ঢাকা অফিস
এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ২৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে. এম. ইমরুল কায়েশ এই আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে ধানমন্ডির দুটি ফ্ল্যাটসহ পিকে হালদারের স্থাবর সম্পদ জব্দের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন। দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালের ফ্ল্যাটসহ দু’টি ফ্ল্যাট জব্দ করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুদক উপপরিচালক তদন্ত কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন স্বাক্ষরিত আবেদনটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজের কাছে পেশ করা হয়। রাজধানীর ধানমন্ডির ১০/এ সাত মসজিদ রোডে ৩৯ নম্বর বাড়ির ১২/ই ফ্ল্যাটটি এই অবন্তিকার নামে। এছাড়াও ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ৬ নং রোডের পুরাতন ২১ নং ও নতুন ১৭ নং প্লটে নির্মিত ১৪ তলা বাড়ির সপ্তম তলায় ২ হাজার ৬০৩ বর্গফুটের এ-৭ নং ফ্ল্যাটটিও ক্রোকের আবেদন করা হয়।
আরো জানা গেছে, অবন্তিকা বড়াল রাজধানীর ধানমন্ডির ১০/এ সাত মসজিদ রোডে ৩৯ নম্বর বাড়ির ১২/ই ফ্ল্যাটে থাকতেন। গতকাল সোমবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক থেকে ডাকা হলে তিনি যথাসময়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হননি। বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
পিকে হালদার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। গ্রাহকদের অভিযোগের মুখে চলতি বছরের শুরুতেই পিকে হালদার বিদেশ পালিয়ে যান। গত ৮ জানুয়ারি ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ২৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
এদিকে পিকে হালদারকে দেশে আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের সহায়তায় আবেদন করে কমিশন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে করা সব মামলার নথি চেয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)।









































