স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বাগদাড়ি নোয়াকাঠি গ্রামের ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক আসমাউল হোসেন মোড়ল ওরফে জীবন (২৮) হত্যা মামলার ৪ আসামীর প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দিয়েছে আদালত।
সোমবার (২২ ফেব্রƒয়ারি) দুপুরে বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেছেন। নিহত আসমাউল মোড়ল ডুমুরিয়ার বাগদাড়ি নোয়াকাঠি গ্রামের জহুরুল হক মোড়লের ছেলে। দ-প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার বান্দা উলোর ডাঙ্গা গ্রামের হরিচাঁদ রায় এর দু’ছেলে শুভংকর রায় (২৫), ও দিপংকর রায় (২৮), নিত্যরঞ্জন বিশ্বানের ছেলে অমিত বিশ্বাস (২৮) ও তালতলা গ্রামের মৃত. যতীশ চন্দ্র রায় এর ছেলে সুধাময় বালা ওরফে সুধা (৩০)। রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার অপর ৮ আসামীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, নিউটন বিশ্বাস, নৃপেন সরদার, কল্যাণ বাড়ই, প্রশান্ত বাগচী, সুদাশ বিশ্বাস, পবিত্র কবিরাজ ও অতিম বিশ্বাস।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াসিন আলী নথার বরাত দিয়ে জানান, ২০০৭ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে এ হত্যাকান্ড ঘটে। আসামীরা মোটরসাইকেল নিয়ে ডুমুরিয়ার রংপুরে যাওয়ার কথা বলে ১৯ অক্টোবর রাতে আসমাউলকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন ২০ অক্টোবর ডুমুরিয়ার খড়িয়ার ওয়াবদার নিকট থেকে বুকে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় আসমাউলের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামী করে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং- ১৪। ২০০৮ সালের ৬ আগষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক লস্কর জায়াদুল হক ১২জনের বিরুদ্ধে আদালতে চাজশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন খন্দকার মুজিবর রহমান।











































