স্টাফ রিপোর্টার||
বিয়ের ভুয়া এফিডেভিট বানিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, গর্ভপাত ও লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মোঃ শামীম হোসেন (৫০) নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত মোঃ শামীম হোসেন নগরীর দৌলতপুর থানার মানিকতলা মেইন রোড এলাকার মৃত মোশাররফ হোসেনের ছেলে। তিনি একটি সরকারি কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
খুলনার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০৩-এ সোনাডাঙ্গা এলাকার এক ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা (৪৪) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।
মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে অভিযুক্ত শামীম হোসেন বাদীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাদীর বাসায় বসে ২০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযুক্ত। আনুষ্ঠানিক রেজিস্ট্রি কাবিন না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বাদীর সাথে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
মামলার আরজিতে আরও অভিযোগ করা হয়, শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী গর্ভবতী হয়ে পড়লে অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁর গর্ভের সন্তান নষ্ট (ভ্রূণ নষ্ট) করেন। এছাড়া ব্যবসার কথা বলে বাদীর কাছ থেকে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা বিকাশ ও নগদ অর্থে লেনদেন হয়েছিল।
পরবর্তীতে কাবিননামা ও স্ত্রীর অধিকারের দাবি জানালে গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত শিক্ষক শামীম হোসেন বিয়ে অস্বীকার করেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। সোনাডাঙ্গা থানায় আইনি সহায়তা না পেয়ে ভুক্তভোগী নারী ট্রাইব্যুনালে এ মামলা দায়ের করতে বাধ্য হন।










































