০ বেনাপোল প্রতিনিধি
আবারও বেনাপোল স্থল বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। ভারত থেকে আমদানিকৃত কেমিক্যাল দাহ্য পদার্থ ব্লিচিং পাউডার পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাকে আগুন ধরে পণ্য সহ গাড়িটি পুড়ে ভস্মিভুত হয়েছে। এসময় আনছার ক্যাম্পের বিপরীত পাশের্^ ওয়্যারহাউজের মধ্যে থাকা আমদানি পণ্যবাহি ট্রাক দিক বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। বর্জপাথ থেকে আগুন ধরেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেন।
সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় প্রবল বর্ষা চলাকালীন সময় ভারতীয় এ ব্লিচিং পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন ধরে। এ সময় বৃষ্টির মধ্যেও আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ওয়্যার হাউজের ৩২ নং শেডের সামনে যশোর – বেনাপোল মহাসড়কের উপর ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়। এসময় শেডের ভিতর থাকা পণ্যবাহি ভারতীয় ও বাংলাদেশী ট্রাক গুলি দিক বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। তবে কিভাবে বৃষ্টির মধ্যে আগুন ধরেছে তা কেউ বলতে পারেনি। কেউ কেউ মন্তব্য করেছে বজ্রপাত থেকে আগুন ধরে থাকতে পারে।
পণ্য খালাসকৃত আল মোদারী নামে সিএন্ডএফ এজেন্ডকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য প্রায় ১০ দিন ধরে রাস্তার উপর ভারতীয় পুড়ে যাওয়া ওই ট্রাক সহ কয়েকটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরে পণ্য আনলোড করার জন্য অপেক্ষায় ছিল। এর আগেও ১০ টি কেমিকেল পণ্যবাহী ট্রাক দেড় মাস অপেক্ষা করার পর পণ্য বন্দরে আনলোড করে। সে সময় বন্দর ও ট্রাক চালকরা জানিয়েছিল কাগজপত্রে অসংলগ্নতা থাকায় বেশী সময় ওই ট্রাক গুলিকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন মাস্টার সুমন হেসেন বলেন, কি ভাবে আগুন লেগেছে তা এখন বলা সম্ভব না।
বেনাপোল সিএন্ডএফে কর্মরত জনৈক আজিজুর রহমান বলেন, ব্লিচিং পাউডার দাহ্য পদার্থ। এতে পানি লাগলে আগুন ধরে যায়। এর আগেও লিংক রোডে কয়েকটি ব্লিচিং পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন ধরে পণ্য সহ ট্রাকগুলি ভস্মিভুত হয়। ওই ট্রাক গুলিও ছিল ভারতীয়।
আব্দুস সালাম নামে একজন সিএনএন্ড এফ সদস্য বলেন আকাশের বজ্রপাত এর থেকে আগুন লাগতে পারে।










































