করোনাভাইরাসে মৃত্যুর দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি মানুষের। এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮৪ জনের। সেখানেই এবার সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কমিটির রিপোর্টে এই তৃতীয় ঢেউ শুরুর বিষয়ে জানানো হয়েছে। ওই ঢেউ আগামী অক্টোবরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এবারের ঢেউতে প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুরাও ঝুঁকিতে আছে বলে জানানো হয়েছে।
গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা ও তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, ভারতে করোনার সংক্রমণের উঠানামার সঙ্গে আমাদের দেশের সংক্রমণও অনেকটাই প্রভাবিত। দেশে এবছর দ্বিতীয় দফা লকডাউনের কারণ ছিল ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনার ভয়াবহ রূপ জাতি দেখেছে। তৃতীয় ঢেউয়ের ফলে দেশেও আবারও আগের পরিস্থিতি ফিরে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অক্টোবরে থাকবে দুর্গা পূজার মৌসুম। এই অক্টোবরেই করোনার ঢেউ সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠবে। এসময়ে এই পরিস্থিতিতে শিশুদের বিশেষত কোমর্বিডিটি (নানা রকম অসুখ-বিসুখ) থাকা শিশুদের নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিতের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ খুব একটা কমেনি। তারপরেও এইমাস থেকে পুরোদেশে বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও জোরালো ভ্যাকসিন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় নতুন করে কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতি আমাদের কাম্য নয়। গতবছর ও এবছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে, তাহলে দেশ আবারও কোনোধরণের লকডাউন ও মৃত্যুর মিছিলের মুখোমুখি হবে না বলে আমাদের আশাবাদ।











































