বিজয় সরকারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
নড়াইল প্রতিনিধি
এই পৃথিবী যেমন আছে/ তেমনিই ঠিক রবে/ সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে…। এই গানের রচয়িতা অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুরস্রষ্টা চারণকবি বিজয় সরকারের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। বার্ধ্যকজনিত কারণে ১৯৮৫ সালের এই দিনে তিনি কলকাতায় পরলোকগমন করেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কেউটিয়ায় তাকে সমাহিত করা হয়। বিজয় সরকার ১৩০৯ বঙ্গাব্দের ৭ ফাল্গুন নড়াইলের নিভৃতপল্লী ডুমদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম নবকৃষ্ণ অধিকারী ও মা হিমালয়া দেবী। বিজয় সরকারের দুই স্ত্রী-বীণাপানি ও প্রমোদা অধিকারীর কেউই বেঁচে নেই। সন্তানদের মধ্যে কাজল অধিকারী ও বাদল অধিকারী এবং মেয়ে বুলবুলি অধিকারী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন।
বিজয় সরকারের প্রকৃত নাম বিজয় অধিকারী। সঙ্গীত সাধনার জন্য তিনি ‘সরকার’ উপাধি লাভ করেন। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। এই গুণী মানুষটির বসতভিটা পড়ে রয়েছে অযত্ন ও অবহেলায়। বিজয় সরকারের বাড়িতে যাতায়াতের কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণ করা হলেও এই সাধকের বসতবাড়ি ঘিরে সংগ্রহশালা, গবেষণা ও সঙ্গীত চর্চা কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রস্তাব উপেক্ষিত হওয়ায় অসন্তোষ জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ এলাকাবাসীর। কবিকণ্ঠের গান এবং সংগ্রহশালা নির্মাণের দাবিও রয়ে গেছে উপেক্ষিত।
বিজয় সরকারের মৃত্যুর পর অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে তার বসতভিটা। শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হন। এবার ‘কণ্ঠযোদ্ধা’ হিসেবে বিজয় সরকারকে ‘স্বাধীনতা পদক’ দেয়ার দাবি উঠেছে।











































