Home আঞ্চলিক শেখ রাসেল দিবস সোমবার: খুলনা জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

শেখ রাসেল দিবস সোমবার: খুলনা জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ

25

তথ্য বিবরনী।।

 আগামীকাল ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

১৮ অক্টোবর সকাল সাতটায় খুলনা সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ‘শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ^াস’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ, সুবিধাজনক সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযথভাবে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন করা হবে। দুপুর একটায় শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে কেক কাটা, উন্নতমানের খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিকাল চারটায় সার্কিট হাউজে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। বাদ যোহর সকল মসজিদে দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।

খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির অক্টোবর মাসের সভা আজ (রবিবার) জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খুলনা নগরীর দুইটি বেসরকারি হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট ২১ জন করোনা রোগী ভর্তি আছেন। দৈনিক করোনা শনাক্তের হার তিন শতাংশের নিচে থাকছে। এ পর্যন্ত খুলনা জেলায় ১১ লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ করোনা ভ্যাকসিনের জন্য আনলাইনে নিবন্ধন করেছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে খুলনায় ১৩ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, উপজেলাসমূহে অনুমোদনবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অতিশীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে বিগত ৪ অক্টোবর থেকে আজ পর্যন্ত জেলায় ২৫টি মোবাইলকোর্ট এবং দুইশত ছয়টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আকমল হোসেন জানান, খুলনার সকল উপজেলার টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক স্ক্রিনিং চলছে। এর আওতায় প্রতি উপজেলার দুই হাজার পাঁচশত টিউবওয়েলের পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিকের মাত্রা নির্ণয় করা হবে।

    প্রত্নতত্ত্ব দপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা জানান, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রত্নতত্ত্ব দপ্তরের অধীনস্থ খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর এবং দক্ষিণডিহি রবীন্দ্রনাথের শশুরবাড়ি আগামী ১৮ অক্টোবর বেলা দেড়টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে।

    সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, মাদকের ক্ষতি সম্পর্কে তরুণ ও যুবসমাজকে সচেতন করতে স্কুল-কলেজে প্রচারণা চালাতে হবে। জেলার নির্মাণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনসমূহ সঠিক মানে নির্মাণ করা হচ্ছে কিনা, তা তদারকি করতে সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নিদের্শনা দেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সব বাজারে মূল্যতালিকা টাঙানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনানুযায়ী পণ্য ক্রয়ে ক্রেতা প্রতারিত হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ দপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ী বা সেবা সরবরাহকারী দোষী সাব্যস্ত হলে তার থেকে আদায় করা জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারী পাবেন। জনস্বার্থে এটি প্রচারের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ দেন।

    সভায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোঃ আসাদুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভাশেষে একই স্থানে জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা এবং জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ^ হাত ধোয়া দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে রচনা এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং শিশু একাডেমির খুলনা জেলা কার্যালয় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

          মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগিতার ক-বিভাগ ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার শব্দের মধ্যে, খ-বিভাগ উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার পাঁচশত শব্দের মধ্যে এবং গ-বিভাগ ¯স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুই হাজার পাঁচশত শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে। সকল বিভাগের জন্য রচনার বিষয়: ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাদক নির্মূলের গুরুত্ব। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ক-বিভাগ প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। বিষয়: ‘শিশুদের বঙ্গবন্ধু’। মাধ্যম: উন্মুক্ত। খ-বিভাগ চতুর্থ থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। বিষয়: ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ’। মাধ্যম: প্যাস্টেল রং এবং গ-বিভাগ সপ্তম থেকে ১০ শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। বিষয়: ‘বঙ্গবন্ধুর, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’। মাধ্যম: প্যাস্টেল রং।

          মহান স্বাধীতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রচনা প্রতিযোগিতা ক-বিভাগ ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার শব্দের মধ্যে, খ-বিভাগ উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক হাজার পাঁচশত শব্দের মধ্যে এবং গ-বিভাগ স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দুই হাজার পাঁচশত শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে। সকল বিভাগের বিষয়: ‘বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা’। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ক-বিভাগ প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। বিষয়: ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধ’। মাধ্যম: উন্মুক্ত। খ-বিভাগ চতুর্থ থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। বিষয়: ‘ মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো’। মাধ্যম: প্যাস্টেল রং এবং গ-বিভাগ সপ্তম থেকে ১০ শ্রেণি ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। বিষয়: ‘বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা’। মাধ্যম: প্যাস্টেল রং।

         একই প্রতিযোগি মুজিববর্ষ এবং মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাংকন উভয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। রচনা এ-ফোর সাইজের সাদা কাগজের এক পৃষ্ঠায় লিখতে হবে। বাংলা ভাষায় স্পষ্টাক্ষরে স্বহস্তে লিখতে হবে। কোন ক্রমেই রচনার ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়। রচনার প্রথম পৃষ্ঠায় প্রতিযোগির নাম, পিতা/অভিভাবকের নাম, মাতার নাম, পত্র যোগাযোগের ঠিকানা, টেলিফোন/মোবাইল নম্বর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, অধ্যয়নরত শ্রেণি ও রোল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। চিত্রাংকনের ক্ষেত্রে ১৬ গুণ ১১ ইঞ্চি সাইজের কার্টিজ কাগজে ছবি আঁকতে হবে। ছবির সাথে আলাদা কাগজে প্রতিযোগির নাম, পিতা/অভিভাবকের নাম, মাতার নাম, পত্র যোগাযোগের ঠিকানা, টেলিফোন/মোবাইল নম্বর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, অধ্যয়নরত শ্রেণি ও রোল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। রচনা ও চিত্রাংকন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দাখিল/প্রেরণ করতে হবে। এছাড়া রচনা ও চিত্রাংকন পৃথক পৃথক খামের ওপর মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী লিখে জমা দিতে হবে। রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বিষয় খাতার শিরোনামে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

         রচনা ও ছবি বাড়ি থেকে লিখে ও এঁকে আগামী ২৫ অক্টোবর দুপুর ১২টার মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় অথবা বাংলাদেশ শিশু একাডেমির খুলনা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।