কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ।।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্ত্রী খালেদার হাত ভেঙে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ৬ ঘণ্টা ফেলে রাখার পরও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি স্বামী রোকন প্রামাণিক (৪৫)। উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের দড়িকোমড়পুর গ্রামে গত ৫ আগস্ট এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার সুবিচারের আশায় খালেদা বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে কুমারখালী থানায়। রোকন প্রামাণিক নন্দলালপুর ইউনিয়নের দড়িকোমরপুর গ্রামের আজিজ প্রামাণিকের ছেলে।
নির্যাতনের শিকার খালেদার মা ফরিদা বেগম জানান, ১৬ বছরে তার মেয়ে কখনো সুখ পায়নি। বিয়ের পর থেকেই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মেয়েকে নির্যাতন করে তার জামাই। ১০ বছর আগে তার মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের এক পর্যায়ে ঘাড়ের ওপর আঘাত করলে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং পরীক্ষা করে ডাক্তার জানান ঘাড়ের শিরার মধ্যে রক্ত জমে ইনফেকশন হয়ে গেছে। রেস্টে না থাকলে তাকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু রেস্ট কখনো নেয়া হয়নি তার মেয়ে খালেদার।
তিনি জানান, ৪ দিন আগে কথাকাটাকাটির জেরে তার মেয়ের ঘাড়ে আঘাতের জায়গায় পুনরায় রোকন আঘাত করে। এ সময় খালেদা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙে ফেলে রেখে চলে যায়। বিকালের দিকে সংবাদ পেয়ে তারা মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেন।
তিনি আরও জানান, ডাক্তার বলেছেন- তার মেয়ের হাতের হাড় ফেটে গেছে। যে কারণে এবার বাধ্য হয়ে খালেদা তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।










































