Home আঞ্চলিক অদ্ভুত আইনি বেড়াজালে পেশা বাঁচাতে হাইকোর্টে সুন্দরবনের জেলেরা

অদ্ভুত আইনি বেড়াজালে পেশা বাঁচাতে হাইকোর্টে সুন্দরবনের জেলেরা

9

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট ।।

এক অদ্ভুত আইনি জটিলতায় সুন্দরবন এলাকায় ট্রলারে কাকড়া আনা বন্ধ করেছে বন বিভাগ। এ অবস্থায় পেশা বাঁচাতে হাইকোর্টে এসেছেন ৬ জেলে। যাদের জীবিকার প্রধান মাধ্যম কাকড়া ধরা। আর এই ৬ জেলের করা রিটে জড়িত প্রায় ১ হাজার জেলের জীবিকা।

লকডাউনে যখন প্রকৃতির নীড় ছুয়ে সমুদ্রের তীরে ভীড়ছিলো কাকড়ার দল। ঠিক তখনই কাকড়া নিয়ে হাইকোর্টে এলে এক অদ্ভুত মামলা। সুন্দরবনের দুবলার চর। এখান থেকে নৌপথে খুলনার দূরত্ব ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার। যেখানে ডিঙি নৌকায় যেতে লাগে ৩০-৩৫ ঘণ্টা। ট্রলারে যেতে লাগে ৬ ঘণ্টা। এ এলাকার মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম মাছ ধরা।

আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়ায় কাকড়া ধরা এখন অনেক জেলার প্রধান পেশা। কিন্তু এক অদ্ভুত নিয়মের বেড়াজালে পড়ে গেছেন এখানকার ১ হাজার জেলে।

নিবন্ধন করা ট্রলারে পশুর নদী ব্যবহার করে মাছ পরিবহনের অনুমতি আছে বনবিভাগের। তবে অনুমোদন নেই কাকড়া বহনের। এমন দ্বৈত নীতি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন ৬ জেলে।

পশুর নদীর ট্রলার চলার সবশেষ তথ্য ২৫ আগস্টের মধ্যে জানাতে বলেছেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের বেঞ্চ। এরপর ঠিক হবে কাকড়াদের ভাগ্য।

জেলেদের দাবি, টাকার বিনিময়ে সেই রুটে কাকড়া যেতে দেয় বনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। তবে এই পথে বৈধ উপায়ে কাকড়া পরিবহনের অনুমতি চান জেলেরা।