স্টাফ রিপোর্টার::
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক সবার আগে করোনা টিকা নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা এবং সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, খুলনায় সর্বপ্রথম টিকা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নগরপিতা তালুকদার আব্দুল খালেক। আগামী রোববার সকাল ১০টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। সেখানে তিনি প্রথম টিকা নেবেন।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, করোনা টিকা নেওয়ার বিষয়ে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন চলছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এদিন প্রথমে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক টিকা নেওয়ার পর আমি টিকা নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। একই দিনে সরকারি অনেক কর্মকর্তা টিকা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আর যারা টিকা নিতে ইচ্ছুক তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। টিকা পেতে অবশ্যই নিজের এনআইডি ও মোবাইল নম্বরযুক্ত করে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের কাগজ দেখিয়ে তারপর টিকা নিতে হবে।
গত রোববার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় খুলনা মহানগরের স্কুল হেলথ ক্লিনিকে ১৬ হাজার ৮০০ ভায়ালে ১ লাখ ৬৮ হাজার ডোজ টিকা পৌঁছায়। টিকা সংরক্ষণ করা হচ্ছে নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকে।
প্রথম ধাপে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা সদর হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতাল, বিজিবি হাসপাতাল, তালতলা হাসপাতাল ও লাল হাসপাতালে করোনার টিকা দেওয়া হবে। আর উপজেলা পর্যায়ে স্ব স্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ টিকা দেওয়া হবে। প্রতিটি টিকাদানকারী টিমে দুজন টিকা প্রয়োগকারী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবী থাকবেন। টিকাদান কাজে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
নগরের টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালনা করবে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ। সফল বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে সভাপতি ও একই সংস্থার চিফ মেডিকেল অফিসারকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে উপদেষ্টা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সভাপতি ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।











































