মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া ।।
খুলনার দাকোপের বাজুয়া – দিগরাজ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ। খেয়াঘাটের পারাপাররত যাত্রীদের কাছ থেকে জানা যায় বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাটে পার হতে গেলে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টোল। জলদি ট্রলার দিয়ে যাত্রী পার করে জন প্রতি নিচ্ছে কোন দিন ২০ টাকা, কোন দিন ১৫ টাকা, মোটরসাইকেল ১০০ টাকা, বাইসাইকেলসহ লোক ২৫ টাকা আর মাল থাকলে তো কথা নাই বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন রকম। যাত্রীরা বলেন সরকারি চাটে আছে খেয়াঘাটের ট্রলার দিয়ে পার করে যাত্রী প্রতি নিতে হবে ৫ টাকা। মোটরসাইকেল সহ যাত্রী ১০ টাকা, বাইসাইকেলসহ যাত্রী ৮ টাকা সেখানে ঘাটের তো কোন ট্রলার নাই জলদি ট্রলার দিয়ে ঘাটের যাত্রীদের পার করে আসছে সেই করোনা ভাইরাস শুরু হওয়া থেকে আজ পর্যন্ত। বাজুয়ার যাত্রীরা জানতে চায় সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে ও দায়িত্ব রত প্রশাসন ও আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতাদের কাছে এই ভাবে চলবে কতদিন। এলাকার জনগণ জানতে চায় লকডাউন তুলে দেওয়ার পর থেকে সারাদেশের নৌযান ও সড়ক পরিবহনের ভাড়া কমানো হয়েছে তবে বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাটের ভাড়া কেন সরকারি রেট চাট হিসেবে নেওয়া হবে না। এছাড়া কৈলাশগন্জের বুড়িরডাবুর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী অরুন সরকার বলেন আরো অভিযোগ রয়েছে ঘাটে কোন সরকারি রেট চাট নাই তাই খেয়াল খুশি মতো টাকা আদায় করছে ঘাট ইজারাদাররা। আমি প্রতিদিন দিগরাজে আসি মাছ বিক্রয় করতে ও যাওয়ার সময় বরফ নিয়ে যাই কি বলবো এই ঘাটের কথা এরা মনে যা চায় তাই নিয়ে থাকে প্রতিবাদ করতে চাইলে মাঝিরা ও ঘাটের লোকেরা মারতে আসে জানিনা এরা এতো সাহস কোন জায়গা থেকে পায়। আমরা জনগণ এদের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। তিনি বলেন কার কাছে অভিযোগ করলে এর প্রতিকার পাবো বলেন।

একই কথা বলেন প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে পার হওয়া যাত্রী চুনকুড়ি গ্রামের রাজেস খান তিনি বলেন এদের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে বলতে পারেন সাংবাদিক ভাই কার কাছে অভিযোগ করলে এর হাত থেকে আমরা মুক্তি পাবো। প্রতিদিন যা আয় করি তা যদি পথেই দিয়ে যেতে হয় তাহলে কি ভাবে আমরা চলবো আমার মনে হয় বাংলাদেশে এরকম ভাড়া কোন ঘাটে নাই। প্রতিবাদ করে কোন কাজ হয় না এদের বিরুদ্ধে এরা টাকা দিয়ে সব কিছু ম্যানেজ করে নেয়। আর যারা আইন প্রয়োগ করবে তারাও নিরব প্রশাসনের নাখের ডুগায় থেকে এরা এভাবে জুলুম করে যাচ্ছে দিনের পর দিন কিভাবে। সকলের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘাটের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা জানতে চাইলে জলদি ট্রলার মাঝিরা বলে ১৫ টার অর্ধেক দিতে হয় ঘাট ইজারাদারকে আর অর্ধেক পাই আমরা। একই কথা বলেন ঘাটে টাকা আদায় কারি জিয়া তিনি বলেন ঘাটে ডাক বেশি তাই টাকা বেশি নিতে হচ্ছে আমাদের করার কিছু নাই। জানা যায় এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী পার হয়ে থাকে আর ঘাটের অবস্থারও বেহাল দশা, দীর্ঘ বাঁশের সাকুর উপর দিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে গিয়ে ভুগান্তির শেষ নাই, যেন দেখার কেউ নাই। এক কথায় মরার পর খারার ঘা। খুলনা বিভাগীয় কমিশন অফিস সূত্রে জানা যায় বাজুয়া- দিগরাজ খেয়াঘাট এটা আন্ত-জেলা খেয়াঘাট। বছরে এই ঘাটের ডাক প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। যাত্রীদের দাবি সরকার যেখানে এই ঘাট দিয়ে বছরে এতো টাকা রাজস্ব আদায় করছে আর সেই ঘাটের অবস্থা এই। দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু বিশ্বাসের কাছে জানালে তিনি বলেন অভিযোগ সত্য হলে অতিরিক্ত টোল আদায় করার কারণে অচিরেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই যাত্রীরা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।











































