গোলাম মোস্তফা, আশাশুনি ।।
আশাশুনি উপজেলার খাজরায় পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল এর বাড়ির ছাদ থেকে গুলিবর্ষণ ঘটনা নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান, পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুল, তার সহযোগি সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেছেন পুলিশ। এলাকার মানুষের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক ও চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবীর জানান, নৌকা প্রতীক নিয়ে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ নেওয়াজ ডালিম বাদী হয়ে তার কর্মীদের উপর গুলি বর্ষণের ঘটনায় পরাজিত বিদ্রোহী প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম মোল্যাসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ৪, তাং ৬/১/২২। অপরদিকে, ওহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলা নং ৫, তাং ৬/১/২২। প্রথম মামলায় পরাজিত প্রার্থী ওহিদুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ, দিদারুল ইসলাম রাব্বিসহ ৪ জনকে এবং ২য় মামলায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম ও মোস্তাকিম মোল্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যান ডালিম কর্মী সমর্থকদের নিয়ে তুয়ারডাঙ্গায় এক মেম্বার প্রার্থীর সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে পরাজিত প্রার্থী ওহিদুল ইসলামের বাড়ির ছাদের ওপর থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে বিক্ষুব্ধ জনতা ওহিদুলের বাড়িতে পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তখন ছাদের উপর থেকে অসংখ্যবার গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ১২ জন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ২০জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ ওহিদুলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ওহিদুলের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র, বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ব্যবহৃত গুলির খোসা জব্দ করেছে।










































