Home জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের আল্টিমেটাম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের আল্টিমেটাম

9

চলতি মাসের ২৬ মার্চের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চেয়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক নাগরিক সমাবেশে বক্তারা এসব দাবি করেন। পরে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের মোড়ে তাদের আটকে দেয় পুলিশ।

কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুসহ সব হত্যার বিচার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে বুধবার এই নাগরিক সমাবেশ ডাকা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিশিষ্ট আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল  ইসলাম বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড মহাসচিব কাউন্সিলের নঈম জাহাঙ্গীর, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা চৌধুরী। এ ছাড়া আরও ছিলেন সাংস্কৃতিক সংগঠন সমগীতের সংগঠক বীথি ঘোষ, লেখক ও প্রাবন্ধিক অরূপ রায়, ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানসহ বিভিন্ন বাম সংগঠনের নেতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

এই সমাবেশ শেষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পৌঁছলে পুলিশি ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। তখন ব্যারিকেডের সামনে পদযাত্রা শেষ করেন ডা. জাফরুল্লাহর সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা। পদযাত্রা শেষে বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীরা আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তাদের কোথাও বাধা দেইনি। আমরা এখানে ব্যারিকেড দিয়েছি। কারণ এটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। আমরা তাদের বুঝিয়েছি। তারা সেটা মেনে নিয়ে তাদের বক্তব্য দিয়ে এখান থেকে চলে গেছেন।

-ঢাকা অফিস