স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর চাঁনমারী বাজার এলাকায় আল ফায়েত (১৭) নামের স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা মামলার আসামি হান্নানকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেছেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিলন কুমার মৈত্র আসামি হান্নানকে আদালতে হাজির করে ৭দিনের রিমা-ের আবেদন করেন। আদালত রিমা-ে শুনানির দিন রবিবার ধার্য করেছে। হান্নান নগরীর মতিয়াখালী ৬ষ্ঠ গলির হালিমের ছেলে। এ মামলায় বুধবার মেহেদী হাসান আসিফ (২০) নামের এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। নিহত ফায়েত খুলনা শিপইয়ার্ড মসজিদ গেট এলাকার মো. শওকত আলমের ছেলে। সে নগরীর বিকে ইনস্টিটিউট’র ৮ম শ্রেণির ছাত্র। এঘটনায় আহত ফায়েতের বন্ধু শুভ (১৮) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার এজাহারভূক্ত অপর আসামিরা হলেন গল্লামারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনের বাসিন্দা আবু সাঈদের ছেলে আশিক (২০), চাঁনমারী বাজার ২য় গলির জালালের ছেলে জিয়া (২০), চানমারী বাজারের আহম্মদিয়া বাইলেনের সালামের ছেলে আহাদ (১৯), চাঁনমারী বাজার কোয়ার্টার গলির জাকির হোসেনের ছেলে হাসিব (২০), মতিয়াখালীর ৫ম গলির বিলালের ছেলে আমান (২০), চাঁনমারী বাজার মাজার গলির বুলু’র ছেলে জনি (১৯), চাঁনমারী মেছের সড়কের জিয়ার ছেলে মিঠু (১৯), চাঁনমারী ২নং কালভার্ট এলাকার সুলতান শরিফের ছেলে আবির (১৯), একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে আসাদ (২০), চাঁনমারী ২য় গলির আলমের ছেলে মো. মারুফ (১৯) ও চাঁনমারী ২নং কালভার্ট এলাকার বাবুলের ছেলে খাইরুল (২৯)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, স্থানীয় শিপইয়ার্ড স্কুলের সামনে আড্ডা ও ছাত্রীদের উত্যক্ত করার ঘটনার জের ধরে গত ৯ফেব্রুয়ারি দু’পরে মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। সেই সুত্র ধরে ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার সময় চাঁনমারি বাজারে চুল কাটতে যাওয়ার পথে আসামিরা পুর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা চালায়। এসময় মাথায় প্রতিপরে লাঠির আঘাতে ফায়েত গুরুতর আহত হয়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে মাওয়া ফেরিঘাটের তার মুত্যু হয়। এঘটনায় গতকাল নিহতের পিতা বাদী হয়ে ১২জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪জনের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং-২০।










































