খবর বিজ্ঞপ্তি::
সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে আজ ৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বেলা ১১:৩০টায় খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড়ে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবির প্রেক্ষিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের প্রতি সমর্থন না করায় ও প্রত্যাহারের দাবি করায় বাংলা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজলকে বরখাস্ত এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী ও বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক শাকিলা আলমকে অপসারণের সিন্ডিকেটের আদেশের প্রতিবাদে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন পরিষদ নেতা আফজাল হোসেন রাজু। সংহতি জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেনÑবিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম, খুলনা নাগরিক সমাজ আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. আ ফ ম মহসীন, খুবি শিক্ষক প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক মোঃ নুরুজ্জামান, খুলনা বিভাগীয় আয়কর আইনজীবী ফেডারেশনের সভাপতি এড. এস এম শাহ নেওয়াজ আলী, বাম গণতান্ত্রিক জোট ও গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, ওয়ার্কাস পার্টি (মার্কসবাদী) খুলনা জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক খান, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল খুলনা জেলা সম্পাদক এম হুমায়ুন কবীর, শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা ঐক্য পরিষদ খুলনার আহ্বায়ক রুহুল আমিন, সম্মিলিত নারী অধিকার ফোরাম খুলনার সাধারণ সম্পাদক এড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাইÑনিচসা’র খুলনার আহ্বায়ক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, নাগরিক নেতা এড. জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, মিজানুর রহমান বাবু, সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, কবি সৈয়দ আলী হাকিম, রোমেল রহমান, খুলনা ফিল্ম সোসাইটির সাহেদ রহমান শুভ, লেখক শিবির খুলনা সাধারণ সম্পাদক বরকত আলী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি আব্দুল করিম, টিইউসি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম চন্দন, মানবাধিকার নেতা শেখ আব্দুল হালিম, যুব ইউনিয়ন নেতা রবিউল ইসলাম রবি, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল কেন্দ্রীয় সদস্য নিয়াজ মুর্শেদ দোলন, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহ্বায়ক আল আমিন শেখ, সম্পাদক অনিক ইসলাম, খুবি সাবেক শিক্ষার্থী আল আমিন হাজরা, তন্ময় মুক্তাদির, ছাত্র সাধন ম-ল, আশিক বিশ্বাস প্রমুখ। বক্তারা বলেন, স্বৈরশাসক এরশাদের আমলে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্বদ্যিালয়ের সংবিধান স্বৈরতান্ত্রিক আইনের প্রতিফলন। পরবর্তীতে সামরিক স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও বেসামরিক স্বৈরাচার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হবার কারণে আজ পর্যন্ত এই সংবিধানের গণতান্ত্রিক রূপ দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে রাজনীতিমুক্তকরণের ঘোষণাকারী ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর রাজনীতি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরাই প্রকাশ্যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে তৎপর। ছাত্রদের ন্যায়সঙ্গত, যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিক ৫ দফা দাবীতে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানোর অপরাধে ১ জন শিক্ষককে বরখাস্ত এবং অপর ২ জন শিক্ষককে অপসারণে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট যে দ- দিয়েছে তা স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। ভিন্নমত পোষণকারীদের অন্যায়ভাবে দমন ও কণ্ঠরোধ করে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মুক্তবুদ্ধি চর্চা, দাবী-দাওয়া পেশ ও ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের অধিকার ও বাক স্বাধীনতা থাকা। বক্তারা অবিলম্বে বরখাস্তকৃত ১ জন শিক্ষক ও অপসারণকৃত ২ জন শিক্ষকের আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানান।











































