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম তালুকদার এর আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়।

সভায় উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটিসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সোনালী অতীত ক্লাবের উপদেষ্টা এস এম মোয়াজ্জেম রশিদী দোজাসহ ক্লাবের উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্যবৃন্দরা হলেন মো. ইউনুস গাজী, বিরেন দাস বিরু, এসএম মনসুর আহমেদ, আজমল আহমেদ তপন, ডা. কাজী হামিদ আজগর, একেএম আব্দুর রকিব, এসএম শফিউর রহমান, আবুল হাসনাত হাসি, কৃষ্ণ কুমার মিত্র ভীম, আব্দুস সালাম মুর্শিদী, শেখ মোহাম্মদ আসলাম। কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দরা হলেন সভাপতি আবুল মনসুর আজাদ, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নাসিবুল হাসান সানু, সহসভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান বাবলু, নুরুল ইসলাম খান কালু, খাইবার হোসেন সমেরু, শেখ হেমায়েত উল্লাহ, শেখ মনিরুজ্জামান মনি ও হাজী মোতালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আহমেদ রাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহরাব হোসেন ও এসএম মনির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো. আবুল হোসেন আবুল, দপ্তর সম্পাদক এসএম তরিকুল ইসলাম সোহান, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আদিলুজ্জামান আদিল, সাংষ্কৃতিক সম্পাদক এহসানুল হক, প্রচার সম্পাদক এম এ জলিল, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম লালু, আমিনুর রহমান তালুকদার, মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ, ইমতিয়াজ হোসেন পিলু, শেখ মোহাম্মদ আকরাম, শেখ মো. জাহাংগীর, প্রশান্ত কুমার দে, জাহিদ হাসান ডানো, সাহিদুল ইসলাম সাঈদ, মো. বাবর আলী, বাশির আহমেদ লালু, মনিরুজ্জামান মনি, জিয়াউল ইসলাম জিয়া, এজাজ আহমেদ ও জিএম আকরাম হোসেন। আমন্ত্রীত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক মোমতাজ আহম্মেদ তুহিন, কোষাধ্যক্ষ হাসান জহীর মুকুল, কার্যনির্বাহী সদস্য মোল্যা খায়রুল ইসলাম, এসএম ইনামুল কবির মন্নু, নাজমুল ইসলাম, ফয়সাল আহম্মেদ পপা ও শাহনাজ ফাতেমা আজাদ মৌরী।

ডুমুরিয়ায় ৩‘শতাধিক ফলন্ত সিম-টমেটো গাছ কেটে সাবাড়

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় এক আ‘লীগ নেতার সবজী ক্ষেতে ঢুকে ৩‘শতাধিক ফলন্ত সিম ও টমেটো গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ।এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নে উলা ফটিকসরদার‘র মোড় থেকে বান্দা অভিমুখি সড়কে থাকা ব্রীজের দক্ষিন পাশ্বে এ ঘটনা ঘটে।ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সাইদুল ইসলাম জানান ২নং ওয়ার্ড আ‘লীগের সভাপতি মইখালী এলাকার রুহল আমিন সানার দিঘর্ দিনের দখলীয় ও রেকর্ডীয় ৮০ শতাংশ জমি হারিতে নিয়ে তিনি মৎস্য,মাছ,ধান ও ভেড়ী বাঁধে সবজী চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।এমতবস্থায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে একই এলাকার প্রতিপক্ষ মজিদ সানা,তার ভাগনা আসাদুলসহ ৭/৮ জন দা,লাঠিসোটা নিয়ে ওই ঘেরের ভেড়ী বাঁধে লাগানো ৩‘শতাধিক ফলন্ত সিম ও টমেটো গাছ কেটে সাবাড় করে দেয়।এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।এ ঘটনায় আইননের আশ্রয় গ্রহন করা হবে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক স্ইাদুল ইসলাম।

ডুমুরিয়ায় জনসভা সফল করার লক্ষে বিএনপির প্রস্তÍতি সভা

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ীমুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ১২ জানুয়ারী ডুমুরিয়ার জনসভা সফলের লক্ষে এক প্রস্তÍতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গতকাল শক্রবার বিকেলে শহীদ স্মৃতি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক আবু হাসান বাবু। যুগ্ম-আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন ও শেখ ফরহাদের সঞ্চালনায় বক্তব্যদেন সেচ্ছাসেবক নেতা শেখ তৈয়বুর রহমান, বিএনপি নেতা শেখ হাফিজুর রহমান,মতিয়ার রহমান বাচ্চু, গাজী আব্দুল হালিম,শেখ দিদারুল হোসেন দিদার, আনোয়ার হোসেন আনু, সামছুজ্জামান পিন্টু, মোল্লা মাহাবুর রহমান, সবুজ তালুকদার, মোল্যা কবির হোসেন, খান ইসমাইল হোসেন, শেখ শাহিনুর রহমান, আবু সাঈদ, ব্রজেন্দ্রনাথ ঢালী,অরুন কান্তি গোলদার, মশিউর রহমন লিটন, হাবিবুর রহমান হবি, শেখ ফরহাদ হোসেন, আমিনুর রহমান, শেখ মাহাবুর রহমান, মাষ্টার আমিরুল ইসলাম, আঃ সালাম মহলদার, আব্দুল মালেক,শেখ হেলাল উদ্দিন, মোজাফ্ফর হোসেন, শহিদুল মোড়ল, মোল্লা ইকরামুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন, আহম্মদ ফকির, আঃ রব আকুঞ্জি, হেমায়েত রশিদ খান, নিত্যনন্দ মন্ডল, পরিতোষ বালা, মোল্যা মশিউর রহমান, মাষ্টার আয়উব আলী, খান শফিকুল ইসলাম, শাহানুর রহমান, খান জিয়াউর রহমান জীবন, সরোয়ার হোসেন, সায়েদুজ্জামান বাবু, শাহিনুর রহমান, ফরিদ শেখ, দেলোয়ার হোসেন, মাষ্টার সেলিম হালদার, রাজ্জাক খান, গাজী সোহাগ প্রমূখ।

বাগেরহাটে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী শীতকালীন পিঠা উৎসব শুরু হয়েছে । গ্রেটার ইউনিটি ফর রিয়্যালিটি (গুড়) নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে শুক্রবার (০৭ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট শহরের প্রেসক্লাব ভবনের তিনতলায় এই পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। এসময়, বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফরাজী বেনজীর আহম্মেদ, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আসিফ উদ্দিন রাখি, বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আহাদ উদ্দিন হায়দার এবং উদ্যোক্তা গ্রুপ ডু ইট ইয়োর সেলফ (ডিআইওয়াই) এর চিফ অ্যাডমিন মাসুমা রুনাসহ নারী উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার রাতে এই পিঠা উৎসব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। জেলার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের গ্রুপ ডিআইওয়াইয়ের সদস্যরা গ্রাম বাংলার ঐহিত্যবাহী শতাধীক পিঠা নিয়ে দুই দিন ব্যাপি উৎসবে অংশ নিয়েছেন। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা হাতে বানানো নানা ধরনের সুস্বাধু পিঠা স্থান পেয়েছে এখানে। এর মধ্যে সেমাই পিঠা, খেজুরের রসে ভেজানো পিঠা, ভাপা কুলি, সেতু কুলি, চিতাই, পাঠিশাপটা, শিয়াই ও হাঁসের মাংস, রসের পায়েস, নারকেলের সন্দেস উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশ তৃণমুল পাটির সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্ভোধন

 খবর বিজ্ঞপ্তি।।

বাংলাদেশ তৃণমুল পার্টি খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির শুভ উদ্ভোধন শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়িগেট চত্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মোঃ মান্নান পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ তৃণমুল পার্টির চেয়ারম্যান জুলিয়া আক্তার, প্রধান আলোচক ছিলেন মহাসচিব হাসান খালেদ তালুকদার, বিশেষ বক্তা ছিলেন কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় চেয়ারম্যান জুলিয়া আক্তার বলেন, বাংলাদেশ তৃনমূল পার্টি দেশের মানুষের গণতন্ত্র, আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও সামাজিক শূন্য বৈষম্য নিশ্চিত করতে অঙ্গিকার বদ্ধ। তাই আমরা আজ খুলনা মহানগর থেকে সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি শুরু করেছি। তিনি বলেন, তৃনমুল পার্টি পিছিয়ে থাকা দেশের তৃনমুল মানুষের ঐক্যের মা হিসাবে কাজ করছে বলেও তিনি দাবী করেন। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মি উপস্থিত ছিলেন। খবর বিজ্ঞপ্তি।

খাজরায় চেয়ারম্যান ও সমর্থকদের উপর গুলিবর্ষণ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা ॥ গ্রেফতার ৬

গোলাম মোস্তফা, আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার খাজরায় পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল এর বাড়ির ছাদ থেকে গুলিবর্ষণ ঘটনা নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান, পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল, তার সহযোগি সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেছেন পুলিশ। এলাকার মানুষের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক ও চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবীর জানান, নৌকা প্রতীক নিয়ে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ নেওয়াজ ডালিম বাদী হয়ে তার কর্মীদের উপর গুলি বর্ষণের ঘটনায় পরাজিত বিদ্রোহী প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম মোল্যাসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ৪, তাং ৬/১/২২। অপরদিকে, ওহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলা নং ৫, তাং ৬/১/২২। প্রথম মামলায় পরাজিত প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ, দিদারুল ইসলাম রাব্বিসহ ৪ জনকে এবং ২য় মামলায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম ও মোস্তাকিম মোল্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যান ডালিম কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তুয়ারডাঙ্গায় এক মেম্বার প্রার্থীর সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে পরাজিত প্রার্থী ওহিদুল ইসলামের বাড়ির ছাদের ওপর থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে বিক্ষুব্ধ জনতা ওহিদুলের বাড়িতে পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তখন ছাদের উপর থেকে অসংখ্যবার গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ১২ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ২০জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ ওহিদুলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ওহিদুলের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র, বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ব্যবহৃত গুলির খোসা জব্দ করেছে।

ভারতে ৫ বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলো ৫ শিশুসহ ২১ বাংলাদেশি নারী পুরুষ

বেনাপোল প্রতিনিধি

অবৈধ পথে ভারত গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলো পাঁচ শিশুসহ ২১ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ। শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

তারা ভারতে ৫ বছর সাজাভোগ করেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায়। পরে বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৭ জন, রাইটস যশোর ৭ জন ও মহিলা আইনজীবি সমিতি নামে ৩টি এনজিও সংস্থা তাদের গ্রহন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য শেল্টার হোমে নিয়ে যায়।

ফেরত আসাদের মধ্যে ১০ জন নারী, ৬ জন পুরুষ ও পাঁচজন শিশু রয়েছে। তাদের বয়স ৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এরা বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, নড়াইল, মুন্সিগঞ্জন, ঢাকা ও কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের প্রতিনিধি রোকেয়া বেগম বলেন, বিভিন্ন সময়ে দালালের খপ্পরে পড়ে ভালো কাজের আসায় তারা ভারতে যায়। সে দেশের কলকাতাসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসা-বাড়িতে কাজ করার সময় তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হয়। সেখান থেকে এম এম রেসকিউ, সংলাপ, তালাশ নামে  এনজিও সংস্থা ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। ৫ মাস থেকে ৬ বছর পর তারা দেশে ফিরে এসেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ বলেন, এসব নারী পুরুষরা সীমান্তের অবৈধ পথে বিভিন্ন সময়ে ভারতে যায়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করার সময় সেই দেশের পুলিশের হাতে আটক হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তারা জেলহাজতে যায়। পরে ভারতের ‘এম এম রেসকিউ, সংলাপ ও তালাশ’ নামে বেসরকারি এনজিও সংস্থা তাদের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। সেখানে বছর থাকার পর ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে আজ দেশে ফিরেছে।

ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, রাইটস যশোর ও মহিলা আইনজীবি নামে এনজিও সংস্থারা তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য সন্ধ্যায় থানা থেকে নিজম্ব শেল্টার হোমে নিয়ে গেছেন।

বাগেরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধ আহত

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় হারুন মাতুব্বর (৬৩) নামের এক বৃদ্ধ আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিন গাজিরঘাট এলাকার ডালিম মাতুব্বরের (৩২) হামলায় ওই বৃদ্ধ আহত হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় হারুণ মাতুব্বরকে উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বর আহত হারুণ মাতুব্বর দক্ষিন গাজিরঘাট এলাকার মৃত জেন্নাত আলী মাতুব্বরের ছেলে।

প্রতক্ষদর্শী হারুণ মাতুব্বরের ভাগ্নি লিয়া আক্তার বলেন, দুপুরে মামার নিজের জমিতে রাখা শুকনো ঠাল  জোরপূর্বক নিয়ে যাচ্ছিল ডালিম মাতুব্বর।ডাল নেওয়ার প্রতিবাদ করলে, ডালিম মাতুব্বর গালিগালাজ করে মামার (হারুণ মাতুব্বর) হাতে শাবল দিয়ে বাড়ি দেয়। মাথার উপর দাও দিয়ে কোপ দেয়।এতে মামার একটি হাত ভেঙ্গে গেছে। মামার মাথার অনেকাংশ কেটে গেছে। এছাড়াও কান থেকে রক্ত ঝড়ছে। কি হবে আল্লাহ জানেন।

লিয়া আক্তার আরও বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এর আগেও কয়েকবার আমার মামাকে মেরেছে ডালিম। মামাকে মারধরের মামলায় সে জেলও খেটেছে। আজকে মামাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। মামার উপর এই ধরনের ন্যাক্কার জনক হামলার বিচার চাই আমরা।

এবিষয়ে কথা বলার ডালিম মাতুব্বরকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মারধরে এক বৃদ্ধ আহতের ঘটনা শুনেছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ফকিরহাটের লখপুরে ৩৮ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছেন আপন ঠিকানা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসন ৩৮টি ভুমিহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করার জন্য খাজুরা বঙ্গবন্ধু পল্লী-০৪ পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে লখপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের খাজুরা সরকারী খাস জমিতে এই বঙ্গবন্ধু পল্লী-০৪ নির্মাণ করা হবে। ফলে ৩৮টি ভুমিহীন পরিবার তাদের সকল পরিবার পরিজন নিয়ে আপন ঠিকানায় মাথা গুজার ঠাই পেতে চলেছেন।

জানা গেছে, সরকারের নির্দ্দেশনা মোতাবেক যে সমস্ত পরিবার ভুমিহীন তাদের জমি ও ঘর তৈরী করে দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে মন্ত্রনালয় হতে একটি নির্দ্দেশনা আসে। যারই অংশ হিসাবে উপজেলা প্রশাসন লখপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে খাস জমি খোজ করে খাজুরা নামক স্থানে খাস জমি বের করেন। এবং সেই জমিতে ৩৮টি পরিবারকে ঘর তৈরী করে দেওয়ার সিধান্ত গ্রহন করা হয়। সে মোতাবেক বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ঘটনা স্থান পরিদর্শন করে স্থান নির্দ্ধারণ করেন। পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগম, লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম,ডি সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য শেখ আহম্মদ আলী, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা খুকুমনি বেগম ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহিদ ইকবাল প্রমুখ।

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৪

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে এককেজি ৫০ গ্রাম গাঁজা, ৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ৪০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মীরেরডাঙ্গার মৃত. সুলতান মোল্যার ছেলে মো. টুটুল মোল্যা (৩৯), আড়ংঘাটা থানাধীন রংপুর ঠাকুরানীতলার বিধান বৈরাগীর ছেলে বিশ্বজিৎ বৈরাগী (২৩), সদর থানাধীন মতলেবের মোড়ের মৃত. সরজিৎ বিশ্বাস এর ছেলে  মো. নাজিবুর রহমান ওরফে রাজিব (৩৯) ও  পূর্ব বানিয়াখামার এলাকার মৃত. আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে  মো. আবজাল হোসেন লিটন (৩০)। 

কেএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) রাশিদা বেগম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় এককেজি ৫০ গ্রাম গাঁজা, ৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ৪০ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।