ঢাকা অফিস
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার নাম আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা কমিটির সদস্য তালিকায় থাকায় বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপি। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মনোভাব ব্যক্ত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘একটি সাংবিধানিক পদের অধিকারীকে দলীয় পদে নিযুক্ত করা দেশের ইতিহাসে নতুন ঘটনা। এটা নিঃসন্দেহ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার কার্যালয়কে নগ্ন দলীয়করণের অপচেষ্টা।’ নজরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো কোনো সাংবিধানিক পদে দলীয় সমর্থক কাউকে নিয়োগ করার দৃষ্টান্ত থাকলেও সাংবিধানিক পদাধিকারীকে দলীয় পদে নিযুক্ত করার ঘটনা ১৯৭৫’র বাকশালের কমিটি গঠনের পর আর ঘটেনি। জনগণের অর্থে যাদের বেতন-ভাতা হয়, তাদের কাউকে বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের শক্তি ও সামর্থ্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত করা শুধু অন্যায় নয় অনৈতিকও বটে। দেশের বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার পদের নিরপেক্ষতা যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলকে দলীয় পদ বা অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন চিকিৎসার জন্যও ঘরের বাইরে যেতে অক্ষম, তখন তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে নড়াইলে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশে দেশবাসী বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।’










































