খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না হলে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিপর্যস্ত হতো। পিছিয়ে যেত বাংলাদেশ, আহত হতো গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন। বঙ্গবন্ধু’র স্বদেশ প্রবর্তন হয়েছিলো বলেই স্বাধীনতার পূর্ণতা পেয়েছিলো বাঙালি। বঙ্গবন্ধু ফেরার কারনেই মিত্রবাহিনী প্রত্যাহারে বাধ্য হয়েছিলো। বিশ্বের ইতিহাসে এতো কম সময়ে কোন দেশ থেকে মিত্র বাহিনী প্রত্যাহার হয়নি। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু’র চৌকষ ও দুরদর্শী নেতৃত্বের কারনেই মিত্র বাহিনী প্রত্যাহার সম্ভব হয়েছিলো। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে পুণ:গঠনের লক্ষ্যে আইন-শৃংখলা সহ সার্বিক পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণে আনতে ১০ লাখ অস্ত্র জমা নিয়েছিলেন। তিনি এ সকল অস্ত্র জমা না নিলে মুক্তিযুদ্ধ পরিণত হতো বিচ্ছিন্নতাবাদী যুদ্ধে। বাংলাদেশ কোন একটি দেশের প্রদেশে পরিণত হতো। জাতির পিতার এই তেজদীপ্ত চৌকষ দুরদর্শী রাজনীতির কাছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আপোষ করতে বাধ্য হয়েছিলো। তিনি আরো বলেন, স্বল্প সময়ে বাংলাদেশের এই উন্নতি শত্রু পক্ষ ভালো ভাবে নিতে না পেরে ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, হত্যা করা হয়েছিলো বাংলার গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, লুণ্ঠিত হয়েছিলো সংবিধান। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাড়িয়েছে। উন্নত বিশ্বের কাতারে আজ বাংলাদেশ। তিনি দলের নেতাকর্মী সহ খুলনাবাসির প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করি।
গতকাল রবিবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বেগ লিয়াকত আলী, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, আবুল কালাম আজাদ কামাল, খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মফিদুল ইসলাম টুটুল, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, এ্যাড. একেএম শাহজাহান কচি, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, রনজিত কুমার ঘোষ, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মীর বরকত আলী, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। সভা পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ শহীদুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আলমগীর কবির, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোস, হাফেজ মো. শামীম, শেখ নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, কাউন্সিলর শেখ মোশারফ হোসেন, আব্দুল্লাহ হারুন রুমি, আজগর আলী মিন্টু, অধ্যা. রুনু ইকবাল, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, শহিদুল ইসলাম বন্দ, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান সাগর, এস এম আকিল উদ্দিন, কেন্দ্রিয় শ্রমিক লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম জাফর, কেন্দ্রিয় কৃষক লীগের সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাদশা, মো. মোতালেব মিয়া, শেখ মো. আবু হানিফ, অধ্যা. আবুল বরকত মুকুল, চ. ম. মুজিবর রহমান, শেখ আব্দুল আজিজ, মো. জাকির হোসেন, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. শেখ ফারুক হোসেন, এমরানুল হক বাবু, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মীর মো. লিটন, আলী আহমেদ, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর কনিকা সাহা, নূরীনা রহমান বিউটি, নুরজাহান রুমি, তাসলিমা আক্তার, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, আইরিন চৌধুরী, নাসরিন আক্তার, মেহজাবিন খান, মো. আমির হোসেন, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, শেখ আব্দুল কাদের, মো. কামরুল ইসলাম, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, ইয়াছিন আরাফাত দেবু, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, শেখ আব্দুল কাদের, আব্দুর রহিম খান, মো. শহিদুল হাসান, জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, ঝলক বিশ্বাস, দিদারুল আলম, মাহামুদুল হাসান সুজন, ইবনুল হাসান, মাহমুদুর রহমান রাজেস, আব্দুল কাদের সৈকত, এম এ হোসেন সবুজ, শাহীন আলম, চয়ন বালা, নিশাত ফেরদৌস অনি, ওমর কামাল, আতিকুর রহমান সোহাগ সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সভার শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ১৫ আগস্টে নিহত এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং খুলনা প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু’র ভাস্কর্য্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।









































