স্টাফ রিপোর্টার
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড স্যার ইকবাল রোড শাখার ৪কোটি ৬লাখ ১৩৫টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একজন ব্যবসায়ী ও ব্যাংকের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। দ-বিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯সহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে গতকাল বুধবার মামলা দায়ের করেছেন যার নং-১০/২০২০।
মামলার আসামিরা হলেন দৌলতপুরের ৩৪১/৬, খান এ সবুর রোডের মেসার্স সৌরভ ট্রেডার্সের মালিক মিতা ভট্টাচার্য্য ওরফে মিতা বাগচী (৫৩)। তিনি মহেশ্বরপাশা ৫৪/৩ সাহেবপাড়ার বাসিন্দা পাট ব্যবসায়ী সুজিত কুমার ভট্টাচার্য্য ওরফে লক্ষ্মণ ভট্টাচার্য্যরে স্ত্রী। অপর আসামি হলেন সোনালী ব্যাংক লিমিটেড স্যার ইকবাল রোড শাখার এ্যাসিসট্যান্ট অফিসার, বয়রা ১১নং রোডের বাসিন্দা মো. নুরুল আমিন। তিনি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সুজাবাদ এলাকার আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪-১৫ সালে পাট মৌসুমে মেসার্স সৌরভ ট্রেডার্সের মালিক মিতা ভট্টাচার্য্য ওরফে মিতা বাগচী পাট ক্রয়ের জন্য সোনালী ব্যাংক লিঃ স্যার ইকবাল রোড শাখা থেকে ৪কোটি টাকা ঋন নেয়। ২০১৭ সালের ১৭জানুয়ারি পর্যন্ত সুদাসলে ৫কোটি ২৮লাখ ২৯হাজার ১৩৭টাকা হয়। ব্যাংক কর্তৃপ ঋন সমন্বয়ের জন্য ঋনের বিপরীতে এফডিআর ভাঙ্গিয়ে ১কোটি ২২লাখ ২৯হাজার টাকা সিসি হাইপোথিকেশন জমা দেয়। বর্তমানে সুদাসলে ঋনের পরিমান ৪কোটি ৬লাখ ১৩৫টাকা। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির গুদামে থাকা পাটপন্য সোনালী ব্যাংক লিঃ’র এ্যাসিসট্যান্ট অফিসার (গোডাউন কিপার) মো. নুরুল আমিন অপর আসামি মেসার্স সৌরভ ট্রেডার্সের মালিক মিতা ভট্টাচার্য্য ওরফে মিতা বাগচীকে আত্মসাতের কাজে সহায়তা করেছেন।









































