অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি।।
যশোরের অভয়নগরে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
শিশুটির বাবা লিয়াকত গাজীর অভিযোগ, তার মেয়ে উপজেলার বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত রবিবার বিদ্যালয়ে টিফিনের সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যায় শিশুটি। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বুইকারা গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ইমরান হোসেন সেখানে প্রবেশ করেন। শিশুটিকে একা পেয়ে তিনি ধর্ষণ করেন, এতে শিশুটির রক্তপাত হতে থাকে।
ঘটনার পর ভয়ে শিশুটি কাউকে কিছু জানায়নি। বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফিরে যায় সে। পরদিন সকালে মা বিদ্যালয়ে যেতে বললে অস্বীকৃতি জানায় শিশুটি। একপর্যায়ে মায়ের কাছে ঘটনার কথা খুলে বলে। পরে শিশুটির শরীরে রক্তাক্ত জখম দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে অভয়নগরের ইউএনও শেখ সালাহ উদ্দিন দিপু ও থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে যান। তারা শিশুটি ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে শিশুটিকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান ইউএনও শেখ সালাহ উদ্দিন দিপু।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলিয়া আফরিন ও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরের পর স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।











































