খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ২১টি সমঝোতা স্মারক, দুটি অনুদান চুক্তি এবং একটি অভিপ্রায়পত্র সই হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) এসব চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। সরকারি পর্যায়ে চারটি সমঝোতা স্মারক এবং বেসরকারি খাতে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। উপকূল নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১৩.৪৪ মিলিয়ন ডলারের একটি অনুদান চুক্তি সই করেছে জাপান সরকার।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে দেশটিতে চার দিনের সফরে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতা কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়াই এই সফরের লক্ষ্য।
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
সই হওয়া চুক্তি ও সমঝোতাগুলো :
১. বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়াতে টহল জাহাজ সরবরাহে অনুদান চুক্তি।
২. জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়নসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।
৩. জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
৪. দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি (ইএসডিপি) বাস্তবায়ন ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।
৫. জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।
৬. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সহযোগিতা বাড়াতে জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অভিপ্রায়পত্র (এলওআই)।











































